Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > ফায়ারফক্সের বহুমুখী ব্যবহারে অ্যাড-অন্স
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: মো: লাকিতুল্লাহ প্রিন্স
মোট লেখা:৩২
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০০৯ - ফেব্রুয়ারী
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
ইন্টারনেটমজিলা ফায়ারফক্স, 
তথ্যসূত্র:
ইন্টারনেট
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
ফায়ারফক্সের বহুমুখী ব্যবহারে অ্যাড-অন্স
ব্রাউজার হিসেবে মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করেননি এমন ইউজারের সংখ্যা হয়তো খুব কমই। আসলে ওপেনসোর্সভিত্তিক ফ্রিওয়্যার এই ব্রাউজারটির সুবিধাগুলো এমন যে তা খুব সহজেই বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। ফায়ারফক্স আসলে স্বাধীনচেতা ও নিবেদিতপ্রাণ অসংখ্য প্রোগ্রামের পরিশ্রমের ফসল। ব্রাউজার হিসেবে ফায়ারফক্স থেকে পাওয়া বহুমুখী সুবিধাই মূলত এই জনপ্রিয়তার কারণ। প্রধান তিনটি অপারেটিং সিস্টেম- উইন্ডোজ, লিনআক্স ও ম্যাকিনটশের জন্যই ফায়ারফক্সের কম্প্যাটিবল ভার্সন রয়েছে। w3schools.com থেকে পাওয়া সূত্র অনুসারে ডিসেম্বর ২০০৮-এ ব্যবহারকারীর শতকরা হিসেবে বিভিন্ন ব্রাউজারের জনপ্রিয়তার পরিসংখ্যান এখানে উল্লেখ করা হলো :

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার-৭ : ২৬.১%
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার-৬ : ১৯.৬%
গুগল ক্রোম : ৩.৬%
মজিলা ফায়ারফক্স : ৪৪.৪%
সাফারি : ২.৭%
অপেরা : ২.৪%

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার থেকে তুলনামূলক নতুন হওয়া সত্ত্বেও ফায়ারফক্সের জনপ্রিয়তা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারকে ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটে প্রবেশ করে যদি আগের মাসগুলোর পরিসংখ্যান লক্ষ করা হয় তাহলে সহজেই অনুমেয়, অল্প সময়ের মধ্যে অন্য সব ব্রাউজারকে ছাড়িয়ে জনপ্রিয়তার দিক থেকে ফায়ারফক্স অনেক উপরে অবস্থান করবে।



বিশ্বের ৪৫টিরও বেশি ভাষায় ফায়ারফক্স ব্যবহার করা যাচ্ছে। এটা হলো বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা মজিলা কমিউনিটি সদস্যদের প্রচেষ্টার ফসল। সবচেয়ে আনন্দের ব্যাপার হলো ফায়ারফক্স এখন বাংলাতেও ব্যবহার করা যাচ্ছে। তবে এটি ভারতীয় বাংলা। সম্ভবত ভারতীয় বাঙালীদের উদ্যোগে এ ভার্সনটি বের হয়েছে। বাংলা ভার্সনটি ডাউনলোড করার জন্য http : //www.mozilla.com/en-US/firefox /all.html লিঙ্কে প্রবেশ করুন।

এ লেখার উদ্দেশ্য হলো ফায়ারফক্সের বিভিন্ন অ্যাড-অন্সের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া ও ফায়ারফক্সে কীভাবে অ্যাড-অন্স ইন্টিগ্রেট বা যোগ করে একে নানমুখী কাজে লাগানো যায়।

এক্সটেনশনস অ্যাড-অন্স প্লাগইনস ও থিমস

ফায়ারফক্সের অ্যাড-অন্স হলো এমন কিছু ক্ষুদ্র সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম যা ফায়ারফক্সের বিভিন্ন ফাংশনালিটি ও ফিচার বাড়িয়ে দেয়। বিভিন্ন ধরনের অসংখ্য অ্যাড-অন্স রয়েছে যা ফায়ারফক্সের সাথে যুক্ত করে নিলে নির্দিষ্ট কিছু অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যায়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- ‘জি-মেইল ম্যানেজার’ নামে একটি অ্যাড-অন্স ফায়ারফক্সের সাথে যুক্ত করে নিলে ব্রাউজারের স্ট্যাটাসবারে জি-মেইলের ইনবক্স মেইল স্ট্যাটাসসহ আরো অনেক কিছু দেখা যাবে, যা ইউজারকে জি-মেইল অ্যাকাউন্ট লগইন করার জন্য প্রয়োজনীয় সময় ও কিছু্টা ঝামেলা থেকে বাঁচায়। অ্যাকাউন্টে লগইন না করে নতুন কোনো মেইল আসলে তার সংকেত বার্তা ব্রাউজারের স্ট্যাটাসবার থেকেই পাওয়া যায়।



থিম ফায়ারফক্সের আউটলুকিংয়ে পরিবর্তন আনে, যা ইউজার ইন্টারফেসকে কাস্টোমাইজ করার সুযোগ দেয়। এমন কিছু ফিচার বা ফাংশনালিটি আছে যা ব্রাউজারের মৌলিক কার্যবিধির মধ্যে পড়ে না। প্লাগইনস এই বাড়তি কিছু ওয়েব ফাংশনালিটি ব্রাউজারকে সাপোর্ট করতে সাহায্য করে। ইদানীং ওয়েবসাইটকে আরো আকর্ষণীয় করার জন্য ফ্ল্যাশের ব্যবহার অনেক বেড়ে গেছে। আপনার ব্রাউজারে যদি ফ্ল্যাশফাইল সাপোর্ট করার জন্য প্লাগইনস ইনস্টল করা না থাকে তাহলে ওই অংশটুকু দেখতে পাবেন না। শকওয়েভ প্লাগইনসটি ইনস্টল করা থাকলে এ সমস্যাটা দূর হয়।

ফায়ারফক্সে অ্যাড-অন্স যুক্ত করা

দু’ভাবে ফায়ারফক্সে অ্যাড-অন্স যুক্ত করা যায়। ফায়ারফক্সের মেনুবার থেকে অ্যাড-অন্স অপশনের সাহায্যে এবং মজিলার সাইট ব্রাউজ করে সেখান থেকে অ্যাড-অন্স খুঁজে নিয়ে।



প্রথম পদ্ধতিটি দেখা যাক। ওয়েবসাইট থেকে সাধারণভাবে ফাইল ডাউনলোডের মতো ইউটিউব বা এধরনের সাইট থেকে ভিডিও ফাইলগুলো সহজে ডাউনলোড করা যায় না। ফায়ারফক্সের কিছু অ্যাড-অন্স রয়েছে, যা এধরনের সাইট থেকে ভিডিও ডাউনলোডের কাজটি খুব সহজ করে ফেলেছে।

কেউ হয়তো অনুভব করল, ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করা যায় এমন কিছু দরকার। সমস্যাটি সমাধানের জন্য ফায়ারফক্সকে কীভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে তা নিচে উল্লেখ করা হলো।

প্রথমে ফায়ারফক্স ব্রাউজার চালু করতে হবে। মেনুবারের টুলস মেনু থেকে অ্যাড-অন্স সিলেক্ট করলে। ছোট একটি অ্যাড-অন্স উইন্ডো খুলবে। এবার ‘গেট অ্যাড-অন্স’ ট্যাবটি সিলেক্ট করতে হবে। সাধারণত প্রথমেই এই ট্যাবটি সিলেক্ট করা থাকে। বামপাশে একটি সার্চ বক্স দেখা যাবে। সার্চ বক্সে youtube downloader লিখে সার্চ আইকনে ক্লিক করলে কিছুক্ষণের মধ্যে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড সহায়ক কিছু অ্যাড-অন্স দেখা যাবে।

ছবিতে মোট ৪টি অ্যাড-অন্স এসেছে। এগুলো মধ্যে প্রথমটি অর্থাৎ অ্যান্ড ডট কম-টিউব ডাউনলোডারটিই ভালো মনে হিসেবে বিবেচিত। এবার ‘অ্যাড টু ফায়ারফক্স’ বাটনে ক্লিক করলে। কিছুক্ষণের মধ্যে ‘সফটওয়্যার ইনস্টলেশন’ উইন্ডো আসবে। ইনস্টল বাটনে ক্লিক করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে শেষে ফায়ারফক্স রিস্টার্টের জন্য রিস্টার্ট বাটনে ক্লিক করতে হবে। অ্যাড-অন্সটি সফলভাবে ইনস্টল হলো কিনা দেখার জন্য টুলস থেকে অ্যাড-অন্স সিলেক্ট করে উইন্ডোর ‘এক্সটেনশনস’ ট্যাবে ক্লিক করলে এক্সটেনশন লিস্টে নতুন ইনস্টল করা অ্যাড-অন্সটি দেখাবে।

এবার সাইটে www.youtube.com প্রবেশ করুন। আপনার পছন্দের ভিডিও ক্লিপটি খুঁজে বের করুন এবং সেটি ইউটিউবের প্লেয়ারে প্লে করুন। ইউটিউবের ফ্ল্যাশ প্লেয়ারে ওই ক্লিপ লোড হতে থাকবে। কিছুক্ষণের জন্য ছোট্ট একটি মেসেজ ভেসে উঠবে ওই ফাইলটি ডাউনলোড করার জন্য। ওই মেসেজের লিঙ্কে ক্লিক করলে ডাউনলোড শুরু হবে। এছাড়া ভিডিওক্লিপটি ফ্ল্যাশ প্লেয়ারে লোড হওয়ার সময় অ্যান্ট টুলবারের ‘ডাউনলোড’ বাটনে ক্লিক করলে ডাউনলোড শুরু হবে।

উল্লেখ্য, ইউটিউবে রাখা ক্লিপগুলো .flv এক্সটেনশনের বা ফরমেটের। এফএলভি ফরমেট সমর্থন করে এমন প্লেয়ার দিয়ে ফাইলগুলো চালাতে হবে। পিসিতে উইন্ডোজ সি ড্রাইভে ইনস্টল করা থাকলে এবং ইউজার লগইন নেম স্কাই হলে ফাইলগুলো C :\Documents and Settings\sky \Application Data\Mozilla\Firefox\Profiles \xi32ssf4.default\antbar লোকেশনে গিয়ে সেভ হবে।

এবার মজিলার সাইট থেকে অ্যাড-অন্স কীভাবে খুঁজে নিয়ে ইনস্টল করা যায় তা দেখা যাক। প্রথমে https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/ লিঙ্কে প্রবেশ করুন। অ্যাড-অন্স, থিম, প্লাগইনসগুলো এখানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে রাখা হয়েছে। আবার সার্চ করেও প্রয়োজনীয় অ্যাড-অন্সটি খুঁজে পাওয়া যায়। অ্যাডভান্সড সার্চিংয়ের মাধ্যমে আরো দক্ষভাবে প্রয়োজনীয় অ্যাড-অন্সটি খুঁজে আনা যায়। যে প্রধান ক্যাটাগরিতে অ্যাড-অন্স বা এক্সটেনশনগুলোকে বিন্যস্ত করা হয়েছে সেগুলো হলো- অ্যালার্ট অ্যান্ড আপডেট, অ্যাপিয়ারেন্স, বুকমার্ক, ডিকশনারি অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ প্যাক, ডাউনলোড ম্যানেজমেন্ট, ফিড নিউজ অ্যান্ড ব্লগিং, ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট, ফটো মিউজিক অ্যান্ড ভিডিও, প্লাসইনস, প্রাইভেসি অ্যান্ড সিকিউরিটি, সার্চ টুলস, সোস্যাল অ্যান্ড কমিউনিকেশন, ট্যাব, থিম, টুলবার, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি।

জি-মেইল ম্যানেজারের কথা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে। এই অ্যাড-অন্সটি খোঁজার জন্য এই পেজের সার্চ বক্সে গিয়ে ‘Gmail Manager’ লিখে সার্চ দিলে কিছুক্ষণের মধ্যে সার্চ-রেজাল্ট পেজটিতে লিস্ট আকারে দেখাবে।

এবার এখান থেকে ‘অ্যাড টু ফায়ারফক্স’ বাটনে ক্লিক করে আগের মতো করে ইনস্টল করতে হবে। উল্লেখ্য, অ্যাড-অন্সটি আপনার ব্যবহৃত ফায়ারফক্স ভার্সনের সাথে কম্প্যাটিবল কিনা তা ইনস্টলের আগে দেখে নিতে হবে।

প্রয়োজনীয় কিছু অ্যাড-অন্স

এই সাইটে অনেক অ্যাড-অন্স পাওয়া যাবে। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় কিছু অ্যাড-অন্স সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোকপাত করা হয়েছে।

মাউসলেস ব্রাউজিং :

শুধু কী-বোর্ড ব্যবহার করে সম্পূর্ণরূপে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার সুবিধা দেবে এই অ্যাড-অন্সটি। ওয়েবপেজের বিভিন্ন লিঙ্ক, বাটন ইত্যাদির পাশে কিছু ইউনিক নম্বর উল্লেখ করা থাকে। কোনো বাটনে ক্লিক করতে বা কোনো লিঙ্কে যেতে কী-বোর্ড দিয়ে ওই নম্বর টাইপ করে এন্টার প্রেস করলেই হবে।

ফক্স ক্লকস :

যাদেরকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বিভিন্ন প্রয়োজনে যোগাযোগ রাখতে হয় এবং যে ক্ষেত্রে ওই দেশগুলোর স্থানীয় সময় জানা খুব প্রয়োজন, তখন কাজে আসবে এই অ্যাড-অন্সটি। ব্রাউজারের স্ট্যাটাসবারে নিজের সিলেক্ট করে দেয়া দেশগুলোর স্থানীয় সময় দেখাবে।

ইয়াহু মেইল নোটিফায়ার :

এই অ্যাড-অন্সটি ইন্টিগ্রেট করে নিলে ব্রাউজারের স্ট্যাটাসবারে ইয়াহু মেইলের ইনবক্স স্ট্যাটাস জানা যাবে। এজন্য আলাদাভাবে মূল অ্যাকাউন্টে লগইন করে থাকার প্রয়োজন পড়বে না।

টাইম ট্র্যাকার :

কতক্ষণ ওয়েব ব্রাউজ করেছেন বা কোন ট্যাবে (সাইটে) কতক্ষণ সময় কাটিয়েছেন তার হিসেব রাখতে সাহায্য করবে।

জি-মেইল চেকার :

জি-মেইল অ্যাকাউন্টে নতুন কোনো মেইল আসলে জানান দেবে। ইনস্টলের পর এটি অবস্থান করে ব্রাউজারের স্ট্যাটাসবারে।

ফেসবুক :

ফেসবুকে দ্রুত অ্যাক্সেস করা ও এ সম্পর্কিত আরো নানা ধরনের ফিচারের জন্য এ টুলবার।

প্রে টাইম :

দৈনিক প্রার্থনার নির্দিষ্ট সময়গুলো জানিয়ে দেবে।

জিটক স্লাইডবার :

জি-মেইল অ্যাকাউন্টে লগইন না করে কিংবা গুগলটক সফটওয়্যারটি ইনস্টল করা ছাড়াই এই অ্যাড-অন্সের সাহায্যে সহজেই গুগল চ্যাট করা যায়।

স্ন্যাপ শটস :

প্রচলিত পদ্ধতিতে স্ক্রিন শট নেয়ার মাধ্যমে ইমেজ হিসেবে পিসির স্ক্রিনের শুধু দৃশ্যমান অংশটুকু পাওয়া যায়। এই অ্যাড-অন্সের সাহায্যে পুরো ওয়েব পেজ বা নির্দিষ্ট কোনো অংশের ইমেজ সহজে পাওয়া যায়।

ফ্ল্যাগফক্স :

বর্তমানে যে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করছেন সেই সাইটের সার্ভারের কান্ট্রি লোকেশনসহ আরো বিস্তারিত তথ্য দেখাবে।

ডিকারেন্সি :

বিভিন্ন দেশের কারেন্সি এক্সচেঞ্জ রেট বা মুদ্রা বিনিময় হার জানা যাবে।

এক্সটেনডেড স্ট্যাটাসবার :

অপেরা ব্রাউজারের স্ট্যাটাস যেসব প্যারামিটার ডিসপ্লে করে এই অ্যাড-অন্স ইনস্টল করলে একই সুবিধা পাওয়া যাবে। এতে পেজ লোডিং স্পিড, লোডিং টাইম, পেজের কত অংশ লোড হয়েছে, ইমেজ ইত্যাদি তথ্য জানা যাবে।

আইই ভিউ :

ফায়ারফক্স দিয়ে ব্রাউজ করার সময় সেটির যদি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ভিউ চান তাহলে এই অ্যাড-অন্স ব্যবহার করুন। এটি অনেকটা ফায়ারফক্সের মধ্য দিয়ে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে ব্রাউজিং।

ফায়ারবাগ :

যারা ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্টের সাথে জড়িত তাদের কাছে এই অ্যাড-অন্সটির গুরুত্ব অপরিসীম। কোনো ওয়েবপেজের গঠন বোঝা বা বিশ্লেষণের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

ফায়ারএফটিপি :

এটি একধরনের ফাইল ট্রান্সফার প্রটোকল। লোকাল পিসি থেকে সার্ভারে কিংবা সার্ভার থেকে লোকাল পিসিতে ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহার করা হয়।

ইমেজ জুম :

ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ে অনেক সময় ওয়েবপেজের ইমেজ বা পেজ বড় করে দেখার প্রয়োজন হয়। এই সুবিধাগুলো দেবে ইমেজ জুম অ্যাড-অন্সটি।

পাসওয়ার্ড মেকার :

পাসওয়ার্ড তৈরি করতে সাহায্য করবে। বিভিন্ন সাইট বা মেইলের জন্য আমরা হয়তো ঘুরেফিরে নির্দিষ্ট কিছু পাসওয়ার্ড ব্যবহার করি, যা অনেকক্ষেত্রে ক্ষতির কারণ হতে পারে। ভালো কিছু পাসওয়ার্ডের ধারণা পাওয়া যেতে পারে এখান থেকে।

স্মল স্ক্রিন রেন্ডারার :

কোনো সাইট মোবাইল ফোন বা বিভিন্ন হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইস থেকে ব্রাউজ করলে যে ধরনের ভিউ পাওয়া যায় তার ধারণা বা আউটপুট পাওয়া যাবে এখান থেকে।

এধরনের অসংখ্য অ্যাড-অন্স রয়েছে। নিজেকে সেগুলো খুঁজে নিতে হবে। আর এভাবে আপনার ফায়ারফক্স হয়ে উঠবে আরো আকর্ষণীয় একটি ব্রাউজার।
কজ ওয়েব

ফিডব্যাক : manikswapna@yahoo.com
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
২০০৯ - ফেব্রুয়ারী সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস