Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > ৩য় মত
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: কজ
মোট লেখা:১০৪১
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০০৯ - আগস্ট
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
মতামত
তথ্যসূত্র:
৩য় মত
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
৩য় মত



কমপিউটার জগৎ কর্তৃপক্ষের কাছে কিছু যৌক্তিক দাবি

প্রিয় কমপিউটার জগৎ-এর সব কলাকুশলী ও কর্মকর্তাকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। পাঠকদের মতামত বিভাগ ‘৩য় মত বিভাগ’, কিন্তু গত জুন ২০০৯ সংখ্যায় এই বিভাগটির অনুপস্থিতি কিছুটা হলেও মর্মাহত করেছে আমাদের। জানি না, আমার মতো সাধারণ পাঠকের মতামতের মূল্যায়নটা কোথায় হবে? ৩য় মত বিভাগের অনুপস্থিতিতে আমার কিছু মতামত আপনাদের কাছে উপস্থাপন করলাম, আশা করি ছাপাবেন।

আমি কমপিউটার জগৎ-এর একজন নিয়মিত পাঠক। আমাদের প্রিয় এই মাসিক কমপিউটার জগৎকে শুধু ম্যাগাজিনে সীমাবদ্ধ না রেখে একটি মিডিয়া বা টিভি চ্যানেল হিসেবে পাওয়ার আবেদন জানিয়ে আসছি। সেই সাথে এই জনপ্রিয় ম্যাগাজিনটিকে প্রযুক্তির রঙে রাঙানোর জন্য প্রযুক্তিগত ক্যুইজ ও ধাঁধার মাত্রাটা আরেকটু বাড়িয়ে কমপিউটার জগৎকে সাজানোর অনুরোধ জানিয়ে আসছি। পাঠকের এই আবেদনে সাড়া দিয়েই কি জুন ২০০৯ সংখ্যায় ক্যুইজ বিভাগের একমাত্র আকর্ষণ ‘গণিত ক্যুইজ’ বিভাগটির অনুপস্থিতি সৃষ্টি হলো। ব্যাপারটি আমার বোধগম্য নয়, যদি এই অনুপস্থিতি সাময়িক হয় এবং ক্যুইজ বিভাগের একমাত্র এই আকর্ষণটি যদি পুনরায় চালু হয় তবে কর্তৃপক্ষের কাছে আমার একটি প্রশ্ন রইল। এই বিভাগে ২টি প্রশ্নের কথা থাকলেও মাঝে মাঝে ৩টি প্রশ্ন দেয়া হয়। কিন্তু, তার পরবর্তী সংখ্যায় এর সঠিক সমাধান দেয়া থাকে না। শুধু ভাগ্যবান সঠিক উত্তরদাতা ৩ জনই জেনে থাকেন এর সঠিক সমাধান। কিন্তু ভাগ্যহীন সঠিক উত্তরদাতাও জানেন না এর সঠিক সমাধান। এতে তার সঠিক উত্তরের প্রতি আত্মবিশ্বাস চিরস্থায়ী হবে কি? অথবা ভুল উত্তরদাতা ভাগ্যকে দোষ দিয়ে বা সঠিক উত্তর না জেনে তার ভুল সমাধানকে সঠিক ভেবে নিলেন। এতে কি প্রযুক্তির সঠিক প্রসার ঘটল, নাকি প্রযুক্তি এখানে অসাড় রইল? প্রশ্নটি কর্তৃপক্ষের কাছে রইল।

কমপিউটার জগৎ-এর অ্যাডভেঞ্চার ও রোমাঞ্চকর বিভাগ ‘গেমের জগৎ’ প্রতি সংখ্যায় ২টি নতুন গেম ও ১টি পুরনো গেম নিয়ে গঠিত। এ বিভাগের আয়তনটা কি ক্ষুদ্র পরিসর থেকে আরেকটু বড় পরিসরে আনা যায় না? আশা রাখছি এক ক্ষুদ্র পাঠকের এই অভিমত কর্তৃপক্ষ সদয় দৃষ্টিতে দেখবেন।

পরিশেষে, কমপিউটার জগৎ যেন দেশের প্রত্যেকটি মানুষকে প্রযুক্তির আলোতে আলোকিত করতে পারে সেই কামনা করি। সব কলাকুশলী ও পাঠককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি কমপিউটার জগৎ-এর এক অকৃত্রিম ভক্ত হিসেবে।

শুভ
রামপুরা, ঢাকা
......................................................................................................

গ্রাফিক্স ও মাল্টিমিডিয়া বিভাগের পাতা আরো বাড়ানো হউক

প্রথমে ধন্যবাদ জানাই কমপিউটার জগৎকে তার প্রচেষ্টার জন্য। কমপিউটার জগৎ-এর বিভিন্ন বিভাগ যথেষ্ট পরিমাণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আমি কমপিউটার জগৎ-এর নিয়মিত পাঠক। আমার একটি অনুরোধ, পারলে তা আগামী সংখ্যায় প্রকাশ করবেন। টংকু আহমেদ-এর থ্রিডি বিভাগে যে টিউটরিয়াল প্রকাশ করেছেন জুলাই সংখ্যায় তাতে তিনি V-RAY প্লাগইন-এর কথা উল্লেখ করেছেন। আমরা যারা নতুন ইউজার তাদের অনেকেরই প্লাগইন সম্বন্ধে কোনো ধারণাই নেই। দয়া করে কি কি প্লাগইন ম্যাক্স-এ ব্যবহার হয় তা একটু জানাবেন। আর V-RAY প্লাগইন কোথায় পাব, কিভাবে তা ইনস্টল করব এবং তার ব্যবহার সম্বন্ধে বিস্তারিত টিউটরিয়াল প্রকাশ করলে কৃতজ্ঞ থাকব। উল্লেখ্য, আমি ম্যাক্স-৯-এ কাজ করি। থ্রিডি টিউটরিয়াল বিভাগের পাতাগুলো আর একটু বাড়ালে ভালো হতো। কমপিউটার জগৎ পরিবারকে ধন্যবাদ।

সেলিম
বড়পুল, চট্টগ্রাম
.....................................................................................................

টেকনিক্যাল ও নন-টেকনিক্যাল লেখার মধ্যে ভারসাম্য চাই

আমি কমপিউটার জগৎ-এর একজন নিয়মিত পাঠক। এ পত্রিকার প্রতিটি বিভাগই আমি পড়ার চেষ্টা করি। বিশেষ করে নন-টেকনিক্যাল অংশগুলো, কেননা আমি টেকনিক্যাল অংশগুলো তেমন ভালো বুঝি না। ইদানীং কমপিউটার জগৎ-এর কলামধর্মী বা আলোচনাধর্মী লেখার সংখ্যা কমার প্রবণতা লক্ষ করছি। কমপিউটার জগৎ কর্তৃপক্ষের কাছে আমার অনুরোধ, আলোচনাধর্মী লেখা যাতে কমানো না হয়। কমপিউটার জগৎ অতীতের মতো সব ধরনের পাঠকের জন্য নন-টেকনিক্যাল বিষয় অর্থাৎ আলোচনাধর্মী লেখা বেশি করে ছাপাবে যেগুলো আমাদের দেশের নীতিনির্ধারণী মহলের মধ্যে ব্যাপকভাবে আলোচিত হবে। এতে দেশের সব ধরনের মানুষের মনে আইসিটিসংক্রান্ত সচেতনতা বাড়বে, বাড়বে এর ব্যাপক ব্যবহার, যা প্রকারান্তরে দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। একটি বিষয় আমাদের সবারই মনে রাখা উচিত যে, দেশের আইসিটি শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে তুলতে চাইলে সবার আগে আমাদের অভিভাবকদের এ বিষয়ে অভিহিত করতে হবে, বোঝাতে হবে এর গুরুত্ব বা সুফল, যাতে করে তারা নিজেরা তাদের সন্তানদের আইসিটিসংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়াশোনা করাতে উৎসাহী হন। এর অন্যথা হলে বিফলে যাবে আমাদের অর্থনীতিতে মুক্তির চেষ্টার সব কার্যক্রম। কেননা সারা বিশ্বে অর্থনীতির উন্নতির চাবিকাঠি এখন অনেকটাই আইসিটিনির্ভর হয়ে পরেছে।

যেহেতু কমপিউটার জগৎ-এর কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক, তাই বলছি- আমাদের মতো নন-টেকনিক্যাল পাঠকদের প্রতি গুরুত্ব দিতে গিয়ে যেনো টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর প্রতি কম গুরুত্ব দেবে বা তৎসংশ্লিষ্ট লেখা কমিয়ে দেবে সেটাও আমাদের কাম্য নয়। অর্থাৎ কমপিউটার জগৎ টেকনিক্যাল এবং নন-টেকনিক্যাল উভয় ধরনের পাঠকদের প্রতি সমান গুরুত্ব দেবে-এটাই আমাদের কাম্য। এটাও সত্য যে, সব ধরনের পাঠকের চাহিদা পূরণ করতে গেলে খরচ বেড়ে যাবে। এই খরচ পূরণ করতে প্রয়োজনে বিজ্ঞাপনের রেট বাড়ানোর বিষয়টি চিন্তা করা যেতে পারে। তবে পত্রিকার দাম বাড়ানো যাবে না কোনো মতে। কমপিউটার জগৎ-এর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

আবুল কালাম আজাদ
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস