Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > ফটোশপে তৈরি করুন আধভৌতিক চোখ
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী
মোট লেখা:৪২
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১০ - ফেব্রুয়ারী
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
গ্রাফিক্স
তথ্যসূত্র:
গ্রাফিক্স
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
ফটোশপে তৈরি করুন আধভৌতিক চোখ

চোখ মানুষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। যেকোনো ছবিতে প্রথমেই মানুষের নজরে আসে চোখ। এই চোখ অনেক কিছু প্রকাশ করতে পারে। রাগ, অভিমান, ভালোবাসা, স্নেহ অথবা ভৌতিক কিছু। ইতোপূর্বে একটি লেখায় দেখানো হয়েছিল কী করে একটি শান্ত-নির্লিপ্ত চোখকে ভয়ঙ্কর শয়তানের চোখে রূপান্তর করা যায়। এবার একটি ভিন্ন ধরনের হিংস্র এবং আধভৌতিক রক্তচক্ষু তৈরির প্রক্রিয়া দেখানো হয়েছে। বিভিন্ন সিনেমা ও ছবিতে অসম্ভব ভয়ানক চোখের সৃষ্টি করা হয়। এখানে সেরকম চোখ তৈরির প্রক্রিয়া দেখানো হয়েছে।


চিত্র-১

প্রথমেই একটি ভালো রেজ্যুলেশনের চোখের ছবি নির্বাচন করতে হবে। ডিজিটাল ক্যামেরায় তোলা ছবি বা ইন্টারনেট থেকে পাওয়া একটি ছবিতে এ কাজ করে দেখানো যেতে পারে। ছবিটি বেশি রেজ্যুলেশন বলে ডিটেইল কাজ করা সম্ভব হয়েছে। চিত্র-১-এ ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন। এটি ইচ্ছে করেই সাদাকালো নির্বাচন করা হয়েছে। আপনারা যদি রঙিন ছবি নির্বাচন করেন তাহলে তা সাদাকালো ছবিতে রূপান্তর করে নেবেন। এতে আধভৌতিকতা আরো বাড়বে।

এবার কাজে আসা যাক। প্রথমেই কিছু রুক্ষ ত্বক তৈরি করে নিতে হবে। ছবির চোখটিতে এমনিতেই শীতলতা আছে। এর সাথে যদি একটু রুক্ষতা এনে দেয়া যায়, তাহলে পরিবেশে আরো গাম্ভীর্য এনে দেবে। এর জন্য ত্বকের টেক্সচার ব্যবহার করতে পারেন। শুষ্ক, ফেটে যাওয়া, চিড় ধরা ত্বকের ছবি সংগ্রহ করতে না পারলে কোনো চামড়ার ছবি তুলে সেই টেক্সচার ব্যবহার করতে পারেন। টেক্সচার তৈরির জন্য প্রথমে ছবিটি পুরো মুখমন্ডলে ছড়িয়ে নিন অর্থাৎ টেক্সচারের জন্য একটি লেয়ার তৈরি করে তাতে চামড়ার ছবি পেস্ট করুন। এবার সেই লেয়ারের প্রপার্টিজ Multiply mode-এ নিয়ে আসুন। পুরো চামড়াটিকে মুখমন্ডলে ছড়িয়ে দেবার জন্য Liquify mode ব্যবহার করতে পারেন। পুরো মুখে ছড়িয়ে পড়লে এর Opacity নির্দিষ্ট করে দিন, যাতে রেখাগুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে মুখমন্ডলে। এবার ছবিতে চোখের ওপর থেকে চামড়ার রেখাগুলো তুলে ফেলতে হবে। এর জন্য ইরেজার টুলের ব্যবহার করা সম্ভব। এখানে মাঝারি আকারের অল্প হার্ডনেসের একটি ব্রাশ সিলেক্ট করতে হবে। ব্রাশের হার্ডনেস ০.৫০% রাখতে পারেন। তাতে সূক্ষ্ম রেখাগুলো সহজে মুছে ফেলা যাবে। চামড়ার টেক্সচার যেসব জায়গায় মানাবে না বলে মনে হবে, সেসব জায়গা থেকে তুলে ফেলতে হবে। স্কিনের বাইরের অংশ মুছে ফেলুন সযত্নে। কাজ শেষ হবার পর চামড়ার টেক্সচারের লেয়ারটির অপাসিটি ৭০%-এ নিয়ে আসুন এবং মুখমন্ডল লেয়ারের সাথে এটিকে মার্জআপ করে নিন। এখন আর টেক্সচার নিয়ে না ভাবলেও চলবে। ছবিটি দেখতে চিত্র-২-এর মতো হবে।


চিত্র-২

এবার চোখটিকে উজ্জ্বল করে তুলতে হবে, যাতে মনে হয় চোখের ভেতর থেকে একটি উজ্জ্বল আভা বের হচ্ছে। এর জন্য কিছু স্পেশাল ব্রাশের প্রয়োজন পড়তে পারে। ইন্টারনেটে খুঁজলে অনেক স্পেশাল ব্রাশ পাওয়া যায়- যার আকৃতি ও সফটনেস ছবির এডিট করার ক্ষেত্রে অনেক সহায়ক হবে। এক্ষেত্রে একটি সফট গ্লোয়ার ব্রাশের প্রয়োজন হতে পারে। ইন্টারনেটে Free Soft Glow Brush লিখে সার্চ করলে আশা করি এই রকম ব্রাশ পেয়ে যাবেন। এই ব্রাশের বৈশিষ্ট্য হলো- যে রঙের ব্রাশ পছন্দ করবেন সেই রঙের মাঝে একটু হালকা ও গাঢ় শেডের মিশ্রণ করে গ্লোইং ইফেক্ট তৈরি করে দেয়।

রং বেছে নেবার ক্ষেত্রে এমন রং পছন্দ করা উচিৎ, যা চোখটিকে একটু আধভৌতিক চোখে রূপান্তর করতে সহায়তা করবে। যেমন উজ্জ্বল লাল রং অথবা উজ্জ্বল কমলা রং যে রঙই ব্যবহার করেন না কেনো Glowing Brushটির মাঝে সবচেয়ে গোল যে ব্রাশটি থাকবে, তা নির্বাচন করুন এবং চোখের মণির ঠিক মাঝখান থেকে এর ব্যবহার শুরু করুন। এই ছবিতে লাল রং ব্যবহার করা হয়েছে। ধীরে ধীরে চোখের মণির ভেতরে ব্রাশের সূক্ষ্ম রেখার ‍আকিঁবুকি টানুন, যাতে একটা ডিফারেন্ট টেক্সচার পায়। দেখতেও ভালো লাগে। তবে পরিমিতভাবে ‍আকঁগুলো টানুন এবং একটি বেইজমেন্ট তৈরি করে অন্য রঙের টেক্সচার করুন। এখানে লাল রঙের বেইজের ওপর হলুদ এবং অফহোয়াইট রঙের টেক্সচার তৈরি করা হয়েছে। এবার চোখের সীমানার বাইরে অর্থাৎ মণির বাইরে যদি কোনো রেখার টান পড়ে, তা ইরেজার দিয়ে মুছে দিন। এবার বেইজমেন্টের কালার অপাসিটি ৫০% করে দিতে হবে, যাতে এর ওপরের করা রঙগুলোতে একটা ট্রান্সপারেন্সি ভাব বজায় রাখতে পারে এবং লেয়ার প্রপার্টিজ থেকে layer blending mede-কে lighting mode-এ সিলেক্ট করে দিন। এবার নতুন রং নির্বাচন করে এর মতো করে বিভিন্নভাবে টেক্সচার তৈরি করুন। প্রতিটি রঙের অংশের জন্য আলাদা আলাদা লেয়ার তৈরি করে নিন। এবং প্রতিটি লেয়ারকে ব্লেন্ডিং মোড lighting mode-এ রেখে এর অপাসিটি কমিয়ে-বাড়িয়ে নিন। তাতে প্রতিটি রঙের দাগ আলাদা আলাদা করে থাকবে। প্রয়োজনমতো ব্রাশের আকৃতি ও ধরনও পরিবর্তন করে নিতে পারেন। যাতে করে একই রকম না লাগে। ছবিটি দেখতে চিত্র-৩-এর মতো হয়েছে।


চিত্র-৩

এবার চোখের সাদা অংশতে কিছু রক্তাভ ধমনী কিংবা উপশিরা যোগ করতে হবে। ছবিতে ধমনী দেখায় এমন কিছু টেক্সচারের প্রয়োজন হবে। এর জন্য একটি যথার্থ ছবি খুঁজে বের করতে হবে। ইন্টারনেটে এরকম ধমনীর শিরা-উপশিরা সম্বলিত ছবি খুঁজলেই পাওয়া সম্ভব। আবার আগের মতো করে এতে ধমনীগুলো নিয়ে আসতে পারেন। অথবা ক্লোন করেও কাজ চালাতে পারেন। কোনো কিছু না পেলে কোনো গাছের পাতার ম্যাক্রো ছবিতে পাতার শিরা-উপশিরাকে কাজে লাগাতে পারেন। এই ক্ষেত্রে সেটি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রথমে এই পাতার ছবিটিকে চোখের ওপর ড্র্যাগ করে নিয়ে আসুন। দেখবেন নতুন লেয়ার তৈরি হয়েছে। লেয়ারের নাম পরিবর্তন করে Vain দিন। যাতে পরবর্তীতে দ্রুত লেয়ারটিকে পাওয়া যায়। এবার এটিকে চোখের সাদা অংশের মাপে রিসাইজ করুন এবং চোখের দিক অনুযায়ী প্রয়োজনমতো রোটেট করুন। লেয়ার মোড থেকে Multiply মোডে নিয়ে যান। এতে প্রধান শিরাগুলো ধরা দেবে। এবার প্রথমেই শিরাগুলোর রঙকে রক্তাভ করে তুলতে হবে। অনেক পদ্ধতির মধ্যে সবচেয়ে সহজ হলো শিরার Hueকে পরিবর্তন করা। এর জন্য ইমেজ ট্যাব থেকে Adjustments >Hue/Saturation-এ ক্লিক করুন। Hue-এর বারটিকে সমন্বয় করে গাঢ় লাল রঙে নিয়ে আনুন। প্রয়োজনে Saturation একটু বাড়িয়ে দিন। এবার ইচ্ছে করলে Colorist টুল ব্যবহার করে দেখতে পারেন, যা Hue-এর পরিপূরক হিসেবে বিবেচনা করা যায়।


চিত্র-৪

এবার এই Vain layerটিকে কপি করে ডুপ্লিকেট করুন এবং একটি লেয়ার Hide করে রাখুন, যদি পরে আরো শিরা সংযোজন করার ইচ্ছে থাকে। Hide করতে লেয়ার প্যালেটে লেয়ারের নামের পাশে যে চোখের চিহ্ন থাকে, তা উঠিয়ে দিতে হয়। এবার অপাসিটি কমিয়ে Vain-এর নিচে চোখের সাদা অংশ একটু ভাসিয়ে দিতে হবে। এখানে প্রায় ৫০%-এ অপাসিটি রাখা হয়েছে। আর শিরাগুলোকে অক্ষিগোলকের মতো করে কার্ভ করতে Warp টুলের ব্যবহার করতে হবে। পরিমিতভাবে Distort করলে অনেক প্রাকৃতিকভাবে মিশে যাবে। চিত্র-৪-এর মধ্যে Warp Tool ব্যবহারের মাধ্যমে Vain–এর Distortion দেখানো হচ্ছে। এবার Earesar Tool-এর মাধ্যমে Overlapped Vainগুলো মুছে দিন। এবং Vainগুলোর আশপাশে হালকা লাল রঙের একটু আভা দিন, যা চোখকে লালচে করে তুলবে।

এবার রক্তচক্ষুর রক্তঅশ্রু তৈরি করতে হবে। যে অংশে অশ্রু গড়িয়ে পড়বে সে অংশটুকু ল্যাসো টুলের মাধ্যমে সিলেক্ট করতে হবে। মনে রাখতে হবে, এই সিলেকশন যেন ব্যাকগ্রাউন্ড লেয়ারের ওপর হয়। অর্থাৎ মূল ছবিটি সিলেক্টেড অবস্থায় থাকবে। এবার মনোযোগের সাথে সিলেকশন করুন। এক্ষেত্রে ইমাজিনেশন ছাড়া অন্য কিছু করা সম্ভব নয়। কল্পনায় একটি অশ্রুধারা কিরকম কোনো স্থানে হতে পারে, তা ভেবে বের করে নিন। তারপর কাজটি করুন। এখানে চিত্র-৫-এর সিলেকশন কিরকম হবে তার আকৃতি দেখানো যাচ্ছে। সিলেকশন হয়ে গেলে রক্তের রং বেছে নেবার পালা। রক্তের রং শিরার লেয়ার থেকে বেছে নিন। এবার রঙটুকুর কিছু Fiddle দরকার, তাতে রঙের বিভিন্নতা দেখা সম্ভব হতে পারে। এটি করতে ImageAdjustments Variations and fiddle-এ ক্লিক করুন। রঙের ভিন্নতা এখান থেকেই পেতে পারেন।


চিত্র-৫

এবার এই অশ্রুধারার কিছু Cromatic Alloboration করা প্রয়োজন। অর্থাৎ এই অশ্রুর শেড তৈরি করতে হবে। এর জন্য প্রথমে SelectReselect-এ ক্লিক করতে হবে। এরপর Select>Modtify>Expand-এ ক্লিক করুন। দেখবেন সেখানে কত পিক্সেল Expand করতে হবে তার ঘর রয়েছে। পরিমাণমতো এক্সপান্ড করুন। এখানে ১০ Pixel করা হলো। এটি ইমেজ সাইজের ওপর নির্ভর করে। দেখবেন একই সিলেকশনের একটু বড় সিলেকশন তৈরি হয়েছে। এবার ব্যাকগ্রাউন্ড লেয়ারে ক্লিক করে সিলেকশনটি পেস্ট করুন। এটি যেন প্রথম অশ্রুধারার পেছনে অবস্থান করে তা নিশ্চিত করে নিন। কারণ, অশ্রুধারা এবার আবার আগের মতো রঙের সিলেকশন করে ফিল করুন। এবার এই লেয়ারটির অপাসিটি ৫০% করে দিন যাতে এটি পানির আদল পায়। এবার দুটি অশ্রুর লেয়ারকে মার্জ করে একীভূত করে নিন। এবং কোনাগুলোকে একটু খোলা করে দেবার জন্য Gaussian Blur-এর সাহায্য নিন। এটি করতে FilterBlurGaussian Blur সিলেক্ট করুন। এখন Dodge tool-এর সাহায্যে অশ্রুর কোনাগুলো সফট করে দিন। এখানে ৫০% Strength, ৫০% Hardness এবং ব্রাশ সাইজ ১০০ Pixel ব্যবহার করা হয়েছে। কোনাগুলোকে অনেকটা সফট করে দিন যাতে এটিকে পানির মতো বহমান বলে মনে হবে।

এবার রক্তকে একটু ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপন করতে হবে। টুলবক্স থেকে Dodge tool সিলেক্ট করে এটির Rangeকে Midtones-এ Exposerকে ৫০%-এ নিয়ে আসতে হবে। রক্তের ধারাকে প্রাকৃতিক রূপ দিতে এর কোন জায়গায় আলো পড়েছে তা নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। এক্ষেত্রে বড় ব্রাশ ব্যবহার করে ধারার আলোর প্রতিফলন নির্দিষ্ট করতে হবে। এটি পুরোপুরি অনুমানে করতে হবে। প্রয়োজনে ছবিটির আলোর উৎসর দিকে নজর দিন। যেদিক থেকে আলো পড়বে তা নিশ্চিত করে দিন। রক্তের বহময়তার দিকে লক্ষ রাখবেন। এবার ব্রাশের আকার একটু কমিয়ে নিয়ে এর Exposer ৩০%-এ রাখুন। এবং Rangeকে Hightights-এ সিলেক্ট করে দিন। সেই সব জায়গায় এটি ব্যবহার করুন, যেখানে আলো বেশি পড়ার কথা। প্রথমে বাইরের অংশগুলোতে একটু রিটাচ করুন যাতে রক্তের ধারাকে 3D বলে মনে হয়। এরপর অন্ধকার দিকগুলোকে বার্ন করে দিতে হবে, যাতে ওই অংশ আরো গাঢ় রং ধরে যা রক্তের জমাট বাঁধার জন্য দেখানো যেতে পারে। চাইলে রক্তের কিছু কিছু জায়গা একটু বেশি চকচকে করে দিতে পারেন। এর জন্য ১০ Pixel সাইজের পেইন্ট ব্রাশ যার Hardness 0% করতে হবে এবং এর Opacity ৫০% করে দিন। কিছু উজ্জ্বল ক্ষেত্র তৈরি করুন। বেশি কড়া মনে হচ্ছে? তাহলে সফট লো স্ট্রেনথ Smudge Brush বেছে নিন। ধীরে ধীরে সেই কড়া আলোকে একটু ম্যাট ইফেক্ট দিন। বেশি করার দরকার নেই। যদি আপনার তৈরি রক্তঅশ্রু ব্যাকগ্রাউন্ডের তুলনায় বেশি উজ্জ্বল মনে হয় তাহলে এটিকে একটু গাঢ় করতে পারেন। এর জন্য ImageAdjustmentsHue/Saturation-এ ক্লিক করুন। এবং এটিকে আরো গাঢ় করুন, যাতে ব্যাকগ্রাউন্ডের সাথে পুরোপুরি মানানসই হয়।

এবার ফাইনাল টাচ হিসেবে চোখের পাপড়ির কোণ রক্তাভ করে দিতে হবে, যা শীতল এই চোখকে আরো হিংস্র করে তুলবে। প্রথমে একটি নতুন লেয়ার খুলুন, যা চোখ অর্থাৎ ব্যাকগ্রাউন্ড এবং অশ্রুর মাঝখানে হবে। কারণ, এটি রক্তঅশ্রুর নিচে থাকতে হবে। পেইন্ট ব্রাশ টুল সিলেক্ট করে এটির সাইজ ১০০ Pixel করে দিন। ১০০% Opacity এবং ০% Hardness হার্ডনেস রেখে দিন। এবার Shift Key চেপে কালার পিকারের সহায়তায় রক্তঅশ্রু থেকে রক্তের রং নির্বাচন করুন। এবং সেই রং দিয়ে খুব সাবধানে চোখের লাইনিং ধরে পাপড়ির ওপর অংশের সীমানা আকুঁন। একটু মোটা দাগের হলে ভালো। শুধু লাল রং পছন্দ না হলে আবার Shift Kay চেপে ধরে চোখের মণি থেকে হলদে রং নির্বাচন করুন। এবার সেই লাইনিংয়ের ওপর দিয়ে হালকা করে পেইন্ট করুন, যাতে চোখের উজ্জ্বলতা এই লাইনিংয়ের ওপরও প্রভাব ফেলবে। লাইনিংটা বেশি খারাপ লাগছে? চিন্তার কিছু নেই। লেয়ার প্রপার্টিজ থেকে লেয়ার ব্লেন্ডিং মোডকে Soft light-এ সিলেক্ট করুন। দেখবেন অনেকটা মিলে গেছে চোখের লাইনিংয়ের সাথে।


চিত্র-৬

এবার শুধু প্রয়োজনমতো রিটাচ করে নিতে হবে। যেমন Smudge টুল দিয়ে এই লাইনিংগুলো সফট করে দিতে পারেন। এক্ষেত্রে লক্ষ রাখবেন Strength যেন ৫০%-এর বেশি না হয়। এবং একটু বড় ব্রাশ ব্যবহার করে দেখতে পারেন। কাজ করার সময় ছবি বড় করে কাজ করবেন, তাতে ভুলগুলো দ্রুত ধরা পড়ে। আশা করছি আপনাদের কাজটিও সম্পন্ন হয়েছে ঠিকমতো, যা চিত্র-৬-এ দেখা যাচ্ছে। এরকম আরো কিছু এডিটিং করে নিজেকে দক্ষ ফটো এডিটর হিসেবে গড়ে তুলতে নজর রাখুন কমপিউটার জগৎ-এর গ্রাফিক্স পাতায়।

কজ ওয়েব

ফিডব্যাক : ashraf.icab@gmail.com
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
পাঠকের মন্তব্য
২১ নভেম্বর ২০১০, ৪:১১ AM
আমরা যারা গ্রাফিক্স এর এ বি সি ডি জানি না,, তবে আমরা কি করতে পারি???
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস