Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > রানলেভেল ও ব্যাশ শেল
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: প্রকৌশলী মর্তুজা আশীষ আহমেদ
মোট লেখা:২২
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১০ - এপ্রিল
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
লিনআক্স
তথ্যসূত্র:
লিনআক্স
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
রানলেভেল ও ব্যাশ শেল



গত সংখ্যায় লিনআক্সের ব্যাশ শেল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। এই সংখ্যায় আমরা ব্যাশ শেলের আরো কিছু কমান্ড নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সেই সাথে লিনআক্সের রানলেভেল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

রানলেভেল

লিনআক্স সিস্টেমে ডিফল্ট রানলেভেল হিসেবে যে লেভেল রাখবেন, সেই রানলেভেলে লিনআক্স বুট হবে। লিনআক্সের অনেক মোড আছে। আমরা উইন্ডোজে যেমন কমান্ড প্রম্পট, সেফ মোড প্রভৃতি দেখতে পাই অনেকটা সেইরকম। তবে এখানে মাল্টি ইউজার মোড আছে যা উইন্ডোজে পুরোপুরি নেই। লিনআক্সে মোট ৭টি রানলেভেল থাকে সাধারণত।

রানলেভেলগুলো হচ্ছে :

0—সিস্টেম শাটডাউন করার রানলেভেল।
1—টেক্সট মোডে সিঙ্গেল ইউজার হিসেবে সিস্টেম চালানোর রানলেভেল।
2—এনএফএস ছাড়াই মাল্টি ইউজার হিসেবে টেক্সট মোডে সিস্টেম চালানোর রানলেভেল।
3—টেক্সট মোডে পুরোপুরি মাল্টি ইউজার হিসেবে সিস্টেম চালানোর রানলেভেল।
4—সাধারণত ব্যবহার করা হয় না। রিজার্ভড।
5—গ্রাফিক্স মোডে সিস্টেম চালানোর রানলেভেল।
6—সিস্টেম রিস্টার্ট বা রিবুট করার রানলেভেল।

লিনআক্স চালানোর সময় একসাথে অল্টার কন্ট্রোল এবং ডিলিট চাপলে দেখা যাবে টেক্সট মোডে ৬ রানলেভেলে সিস্টেম চলার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। এর মানে হচ্ছে সিস্টেম রিবুট হচ্ছে। এর থেকে রানলেভেলের কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়।

সাধারণত রানলেভেল কাজে লাগে যখন সিস্টেমকে কোনো নির্দিষ্টভাবে কাজে লাগানোর প্রয়োজন হয় তখন। যেমন কেউ যদি চান যে তার সিস্টেম কেউ চালু করতে না পারুক তাহলে রানলেভেল ৬ দিয়ে রাখতে পারেন। তবে এটি একটি কৌশলমাত্র। ভুলেও রানলেভেল ০ নির্ধারণ করে দেবেন না। তাহলে সিস্টেম চালু হবার পর বার বার শাটডাউন হয়ে যাবে।

ব্যাশ শেলের বাকি কমান্ড এবং কমান্ডের কার্যাবলী নিচে দেয়া হলো :

echo—স্ক্রিনে মেসেজ প্রদর্শন করবে।
egrep—ফাইলের ভেতরে সার্চ করবে।
eject—ফ্লপি ড্রাইভ বা পেন ড্রাইভ ইজেক্ট করবে।
enable—শেলের কিছু নিজস্ব কমান্ড আছে যেগুলো পরিবর্তন করা যায়। এ কমান্ডের মাধ্যমে সেই কমান্ডগুলো সক্রিয় বা নিষ্ক্রিয় করা যায়।
ethtool—নিক বা ল্যান কার্ড সেটিং।
exec—কমান্ড সম্পাদন করা।
exit—শেল থেকে বের হওয়া।
expand—ট্যাবগুলোকে স্পেসে রূপান্তর করার কমান্ড।
expr—এক্সপ্রেশন খুঁজে বের করার কমান্ড।
false—সিস্টেমকে চুপচাপ বসিয়ে রাখার কমান্ড।
fdformat—ফ্লপি ডিস্ক ফরমেট করার কমান্ড।
fdisk—লিনআক্সের পার্টিশন তৈরি বা মডিফাই করার টুল। এই কমান্ড ডসের fdisk কমান্ডের মতো।
fgrep—ফাইলের ভেতরের কোনো স্ট্রিং খুঁজে বের করবে।
file—ফাইল টাইপ খুঁজে বের করবে।
find—ফাইল খুঁজে বের করার কমান্ড।
fmt—প্যারাগ্রাফের টেক্সট নতুন করে ফরমেট করার কমান্ড।
fold—নির্দিষ্ট দূরত্বে টেক্সট র্যা পিং করার কমান্ড।
for—শব্দ এক্সপান্ড করার কমান্ড।
format—ড্রাইভ ফরমেট করার কমান্ড।
free—মেমরি কতটুকু ব্যবহার করা হয়েছে সেই স্ট্যাটাস দেখা যায় এ কমান্ডের মাধ্যমে।
fsck—ফাইল সিস্টেমে এরর কারেকশন করার কমান্ড। অনেকটা উইন্ডোজের স্ক্যানডিস্কের মতো। যাদের উইন্ডোজের scandisk বা chkdsk কমান্ড দেয়া প্রয়োজন তাদের লিনআক্সে এই কমান্ড ব্যবহার করতে হবে।
ftp—প্রটোকল।
function—ফাংশন ম্যাক্রো কমান্ড।
gawk—টেক্সটের ভেতরে Find and Replace করার কমান্ড। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Ctrl+H কমান্ডের মতো কাজ করে।
getopts—পজিশনাল প্যারামিটার পার্সিং করে।
grep—নির্ধারিত প্যাটার্নে ফাইল সার্চ করার কমান্ড।
groups—সিস্টেমে একই গ্রুপে যারা আছে তাদের দেখাবে। সাধারণত মাল্টিটাস্কিং কাজে চেক করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
gzip—ফাইল কমপ্রেস বা ডিকমপ্রেস করার কমান্ড। উইন্ডোজের জিপ করার মতো।
hash—লোকেশন বা পাথনেম বের করার কমান্ড।
head—যেকোনো ফাইলের প্রথম অংশ দেখাবে।
history—কী কী কমান্ড ব্যবহার করা হয়েছে তা দেখাবে।
hostname—সিস্টেমের নাম দেখাবে।
id—ইউজার এবং গ্রুপ আইডি দেখাবে।
if —নির্দিষ্ট শর্তে কমান্ড সম্পন্ন করবে।
ifconfig—ল্যান কার্ড বা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড কনফিগার করবে।
import—এক্স সার্ভারের স্ক্রিনে যা প্রদর্শিত হবে তা ইমেজ ফাইলে সেভ করে রাখবে।
install—ফাইল কপি করে অ্যাট্রিবিউট সেট করবে।
join—লাইন জোড়া দেবার কমান্ড।
kill—চলমান কোনো প্রসেসকে বন্ধ করার কমান্ড।
less—শুধু আউটপুট কে স্ক্রিনে একবার প্রদর্শন করার কমান্ড।
let—শেলের ভেরিয়েবলের সাধারণ গাণিতিক অপারেশন করার কমান্ড।
ln—দুটো ফাইলের মধ্যে লিঙ্ক তৈরি করার কমান্ড।
local—ভেরিয়েবল তৈরি করার কমান্ড।
locate —ফাইল খুঁজে বের করার কমান্ড।
logname—যে নামে লগ ইন করা হয়েছে সেটি প্রিন্ট করবে।
logout—লগ আউট করার কমান্ড।
lpc—প্রিন্টার কন্ট্রোল করার কমান্ড।
lpr—অফ লাইন প্রিন্ট।
lprint—ফাইলে প্রিন্ট করার কমান্ড।
lprintd—প্রিন্ট বাতিল করার কমান্ড।
lprintq—প্রিন্ট কিউ-এর লিস্ট দেখাবে।
lprm—প্রিন্ট কিউ থেকে নির্দিষ্ট প্রিন্টিং জব বাদ দেয়া।
ls—ফাইলের লিস্ট ইনফরমেশন দেখাবে।
lsof —খোলা ফাইলগুলোর লিস্ট দেখাবে।
make—নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের গ্রুপকে নতুন করে চালাবে।
man—হেল্প ম্যানুয়াল।
mkdir—নতুন ফোল্ডার তৈরি করার কমান্ড।
mkfifo—ফার্স্ট ইন ফার্স্ট আউট তৈরি করবে।
mkisofs—ফাইল সিস্টেম তৈরি করার কমান্ড।
mknod—বিশেষ ক্যারেক্টারের ফাইল তৈরি করার কমান্ড।
mount—ফাইল সিস্টেম মাউন্ট করার কমান্ড।
mv—রিনেম করার কমান্ড।
netstat—নেটওয়ার্ক ইনফরমেশন দেখাবে।
nice—কমান্ডের প্রায়োরিটি সেট করার কমান্ড।
nl—লাইনের নম্বর দিয়ে ফাইলে লেখার কমান্ড।
nohup—কোনো কমান্ড দিয়ে সিস্টেমকে ব্যস্ত রাখার কমান্ড।
nslookup—সিস্টেমে সংযুক্ত ইন্টারনেট সার্ভারের নাম দেখাবে।
passwd—পাসওয়ার্ড মডিফাই করার কমান্ড।
pathchk—ফাইল নেম চেক করবে যাতে ফাইল কতটুকু বা কেমন বহনযোগ্য এবং অন্য ফাইলের সাথে নাম মিলে যাবার সম্ভাবনা কতটুকু তা চেক করে দেখবে।
ping—নেটওয়ার্ক কানেকশন ঠিক আছে কি না তা চেক করার কমান্ড। সাধারণত নেটওয়ার্কে আইপি পিং করে দেখার জন্য ব্যবহার করা হয়। উইন্ডোজের মতো।
popd—বর্তমানে অবস্থান করা ডিরেক্টরি পরিবর্তন বাতিল (undo) করার কমান্ড।
pr—প্রিন্ট করার জন্য ফাইল প্রস্তুত করা।
printcap—প্রিন্টারের ডাটা থেকে ক্যাপাবিলিটি চেক করার কমান্ড।
printenv—এনভায়রনমেন্ট ভেরিয়েবল প্রিন্ট করার কমান্ড।
printf—ডাটা নির্দিষ্ট ফরমেটে প্রিন্ট করার কমান্ড।
ps—প্রসেসের স্ট্যাটাস দেখাবে।

কজ ওয়েব

ফিডব্যাক : mortuzacsepm@yahoo.com
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস