Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > জেনে নিন এক্সপি’র কন্ট্রোল প্যানেলের কাজ
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: তাসনুভা মাহমুদ
মোট লেখা:১০২
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১০ - জুলাই
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
উইন্ডোজ ‍এক্সপি
তথ্যসূত্র:
পাঠশালা
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
জেনে নিন এক্সপি’র কন্ট্রোল প্যানেলের কাজ

উইন্ডোজ এক্সপি’র কন্ট্রোল প্যানেল এমন এক ক্ষেত্র যেখানে রয়েছে উইন্ডোজের বহুসংখ্যক সেটিংয়ের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। কন্ট্রোল প্যানেলের মাধ্যমে উইন্ডোজের অ্যাপিয়ারেন্স, পারফরমেন্স, নেটওয়ার্ক সংযোগ, হার্ডওয়্যার সেটিংসহ আরো অনেক প্রয়োজনীয় কাজ সমন্বয় ও টোয়েক করা যায়, যা সাধারণ ব্যবহারকারীরা এড়িয়ে যান বা গুরুত্ব দেন না- এ সম্পর্কে সম্যক ধারণা না থাকার কারণে। অথচ উইন্ডোজের কন্ট্রোল প্যানেলে পাওয়া যায় অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ও কনফিগারেশন টুল। এ সত্য উপলব্ধিতে এবারের পাঠশালা বিভাগে উপস্থাপন করা হয়েছে উইন্ডোজের কন্ট্রোল প্যানেলের বিভিন্ন টুল বা ফিচারের কাজ বা গুরুত্ব।

যদিও উইন্ডোজের অন্যান্য ভার্সনেও অনুরূপভাবে কন্ট্রোল প্যানেল সম্পৃক্ত করা হয়েছে। তবে যেহেতু বাংলাদেশে বেশিরভাগ ব্যবহারকারীই উইন্ডোজ এক্সপির, তাই উইন্ডোজ এক্সপির আলোকে কন্ট্রোল প্যানেলের বিভিন্ন টুলের বৈশিষ্ট্য বা ফিচার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবারের পাঠশালা বিভাগে। কন্ট্রোল প্যানেলে এক্সেস করার জন্য Start>Control Panel বা Start>Settings>Control Panel-এ ক্লিক করুন। অবশ্য এ প্রক্রিয়াটি নির্ভর করে ব্যবহার হওয়ার স্টার্ট মেনুর সেটিংয়ের ওপর।



চিত্র-১-এ দেখানো হয়েছে টিপিক্যাল কন্ট্রোল প্যানেল টুল। এখানে সিস্টেমে কী কী ইনস্টল করা হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে আইকনগুলো দেখা যাবে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ইন্টেল জিএমএ ড্রাইভারের আইকন দেখতে পাবেন না, যদি না সিস্টেমে এ ড্রাইভার ইনস্টল করা হয়। আবার ইন্টেল ভিডিও কার্ড বা সিগমাটেল অডিও ড্রাইভার সিস্টেমে ইনস্টল করা না থাকলে কন্ট্রোল প্যানেলে এদের আইকন দেখা যাবে না।

এক্সপি’র কন্ট্রোল প্যানেলের ফিচারসমূহ

* এক্সেসেবিলিটি অপশন :

এ অপশনের মাধ্যমে কীবোর্ড, মাউস, ডিসপ্লে এবং সাউন্ডের সেটিং পরিবর্তন করতে পারবেন। এখানে এক্সেসেবিলিটি অপশনকে আরো বিস্তৃতরূপে আবৃত করা হয়েছে।

* অ্যাড হার্ডওয়্যার :

এ অপশন অ্যাড হার্ডওয়্যার উইজার্ড ওপেন করে, যা কমপিউটারের নতুন ইনস্টল করা হার্ডওয়্যার খুঁজে দেখে। এ কাজটি তখন সম্পাদিত হয়, যখন উইন্ডোজে ইনস্টল করা হার্ডওয়্যার শনাক্ত করা যায় না।

* অ্যাড অর রিমুভ প্রোগ্রাম :

যদি কমপিউটারে কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল বা আনইনস্টল করার প্রয়োজন হয়, তখন এখান থেকেই এই কাজটি করা হয়। প্রত্যেক ব্যবহারকারীরই মনে রাখা উচিত, হার্ডডিস্ক থেকে কোনো সফটওয়্যার ডিলিট করার চেয়ে আনইনস্টল করা অধিকতর শ্রেয়। আরো বিস্তৃত পরিসরে কাজ সম্পাদিত হয় অ্যাড অর রিমুভ প্রোগ্রামে।

* অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলস :

কন্ট্রোল প্যানেলের এ সেকশন ব্যবহার হয় অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ফাংশনে। যেমন- কমপিউটার ম্যানেজ করা, পারফরমেন্স মনিটর করা, সিকিউরিটি পলিসি এডিট এবং কমপিউটারের সার্ভিসের অ্যাডমিনিস্ট্রারিংয়ের কাজে। এখানেই অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুল আরো বিস্তৃতভাবে কাজ করে।

* অটোমেটিক আপডেট :

এটিই হচ্ছে সেই জায়গা, যেখানে উইন্ডোজ বলে দেয় কখন এবং কিভাবে আপডেট হবে। আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট ডাউনলোড হবে কি হবে না অথবা ইনস্টল করার আগে আপনাকে প্রম্পট করবে কি না।

* ব্লুটুথ ডিভাইস :

সিস্টেমে ব্লুটুথ ডিভাইস ব্যবহার হয়ে থাকলে এখান থেকেই সেটি যুক্ত, রিমুভ বা ম্যানেজ করতে পারবেন।

* ডেট অ্যান্ড টাইম :

এটি নিজেই ব্যাখ্যা উপস্থাপন করে। এখান থেকেই কমপিউটারের ডেট, টাইম এবং রিজিওনাল সেটিং করতে পারবেন।

* ডিসপ্লে :

পিসির বিষয়বস্ত্ত কিভাবে পর্দায় প্রদর্শিত হবে তা নির্ধারণ করতে পারবেন ডিসপ্লে সেটিংয়ের মাধ্যমে। সমন্বয় করতে পারবেন আইটেমসমূহ, যেমন- স্ক্রিন রেজ্যুলেশন এবং কালার ডেপথ। মূলত এটিই হলো সেই জায়গা যেখান থেকে ব্যাকগ্রাউন্ড, ওয়ালপেপার ও স্ক্রিনসেভার সেটআপ করা যায়।

* ফোল্ডার অপশন :

মাই কমপিউটার বা উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারে ফাইল ও ফোল্ডার যেভাবে প্রদর্শিত হবে তা এখান থেকেই সমন্বয় করতে পারবেন। ফোল্ডার অপশন আরো বিস্তৃত কাজ করে এখানে।

* ফন্টস :

ফন্টস অ্যাপলেট অনুমোদন করে পিসির ফন্ট যুক্ত, রিমুভ এবং ম্যানেজ করার বিষয়। এ অপশনের মাধ্যমে জানতে পারবেন সিস্টেমে কী কী ফন্ট ইনস্টল করা আছে।

* গেম কন্ট্রোলারস :

জয়স্টিক, স্টেয়ারিং হুইল বা অন্য কোনো গেম কন্ট্রোলার ব্যবহার করলে এ সেকশন ব্যবহার করতে পারেন অ্যাড, রিমুভ এবং ডিভাইস ট্রাবল শূটিংয়ের জন্য।

* ইন্টারনট অপশন :

ওয়েব ব্রাউজ করার জন্য ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করলে সেটিং পরিবর্তন যেমন- হিস্টোরি, কানেকশন এবং সিকিউরিটি ইত্যাদির জন্য এ অপশন ব্যবহার করতে পারেন। ইন্টারনেট অপশনের কার্যাবলী আরো ব্যাপক ও বিস্তৃত।

* কীবোর্ড :

এ অপশনের মাধ্যমে আপনি সেটিং সমন্বয় করতে পারবেন, যেমন- কীবোর্ড কত দ্রুত একটি ক্যারেক্টার পুনরাবৃত্তি করবে যখন কী চেপে ধরে রাখা হবে এবং কার্সরের ব্লিংকিং রেটও সমন্বয় করতে পারবেন এ অপশনের মাধ্যমে।

* মেইল :

মেইল অ্যাপলেটের মাধ্যমে আউটলুক বা এক্সচেঞ্জ ই-মেইল সেটিংয়ের জন্য প্রোপার্টি সমন্বয় করতে পারবেন।

* মাউস :

এ অপশনের মাধ্যমে মাউস সেটিং ফিচার সমন্বয় করতে পারবেন, যেমন- ডবল ক্লিক স্পিড, বাটন অ্যাসাইনমেন্ট ও স্ক্রলিং। মাউস পয়েন্টার পরিবর্তন যেমনি করতে পারবেন, তেমনি পারবেন মাউসের ডিটেইল ভিউ করতে।

* নেটওয়ার্ক কানেকশন :

এটি এমন এক আইটেম যেখানে নেটওয়ার্ক সংযোগ সেটিং চেক ও সমন্বয় করতে পারবেন। এ ফিচারের মাধ্যমে এমন এক ক্ষেত্রে নিয়ে যাবে মনে হবে যেন ডান ক্লিকের মাধ্যমে মাই নেটওয়ার্ক প্লেসে আছেন এবং বেছে নিতে পারবেন প্রোপার্টিজ। এটি প্রদর্শন করবে সব সক্রিয় নেটওয়ার্ক, ডায়ালআপ এবং ওয়্যারলেস কানেকশন। নতুন সংযোগে সহায়তা দেয়ার জন্য রয়েছে নিউ কানেকশন উইজার্ড।

* ফোন অ্যান্ড মডেম অপশনস :

যদি সিস্টেমে মডেম ইনস্টল করা থাকে এবং ডায়ালআপ কানেকশনের বা ফ্যাক্সের জন্য ব্যবহার করেন তাহলে এখানে এই সেটিং পরিবর্তন করতে পারবেন। ডায়ালিং রুলস ট্যাবের মাধ্যমে ডায়ালিং, নাম্বার সেটিং পরিবর্তন করতে পারবেন যাতে বাইরের লাইন পাওয়া যায়। মডেম ট্যাবের মাধ্যমে ইনস্টল করা মডেমের জন্য অ্যাড, রিমুভ এবং প্রোপার্টিজ পরিবর্তন করতে পারবেন।

* পাওয়ার অপশন :

এটি এমন এক ক্ষেত্র যেখানে পিসির পাওয়ার সেটিংকে সমন্বয় করতে পারবেন। বিভিন্ন সেটিংয়ের জন্য উইন্ডোজের রয়েছে বিল্ট-ইন-পাওয়ার স্কিম, যেমন, কখন মনিটর বা হার্ডড্রাইভের পাওয়ার অফ হবে এবং কখন স্ট্যান্ডবাই মোডে যাবে ইত্যাদি। অ্যাডভান্সড ট্যাবের মাধ্যমে অ্যাসাইন করতে পারবেন কখন কমপিউটার স্ট্যান্ডবাই মোডে যাবে বা পাওয়ার অন হবে বা স্লিপবাটন প্রেস হবে। যদি হাইবারনেশন এনাবল বা ইউপিএস অ্যাটাচ করতে চান, তাহলে তা করতে পারবেন এখানে। এই ফিচারে এক্সেস করা যাবে স্ক্রিন সেভার ট্যাবের ডিসপ্লে প্রোপ্রার্টিজের মাধ্যমে।

* প্রিন্টারস অ্যান্ড ফ্যাক্সেস :

এ ক্ষেত্রটি এমন এক জায়গা যেখানে প্রিন্টারসমূহ ইনস্টল থাকে এবং যেখান থেকে সেগুলোর সেটিং ম্যানেজ করা যায়। এখানে অ্যাড প্রিন্টার উইজার্ড রয়েছে, যার মাধ্যমে নতুন প্রিন্টার সহজে ইনস্টল করা যায়। প্রিন্টার ম্যানেজ করার জন্য ডান ক্লিক করে প্রোপার্টিজ সিলেক্ট করলেই হবে।

* রিজিওনাল অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ অপশন : যদি কারেন্সি, ডেট টাইমের জন্য মাল্টিপল ল্যাঙ্গুয়েজ বা ফরমেট ব্যবহার করতে হয়, তাহলে এখান থেকে তা ম্যানেজ করতে পারবেন।

* স্ক্যানার অ্যান্ড ক্যামেরা :

উইন্ডোজ সংযুক্তে স্ক্যানার ও ক্যামেরাকে ম্যানেজ করার জন্য দিচ্ছে এক কেন্দ্রীয় জায়গা, যেখান থেকে সেটিংসমূহ সমন্বয় করা যায়। এখানে নতুন ডিভাইস যুক্ত করার জন্য রয়েছে এক উইজার্ড যাতে স্ক্যানার বা ক্যামেরার ইনস্টল প্রসেস সহজ হয়।

* সিডিউল টাস্ক :

কোনো নির্দিষ্ট প্রোগ্রামকে দিনের কোনো নির্দিষ্ট সময়ে রান করানো যায় এই ফিচারের মাধ্যমে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার একটি ব্যাচ ফাইল রয়েছে, যা প্রতি রাতে রান করানোর জন্য সেট করতে পারেন। এখানে একটি সহায়ক উইজার্ডও রয়েছে।

* সিকিউরিটি সেন্টার :

উইন্ডোজ সিকিউরিটি সেন্টার কমপিউটারের স্ট্যাটাস চেক করে দেখে ফায়ারওয়াল, ভাইরাস প্রোটেকশন এবং স্বয়ংক্রিয় আপডেটের জন্য। ফায়ারওয়াল কমপিউটারকে রক্ষা করে যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যবহারকারীরা সহজে এক্সেস করতে না পারে নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে। অটোমেটিক আপডেটের মাধ্যমে উইন্ডোজ রুটিনমাফিক কমপিউটারের জন্য সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ আপডেট চেক করে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনস্টল করে।

* সাউন্ড অ্যান্ড ডিভাইসেস :

এই ফিচারের মাধ্যমে সাউন্ড ও স্পিকার সেটিং সমন্বয় করা যায়। ভলিউম ট্যাবের রয়েছে সিস্টেমকে মিউট করার সেটিং। এজন্য টাস্কবারে রয়েছে ভলিউম আইকন। সাউন্ড ট্যাবের মাধ্যমে সমন্বয় করতে পারবেন সাউন্ড।

* স্পিচ প্রোপার্টিজ :

উইন্ডোজে রয়েছে টেক্সট টু স্পিচ ট্রানস্লেশন ফিচার, যার মাধ্যমে কমপিউটার ডকুমেন্টের টেক্সটকে পড়ে শোনাবে কমপিউটার ভয়েজ ব্যবহার করে, যা কমপিউটারের স্পিকার ব্যবহারে শোনা যাবে। ভয়েজের ধরন ও স্পিডকেও সমন্বয় করা যায়।

* সিস্টেম :

মাই কমপিউটারে ডান ক্লিক করে প্রোপার্টিজ সিলেক্ট করুন এবং এরপর কন্ট্রোল প্যানেলের সিস্টেম ফিচার ব্যবহার করুন। এ ফিচারের মাধ্যমে জানতে পারবেন পিসির কনফিগারেশন সংক্রান্ত তথ্য, নেম এবং নেটওয়ার্ক স্ট্যাটাস। হার্ডওয়্যার প্রোফাইল সংক্রান্ত তথ্য যেমন ভিউ করতে পারবেন হার্ডওয়্যার ট্যাবে ক্লিক করে, তেমনি পাবেন ডিভাইস ম্যানেজার সম্পর্কিত তথ্য। অ্যাডভ্যান্স ট্যাবে ক্লিক করে তেমনি পাবেন ডিভাইস ম্যানেজার সম্পর্কিত তথ্য। অ্যাডভ্যান্স ট্যাবের মাধ্যমে ভার্চুয়াল মেমরির জন্য সেটিং পরিবর্তন করতে পারবেন। এখানে একটি ক্ষেত্র রয়েছে প্রয়োজনে পরিবর্তন করতে পারবেন স্টার্টআপ এবং রিকোভারি সেটিংস। রিমোট ডেস্কটপের জন্য রিমোট এক্সেসকে এনাবল করতে পারেন। অথবা রিমোট অ্যাসিসট্যান্টকে এনাবল করতে পারেন এখান থেকে।

* টাস্কবার অ্যান্ড স্টার্ট মেনু :

এখানে টাস্কবার এবং স্টার্টআপ মেনুর জন্য সেটিং পরিবর্তন করতে পারেন।

* ইউজার অ্যাকাউন্ট :

লোকাল কমপিউটার ইউজারকে ম্যানেজ করতে পারবেন এ ফিচারের মাধ্যমে। ইচ্ছে করলে ইউজারকে যুক্ত ও রিমুভ করতে পারবেন এবং পরিবর্তন করতে পারবেন ইউজারকে যারা সিস্টেমে লগইন করে।

* উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল :

এটি একই ফায়ারওয়াল সেটিং, যা বর্ণিত হয়েছে উইন্ডোজ সিকিউরিটি সেন্টার সেকশনে।

* ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক সেটআপ উইজার্ড :

এ উইজার্ড সহায়তা করে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের সিকিউরিটি সেটআপ এনাবল করতে।

কজ ওয়েব

ফিডব্যাক : mahmood_sw@yahoo.com
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস