Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > কারস ২
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: সৈয়দ হাসান মাহমুদ
মোট লেখা:১৪৪
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১১ - আগস্ট
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
গেম
তথ্যসূত্র:
গেমের জগৎ
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
কারস ২

ত্রিমাত্রিক বা থ্রিডি অ্যানিমেটেড মুভির কথা বলতে গেলে প্রথমেই আসে ডিজনি এবং পিক্সার স্টুডিওর নাম। কারণ ডিজনির ব্যানারে এখন পর্যন্ত বের হওয়া সব অ্যানিমেটেড মুভি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। প্রথম দিকে প্রতিষ্ঠানটি প্রচলিত রূপকথার ওপর নির্ভর করে দ্বিমাত্রিক অ্যানিমেটেড মুভি তৈরি করত। পরে ডিজনি ও এর অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বেশ কিছু মৌলিক ও অসাধারণ কাহিনীনির্ভর ত্রিমাত্রিক মুভি দর্শকদের উপহার দিয়ে ত্রিমাত্রিক অ্যানিমেটেড মুভির জগতে বেশ ভালো জায়গা দখল করে নেয়। এসব মুভির মধ্যে টয় স্টোরি, ডাইনোসর, ইনক্রেডিবলস, বোল্ট, কারস ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ২০০৪ সালে পিক্সার স্টুডিওর ডেভেলপ করা কারস মুভিটি বেশ ব্যবসাসফল হওয়ার পর ২০১১ সালে এর সিক্যুয়াল কারস-২ মুক্তি পেয়েছে। এটিও আগের মুভির মতো পিক্সার স্টুডিও ডেভেলপ করেছে এবং ডিস্ট্রিবিউটর হচ্ছে ডিজনি। সম্প্রতি এই মুভির সাথে সাথে এর কাহিনীর ওপর নির্ভর করে কারস-২ গেম রিলিজ পেয়েছে এবং এই গেমটি যৌথভাবে ডেভেলপ করেছে অ্যাভাল্যানশ স্টুডিও এবং ফায়ারব্র্যান্ড গেমস।



কারস ২ গেমটি হচ্ছে থার্ড পারসন রেসিং গেম। এটিতে প্রায় ২৫টি আলাদা ক্যারেক্টার রয়েছে। এদের যে কোনোটিকে নিয়ে গেমারকে খেলতে হবে এবং সেই কারকে ওয়ার্ল্ড ক্লাস স্পাই কার বানাতে হবে। গেমের কার ক্যারেক্টারগুলোর সব মুভি থেকে নেয়া। আকার, আকৃতি, স্পিড ও এক্সেলারেশন বা বুস্টিং পাওয়ারের ওপর ভিত্তি করে এদের ভাগ করা হয়েছে। এদের মধ্যে মুভি ও গেমের মূল চরিত্র লাইটনিং ম্যাককুইন নামের লাল রঙের কারটির স্পিড ও বুস্টিং পাওয়ারের দিক থেকে সমমানে রয়েছে। স্পিড বেশিযুক্ত গাড়ি নিয়ে খেললে স্টারটিংয়ের সময় অনেক দ্রুত বের হওয়া যায়, কিন্তু বুস্টিং বা এক্সেলারেশন কম থাকায় পরে কষ্ট হয়। একইভাবে এক্সেলারেশন বেশিযুক্ত গাড়ি রেসে এগিয়ে থাকার জন্য ভালো, কিন্তু স্পিড কম থাকায় অনেক সময় সমস্যায় পড়তে হয়। তাই স্পিড ও এক্সেলারেশন দুটি সমপর্যায়ে রয়েছে বা কিছুটা কমবেশি আছে এমন গাড়ি নিয়ে গেম শুরু করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। গেমের প্রতিটি মিশনে গাড়িতে নতুন নতুন হাইটেক গ্যাজেটের ব্যবহার শিখতে হবে এবং কারের দক্ষতা বাড়াতে হবে। গেমের প্রথমে টিউটোরিয়াল রাখা হয়েছে। এখান থেকে গেমার গাড়ির বিভিন্ন মুভমেন্ট ও ক্ষমতার ব্যবহার শিখে নিতে পারবে। বিভিন্ন মুভমেন্টের মধ্যে রয়েছে জাম্প, ড্রিফটিং, পাওয়ার ড্রাইভিং ইত্যাদি। টিউটোরিয়াল দেখে কোনো মুভমেন্ট শেখার পর একটা করে রেসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে যাতে করে গেমার রেসে সেই মুভমেন্টগুলো ব্যবহার করে দক্ষতা অর্জন করতে পারে। গেমের রেস জেতার পর তিন ধরনের ট্রফি বা পুরস্কার রাখা হয়েছে- ব্রোঞ্জ, সিলভার ও গোল্ড।

গেমটি খেলার মিনিমাম সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট হচ্ছে- উইন্ডোজ এক্সপি সার্ভিস প্যাক ৩ বা উইন্ডোজ সেভেন, ৩.০ গিগাহার্টজের ইন্টেল পেন্টিয়াম ৪ মানের প্রসেসর, ১ গিগাবাইট র্যা।ম, ২৫৬ মেগাবাইট মেমরির পিক্সেল শেডার ২.০ সাপোর্টেড গ্রাফিক্স কার্ড এবং ৩ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক স্পেস। গেমটি মাদারবোর্ডের সাথে থাকা বিল্ট-ইন গ্রাফিক্স কার্ডে বা পুরনো এজিপি কার্ডেও চালানো যাবে লো ডিটেইলসে। হাই রেজ্যুলেশন দিয়ে খেলার জন্য সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট কিছুটা বেশি হবে। তবে গেমের গ্রাফিক্স তেমন একটা আহামরি গোছের নয়, তাই হাই কনফিগারেশনের পিসিতে গ্রাফিক্সের মান যে খুব ভালো আসবে তা নয়। গেমের সাউন্ড কিছুটা হাস্যকর, কারণ এতে কার্টুন ধরনের সাউন্ড ব্যবহার করা হয়েছে। গেমের গ্রাফিক্স ও সাউন্ড যাই হোক না কেনো, গেমটি খেলতে ভালোই লাগবে, কারণ খেলার সময় মনে হবে তা নাইট রাইডার স্পাই কার গেমের প্যারোডি ।

কজ ওয়েব

ফিডব্যাক : shmt_21@yahoo.com
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস