Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > স্মার্ট টেকনোলজিস কর্মকর্তার আশাবাদ : অ্যান্টিভাইরাস অ্যাভাইরা বাংলাদেশের বাজারে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: কজ রিপোর্টার
মোট লেখা:৩৭৮
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১১ - অক্টোবর
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
অ্যান্টি-ভাইরাস
তথ্যসূত্র:
রির্পোট
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
স্মার্ট টেকনোলজিস কর্মকর্তার আশাবাদ : অ্যান্টিভাইরাস অ্যাভাইরা বাংলাদেশের বাজারে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে



বিশ্বে যে কয়টি অ্যান্টিভাইরাস জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পেরেছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে অ্যাভাইরা। দুনিয়ার যেকোনো স্থানে যেকোনো কমপিউটার ব্যবহারকারী প্রথমেই ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করতে চাইলে যে অ্যান্টিভাইরাসটির নাম সবার আগে চিন্তা করেন তার নাম অ্যাভাইরা অ্যান্টিভাইরাস। অন্যদিকে গুণগত মানের কর্পোরেট সলিউশন পাওয়ার জন্য বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় যে অ্যান্টিভাইরাস, তার নামও অ্যাভাইরা। বাংলাদেশেও অ্যাভাইরা অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহারকারীর সংখ্যা নেহাত কম নয়। বিনা পয়সায় পাওয়া গেলেও অ্যাভাইরা অ্যান্টিভাইরাসের ট্রায়াল ভার্সন ব্যবহার করে বেশ স্বাচ্ছন্দ্য পাওয়া যায়। তাই অনেকেই অ্যাভাইরার ট্রায়াল ভার্সন ব্যবহার করে থাকেন। বাংলাদেশে এতদিন অ্যাভাইরার কোনো ব্যবসায় ছিল না। তাই চাইলেও লাইসেন্স কিনে তা ব্যবহার করাও সম্ভব ছিল না। সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্যতম সফল তথ্যপ্রযুক্তিপণ্য বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড বাজারে নিয়ে এসেছে অ্যাভাইরা অ্যান্টিভাইরাস। বাংলাদেশের বাজারে অ্যাভাইরা অ্যান্টিভাইরাসের আসা সম্পর্কে কথা বলেছেন স্মার্ট টেকনোলজিসের অ্যাভাইরা পণ্য ব্যবস্থাপক লুৎফর রহমান পেরি।


লুৎফর রহমান পেরি

প্রশ্ন : অ্যাভাইরা অ্যান্টিভাইরাস বাংলাদেশে নিয়ে আসার চিন্তা মাথায় এলো কিভাবে?

লুৎফর রহমান পেরি : অ্যাভাইরা বিশ্বের অন্যতম সেরা কয়েকটি অ্যান্টিভাইরাসের মধ্যে একটি। বাংলাদেশে এতদিন পর্যন্ত অ্যাভাইরা অ্যান্টিভাইরাস কেউ আনতে পারেনি। বিশ্বসেরা এই অ্যান্টিভাইরাস বাংলাদেশের কমপিউটার ব্যবহারকারীদের হাতে তুলে দেয়ার জন্যই আমরা তা বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে আসার উদ্যোগ গ্রহণ নিই। বাংলাদেশের অ্যান্টিভাইরাস বাজারে অ্যাভাইরা নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলেই আমার বিশ্বাস।

প্রশ্ন : অ্যাভাইরা সম্পর্কে কিছু বলুন।

লুৎফর রহমান পেরি : অ্যাভাইরা একটি জার্মান পণ্য। ইতোমধ্যেই ২৫ বছর পেছনে ফেলে এসেছে অ্যাভাইরা অ্যান্টিভাইরাস। বর্তমানে জার্মানি ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, চীন, রোমানিয়া, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, মালয়েশিয়া এবং হংকংয়ে অ্যাভাইরার নিজস্ব অফিস রয়েছে। অন্যদিকে বিশ্বের অসংখ্য দেশে অ্যাভাইরার ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনার, প্লাটিনাম পার্টনার, গোল্ড পার্টনার এবং অথরাইজড পার্টনার রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাকর পার্টনার হচ্ছে ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনার। তারপর যথাক্রমে প্লাটিনাম, গোল্ড ও অথরাইজড পার্টনারদের অবস্থান। স্মার্ট টেকনোলজিস বাংলাদেশে অ্যাভাইরার একমাত্র ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনার।

প্রশ্ন : অ্যাভাইরার গুণগত মান সম্পর্কে কিছু বলুন।

লুৎফর রহমান পেরি : অ্যাভাইরার গুণগত মান নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে কিছু বিষয় না বললেই নয়। অ্যাভাইরার বেশ কিছু ব্যবসায়িক নীতি বিশ্বের অন্যান্য কোম্পানির তুলনায় আলাদা। যেমন : বিশ্বের যেকোনো জায়গায় অ্যাভাইরার একই পণ্য একই চেহারায় সরাসরি জার্মানি থেকে সরবরাহ করা হয়। বলা বাহুল্য, জার্মানি হচ্ছে এ প্রযুক্তিপণ্যের অন্যতম সূতিকাগার। যেকোনো পণ্যেরই গুণগত মান নিশ্চিতকরণে জার্মানদের সুনাম রয়েছে বিশ্বজুড়ে।

প্রশ্ন : বর্তমানে বিশ্ববাজারে অ্যাভাইরার অবস্থান সম্পর্কে কিছু বলুন।

লুৎফর রহমান পেরি : বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ১০ কোটিরও বেশি মানুষ অ্যাভাইরার লাইসেন্স অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করে থাকেন, যা বিশ্বের মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ১০ শতাংশ। তাছাড়াও ৫০ হাজারের অধিক কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান অ্যাভাইরার কর্পোরেট সল্যুশন ব্যবহার করে থাকে।

প্রশ্ন : বাংলাদেশে অ্যাভাইরা অ্যান্টিভাইরাসের মার্কেট টার্গেট সম্পর্কে কিছু বলুন।

লুৎফর রহমান পেরি : অ্যাভাইরা অ্যান্টিভাইরাসের দাম বাজারের অন্যান্য অ্যান্টিভাইরাসের তুলনায় কিছুটা বেশি। সুতরাং এর মার্কেট টার্গেট হিসেবে এই মুহূর্তে কর্পোরেট শ্রেণী এবং আইটি প্রফেশনালদেরকে মাথায় রাখছি আমরা। বাংলাদেশে অনেক কমপিউটার ব্যবহারকারীই অ্যাভাইরার ট্রায়াল ভার্সন ব্যবহার করেন। ব্যাংক, বীমা, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিরাপত্তার জন্য অ্যাভাইরার অফিস সলিউশন অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

প্রশ্ন : অ্যাভাইরার বিশেষ গুণগুলো সম্পর্কে কিছু বলুন।

লুৎফর রহমান পেরি : অ্যাভাইরার বিশেষ গুণের মধ্যে রয়েছে ক্যুইক রিয়েকশন, দৈনিক একাধিক আপডেট এবং একাধিক পুরস্কারপ্রাপ্ত স্ক্যানার। তাছাড়াও এতে রয়েছে রিয়েকটিভ ও প্রোঅ্যাকটিভ প্রোটেকশন। অর্থাৎ পরিচিত এবং নতুন আসা সব ধরনের ভাইরাস থেকেই রক্ষা করে অ্যাভাইরা।

প্রশ্ন : অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বাজারে অ্যাভাইরাকে কোথায় দেখতে চান?

লুৎফর রহমান পেরি : অ্যাভাইরা মূলত এমন একটি অ্যান্টিভাইরাস পণ্য যা গুণগত মান রক্ষার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পেয়ে স্বল্পমানের পণ্য মানুষ দুয়েকবারই কেনে। অন্যদিকে গুণগত মানের পণ্য মানুষ বারবার কেনে এবং অন্যকে তা কিনতে উদ্বুদ্ধ করে। সবকিছু মিলিয়ে আগামী ৩-৫ বছরের মধ্যেই অ্যাভাইরা অ্যান্টিভাইরাস বাংলাদেশের বাজারে শীর্ষস্থানীয় অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে বলে আমি প্রত্যাশা করছি।

কজ ওয়েব

সাক্ষাৎকার গ্রহণ : সজীব ইসলাম
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস