Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > পিসির ঝুটঝামেলা
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: কজ
মোট লেখা:১০৪১
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১২ - সেপ্টেম্বর
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
টিপস
তথ্যসূত্র:
সমস্যা ও সমাধান
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
পিসির ঝুটঝামেলা

ট্রাবলশুটার টিম

সমস্যা :
আমার সমস্যাটি হচ্ছে-আমি যখন কোনো প্রয়োজনীয় ফ্রি সফটওয়্যার নেট থেকে ডাউনলোড করি, তখন কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছু হিডেন প্রোগ্রামও ইনস্টল হয় যা কন্ট্রোল প্যানেলে খুঁজে পাওয়া যায় না। অথচ সব ব্রাউজারের লুক পরিবর্তন করে দেয়। এ অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলোকে বাদ দিয়ে ব্রাউজারগুলোর আগের চেহারায় ফেরত আনার পদ্ধতি জানানোর অনুরোধ করছি।

-মনজুর রায়হান

সমাধান : যেসব হিডেন প্রোগ্রাম ইনস্টল হয় সেগুলো কন্ট্রোল প্যানেলে পাবেন না, কারণ এগুলো ব্রাউজারের প্লাগ-ইন বা অ্যাড-অনস হিসেবে ইনস্টল হয়। আপনি কোন ব্রাউজার ব্যবহার করেন তা উল্লেখ করেননি। এটা উল্লেখ করলে সঠিকভাবে উত্তর দেয়া যেত। কী কী ধরনের পরিবর্তন হয়েছে ব্রাউজারে তাও স্পষ্ট করে লেখেননি। ব্রাউজারের ওপরের বারে যদি বাড়তি কোনো বার এসে থাকে তবে সেখানে রাইট ক্লিক করে লিস্ট থেকে সেগুলো বাদ দিতে পারেন। ফায়ারফক্সের ক্ষেত্রে অ্যাড-অনস অপশনে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রোগ্রামগুলো ডিজ্যাবল করে দিতে পারেন। একেক ব্রাউজারের ক্ষেত্রে এসব অনাকাঙ্ক্ষিত প্রোগ্রাম বাদ দেয়ার ব্যাপার একেক রকম। ফ্রি সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামের সাথে এগুলো বিজ্ঞাপন হিসেবে যুক্ত করা হয়ে থাকে। তবে ইনস্টলেশনের সময় দেখানো হয় যে সফটওয়্যারের সাথে এসব ছোট প্রোগ্রাম বা টুল ইনস্টল হবে। তখন একটু খেয়াল করে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রোগ্রাম বা টুলগুলো থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিলে তা আর ইনস্টল হবে না। যেকোনো ধরনের সফটওয়্যার ইনস্টল করার আগে সতর্কতার সাথে করা উচিত। অনেকেই না পড়ে, না বুঝে নেক্সট চেপে তাড়াতাড়ি করে সফটওয়্যার ইনস্টল করেন। আসলে তা ঠিক নয়। সফটওয়্যারটি কোথায় ইনস্টল হচ্ছে, তার সাথে আর কী কী জিনিস ইনস্টল হচ্ছে, সফটওয়্যারটির সাপোর্টের জন্য এক্সট্রা কোনো প্রোগ্রাম লাগবে কি না, সফটওয়্যারটি চালানোর মতো সিস্টেম কনফিগারেশন আছে কি না, কতটুকু জায়গা দখল করবে সে অনুপাতে হার্ডড্রাইভে জায়গা আছে কি না ইত্যাদি বিষয়ের দিকে নজর রেখে তা ইনস্টল করা উচিত। জনপ্রিয় ও পরিচিত সফটওয়্যারগুলোর বাইরে যেকোনো ধরনের সফটওয়্যার বিশেষ করে ফ্রি সফটওয়্যার ব্যবহার করার আগে সফটওয়্যারটি সম্পর্কে অনলাইনে রিভিউ পড়ে নেবেন। অনেক সময় এসব অপরিচিত সফটওয়্যারের সাহায্যে পিসি হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত।

সমস্যা :
আমার পিসির কনফিগারেশন হচ্ছে-এএমডি এথলন এক্সটু ৬৪ ৩৬০০+ প্রসেসর, গিগাবাইট এমএ৬৯জিএম মাদারবোর্ড, ট্রান্সসেন্ড ৪ গিগাবাইট ৮০০ বাসস্পিড ডিডিআর২ র‌্যাম, এএমডি রাডেওন এইচডি ৫৭৭০ গ্রাফিক্স কার্ড ও হিটাচি ৫০০ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক। আমার পিসিতে নরটন ইন্টারনেট সিকিউরিটি ২০১২ ইনস্টল করা আছে। আমার সমস্যা হচ্ছে-আমি ট্রান্সফরমারস-ফল অব সাইবারট্রন গেমটি ইনস্টল করার পর ডিভিডি থেকে ক্র্যাক ফাইল কপি করে ইনস্টলেশন ডিরেক্টরিতে পেস্ট করতে গেলে budda.dll নামের একটি ফাইল কপি হয় না কিন্তু বাকি ফাইলগুলো ঠিকমতোই রিপ্লেস হয়। ফাইলটি ডিস্ক থেকে কপি করে অন্য কোথাও কপি করতে পারি না। এ অবস্থায় গেম রান করতে গেলে ফাইল মিসিং মেসেজ আসে। ফাইলের নাম Buddha.dll যা কি না কপি করা যাচ্ছে না। দোকানে ফেরত দিতে গেলে দোকানদার একই ডিস্ক দিয়ে তাদের পিসিতে গেমটি ইনস্টল করে দেখাল। তাদের পিসিতে কোনো সমস্যা হলো না সব কিছুই ঠিকমতো হলো। তাহলে আমার পিসিতে এ সমস্যা দেখাচ্ছে কেনো? আমার পিসির কনফিগারেশন তো গেমটি খেলার উপযুক্ত হওয়ার কথা। তাড়াতাড়ি সমস্যাটির সমাধান জানালে উপকৃত হব।

-মামুন, মোহাম্মদপুর

সমাধান : আপনার পিসির কনফিগারেশন অনুযায়ী গেমটি আপনার পিসিতে চলবে। তবে ফুল ডিটেইলস ও হাই রেজ্যুলেশনে খেলার সময় একটু আটকাতে পারে। অনেক গেমের ক্র্যাক ফাইলের কিছু ক্ষতিকর ভাইরাস বা স্পাইওয়্যার থাকে। ভালোমানের অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার যারা করেন তারা ব্যাপারটি সহজেই ধরতে পারবেন। আপনি যে গেম ডিস্কটি ব্যবহার করেছেন সেই ডিস্কের ক্র্যাক ফাইলে ক্ষতিকর কিছু খুঁজে পাওয়ার কারণেই অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম তা পিসিতে কপি করতে দিচ্ছে না। ব্যাপারটি চেক করার জন্য ডিস্কের ক্র্যাক ফোল্ডারটিকে অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম দিয়ে স্ক্যান করে দেখুন সেই ডিএলএল ফাইলটিকে থ্রেট হিসেবে ডিটেক্ট করে কি না? গেমটি চালানোর জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে ইটারনেট থেকে গেমটির জন্য আরেকটি ক্র্যাক নামিয়ে তা দিয়ে চেষ্টা করে দেখা বা অন্য কোনো কোম্পানির ডিস্কে থাকা ক্র্যাক ফাইলটি কপি করে এনে তা কাজ করে কি না দেখা। যদি এতে কাজ না হয় তাহলে ক্র্যাকটি কপি করার আগে অ্যান্টিভাইরাস ডিজ্যাবল করে নিতে হবে। অ্যান্টিভাইরাস ডিজ্যাবল করার পর তা কপি হবে, কিন্তু আবার তা অ্যাক্টিভেট হলেই ফাইলটি ক্যাপচার করে তা ডিলিট করে দেবে। তাই ফাইলটির একটি কমপ্রেস করা কপি একই ফোল্ডারে রেখে দিন। যখনই তা ডিলিট হয়ে যাবে তখন আবার অ্যান্টিভাইরাস ডিজ্যাবল করে ফাইলটি আনজিপ করে নিলেই হবে। গেম খেলার সময়ও অ্যান্টিভাইরাস ডিজ্যাবল করে নিতে হবে। কিন্তু এ কাজটি করাটা ভালো হবে না। কারণ অ্যান্টিভাইরাস ডিজ্যাবল করে গেম চালালে সেই ক্ষতিকর ফাইলটি কমপিউটারের ক্ষতি করতে পারে। তাই প্রথম পদ্ধতিতে কাজ করার চেষ্টা করুন। এরপর থেকে যেকোনো গেম ইনস্টল করার আগে গেমের ক্র্যাক ফাইল স্ক্যান করে দেখে নিতে হবে তাতে কোনো ক্ষতিকর কিছু আছে কি না? শুধু গেম নয়, অন্যান্য যেকোনো কিছু ইনস্টল করার আগে তা স্ক্যান করে দেখে নিলে পিসির ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কমবে।

সমস্যা
আমি আমার গত প্রশ্নের উত্তর পেয়ে খুব আনন্দিত। আমার কমপিউটার কনফিগারেশন হচ্ছে- ইন্টেল ডুয়াল কোর ৩ গিগাহার্টজ, ফক্সকন জি৪১এমএক্সই মাদারবোর্ড, ৬ গিগাবাইট ডিডিআর৩ র‌্যাম, এটিআই রাডেওন এইচডি৫৪৫০ গ্রাফিক্স কার্ড ও ৫০০ ওয়াট পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট। আমি ওভারক্লক সম্পর্কে জানতে চাই। আমার পিসি কি ওভারক্লক করা যাবে? যদি করা যায় তা কীভাবে করা যাবে। আমি ওভারক্লক করার নিয়ম এবং কীভাবে তা করা যাবে সেটা জানতে চাই।

-আরাফাত হোসাইন

সমাধান : যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন না পড়ে তবে শখের বশে ওভারক্লকিং করাটা বোকামি। কারণ এতে প্রসেসরের ওপর চাপ পড়ে, বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয়, প্রসেসর সাধারণের তুলনায় অনেক বেশি গরম হয়ে যায় এবং পুরো সিস্টেমের ওপরে খারাপ প্রভাব পড়ে। আগে ভালো করে চিন্তা করে নিন সত্যিই ওভারক্লকিং করা আপনার দরকার কি না। আপনার পিসির ওভারক্লক করা যাবে ঠিকই কিন্তু পারফরম্যান্সে খুব বেশি পার্থক্য আনতে পারবেন না। তারচেয়ে গ্রাফিক্সকার্ড আপগ্রেড করে ভালোমানের পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট লাগিয়ে নিলে ভালো পারফরম্যান্স পাবেন। ওভারক্লক করতে হলে আরো ভালোমানের পাওয়ার সাপ্লাই, ভালোমানের থার্মাল ক্যাসিং যাতে ভালো ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা রয়েছে এবং সেই সাথে এক্সট্রা কুলিং ফ্যান ও প্রসেসর কুলার লাগবে। আপনার পিসির কনফিগারেশন অনুযায়ী গ্রাফিক্সকার্ড আপগ্রেড করলেই নতুন গেমগুলো ভালোভাবে খেলতে পারবেন।

আরেকটি কথা, ওভারক্লক করার ফলে যদি পিসির কোনো যন্ত্রাংশ নষ্ট হয় তবে তার জন্য ওয়ারেন্টি পাওয়ার নিশ্চয়তা অনেক কমে যাবে। অনেকে তাদের পণ্যে উল্লেখ করে থাকে যে তা ওভারক্লক করার ফলে নষ্ট হলে তার ওয়ারেন্টি তারা দেবে না। তাই কাজটি ঝুঁকিপূর্ণ। মাদারবোর্ডের বায়োস থেকে ওভারক্লক করা যায়। এ ছাড়া নানা রকমের ওভারক্লকিং সফটওয়্যার রয়েছে যার সাহায্যে ওভারক্লক করা যায়। এএমডির গ্রাফিক্সকার্ডের ড্রাইভারে দেয়া অপশনের সাহায্যে গ্রাফিক্সকার্ড ওভারক্লক করা যায়। ওভারক্লক বলতে প্রসেসর বা গ্রাফিক্সকার্ডের ক্লকস্পিডের পরিবর্তন করে তা বাড়ানোকে বোঝায়। যেমন আপনার পিসির প্রসেসরের ক্লকস্পিড ৩.০ গিগাহার্টজ এবং আপনি চাচ্ছেন তা ওভারক্লক করতে। তাহলে তা ওভারক্লক করে ৩.২ বা ৩.৪ গিগাহার্টজ বানানো যাবে। গ্রাফিক্সকার্ডের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটি একই। র‌্যামও ওভারক্লক করা যায়। এ ক্ষেত্রে র‌্যামের বাসস্পিডের পরিবর্তন করে তা বাড়ানো হয়। সব ক্ষেত্রেই ওভারক্লক করা হলে যন্ত্রাংশটির ১০০ ভাগ ব্যবহার করা হয়। সাধারণভাবে কমপিউটারে কাজ করলে আইডল অবস্থায় প্রসেসর ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ পাওয়ার কম টানে এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে। কিন্তু ওভারক্লক করা হলে তা স্বাভাবিক অবস্থায় যাবে না সবসময়ই শতভাগ ব্যবহার করবে, যা যন্ত্রাংশের জন্য খারাপ। পর্যাপ্ত পাওয়ার সাপ্লাই ও কুলিং প্রসেস না থাকলে সিস্টেমের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ।

সমস্যা :
আমার পিসিতএভাস্ট অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করে রিস্টার্ট দেয়ার পর সি ড্রাইভের উইন্ডোজ ফোল্ডারের সিস্টেম৩২ ফোল্ডারে স্ক্যান করে কিছু ফাইল ইনফেক্টেড বলে রিপোর্ট করে। আমি সেই ইনফেক্টেড ফাইলগুলো ডিলিট করে দেই। এরপর পিসি অন হওয়ার জন্য পাসওয়ার্ড চায়। আমি ইউজার নেম বা পাসওয়ার্ড জানি না। বায়োসের ব্যাটারি খুলে পাসওয়ার্ড সেট করতে পেরেছি কিন্তু ইউজারনেম সেট করতে পারি না। কীভাবে ইউজার নেম সেট করব? আইডিবিতে নিয়ে গেলে কি পিসি আপলক করা যাবে? এতে কত টাকা লাগবে?

-মেহরাজ মোর্শেদ

সমাধান : আপনি সমস্যার কথা পুরোপুরি খুলে বলতে পারেননি। আপনি কোন পাসওয়ার্ডের কথা বলেছেন তাও সঠিকভাবে বলেননি। বায়োসে পাসওয়ার্ড দেয়া যায় এবং উইন্ডোজ লগইন স্ক্রিনে পাসওয়ার্ড দেয়া যায়। বায়োসে যে পাসওয়ার্ড দেয়া হয় তার জন্য কোনো ইউজার নেম দিতে হয় না, শুধু পাসওয়ার্ড দিতে হয়। সেই পাওওয়ার্ড ভুলে গেলে মাদারবোর্ডের বায়োসের ব্যাটারি কিছুক্ষণ খুলে রাখলে বা মাদারবোর্ডের জাম্পার পিন খুলে রাখলে পাসওয়ার্ড রিমুভ হয়। আপনি উইন্ডোজ এক্সপি/ভিসতা/সেভেন কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছেন তাও লেখেননি। এক্সপি ইউজার হলে লগইন স্ক্রিনের পাসওয়ার্ড স্কিপ করা সম্ভব। লগইন স্ক্রিনে Ctrl+Alt+Del চাপলে নতুন লগইন বক্স আসবে। এই বক্সের ইউজারনেম Av Administrator এবং পাসওয়ার্ড বক্স খালি রেখে এন্টার চাপলে ডেস্কটপ চলে আসবে। এরপর ইউজার অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে ইউজার বদল করে নিলেই হবে। আর যদি এমন হয়ে থাকে যে ইউজার অ্যাকাউন্ট কন্ট্রোল করে এমন কোনো ফাইল ডিলিট হয়ে থাকে এবং ইউজার অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত বিষয়ে কোনো এরর আসে তবে প্রয়োজনীয় ফাইলগুলোর ব্যাকআপ নিয়ে উইন্ডোজ বদল করে নেয়াটাই ভালো হবে। ব্যাকআপ নেয়ার সময় মাই ডকুমেন্ট ফোল্ডার, ডেস্কটপ ফাইল, ব্রাউজারের বুকমার্ক, সি ড্রাইভে কপি করে রাখা ফাইল, গেমসের সেভ গেম ফাইল ইত্যাদির ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। উইন্ডোজ সেভেন বা ভিসতা ইনস্টল করা থাকলে তা আবার ইনস্টল করে নিন। আইডিবি ভবন নয়, আসতে হবে বিসিএস কমপিউটার সিটি, সেখানে নিয়ে গিয়ে দেখাতে পারেন। এলিফ্যান্ট রোডেও বেশ কিছু কমপিউটার সার্ভিসিংয়ের দোকান রয়েছে। মাল্টিপ্ল্যান, সুবাস্ত্ত, আলপনা প্লাজা, নাহার প্লাজা ইত্যাদি অনেক মার্কেট আছে যেখানে পিসির যাবতীয় সমস্যা সমাধান করার জন্য নিয়ে যেতে পারেন। টাকা খুব বেশি লাগার কথা নয়। সফটওয়্যারগত সমস্যা হওয়ার কারণে তা ঠিক করানোর বিল দুই-তিনশ’র চেয়ে বেশি আসার কথা না।

সমস্যা :
আমি ৫০ হাজার টাকা বাজেটের মধ্যে একটি পিসি কিনতে চাই। আমি ভালোমানের পিসি কনফিগার করতে চাই যার মধ্যে থাকবে কোর আই সেভেন প্রসেসর, ৮ গিগাবাইট র‌্যাম ও ৫০০ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক। উল্লেখ্য, আমার আগে থেকেই এলইডি এলসিডি মনিটর আছে এবং সেই সাথে আরো কিছু ডিভাইস আছে যা ডেস্কটপ পিসিতে লাগে। আমার পিসির বাজেটে প্রসেসরকেই বেশি প্রধান্য দিতে চাচ্ছি। দয়া করে বিভিন্ন সেরা ব্র্যান্ড ও তাদের দামের মধ্যে পার্থক্যের ব্যাপারে পরামর্শ চাচ্ছি। বিভিন্ন যন্ত্রাংশ যেমন-প্রসেসর, মাদারবোর্ড, ক্যাসিং, র‌্যাম, পিএসইউ, গ্রাফিক্সকার্ড, হার্ডডিস্ক ইত্যাদির দাম সম্পর্কে জানতে চাই।

- রেজোয়ান শাহাদ

সমাধান :
বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী আপনার বাজেটের অর্ধেকের বেশি খরচ হয়ে যাবে প্রসেসর কিনতে। পিসির যন্ত্রাংশের বাজারদর জানার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে নিজে বাজারে গিয়ে তা যাচাই করা। কারণ একেক দোকানে দাম একেক রকম হয়ে থাকে। দোকানে যাওয়ার আগে সময় পেলে ওয়েবসাইট থেকে তা দেখে নিন। এখানে কিছু দোকানের ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেয়া হলো-

রায়ানস কমপিউটার্স লিমিটেড
ryanscomputers.com
গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড
globalbrand.com.bd
বাইনারি লজিক
binarylogic.com.bd
ইউসিসি
ucc-bd.com
স্মার্ট টেকনোলজিস
smart-bd.com
কমপিউটার সোর্স
computersourcebd.com
ফ্লোরা লিমিটেড
floralimited.com

এদের মধ্যে রায়ানস কমপিউটারস নিয়মিত পণ্যের মূল্যতালিকা নিয়ে একটি প্রোডাক্ট বুক বের করে। এতে সব রকমের যন্ত্রাংশের দাম লেখা থাকে যা তাদের কাছে পাওয়া যায়। এটি তাদের ওয়েবসাইট থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোডও করে নিতে পারবেন। কোর আই সেভেন প্রসেসরের জন্য ভালো চিপসেটের মাদারবোর্ড এবং বাজারের সবচেয়ে নতুন চিপসেট হচ্ছে জেড৭৭। র‌্যাম ১৬০০ বা ১৮৬৬ মেগাহার্টজ বাসস্পিডের কেনার চেষ্টা করুন। গ্রাফিক্সকার্ড ভালো হলে গেমিং পারফরম্যান্স ভালো পাবেন। তাই ভালো গ্রাফিক্সকার্ড কেনার চেষ্টা করুন। পাওয়ারফুল বা হাই-এন্ড পিসি কিনবেন তাই ক্যাসিংটি ভালো হওয়া চাই। এ জন্য কম মূল্য ও মাঝারি আকারের মধ্যে নিতে চাইলে থার্মালটেকের ডক্কার বা কমান্ডার ক্যাসিং বা বড় আকারের আর্মর ও অন্যান্য সিরিজের দিকে যেতে পারেন। পর্যাপ্ত কুলিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য ক্যাসিংয়ের সাথে থাকা কুলিং ফ্যানের বাইরে আরো কয়েকটি ভালোমানের এক্সট্রা কুলিং ফ্যান কিনে নিন। ক্যাসিংয়ের সাথে সাধারণত দুটি কুলিং ফ্যান দেয়া থাকে, কিন্তু সাথে আরো বেশ কয়েকটি ফ্যান লাগানোর জন্য জায়গা থাকে। কুলিং সিস্টেমের সাথে সাথে পাওয়ার সাপ্লাইয়ের দিকেও মনোযোগ দিতে হবে। পুরো সিস্টেমের পাওয়ার কতটুকু লাগতে পারে তা থার্মালটেকের ওয়েবসাইটের পাওয়ার সাপ্লাই ক্যালকুলেটরের সাহায্যে বের করে নিন। এরপর যে পরামর্শ পাবেন তার চেয়ে কিছুটা বেশি ওয়াটের পাওয়ার সাপ্লাই কিনে নিন। যেমন ক্যালকুলেটরের যদি আসে ৫০০-এর কাছাকাছি তবে ৬৫০ ওয়াট কিনে নিন। প্রয়োজনের কিছুটা বেশি ওয়াটের পাওয়ার সাপ্লাই কিনতে বলার কারণ হচ্ছে, পিএসইউ সময় বাড়ার সাথে সাথে দুর্বল হতে থাকে এবং পিসির কোনো যন্ত্রাংশ আপগ্রেড করতে চাইলে তা সহজেই করা সম্ভব হয়।

সমস্যা :
আমি কমপিউটারের সাহায্যে নোকিয়া এন৭৩ মোবাইলের সফটওয়্যার আপডেট করার চেষ্টা করি এবং আপডেট শেষ হওয়ার আগেই ডাটা ক্যাবল খুলে ফেলি। এখন মোবাইল আর চালু হয় না। এখন কি করতে পারি?

-আরিফ হোসেন

সমাধান : মোবাইলের সার্কিট বোর্ডের সমস্যা হতে পারে। তাই তা মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টারে নিয়ে গিয়ে দেখুন তারাই এর ভালো সমাধান দিতে পারবেন।

কজ

ফিডব্যাক : jhutjhamela@comjagat.com
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস