Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > ফটোশপ টিউটরিয়াল
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: আহমেদ ওয়াহিদ মাসুদ
মোট লেখা:৯৮
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৩ - জুলাই
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
অ্যাডোবি ফটোশপ
তথ্যসূত্র:
গ্রাফিক্স
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
ফটোশপ টিউটরিয়াল

ছবি তোলার শখ কম-বেশি অনেকেরই থাকে। নিজের ছবি হোক বা অন্যের, প্রাকৃতিক দৃশ্যের, বন্য প্রাণীর, ছবি তোলার বিষয়ের কোনো সীমা নেই। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে দরকার ছবি এডিট করা। ছবি এডিটিংয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়্যার হলো ফটোশপ। এ লেখায় ফটোশপের কিছু প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

ছবি রিসাইজ

এডিটিংয়ের ক্ষেত্রে ছবি রিসাইজ করা খুব সহজ এক কাজ। এজন্য ফটোশপের মতো অ্যাডভান্সড সফটওয়্যারের দরকার হয় না। কিন্তু রিসাইজিংয়ের কিছু বিষয় আছে যেগুলো ইউজারের জানা থাকা ভালো। যেমন রিসাইজিং বলতে শুধু যে ছবির সাইজ ছোট বা বড় করা বোঝায় তাই নয়। এর সাথে ছবির গুণগত মানেরও সম্পর্ক আছে। ধরুন, একটি ছবির সাইজ বড় করা হবে, কিন্তু ইমেজের মান পরিবর্তন হবে না। সাধারণত সাইজ ও মান একে অপরের বিপরীত। অর্থাৎ সাইজ বাড়লে মান কমে। মূল রিসাইজিং আসলে একটি ওয়ান স্টেপ পদ্ধতি।

যেকোনো একটি ইমেজ ফটোশপে ওপেন করুন। এখানে চিত্র-১-কে এডিট করা হবে। এবার ইমেজ ট্যাব ওপেন করে ইমেজ অপশন সিলেক্ট করলে ইমেজ সাইজের ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে। এখানে ছবি রিসাইজ করার বিভিন্ন অপশন থাকে (চিত্র-২)।

ইউজার যে ছবিটি ওপেন করবেন এ ডায়ালগ বক্সে সেই ছবিটির বিভিন্ন প্রপার্টি দেখাবে। যেমন বক্সটির একদম ওপরের বাম দিকে পিক্সেল ডাইমেনশনের পর যে সংখ্যাটি দেখাবে, তা হলো ওপেন করার ছবির মূল সাইজ। অর্থাৎ ছবিটি হার্ডডিস্কে কতটুকু জায়গা দখল করেছে। এর ঠিক নিচেই দেখা যাবে ছবির উইডথ এবং হাইট। যখন কোনো ইমেজ রিসাইজ করা হয়, তখন ছবির আকার পরিবর্তন হয়। কারণ ছবির উইডথ এবং হাইট পরিবর্তিত হয়ে যায়। এর আরেক নাম রেজ্যুলেশন। জেনে রাখা ভালো, সাধারণত মুভির ক্ষেত্রে ৭২০পি, ১০৮০পি ইত্যাদি নাম ব্যবহার করা হয়, যা মূলত এ রেজ্যুলেশনই প্রকাশ করে। ৭২০পি মানে উইডথ হবে ১২৮০ পিক্সেল এবং ১০৮০পি মানে উইডথ হবে ১৯২০ পিক্সেল। যদিও এ বিষয়টি মনিটরের অ্যাসপেক্ট রেশিওর ওপর নির্ভর করে। অ্যাসপেক্ট রেশিও হলো মনিটরের উইডথ এবং হাইটের প্রদর্শন। আজকাল সাধারণত ওয়াইড স্ক্রিনের মনিটর সবাই ব্যবহার করেন। ওয়াইড স্ক্রিনের অ্যাসপেক্ট রেশিও হলো ১৬:৯ । তাই একটি ১৬:৯ মনিটরে ৭২০পি মুভি চলার অর্থ হলো মুভির উইডথ (১৬/৯)×৭২০=১২৮০ পিক্সেল। রেজ্যুলেশনের হিসাবগুলো এভাবে করা হয়। একইভাবে ১০৮০পির জন্য উইডথ হয় ১৯২০ পিক্সেল। ছবি রিসাইজের ক্ষেত্রে তাই এ সাইজগুলো মেনে চললে ভালো হয়, কারণ ছবির উইডথ এসব নির্দিষ্ট সাইজের কম হলে মনিটরে পুরোপুরি দেখাবে না, আর দেখালেও ছবি ফেটে যাবে অর্থাৎ ইমেজের মান খারাপ হয়ে যাবে। কিন্তু ছবির সাইজ পরিমাণমতো হলে পুরো মনিটরেই তা দেখবে। আর ছবির সাইজ যদি বেশি হয় তাহলে মানের কোনো পরিবর্তন হবে না। কারণ মনিটরের একটি লিমিট আছে। তার বেশি সাইজ হলেও মনিটরের সাইজ যতটুকু ততটুকুই দেখাবে। কিন্তু সাধারণ ডিজিটাল ক্যামেরা অর্থাৎ পয়েন্ট অ্যাড শুট ক্যামেরাগুলোতে ছবি তুললে সেগুলোর রেজ্যুলেশন অনেক বেশি দেখা যায়। আসলে এত বেশি রেজ্যুলেশনের দরকার হয় না। একটি ১৯ ইঞ্চি মনিটরের জন্য স্ট্যান্ডার্ড রেজ্যুলেশন হলো ১২৮০×৮০০ পিক্সেল। অনেক সময় ১২৮০ পিক্সেলের জায়গায় ১৩৬৬ পিক্সেলও দেখা যায়। আর ২১ ইঞ্চি মনিটরের জন্য রেজ্যুলেশন হলো ১৯২০×১০৮০ পিক্সেল। ছবি রিসাইজের সময় রেজ্যুলেশনের এ স্ট্যান্ডার্ড মেনে চললেই যথেষ্ট। এতে করে ছবির ইমেজের মানের কোনো পরিবর্তন চোখে পড়বে না, কিন্তু ছবির সাইজ অনেক কমে যাবে, কারণ বেশি রেজ্যুলেশনের জন্য বেশি জায়গা দরকার হয়।

এখন এ ছবিটিকে রিসাইজ করা বেশ সহজ। ইউজার শুধু নিজের পছন্দ মতো উইডথ এবং হাইট এই ডায়ালগ বক্সে ইনপুট দিয়ে অ্যাপ্লাই করলেই ছবি রিসাইজ হয়ে যাবে, আর সাথে উপরে ছবির সাইজও (হার্ডডিস্কে) দেখাবে। তবে উইডথ আর হাইট যদি লক করা থাকে, তাহলে উইডথের একটি ভ্যালু দিলে একটি নির্দিষ্ট অনুপাতে হাইটের মান নির্ধারণ হয়ে যাবে। সাধারণত লক করা থাকে যাতে উইডথ এবং হাইটের অনুপাত ঠিক থাকে। এতে করে মনিটরে ছবিটি দেখতে বেমানান লাগবে না। তবে ইউজার চাইলে লক তুলে দিতে পারেন। তখন ফ্রি রিসাইজ করা সম্ভব হবে। ইমেজের সাইজ ইনপুট দেয়ার ঠিক নিচেই এ লক করার অপশন থাকে, যার নাম constrain proportion। ছবির পিক্সেল সংখ্যা কমে গেলে তার জায়গাও কমে যায়। কিন্তু কোনো ছবির উইডথ কমে গেলে তা মনিটরে দু’পাশে কেটে দেখাবে, যা দেখতে খুব বাজে লাগে। এ কারণে সাইজ কমানোর জন্য সাধারণত হাইটকে কমানো হয়। ওয়াইড স্ক্রিনের উপযোগী যেসব মুভি ইন্টারনেটে ডাউনলোডের জন্য পাওয়া যায় সেগুলো মনিটরে দেখানোর সময় এ কারণেই ওপরে এবং নিচে কিছুটা অংশ কেটে দেয়া হলে মুভির টোটাল সাইজ অনেক কমে যায়। তাই ছবির উইডথ না কমিয়ে হাইট কমিয়ে দিলে ছবির স্পেস ঠিকই কমে যাবে, কিন্তু তা পুরো মনিটরেই দেখাবে এবং ইমেজের মানও পরিবর্তন হবে না।

ইমেজ সাইজে যে শুধু পিক্সেলেই ঠিক করে দেয়া যাবে তা নয়। ইউজার চাইলে পার্সেন্টেও সাইজ পরিবর্তন করতে পারেন। ইমেজের সাইজ ইনপুটের বক্সের ডান পাশে পিক্সেল লেখাটিতে ক্লিক করলে একটি ড্রপডাউন মেনু আসবে, যেখানে পার্সেন্ট নামে আরেকটি অপশন থাকবে। এটি সিলেক্ট করলে ইউজার সরাসরি পার্সেন্টে ইমেজের সাইজ পরিবর্তন করতে পারবেন। অর্থাৎ এখানে ৫০% করে ইনপুট দেয়া হলে ছবির সাইজ মূল ছবির অর্ধেক হয়ে যাবে। এছাড়া উইডথ এবং হাইটের ইনপুট সেন্টিমিটারে না ইঞ্চিতে দেয়া হচ্ছে সেটিও পরিবর্তন করা যাবে। সাধারণত যেসব ছবির রেজ্যুলেশন ব্যবহার করা হয়, যেমন ১৯২০×১০৮০, ১২৮০×৭২০, ১০২৪×৭৬৮ ইত্যাদি। এগুলোর উইডথ/হাইটের পিক্সেল প্রতি সেন্টিমিটারে হিসাব করা হয়। আর প্রিন্টিংয়ের সময় রেজ্যুলেশন প্রতি ইঞ্চিতে হিসাব করা হয়। ইউজার প্রিন্টিংয়ের জন্য ছবি রিসাইজ করতে চাইলে এখান থেকে সরাসরি ইঞ্চিতে মান বসিয়ে নিতে পারেন। যেমন এ৪ সাইজের পেপারের জন্য একটি নির্দিষ্ট ইঞ্চি পরিমাপে প্রিন্ট হয়। ফটোশপে এ ধরনের প্রচলিত পেপারের জন্য প্রোফাইল তৈরি করে দেয়াই আছে। এখন ইউজার চাইলে ছবিটি রিসাইজ করে তা এ৪ সাইজের পেপারে পুরোটা আনতে পারেন। এজন্য ফটোশপের এ৪ প্রোফাইল থেকে পেপারটির জন্য কত ইঞ্চিতে প্রিন্ট করা হয় তা দেখে নিয়ে ছবি রিসাইজ করার সময় তা ইনপুট দিয়ে দিলেই হবে।

ছবির উইডথ/হাইটের ওপরই যে শুধু এর স্পেস নির্ভর করে তা কিন্তু ঠিক নয়। এতক্ষণ যে ইমেজের মান নিয়ে কথা হয়েছে, যার জন্য ছবির স্পেস কম-বেশি হয়। অর্থাৎ ছবির প্রতি একক ইউনিটে কতগুলো পিক্সেল আছে সেটিই মূলত ছবির মান নির্ধারণ করে। অন্যভাবে বলা যায়, একটি ছবির মাঝে পিক্সেল ঘনত্ব বেশি হলে এর মান ভালো হবে। ছবি যখন মূল উইডথ/হাইট থেকে বড় কোনো মনিটরে দেখানো হবে তখন স্বভাবতই ছবিটি স্ট্রেচ করবে, কিন্তু তা ফেটে যাবে না। কারণ ছবির পিক্সেলের ডেনসিটি বেশি ছিল। একইভাবে পিক্সেলের ডেনসিটি অনেক কম করে দেয়া হলে ছবির স্পেস কম লাগবে, কিন্তু ছবির মান অনেক খারাপ হয়ে যাবে। তখনে ছবির সাইজ ১২৮০×৭২০ পিক্সেল হয় তাও ১৯ ইঞ্চি মনিটরে দেখলে ফেটে যাবে এবং ছবির বিষয় বা সাবজেক্টগুলো ঠিকমতো বোঝা যাবে না। ফটোশপে এ বিষয়টিকে রেজ্যুলেশন নামে নির্ধারণ করা হয়। উইডথ/হাইটের ইউনিট ঠিক করার নিচেই রেজ্যুলেশনের একটি ইনপুট ফিল্ড দেখা যাবে। বাম দিকে থাকবে রেজ্যুলেশনের নিউমেরিক মান এবং ডান দিকে থাকবে হিসাবটি প্রতি ইঞ্চিতে না সেন্টিমিটারে দেয়া হলো, তার একটি ড্রপডাউন বক্স। ইউজার ইঞ্চি বা সেন্টিমিটার যেকোনো একটি সিলেক্ট করতে পারেন। আর রেজ্যুলেশনের মান যত বেশি হবে ছবির মানও তত ভালো হবে, কিন্তু একইসাথে ছবির স্পেসও বেড়ে যাবে। মূলত এ কারণেই শুরুতে বলা হয়েছিল ছবির সাইজ বড় করা এবং একইসাথে মান অপরিবর্তনীয় রাখার আসলে কোনো উপায় নেই। মূল ব্যাপারটি আসলে পিক্সেলের ডেনসিটির ওপর নির্ভর করে। একটি ছবির পিক্সেল ডেনসিটি পরিমাণ মতো বেশি করতে চাইলে ছবির সাইজ ডাবল করে দিলেও ছবির মান খারাপ মনে হবে না, অর্থাৎ ছবিটি ফেটে যাবে না। ফেটে যাওয়া বলতে বোঝানো হচ্ছে ছবিতে অনেক অপ্রত্যাশিত বস্নার এবং অন্যান্য ইফেক্ট পড়বে। ফলে ছবিটি তার আকর্ষণ হারাবে।

ভিডিও ক্লিপ থেকে ছবি এক্সট্র্যাক্ট

ভিডিও ক্লিপ থেকে অনেক কারণেই কিছু বিশেষ মুহূর্ত স্ক্রিনশট নেয়ার দরকার হয়। কিন্তু সরাসরি কিবোর্ড থেকে বাটন চেপে স্ক্রিনশট নিলে এর মান ভালো হয় না। বিশেষ করে যে মুহূর্তের ছবি নেয়ার দরকার সে সময় যদি ভিডিওর অবজেক্ট স্থির না থেকে মুভিং হয়, তাহলে স্ক্রিনশট নিলে তা খুবই বাজে দেখাবে। কারণ, এতে অনেক বস্নার ইফেক্ট থাকবে। ভিডিও ক্লিপটি চলার সময় কোনো অতিরিক্ত বস্নার ইফেক্ট দেখা যাবে না, কিন্তু স্ক্রিনশট নিলেই তা দেখা যাবে। কারণ, ভিডিও ক্লিপে অবজেক্ট মুভিং অবস্থায় থাকে এবং এতে রিফ্রেশ রেট মুভির মান ভালো করার জন্য যথেষ্ট থাকে। কিন্তু স্থির ছবিতে এ ধরনের কোনো বিষয় থাকে না।

প্রথমে ফটোশপে ফাইল ট্যাব ওপেন করে ইমপোর্ট অপশনের ভিডিও ফ্রেমস টু লেয়ার অপশন সিলেক্ট করুন। এবার নিজের পছন্দ মতো একটি ভিডিও ক্লিপ ওপেন করে লোড ডায়ালগ থেকে লোড বাটনে ক্লিক করলে ভিডিওটি লোড হওয়া শুরু হবে। পিসির কনফিগারশন এবং ভিডিও ক্লিপের ওপর নির্ভর করবে ভিডিওটি লোড হতে কতক্ষণ সময় লাগবে। এবার ইমপোর্ট ভিডিও টু লেয়ার নামে একটি ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে। এখান থেকে সিলেক্টেড রেঞ্জ অনলি এবং ফ্রম বিগিনিং টু অ্যান্ড নামে দুটি অপশন থাকবে। ইউজার তার পছন্দ মতো অপশন সিলেক্ট করবেন। পুরো ক্লিপ লোড করার দরকার না হলে একটি অংশ সিলেক্ট করে তা লোড করলেই হবে। রেঞ্জ সিলেক্ট করার জন্য সস্নাইডারের পজিশন পরিবর্তন করতে হবে। রেঞ্জ সিলেকশনের অপশনটি সিলেক্ট করে সস্নাইডার পরিবর্তন করে যেখান থেকে স্ক্রিনশট নিতে হবে সে অংশটুকু সিলেক্ট করুন। কারণ, সম্পূর্ণ ক্লিপ লোড করাটা অপ্রয়োজনীয় এবং সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। সেটিং ঠিকমতো না করলে একটি ওয়ার্নিং ডায়ালগ বক্স আসবে। ক্যান্সেল করে কন্টিনিউ করুন। না হলে ট্রাই এগেইন করুন। ভিডিও ক্লিপের ফরম্যাট নিয়ে সমস্যা হলে ফটোশপের ওয়েবসাইট থেকে দেখে নিতে পারেন কোন কোন ফরম্যাট সাপোর্ট করে। চিত্র-৩-এ সিলেকশনের ছবি দেয়া হলো। এবার ফ্রেমকে লিমিট করে দিতে হবে। এজন্য রেঞ্জ সিলেক্টের অপশনের নিচে লিমিট টু এভ্রি ফ্রেম নামে। এখানে ২ থেকে ৫টি ফ্রেম দেয়া যেতে পারে। মেক ফ্রেম অ্যানিমেশন অপশনটি আনচেক করে দিন। কারণ এখানে ফ্রেমগুলোর অ্যানিমেট করার কোনো প্রয়োজন নেই। এবার ওকে বাটনে ক্লিক করলে ভিডিও ক্লিপ থেকে একাধিক লেয়ার তৈরি হয়ে যাবে। লেয়ার প্যানেলে সব লেয়ার দেখা যাবে। এখান থেকে ইউজার তার পছন্দমতো লেয়ার সিলেক্ট করে সেভ করলেই ভিডিও ক্লিপ থেকে ইমেজ এক্সট্র্যাক্ট হয়ে যাবে। সেভ করার সময় ইমেজের রেজ্যুলেশন এবং মান ঠিকমতো সিলেক্ট করা উচিত। অন্যথায় ইমেজটি বস্নার হয়ে যাবে। লক্ষণীয়, লিমিট টু এভ্রি ফ্রেম অপশনে যতগুলো ফ্রেম দেয়া হবে ততগুলো লেয়ার তৈরি হয়ে যাবে। এখানে সুবিধা হলো সাধারণ স্ক্রিনশটের মতো ছবির মান খারাপ বা বস্নার হয়ে যাবে না। ছবিটি দেখলে মনে হবে যেনো একটি স্থির ছবি হিসেবেই তোলা হয়েছে। কিন্তু ভিডিও ক্লিপ থেকে বা যেকোনো মুভিং ছবির সরাসরি স্ক্রিনশট নিলে তা এত সুন্দর হবে না, কারণ এখানে রিফ্রেশ রেট সাধারণত ৩০ পিক্সেলের বেশি থাকে। রিফ্রেশ রেট ৩০ পিক্সের থাকলে যেকোনো মুভি বা ভিডিও ক্লিপ এমনিতে খারাপ দেখাবে, কারণ মানুষের চোখের রিফ্রেশ রেট ৬০ পিক্সেল এবং তা ৩০ পিক্সেল রিফ্রেশ রেটের মুভিং ক্লিপ ভালোভাবেই ডিটেক্ট করতে পারে।

ফটোশপ দিয়ে যে শুধু ছবিতে বিভিন্ন ইফেক্টের এডিটিই করা যায়, তা নয়। এর মাধ্যমে ছবি সম্পর্কিত আরও অনেক অ্যাডভান্সড কাজ সহজেই করা সম্ভব

ফিডব্যাক : wahid_cseaust@yahoo.com
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস