Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > পিসির যত ভুতুড়ে এরর মেসেজ
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: তাসনীম মাহ্‌মুদ
মোট লেখা:১২০
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৩ - জুলাই
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স
তথ্যসূত্র:
ব্যবহারকারীর পাতা
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
পিসির যত ভুতুড়ে এরর মেসেজ

তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের প্রাত্যহিক জীবনকে যতই গতিময় ও ছন্দময় করুক না কেনো, মাঝেমধ্যে কিছু কিছু বিষয় আমাদেরকে কিছুটা বিচলিত ও বিহবল করে। বোধ করি এমন বিষয়ের মুখোমুখি হননি এমন ব্যবহারকারী কমপিউটিং জগতে খুব একটা খুঁজে পাওয়া যাবে না। এ বিষয়গুলো হলো : বিস্ময়কর বিপ শব্দ, দুর্বোধ্য এরর মেসেজসহ আরও কিছু ব্যাপার, যা আমাদের কমপিউটিং অভিজ্ঞতাকে কিছুটা হলেও বিঘ্নিত করে, হতাশ করে। এসব ক্ষেত্রে ইন্টারনেট থেকে সবসময় সহায়তা পাওয়া যায় না। যদিওবা পাওয়া যায়, তা প্রায় সময় হয়ে থাকে খুবই অস্পষ্ট, দুর্বোধ্য, বিভ্রান্তিকর কিংবা নিছকই ভুল।

এ লেখায় ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে ব্যাখ্যা করে দেখানো হয়েছে খুব সাধারণ ডজনখানেকের বেশি পিসিতে আবির্ভূত হওয়া ভুতুড়ে ও বিরক্তিকর এরর মেসেজ দূর করার কৌশল, যা আমাদের কমপিউটিং জীবনে প্রায় ঘটে থাকে। এখানে ব্যবহারকারীর সুবিধার্থে সমস্যাগুলোকে চার ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে, যার বিসত্মৃতি পিসির পাওয়ার অন করা থেকে শুরু করে বন্ধ করা পর্যন্ত। এখানে আরও সম্পৃক্ত করা হয়েছে কিছু খুব সাধারণ ট্রাবলশুটিং পরামর্শ, এর মাধ্যমে আপনি বড় ধরনের ক্ষতিকর সমস্যা শনাক্ত করতে পারবেন।

পিসির পাওয়ার অন করার সাথে সাথে দুই বা ততোধিক বিপ শব্দ

পিসির সুইচ অন করার পর যখন স্টার্টআপ স্ক্রিন আবির্ভূত হতে থাকে, তখন সংক্ষেপ্ত বিপ শব্দ শোনা যেতে পারে, তবে সবসময় নয়। যদি বিপ শব্দটি একের অধিক হয় এবং স্ক্রিন ব্ল্যাঙ্ক অর্থাৎ খালি থাকে, তাহলে ধরে নিতে পারেন পিসিতে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণত গ্রাফিক্স কার্ড, মেমরি মডিউল বা প্রসেসরে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হলে এ ধরনের ইঙ্গিত দেয়। তবে যে কারণেই এ সমস্যার উদ্ভব হোক, পিসির সুইচ তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করতে হবে।

পিসির সাথে যুক্ত গ্রাফিক্স কার্ড, র‌্যাম বা প্রসেসরের মধ্যে এক বা একাধিক কম্পোনেন্ট হয়তো ফেইল করেছে কিংবা সম্প্রতি পিসি স্থানান্তর করার ফলে কোনো কোনো কম্পোনেন্টের কানেকশন লুজ হয়ে গেছে কিংবা কুলিং ফ্যান ফেইল করার কারণে খুব বেশি গরম হয়ে গেছে। এ সমস্যা চেক করার একমাত্র উপায় হলো পিসির কেস ওপেন করে গ্রাফিক্স কার্ড, র‌্যাম মডিউল এবং প্রসেসর খুলে আবার জায়গামতো স্থাপন করুন। এর ফলে সমস্যার সমাধান হতে পারে। সব ফ্যান চেক করে দেখুন যখন পিসির পাওয়ার অন থাকে। প্রসেসর বা গ্রাফিক্স কার্ডের ভাঙা ফ্যানকেও পিসি বেশি গরম হওয়ার জন্য দায়ী করা যায়।
স্টার্টআপ এরর মেসেজ

পিসির পাওয়ার সুইচ অন করার পর আবির্ভূত হওয়া সাধারণ এরর মেসেজগুলো হলো- মিসিং অপারেটিং সিস্টেম, অপারেটিং সিস্টেম নট ফাউন্ড, নন সিস্টেম ডিস্ক অর ডিস্ক এরর এবং এলটিএলডিআর ইজ মিসিং ইত্যাদি। যদি উপরে উলিস্নখিত এরর মেসেজগুলোর মধ্য থেকে কোনো একটি পিসির ডিসপ্লেতে আবির্ভূত হয়, তাহলে প্রথমে পিসি থেকে সিডি, ডিভিডি, ফ্লপি ডিস্ক, ইউএসবি ড্রাইভ এবং মেমরি কার্ড প্রভৃতি অপসারণ করুন। কেননা পিসি কখনও কখনও নিজেকে ডিস্ক থেকে চালু করার চেষ্টা করে, যেখানে উইন্ডোজ নেই।

এর ফলে সমস্যার সমাধান যদি না হয়, তাহলে ধরে নিতে পারেন হার্ডডিস্ক ফেইলুরের কারণে এমনটি ঘটেছে অথবা করাপ্ট করা উইন্ডোজ হয়তো ইনস্টল করা হয়েছে। মেসেজটি Missing or corrupt Windows root/system32/hal.ddl ধরনের হয়, তাহলে ধরে নিতে পারেন এ সমস্যার জন্য পরের কারণটি দায়ী। উইন্ডোজ ৭ এবং ভিস্তা ব্যবহারকারীরা এ সমস্যা দূর করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন স্টার্টআপ রিপেয়ার টুল। এজন্য পিসি স্টার্ট করুন উইন্ডোজ ইনস্টলেশন ডিস্ক ড্রাইভে ঢুকিয়ে। এরপর ল্যাঙ্গুয়েজ বেছে নিয়ে ‘Repair Your Computer’ অপশনে ক্লিক করুন। উইন্ডোজ এক্সপির ক্ষেত্রে রিপেয়ারিংয়ের কাজটি একটু জটিল ধরনের এবং এ ক্ষেত্রে ব্যবহার হয় রিকোভারি কন্সোল।

ব্ল্যাঙ্ক ডিসপ্লে

যদি কোনো এরর মেসেজ আবির্ভূত না হয় বা বাজে নয়েজ সৃষ্টি হয়, কমপিউটারের স্ট্যাটাস লাইট অন অথচ ডিসপ্লে ব্ল্যাঙ্ক থাকে, তাহলে প্রথমে আপনার করণীয় কাজ হবে মনিটরের ক্যাবল যথাযথভাবে নিরাপদে যুক্ত আছে কি না তা ভালোভাবে চেক করে দেখা। ল্যাপটপের ক্ষেত্রে চেক করে দেখুন অসাবধানবশত সুইচ অফ হয়ে গেছে কি না অথবা এক্সটারনাল মনিটরে সুইচ করা হয়েছে কিনা। এ কাজটি সাধারণত করা হয় ফাংশন কী চেপে অন্য বাটনে ট্যাপিং করে, যাতে প্রয়োজনে ম্যানুয়াল পাওয়া যায়।

যদি পিসি আগেই ক্র্যাশ করে থাকে বা অনাকাঙিক্ষতভাবে পাওয়ার অফ হয়ে যায়, তাহলে স্টার্টআপের সময় ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট স্ক্রিনে Windows Error Recovery স্ক্রিন পেতে পারেন। এখানে বেছে নেয়ার জন্য বেশ কিছু অপশন পাবেন, যা নির্ভর করে ইনস্টল করা যথাযথ উইন্ডোজ ভার্সনের ওপর। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় Start Windows Normally অপশন বেছে নেয়া। পিসি স্বাভাবিকভাবে বন্ধ করা না হলে সাধারণত এমন অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে।
উইন্ডোজ স্টার্টআপের সময় এরর

স্টার্টআপের সময় বস্নু স্ক্রিন এরর : যদি উইন্ডোজ সাদা টেক্সট সংবলিত বস্নু স্ক্রিন এরর ডিসপ্লে করে, যেখানে স্ক্রিনের ওপর উল্লেখ করা হয় A Problem has been detected... অথবা পিসি স্টার্ট হওয়ার সময় ফ্রিজ হয়ে যায়, এমন অবস্থা হতে পারে যদি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ড্যামেজ হয়ে যায় পিসি রিস্টার্ট করে চেষ্টা করতে পারেন, যদিও সমস্যাটি নিয়মিত ব্যবধানে বারবার সংঘটিত হয়। এমন অবস্থায় পিসিতে সংযুক্ত যেকোনো হার্ডওয়্যার অপসারণ করে আবার চেষ্টা করুন। এরপরও যদি কোনো ভালো ফলাফল না পান, তাহলে Startup repair অথবা Recovery consoles টুল ব্যবহার করতে পারেন।
লগিং সমস্যা

User name or password is incorrect অথবা এক্সপির ক্ষেত্রে Did you forget yours password এমন মেসেজ উইন্ডোজ লগিংয়ের সময় দেখা গেলে স্বাভাবিকভাবেই ব্যবহারকারীরা বিচলিত হবেন। এর সমাধানটি খুব সাদামাটা ধরনের। উদাহরণস্বরূপ Caps lock বা Number lock (Num Lock) কী সক্রিয় থাকলে অনেক সময় এমন সমস্যা উদ্ভব হয়। এ সমস্যাটি বেশিরভাগ সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে সংঘটিত হয়ে থাকে।

এমন সমস্যাটি কখনও কখনও উদ্ভব হতে পারে নোংরা বা ক্রটিপূর্ণ কীবোর্ড ব্যবহারের কারণে বা ডেড বা প্রায় ডেড ব্যাটারির কারণেও হতে পারে যদি তা ওয়্যারলেস মডেলের হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে নতুন নতুন সেট ব্যবহার করে চেষ্টা করা উচিত।

ইউজার প্রোফাইল লোড হতে না পারা

অনেক সময় লগিংয়ের সময় Windows cannot load your profile because it may be corrupted এরর মেসেজ আবির্ভূত হয়। সাধারণত করাপ্ট করা ইউজার প্রোফাইলের কারণে এই এরর মেসেজ আবির্ভূত হয়। ইউজার প্রোফাইল অনেক সময় নিজেই ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে এমন অবস্থার সৃষ্টি করে। প্রথম অবস্থায় পিসি রিস্টার্ট করুন এবং আবার লগিংয়ে চেষ্টা করুন। কখনও কখনও এই এরর সংঘটিত হতে পারে লগইন প্রসেসে অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামের সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে।

যদি এটি ঠিকমতো কাজ না করে তাহলেও আপনার জন্য সুসংবাদ হতে পারে যে, কখনও কখনও ইউজার প্রোফাইল রিপেয়ার করা যায়। এ প্রসেসটি কদাচিৎ জটিল হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারকারীরা সহায়তা পেতে পারেন মাইক্রোসফটের মেইনটেনেন্স সংশ্লিষ্ট গাইড থেকে, যা ডাউনলোড করা যাবে www.snipca.com/43444 থেকে এবং এক্সপি ব্যবহারকারীরা সহায়তা পাবেন www.snipca.com/x3445 সাইট থেকে।

যদি দূর করা কঠিন হিসেবে প্রমাণিত হয়, তাহলে এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় হলো উইন্ডোজ রিইনস্টল করা। এ ধরনের সমস্যার জন্য সেফ গার্ড হিসেবে পিসিতে একটি আলাদা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর অ্যাকাউন্ট তৈরি করা উচিত, যদিও তা হয়তো কখনই ব্যবহার হবে না। যদি মূল ইউজার অ্যাকাউন্ট করাপ্ট করে, তাহলে সংরক্ষেত ইউজার অ্যাকাউন্টের সহায়তায় লগইন করা যাবে এবং করাপ্ট প্রোফাইল থেকে ডাটা উদ্ধার করা যাবে।

সফটওয়্যার সমস্যা

স্টার্টআপ এবং লগঅন এররের একটি মূল কারণ হলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রোগ্রাম লোড হতে চেষ্টা করে। যেহেতু এরর প্রায় সব ধরনের হতে পারে, তাই এররের কারণ কখনো কখনো সঙ্কুচিত তথা কমিয়ে আনা যায় যদি না এরর মেসেজে ক্ষতিকর প্রোগ্রামের নাম উল্লেখ করা থাকে। তবে যাই হোক, এরর প্রায় সময় যদি একই ধরনের হয়, তাহলে প্রোগ্রামকে দায়ী করার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

যদি আপনার কমপিউটারটি ইন্টারনেটে যুক্ত থাকে, তাহলে প্রোগ্রাম চালু হওয়ার আগে সাধারণত আপডেট চেক করে দেখে, যার ফলে কিছু সময় ব্যয় হয়। কিন্তু প্রোগ্রাম যদি খুব দ্রুত স্টার্টআপ হতে চায়, তাহলে এরর এর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। উইন্ডোজ স্থির হওয়ার পর প্রোগ্রামকে ম্যানুয়ালি চালু করলে অনেক সময় ভালো ফল দিতে পারে। কোনো কোনো অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম উইন্ডোজ ডেস্কটপ স্ক্রিন আবির্ভূত হওয়ার সময় তাৎক্ষণিকভাবে সতর্ক মেসেজ ডিসপ্লে করে, যেখানে উল্লেখ করা থাকে এগুলো বন্ধ করা হয়েছে কিংবা সেকেলে হয়ে গেছে। এই এরর মেসেজ বন্ধ হয়ে যায় যখন ইন্টারনেট সংযোগ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

এসব প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে লোড হওয়া বন্ধ করতে চাইলে স্টার্টে ক্লিক করে অল প্রোগ্রামে ক্লিক করুন। এরপর স্টার্টআপ ফোল্ডারে ক্লিক করুন। এই ফোল্ডারের আইটেমগুলোকে নিরাপদে ডিলিট করা যায় ডান ক্লিক করে ডিলেট বেছে নেয়ার মাধ্যমে, যেহেতু কোনো প্রোগ্রাম আনইনস্টল হয় না। এখানে যে এন্ট্রিগুলো দেখা যায় তা শর্টকাট ছাড়া কিছুই নয়। এ প্রোগ্রামগুলো চালু হয় উইন্ডোজ লোড হওয়ার সময়।

কিছু কিছু প্রোগ্রাম আছে যেগুলো স্টার্টআপ ফোল্ডারে আবির্ভূত না হলেও উইন্ডোজের সাথে চালু হয়। এগুলো থামাতে চাইলে সিস্টেম কনফিগারেশন ইউটিলিটি ব্যবহার করুন, যা সিস্টেম কনফিগারেশন ইউটিলিটির ট্রাবলশুটিং বক্স আইটেমে উল্লেখ করা হয়েছে। ওপেনিং স্ক্রিনে Selective Startup অপশন বেছে নিন। এরপর Load Startup items লেবেল করা বক্স থেকে টিক চিহ্ন অপসারণ করুন। এবার Ok-তে ক্লিক করে পিসি রিস্টার্ট করুন। যদি এরর দূর হয়ে যায়, তাহলে ইউটিলিটিটি আবার চালু করুন ও স্টার্টআপ ট্যাবে ক্লিক করুন এবং এক এক করে স্টার্টআপ আইটেম সক্রিয় করুন। প্রতিটি আইটেম সক্রিয় করার পর পিসি রিস্টার্ট করুন। অবশ্য এটি একটি বিরক্তিকর প্রসেস হলেও ক্রমাগত বিরক্তিকর এরর থেকে মুক্তি পাওয়ার অন্যতম এক উপায়। সন্দেহজনক প্রোগ্রাম শনাক্ত করতে পারলে সেগুলো আনইনস্টল করুন অথবা আপডেটের জন্য ম্যানুফেকচারের ওয়েবসাইট চেক করে দেখুন।

প্রতিদিনের এরর ম্যাসেজ

সাধারণ ফিক্স : উইন্ডোজের বিল্টইন ডায়াগনস্টিক এবং ট্রাবলশুটিং টুল ব্যবহার করে অনেক এরর দূর করা যায় অথবা মাইক্রোসফট ফিক্স ইট সলিউশন সেন্টার ওয়েবসাইট থেকেও চমৎকারভাবে সহায়তা পেতে পারেন।

আমাদের মনে রাখা দরকার, সব অস্বাভাবিক মেসেজই এরর নয়। উদাহরণস্বরূপ, উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল অ্যাপ্লিকেশন গুরুত্বপূর্ণ সব কাজ করে তেমন তাড়াহুড়া না করেই। কিন্তু প্রোগ্রামের যদি দরকার হয় ইন্টারনেট সংযোগের তাহলে একটি মেসেজ আবির্ভূত হবে, যেখানে জানতে চাইবে আপনি এটি বস্নক করতে চান কি না। যদি প্রোগ্রাম এ মুহূর্তে ইনস্টল করা হয়ে থাকে কিংবা চালু করা হয়ে থাকে, তাহলে এটি একটি প্রকৃত রিকোয়েস্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ ক্ষেত্রে আপনার জন্য উচিত হবে Allow access-এ ক্লিক করা অথবা এক্সপির ক্ষেত্রে Unblock হবে। তবে সবচেয়ে ভালো হয় ডায়ালগ বক্সে উল্লেখ করা প্রোগ্রামে ডাবল ক্লিক করা।

ফিডব্যাক : mahmood_sw@yahoo.com
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস