Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > গেমের জগৎ
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: কজ
মোট লেখা:১০৪১
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৩ - জুলাই
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
গেম
তথ্যসূত্র:
গেমের জগৎ
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
গেমের জগৎ
ম্যাক্স পেইন ৩

এক্স বক্স ৩৬০ কন্সোলে বের হওয়ার পর রকস্টার গেম বরাবরের মতো এক দুঃসাহসী পদক্ষেপ হাতে নেয়। ছোট একটা কোড পরিবর্তনের পর ম্যাক্স পেইন ৩-এর পরের প্লাটফর্ম হয়ে দাঁড়ায় পিসি। ম্যাক্স পেইন ৩ ম্যাক্স পেইন সিরিজের সিকুয়েল হিসেবে যতখানি না জনপ্রিয় হয়েছে, তারচেয়েও বেশি জনপ্রিয় হয়েছে তার অভিনব গ্রাফিক্স, অত্যাধুনিক গেমপ্লে, সাবলীল মাল্টিপ্লেয়ার সুবিধা এবং কন্ট্রোলের সহজবোদ্ধার কারণে। গেমটি প্রকাশ করেছে রকস্টার গেমস ডেভেলপার।




ম্যাক্স পেইন ৩ তার আগের ভার্সনগুলোর মতোই একটি থার্ড পারসন শুটিং গেম। এর কাহিনী শুরু হয় ম্যাক্স পেইন ২-এর কয়েক বছর পরের প্রেক্ষাপট থেকে। গেমটির পটভূমি ব্রাজিলের সাও পাওলো। ম্যাক্স পেইন এখন রডরিগো ব্রাঙ্কো এবং তার পরিবারের নিরাপত্তা কর্মীদের কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি করে। সে তার কাজের মধ্যে ডুবে থেকে দুঃসহ অতীতকে ভুলে থাকার চেষ্টা করে। হঠাৎ একদিন রডরিগো ব্রাঙ্কোর স্ত্রী অপহৃত হয়। ম্যাক্সকে জড়িয়ে ফেলা হয় এ অপহরণ ও সাও পাওলো সমাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার দায়ে। ম্যাক্স রডরিগো ব্রাঙ্কোর স্ত্রী ফ্যাবিয়ানা, জিওভান্না, মার্সেলো এ তিনজনের মধ্য থেকে ফ্যাবিয়ানা বাদে বাকি দুজনকে বাঁচাতে সক্ষম হয়। প্যাসোস এবং ম্যাক্সকে বলা হয় একটি ফুটবলের মাঠে ফ্যাবিয়ানার জন্য মুক্তিপণ নিয়ে যেতে। ফুটবল মাঠে যাওয়ার পর একটি প্যারামিলিশিয়া সন্ত্রাসী দল ‘ক্র্যাচা প্রেতো’ তাদের মুক্তিপণের অর্থ ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ম্যাক্স এবং প্যাসোস তখন ‘সমব্রা’র একটি সেফ হাউসে অভিযান চালায় ফ্যাবিয়ানাকে খোঁজার জন্য। কিন্তু সন্ত্রাসী দল এর আগেই ফ্যাবিয়ানাকে নিয়ে পালিয়ে যায়। যখন ম্যাক্স এবং প্যাসোস ফিরে আসে, তখন রডরিগো, ভিক্টর এবং সাও পাওলোর ব্যাটালিয়ন কমান্ডার আরমান্ডো বেকারের সাথে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য ‘ক্র্যাচা প্রেতো’ ব্রাঙ্কোর অফিসগুলোর মধ্যে হামলা চালায়।



ম্যাক্সের সন্দেহ হয়, কেউ একজন ব্রাঙ্কোর অফিসে হামলার সত্যিকারের দোষ ‘ক্র্যাচা প্রেতো’র ওপর চাপাতে চাচ্ছে। কিছুক্ষণ ক্র্যাচা প্রেতোর সদস্যদের সাথে গোলাগুলির পর ম্যাক্স রডরিগোর সুরক্ষিত অফিসে ফেরত যায়। সে দেখতে পেল খুন হয়ে যাওয়া রডরিগোর রক্তাক্ত মৃতদেহ। একটি বোমা বিস্ফোরণের ফলে রডরিগোর বাকি অফিসগুলোও ধ্বংস হয়ে যায়। ম্যাক্স তার প্রাণ বাজি রেখে পালিয়ে বাঁচে। এর আগে একজন মরণাপন্ন ক্র্যাচা প্রেতোর সদস্যের কাছ থেকে জেনে নেয় যে ফ্যাবিয়ানাকে আটকে রাখা হয়েছে ‘নোভা এস্পেরেন্সা’ বিল্ডিংয়ে। ম্যাক্স এটাও জানতে পারে ক্র্যাচা প্রেতোর এ অভিযানটা ছিল শুধু তাকেই হত্যা করার জন্য। ঘটনার ভয়াবহতা বুঝতে পেরে সে মদ পান বন্ধ করে দেয় এবং মাথার সব চুল ফেলে দিয়ে ছদ্মবেশ ধারণ করে। এরপর সে নোভা এস্পেরেন্সা বিল্ডিংয়ে অভিযান চালায়। সে সময় উইলসন দ্য সিলভা নামে এক পুলিশ অফিসারের সাথে দেখা হয়। সিলভা তাকে জানায়, রডরিগো এবং ক্র্যাচা প্রেতোর ভয়ঙ্কর সম্পর্ক ছিল। তারা নিজেদের ব্যবসায়ের জন্য সাধারণ মানুষকে ধ্বংস করে দিতে দ্বিধা করত না।

উইলসন দ্য সিলভা অনুমান করে প্যাসোস এবং ভিক্টর তাকে ফাঁসিয়েছে। যাতে ভিক্টর তার ভাই রডরিগো ব্রাঙ্কোর সব সম্পত্তি একাই ভোগ করতে পারে। উইলসন দ্য সিলভা ম্যাক্সকে দ্য ইম্পিরিয়াল প্যালেস হোটেলের ঠিকানা জানায় যেখানে ক্র্যাচা প্রেতো ও ইউএফই-কে তাদের বন্দীসহ ঢুকতে দেখা গেছে কিন্তু কাউকে বের হতে দেখা যায়নি। ম্যাক্স বুঝতে পারে এটি আসলে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পাচারকারীদের গোপন আড্ডাখানা। দুর্নীতিপরায়ণ ইউএফই অফিসারদের তাদের কয়েদিদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পাচারের জন্য অর্থ দেয়া হয়। ম্যাক্স ভেতরে ঢুকে দেখতে পায় সেরানোকে হত্যা করার জন্য প্রস্ত্তত করা হয়েছে। ম্যাক্স তাকে মুক্ত করে সব কমপ্লেক্স বিস্ফোরিত করে।

ম্যাক্স পেইনের এ গেমটি আগের সব গেমকে ছাড়িয়ে গেছে। এর অনন্য সাধারণ গ্রাফিক্স, অতুলনীয় ধীরগতির গোলাগুলি, মনোমুগ্ধকর শব্দশৈলী, মোশনের নিপুণতা, প্রত্যেকটি উপাদানের ভিন্নতা- সবকিছু মিলিয়ে ম্যাক্স পেইন ৩ গেমিং জগতে একটি আদর্শ অ্যাকশন থ্রিলার গেম হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। বিশ্বজুড়ে গেমটির চার মিলিয়নের বেশি কপি বিক্রি হয়েছে। গেমটির প্রতি গেমারদের আসক্তি এই পরিসংখ্যান থেকে খুব সহজেই অনুমান করা যায়। সমালোচকদের দৃষ্টিতেও খুব বেশি পিছিয়ে নেই ম্যাক্স পেইন ৩ । সমালোচকদের দৃষ্টিতে গড়ে এর পয়েন্ট ৯-এর ওপর (১০-এর ভেতর)।

সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট

অপারেটিং সিস্টেম : উইন্ডোজ এক্সপি/ভিসতা/উইন্ডোজ সেভেন। প্রসেসর : ইন্টেল কোর টু ডুয়ো ২.৪ গিগাহার্টজ/এএমডি অ্যাথলন ৬৪ এক্স-টু ৫২০০। র‌্যাম : ২ গিগাবাইট। হার্ডড্রাইভ : ৩৫ গিগাবাইট। ভিডিও মেমরি : ৫১২ মেগাবাইট এনভিডিয়া জিফোর্স ভিডিও কার্ড। ডিরেক্ট এক্স : ডিরেক্ট এক্স ৯।

........................................................................................................................

ফলেন অ্যানচ্যান্ট্রেস- লিজেন্ডারি হিরোস

এ সময়ের ভালোমানের স্ট্রাটেজি গেমের দুষ্প্রাপ্যতা দূর করবে ফলেন অ্যানচ্যান্ট্রেস- লিজেন্ডারি হিরোস। প্রায় সব ধরনের গেমেই সুপার হিরোদেরকে সর্বময় এবং অপ্রাসঙ্গিক ক্ষমতা দিয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে। ফলে পুরো গেম হয়ে পড়ে একটি চরিত্রকেন্দ্রিক, কিন্তু ফলেন অ্যানচ্যান্ট্রেস খেলার সময় এতটুকু নিশ্চিত হয়ে বসেও থাকা চলবে না। কারণ এ গেমের সুপার হিরোদেরকে নিজেদের সব যোগ্যতা যেমন অর্জন করে নিতে হয়, তেমনি যুদ্ধক্ষেত্রে তীরন্দাজ ও অন্য যোদ্ধাদেরকেও সমানতালে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়। ফলে গেমের সব কিছুই যেমন জরুরি তেমনি পুরো গেমটিই অধিক বাস্তব ও প্রাণবন্ত। এর সাথে উন্নত যুদ্ধ ব্যবস্থা, সুপ্রশস্ত ম্যাপ, নতুন সব জাদু ও দৈত্য-দানব গেমটিকে মোটামুটি চমৎকার কাল্পনিক স্ট্র্যাটেজিধর্মী গেমে পরিণত করেছে।

গেমটির আকর্ষণীয় দিক হলো এটি আপনাকে আপনার ইচ্ছে মতো দুনিয়া তৈরি করে নেয়ার সুযোগ দেবে। বেঁচে থাকার মাধ্যমে নতুন নতুন ম্যাপ আসবে, সাথে পাওয়া যাবে আরও সব নতুন অপশন। সেই সাথে নিজের ইচ্ছে মতো বিপক্ষ দলের সংখ্যা বা তাদের ডিফিকাল্টি কম বা বেশি করার সুযোগও পাওয়া যাবে। গেমটির আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো সব ধরনের ইউনিট নিয়েই সমানভাবে প্রতিরক্ষা ও আক্রমণ বিভাগ তৈরি করা। শক্তিশালী দল গড়ে তোলার অন্যতম শর্ত হলো গেমের পেছনে যথাসম্ভব সময় ব্যয় করা। অন্যদিকে যদি শুধু প্রতিরক্ষার দিকে বেশি জোর দেয়া হয়, তবে দেখা যাবে আক্রমণ বিভাগ দুর্বল হয়। ফলে তার প্রভাব পুরো খেলার ওপরই পড়ে। তবে আসেত্ম আসেত্ম খেলার লেভেল বাড়িয়ে পয়েন্ট দিয়ে অধিকতর ভালো জাদুর প্রয়োগ রপ্ত করতে পারলে গেমটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। গেমটি খেলার সময় মোটামুটি সবসময়ই নতুন বাহিনী তৈরি ও শিকার শত্রম্নর মোকাবেলা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। খেলায় শক্তিমত্তা বোঝার ভালো উপায় হলো কতটা নিখুঁতভাবে দৈত্যগুলোকে শেষ করা যায় তা দেখে। খেলায় দু’জন চ্যাম্পিয়ন ব্যবহার করা যাবে, তবে ফলেন অ্যানচ্যান্ট্রেসের সব দুঃখ-দুর্দশা লাঘব করে এক নতুন চ্যাম্পিয়নকে খুঁজে বের করতে হবে।

সুন্দর দৃশ্যপট ও মনোমুগ্ধকর সঙ্গীতের সাথে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গেমটি খেলতে কোনো বিরক্তি আসার কথা নয়। নতুন সব অস্ত্র, বিপক্ষ দলকে ঘায়েল করার কৌশল, নতুন ম্যাপ, হেলথবার- সবকিছু মিলে যারা এ ধরনের যুদ্ধভিত্তিক গেম খেলতে পছন্দ করেন তাদের খুব সহজেই গেমটি মনে ধরে যাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট

অপারেটিং সিস্টেম : উইন্ডোজ এক্সপি/ভিসতা/উইন্ডোজ সেভেন। প্রসেসর : ইন্টেল ডুয়াল কোর ২.৪ গিগাহার্টজ/এএমডি অ্যাথলন ৬৪ এক্স-টু ডুয়াল কোর ৪০০০+। র‌্যাম : ২ গিগাবাইট। হার্ডড্রাইভ : ২ গিগাবাইট। ভিডিও মেমরি : এনভিডিয়া জিফোর্স ৭৯০০ ভিডিও কার্ড। ডিরেক্ট এক্স : ডিরেক্ট এক্স ৯।

........................................................................................................................


রিউস

কখনও কি বিশাল পাথুরে দানব কিংবা সাগরের দেবতার জীবনের স্বাদ নিতে ইচ্ছে করে? কখনও কি ইচ্ছে করে প্রকৃতির নিয়ন্তা হয়ে ভয়ঙ্কর সুন্দরগুলো পরখ করতে? কখনও কি জানতে কৌতূহল হয় যদি বাস্তব হতো তাহলে দেখতে কেমন লাগত প্রাচীন টাইটানদের? এবার এই সব পূরণ না হওয়া ইচ্ছেকে বাস্তব করতে অ্যাবে গেমস নিয়ে এসেছে ইন্ডি-ঘরানার গেম রিউস। জার্মানির অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের নাম দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। গেমটি সম্পূর্ণ ইংরেজি এবং অনন্যসাধারণ অডিও ভিজ্যুয়াল মানসম্পন্ন। ডাচ শব্দ ‘রিউস’-এর অর্থ দৈত্য বা দানব। গেমটিতে একজন গেমার চারজন টাইটানের চরিত্রে খেলতে পারে- জলাশয়, মহাসাগর, অরণ্য আর পর্বত। প্রত্যেকটি টাইটানের আছে নিজস্ব বায়ম (জীবসত্তা) তৈরির ক্ষমতা। গেমটি শুরু হয় নোমাড বা ধ্বংস হয়ে যাওয়া পৃথিবীর উদ্বাস্ত্ত মানুষগুলোকে নিয়ে, যারা গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে ঘুরে বেড়ায় বসতির খোঁজে। বায়মরা এই নোমাডদেরকে আক্রমণ করলে শুরু হয় পারস্পরিক বেঁচে থাকার সংগ্রাম। বাজারে এখন অনেক গেম আছে, যেগুলোতে রয়েছে বহু ধরনের স্কিল, ফিট এবং ম্যাচিং। সব বয়সের গেমারদের জন্য এতকিছু হয়তো একটু বেশিই বোঝা হয়ে দাঁড়ায়, সে তুলনায় রিউস গেমটি অত্যন্ত সহজ। এতে রয়েছে মাত্র চারটি মৌলিক দক্ষতাসম্পন্ন টাইটান, যাদের ক্ষমতা বহুমুখী মিশ্রণে ওই সব অসংখ্য স্কিল, ফিট এবং ম্যাচিংয়ের স্বাদ পাওয়া যায়।

গেমটি আরও উত্তেজনাপূর্ণ ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে যখন সিম্বায়োসিসরা এসে যোগ দেয়। তখন গেমের প্রতি বাঁকে বাঁকে যুক্ত হয় নতুন চ্যালেঞ্জ, নতুন অভিযান। এই গেম স্থিতধী হওয়া শেখায়। গেমের প্রতিটি আইটেমের রয়েছে নিজস্ব স্বাতন্ত্র্য এবং পৃথিবীতে অন্য সব বস্ত্তর সাথে মিশে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। এই গেমে দেখানো হয়েছে কীভাবে গাছপালা, প্রাণিজগৎ এবং মানুষ একসাথে একটি নতুন জীবনমথিত জগত সৃষ্টি করতে পারে। রিউস গেমারদেরকে নিজের গতিতে খেলতে শেখায়, শেখায় একজন দক্ষ নেতা হয়ে ভবিষ্যৎ মানব প্রজন্মকে নেতৃত্ব দিতে। নোমাডরা নিজেদের ইচ্ছা অনুযায়ী নিজেদের কর্মপন্থা নির্দিষ্ট করে এবং গেমারের দায়িত্ব হচ্ছে এসব কর্মপন্থার পরিপূর্ণ ও সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে গেমের কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। খুব সহজেই যখন মানুষের চাহিদা অনুসারে তাদের বিভিন্ন সম্পদের দ্রুত জোগানের পদ্ধতিটি শিখে নেয়া যায়, তখন গেমটির মূল আকর্ষণ পরিষ্কার হয়ে ওঠে। গেমের মাঝে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির জন্য রয়েছে ছোট ছোট বাগারস, লোভী-কুৎসিত মস্তক এবং বিশাল বিশাল কাঁকড়া দানব।

মেটাক্রিটিকে সমালোচকরা একশ’তে এই গেমকে দিয়েছেন ছিয়াত্তর, যা নিঃসন্দেহে এ পর্যন্ত বের হওয়া শ্রেষ্ঠ গেমগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই গেমের গতিময়তা এবং সহজবদ্ধতাই সমালোচক ও গেমারদের হৃদয় কেড়ে নিয়েছে। নজরকাড়া গ্রাফিক্সের সাথে যুক্ত হয়েছে মোহিনী সুর, যা শুনে গেমাররা গেম খেলার সময় প্রাচীন টাইটান থেকে অত্যাধুনিক টাইটানদের অনুভূতির জগতে একাকার হয়ে যায়। খুব সহজ সূচনা সত্ত্বেও গেমের কাহিনীর অগ্রগতির সাথে সাথে ডিফিকাল্টি লেভেল বাড়তে থাকে এবং নতুন নতুন অপশন যোগ হতে থাকে। রিউস গেমারকে মানবাত্মা এবং মানবতার অভিভাবক ও তত্ত্বাবধায়ক হয়ে ওঠার বাস্তব অনুভূতি দেয়। গেমটি প্রথমে দ্বিমাত্রিক পটভূমিতে শুরু হয়, যেখানে আগ্নেয়গিরির লাভা, মৃত গাছপালা, শুকিয়ে যাওয়া মহাসাগরে চারজন টাইটান ধীরে ধীরে হেঁটে যায়।
রিউস গেমটির লক্ষ্য উন্নততর স্থাপনা তৈরি এবং প্রযুক্তির উৎকর্ষের মাধ্যমে মানবসভ্যতার পুনর্জন্ম দেয়া। গেমটির নগর এবং গ্রামগুলোকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এসব অঞ্চলের গড়ে ওঠা ও উৎকর্ষের জন্য প্রথম টেরাফরমিংয়ের সময় টাইটানদের মাধ্যমে সম্পদের জোগান এবং কর্মপন্থা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। নিঃসন্দেহে এই সর্বস্তরের গেমারদের মন কেড়ে নেবে।

সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট

অপারেটিং সিস্টেম : উইন্ডোজ এক্সপি/ভিসতা/উইন্ডোজ সেভেন। প্রসেসর : ইন্টেল কোর টু ডুয়ো ২.২ গিগাহার্টজ/এএমডি অ্যাথলন ৬৪ এক্স-টু ৪৬০০। র‌্যাম : ২ গিগাবাইট। হার্ডড্রাইভ : ৫০০ মেগাবাইট। ভিডিও মেমরি : ৫১২ মেগাবাইট এনভিডিয়া জিফোর্স ৮৮০০ ভিডিও কার্ড। ডিরেক্ট এক্স : ডিরেক্ট এক্স ৯।

ফিডব্যাক : riyadzubair@gmail.com
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস