Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > কমপিউটার জগতের খবর
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: কজ রিপোর্টার
মোট লেখা:৩৭৮
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৩ - নভেম্বর
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
নিউজ
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগতের খবর
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
কমপিউটার জগতের খবর
দুই মাসে সফটওয়্যার রফতানি আয় ২ কোটি ৭ লাখ ডলার
কমপিউটার জগৎ রিপোর্ট \ চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সফটওয়্যারের রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৭ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলারে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর ২০১৩-১৪ অর্থবছরের প্রথম প্রামিত্মকের প্রতিবেদনে পাওয়া গেছে এ তথ্য। অন্য সব পণ্যের ক্ষেত্রে জুলাই-সেপ্টেম্বর তিন মাসের তথ্য দেয়া হলেও সফটওয়্যারের তথ্য পাওয়া গেছে শুধু জুলাই-আগস্ট দুই মাসের। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই দেখা গেছে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই আয়ের পরিমাণ ৯৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি। গত বছর প্রথম তিন মাসের শেষে এ আয় দাঁড়িয়েছিল ১ কোটি ৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি শামীম আহসান এ বিষয়ে বলেন, সফটওয়্যার খাতটি আগের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষতা অর্জন করেছে। তাছাড়া নতুন উদ্যোক্তা যেমন এসেছে, তেমনি বিদেশীদের আস্থাও বেড়েছে আমাদের ওপর। সে কারণে রফতানির পরিমাণ বাড়ছে। তিনি বলেন, যদিও এ বছর সফটওয়্যার রফতানি থেকে আয়ের লক্ষ্য মাত্রা ১৫ কোটি ৪৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার, কিন্তু আমরা তার চেয়েও অনেক বেশি আয় এনে দিতে পারব। এবার আয় বাড়লেও তিন মাসের লক্ষ্য মাত্রা কিন্তু পূরণ করা সম্ভব হয়নি। তিন মাসের শেষে এ খাতে আয়ের লক্ষ্য ছিল ৩ কোটি ৬৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার। আর আগস্ট মাসের শেষে যা ছিল ২ কোটি ৬০ লাখ ডলার। গত ২০১২-১৩ অর্থবছর শেষে আয় দাঁড়িয়েছিল ১০ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার। সেখানে লক্ষ্য ছিল সাড়ে ৮ কোটি ডলার। বেসিস সভাপতি বলেন, ২০১৮ সালের মধ্যে এক বছরে ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য আমাদের। কিন্তু যেভাবে সবকিছু এগুচ্ছে তাতে তার আগেই আমরা এ লক্ষ্য অর্জন করতে পারব বলে মনে করি। এদিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরম্নল ইসলাম খান বলেন, গত বছর আমরা ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে ২ কোটি ডলার দেশে আনতে পেরেছি। এবার সেটি ৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার পেরিয়ে যাবে আশা করি। এই হিসাব নিলে সব মিলে সফটওয়্যার খাত থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে রফতানি আয় ২০ কোটি ডলার পেরিয়ে যাবে

আইটিইউর তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিবেদনে ৪ ধাপ উন্নতি বাংলাদেশের কমপিউটার জগৎ ডেস্ক \ আমত্মর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন্স ইউনিয়নের (আইটিইউ) তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিবেদনে চার ধাপ উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। তবে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে এখনও শ্রীলঙ্কা, ভারত এবং পাকিসত্মানের পেছনে বাংলাদেশের অবস্থান। ২০১২ সালের ডিসেম্বর পর্যমত্ম তথ্যের ভিত্তিতে ‘আইসিটি ডেভেলপমেন্ট’ বিষয়ক এ প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে আইটিইউ। গত চার বছর ধরে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করছে সংগঠনটি। সর্বশেষ প্রতিবেদনে ১৫৭ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৫তম। ২০১১ সালে অবস্থান ছিল ১৩৯তম। শ্রীলঙ্কা তাদের আগের অবস্থান (১০৭তম) ধরে রেখেছে। ভারত ও পাকিসত্মান একধাপ পিছিয়ে যথাক্রমে ১২১তম এবং ১২৯তম অবস্থানে নেমে গেছে। পাশের দেশ মিয়ানমারও (১৩৪তম) বাংলাদেশের সামনে রয়েছে। সব মিলিয়ে চারটি ক্ষেত্রে ১০ পয়েন্টের মধ্যে বাংলাদেশের অর্জন ১ দশমিক ৭৩। আগের বছর এটি ছিল ১ দশমিক ৬২। প্রতিবেদন অনুসারে, চার ধাপ এগিয়ে আসার কারণে বাংলাদেশ আইটিইউর ‘মোস্ট ডায়নামিক কান্ট্রিজ’ তালিকায় যুক্ত হতে পেরেছে। সমান চার ধাপ করে এগোতে পেরেছে অস্ট্রেলিয়া, ওমান এবং জিম্বাবুয়ে। অন্যদিকে আরব আমিরাত এগিয়েছে ১২ ধাপ। এতে বলা হয়েছে, গত বছরের ডিসেম্বর পর্যমত্ম বাংলাদেশের ১৪ লাখ ২০ হাজার, যা মোট জনসংখ্যার দশমিক ৯০ শতাংশ। আর যুবসমাজের ৪ দশমিক ৭ শতাংশ। এর বাইরে ব্রডব্যান্ড, ফিক্সড ইন্টারনেটকেও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেছে আইটিইউ

এলটিইর অনুমোদন পেল বাংলালায়ন
দেশের শীর্ষ ওয়াইম্যাক্স অপারেটর বাংলালায়ন উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দিতে চতুর্থ প্রজন্মের এলটিই (লং টার্ম ইভ্যালুয়েশন) প্রযুক্তি আমদানির অনুমোদন পেয়েছে। সম্প্রতি টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসি কোম্পানিটিকে এ অনুমোদন দিয়েছে। এর আগে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে অপর ওয়াইম্যাক্স অপারেটর কিউবি একই অনুমোদন পায়। এলটিই প্রযুক্তি আমদানির জন্য দুটি অপারেটর কমিশনের কাছ থেকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পেলেও তারা বকেয়া সব টাকা পরিশোধের পরই শুধু নতুন এ প্রযুক্তি আমদানি করতে পারবে। বিটিআরসি চেয়ারম্যান সুনীল কামিত্ম বোস এ প্রসঙ্গে বলেন, বাংলালায়নকে শর্তসাপেক্ষে এলটিই প্রযুক্তি আমদানির জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বাকিটা এখন তাদের হাতে। এর আগে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোও থ্রিজি লাইসেন্সের সাথে এলটিই প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে। তবে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো কবে থেকে এ প্রযুক্তি চালু করতে পারবে তা কেউ জানাতে পারেনি। গত বছর শেষের দিকে এলটিইর জন্য আবেদন করে বাংলালায়ন। একই সাথে তারা আরও কিছু স্পেকট্রামও চায়। বর্তমানে অপারেটরটির হাতে ৩৫ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম রয়েছে। তবে গ্রাহকসংখ্যা সন্তুষ্টিজনক না হওয়ায় তাদের ওই আবেদনে সাড়া দেয়নি বিটিআরসি বলে জানান সুনীল কান্তি। আগস্ট মাসের সর্বশেষ হিসেবে বাংলালায়নের গ্রাহক ১ লাখ ৮৩ হাজার ৯৮০। আর কিউবির গ্রাহক ১ লাখ ৩১ হাজার ৩১৭। সংশিস্নষ্টরা জানান, এলটিই সেবা পেতে গ্রাহকদের মডেম এবং ডিভাইস পরিবর্তন করতে হবে। এর আগে চলতি বছরের এপ্রিল মাসের দিকে ওলে দেশে এলটিই যন্ত্রপাতি আমদানি করে। যদিও তাদের এলটিই বা ওয়াইম্যাক্সের কোনো লাইসেন্স ছিল না। এরপর তারা ওয়াইম্যাক্সের জন্য আবেদন করে

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আসুসের রোড শো
গেস্নাবাল ব্র্যান্ডের আয়োজনে গত ৬ অক্টোবর ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মহাখালী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয় দুই দিনের আসুস রোড শো। ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসভিত্তিক এ রোড শো-তে আসুসের নোটবুক ও ট্যাবলেট পিসি প্রদর্শিত হয়। এতে ছাত্রছাত্রী বা দর্শণার্থীদের জন্য ছিল আসুস পণ্য পরিচিতি, পাজল গেম খেলা, ফেসবুকে গেম খেলা ও ক্যুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উপহার জেতা। মূলত ছাত্রছাত্রী বা তরুণ প্রজন্মদের আসুস পণ্য পরিচিতি ও পণ্য ক্রয়ে অনুপ্রাণিত করাই ছিল এ প্রচারমূলক কার্যক্রমের উদ্দেশ্য

ফোন ব্যবহারে এগিয়ে তরুণরা
বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যের বিজ্ঞাপনে প্রায়ই দেখা যায়, বয়স্ক ব্যক্তিরা তাদের ফোন ও ট্যাবলেটে স্কাইপ ব্যবহার করে নাতি-নাতনিদের সাথে কথা বলছেন। কিন্তু বাস্তব চিত্রটা ভিন্ন বলে উঠে আসে নতুন এক জরিপে। স্ট্যাটিস্টা নামে এক প্রতিষ্ঠানের চালানো এ জরিপে জানানো হয়, ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে স্মার্টপ্রযুক্তি ব্যবহারের হার বেশ কম। মার্কিন তরুণদের ৪০ শতাংশই যেখানে ভিডিও চ্যাটে অভ্যস্ত, সেখানে বয়স্ক ব্যক্তিদের মাত্র ৩ শতাংশ এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে। জরিপে দেখা গেছে, ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী আমেরিকানদের ৮৪ শতাংশই ইন্টারনেট ব্যবহার করে, যেখানে ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের মাত্র ১৯ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এছাড়া ৭৩ শতাংশ টিনএজার ও তরুণ ই-মেইল দেয়া-নেয়া করে, কিন্তু বয়স্ক ব্যক্তিদের মাত্র ১৭ শতাংশ এটি ব্যবহার করে। সার্বিকভাবে স্মার্টফোন ব্যবহার ও অ্যাপ ডাউনলোডের দিক দিয়েও ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সীরা অনেক এগিয়ে। এমনকি ৯৭ শতাংশ কিশোর ও তরুণ যেখানে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে টেক্সট মেসেজ ব্যবহার করে, সেখানে বৃদ্ধদের মধ্যে মেসেজ ব্যবহারের হার মাত্র ৩৫ শতাংশ। এছাড়া সেলফোন ব্যবহার করে গান শোনে ৮০ শতাংশ তরুণ। অথচ বৃদ্ধদের শুধু ৮ শতাংশ এভাবে গান শোনে

রেডহ্যাট ভার্চুয়ালাইজেশন কোর্সে ভর্তি
আইবিসিএস-প্রাইমেক্সে রেডহ্যাট লিনআক্সের ভার্চুয়ালাইজেশন কোর্সে শুক্র ও শনিবার ব্যাচে ভর্তি চলছে। ৩২ ঘণ্টার এ প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক দিয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। কোর্স শেষে সার্টিফিকেট দেয়া হবে। যোগাযোগ : ০১৭১৩৩৯৭৫৬৭-৮
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৩ - নভেম্বর সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস