Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > পিসির ঝুটঝামেলা
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: কজ
মোট লেখা:১০৪১
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৩ - ডিসেম্বর
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
সমস্যা ও সমাধান
তথ্যসূত্র:
ট্রাবলশুটার টিম
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
পিসির ঝুটঝামেলা
সমস্যা : আমি কম দামের মধ্যে ট্যাব কিনতে চাই। কোনটি কিনব? সিম্ফোনি টি৮আই নাকি মাইক্রোম্যাক্স পি৬৫০? কোনটি কেমন হবে দয়া করে জানাবেন।
-জামিল খান

সমাধান : ট্যাবলেট পিসি বা ট্যাব কেনার সময় যে ব্যাপারগুলো খেয়াল রাখতে হবে তা হচ্ছে, স্ক্রিন সাইজ, পিক্সেল ডেনসিটি, প্রসেসরের ক্ষমতা, র্যা মের পরিমাণ, স্টোরেজ, ক্যামেরা কোয়ালিটি ও ব্যাটারি ব্যাকআপ। প্যান্টের পকেটে বা ব্যাগের ভেতরে রাখা যায় এমন ট্যাব কিনতে পারলে তা অনেক স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করতে পারবেন। যদি আকারে বড় হয়ে যায়, তবে তা কভারসহ ব্যবহার করা উচিত, যাতে তা দেখতে অনেকটা নোটবুক বা ডায়রির মতো দেখায়। পিক্সেল ডেনসিটি বা পিক্সেল পার ইঞ্চির পরিমাণ যত বেশি হবে, পিকচার কোয়ালিটি তত ভালো হবে। প্রসেসর ডুয়াল কোরের হলে ভালো হয়, কারণ ভারি অ্যাপ্লিকেশনগুলো চালানোর সময় তা বেশ কাজে দেবে। র্যালমের পরিমাণ ১ গিগাবাইট হলে ভালোভাবে অ্যান্ড্রয়িডের অ্যাপ্লিকেশনগুলো চালানো যাবে। স্টোরেজ ৮ জিবি বা ১৬ জিবি যেকোনো একটি হলেই কাজ হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, এতে বাড়তি মেমরি কার্ড দিয়ে মেমরি এক্সপান্ড করার ব্যবস্থা রয়েছে কি না। ট্যাবগুলোর ক্যামেরার মান খুব একটা ভালো না হলেও কাজ চালানোর জন্য মোটামুটি। কেনার আগে ভিডিও কলিংয়ের জন্য সামনে থাকা ক্যামেরার মান চেক করে নেয়া উচিত। কারণ ট্যাবের ক্ষেত্রে রেয়ার ক্যামেরার চেয়ে ফ্রন্ট ক্যামেরা বেশি জরুরি। ব্যাটারি ব্যাকআপ ট্যাবের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। কারণ, ট্যাব যতই শক্তিশালী বা বড় হোক না কেনো, তাকে কিন্তু ব্যাটারির ভরসাতেই চলতে হবে। ব্যাটারির চার্জ ধরে রাখার ক্ষমতা যত বেশি হবে, ট্যাব তত বেশিক্ষণ ব্যবহার করা যাবে। ৭-৮ ইঞ্চি ট্যাবের জন্য ব্যাটারি ৪০০০-৫০০০ মিলি-অ্যাম্পিয়ারের হওয়া উচিত। এখনকার বাজারে অনেক ধরনের ট্যাব পাওয়া যায়। বেশ কিছু ননব্র্যান্ড চাইনিজ এবং ব্র্যান্ডের ট্যাবে বাজার সয়লাব। কিন্তু তার মধ্য থেকে ভালোটি খুঁজে বের করা কিছুটা কষ্টের কাজ বটে। ৭-৮ ইঞ্চি ট্যাব কিনতে চাইলে বাজেট ১৫ হাজার টাকার মতো হলে ভালো হয়। দাম যত কম হবে প্রোডাক্টের মানও তত কম হবে। ১১-১২ হাজার টাকার বাজেটের মধ্যে সিম্ফোনি টি৮আই ভালো একটি ট্যাব। বাজেট যদি বাড়াতে না পারেন, তবে এটি কিনে নিতে পারেন। কাছাকাছি দামের মধ্যে আরও কিছু ট্যাবের মধ্যে রয়েছে ওয়ালটনের ওয়ালট্যাব, টুইনমসের টুইনট্যাব, লেনোভো ট্যাব ইত্যাদি। মাইক্রোম্যাক্স ট্যাবের যে মডেলের কথা উল্লেখ করেছেন, সে নামে কোনো প্রোডাক্ট নেই। যেটি আছে সেটি হচ্ছে পি৬৫০। যথাসম্ভব এ মডেলটির দাম ১৭ হাজার টাকার মতো, যা সিম্ফোনির তুলনায় অনেক বেশি। ট্যাব কেনার সময় কয়েকটি ট্যাব দেখার পর কোনটির আকার-আকৃতি অনুযায়ী আপনার ব্যবহার করতে সুবিধা হবে, তা যাচাই করে তারপর তা কিনুন।

সমস্যা : আমি একজন গেমার। আমার পিসির মাদারবোর্ড হচ্ছে এমএসআই জি৪১এম-পি৩৩ কম্বো, প্রসেসর ইন্টেল কোর টু ডুয়ো ই৫৫০০ ও র্যা ম ৪ গিগাবাইট ডিডিআর৩ ১৩৩৩ মেগাহার্টজ বাসস্পিড। আমি উইন্ডোজ ৭ আলটিমেট ৬৪ বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করি। আমি যদি পিসিতে এটিআই রাডেওন এইচডি৬৫৭০ সিরিজের ১ গিগাবাইট গ্রাফিক্স কার্ড লাগাই, তাহলে কি ভালো পারফরম্যান্স পাব? অথবা এটিআই রাডেওন এইচডি৭৭৫০ সিরিজের গ্রাফিক্স কার্ড যদি লাগাই, তাহলে কি আরও ভালো পারফরম্যান্স পাব? এনভিডিয়া না এটিআই (এএমডি) কোন গ্রাফিক্স কার্ড লাগানোটা ভালো হবে আমার পিসির জন্য? আমার পিসির মাদারবোর্ডে কি জিডিডিআর৫ কার্ড লাগানো যাবে?
-তানজুম ইসলাম, ঢাকা

সমাধান : আপনার পিসির মাদারবোর্ডের গ্রাফিক্স কার্ডের সস্নট হচ্ছে পিসিআই এক্সপ্রেসের প্রথম ভার্সন। নতুন গ্রাফিক্স কার্ডগুলো সাধারণত ভার্সন ২ বা ৩ সাপোর্ট করে। বাজারে পিসিআই এক্সপ্রেস ৪ ভার্সনের গ্রাফিক্স কার্ডও পাওয়া যায়। গ্রাফিক্স কার্ডের সম্পূর্ণ পারফরম্যান্স পেতে চাইলে গ্রাফিক্স কার্ড যে ভার্সনের সে ভার্সনের স্লটে লাগাতে হয়। প্রথম ভার্সনের সস্নটে অন্য ভার্সনের গ্রাফিক্স কার্ড লাগালে তা কাজ করবে না তা কিন্তু নয়। কাজ করবে ঠিকই, তবে কিছুটা ধীরগতিতে। গ্রাফিক্স কার্ড যত ভালো চিপসেটের ও উচ্চতর সিরিজের লাগাবেন, ততই ভালো পারফরম্যান্স পাবেন। গ্রাফিক্স কার্ডের সস্নটে মেমরি টাইপ নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। পিসিআই এক্সপ্রেস স্লটে জিডিডিআর৫ মেমরির গ্রাফিক্স কার্ড লাগালে কাজ করবে ও ভালো পারফরম্যান্স দেবে। গেমার হিসেবে একটি ভালো গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার করা উচিত। আপনার গ্রাফিক্স কার্ডের পছন্দ দেখে মনে হচ্ছে, আপনার বাজেট ৭-৮ হাজার টাকার মতো। ভালো গ্রাফিক্স কার্ড কেনার সময় পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটের কথা খেয়াল থাকতে হবে। এএমডি রাডেওন এইচডি ৭৭৫০ গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য আলাদা ৬ পিনের পাওয়ার কানেক্টর লাগে না। তাই পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট ৪০০ ওয়াট হলেই কাজ চলবে। যদি এএমডি রাডেওন এইচডি ৭৭৭০, ৭৭৯০ বা ৭৮৫০ সিরিজের গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে চাইলে সাথে ভালোমানের ৫০০-৬৫০ ওয়াটের পাওয়ার সাপ্লাই কিনতে হবে। যদি এনভিডিয়া সিরিজের গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে চান, তবে জিফোর্স জিটি ৬৫০, ৬৫০ টিআই বা ৫৬০টিআই মডেল কিনতে পারেন কম বাজেটের মধ্যে। এনভিডিয়া বা এএমডি কেউ কারও চেয়ে কম নয়। তাই যেকোনো একটির গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে পারেন।

সমস্যা : আমার প্রশ্ন আমার ল্যাপটপে ওয়াই-ফাই ডিভাইস আছে কি না তা বুঝব কীভাবে? যদি থাকে তবে কি কোনো ওয়াই-ফাই ড্রাইভার লাগবে? আমি ল্যাপটপ ব্যবহার করছি প্রায় তিন বছর হলো। এখন ল্যাপটপটি ছাড়ার কিছুক্ষণের মধ্যে গরম হয়ে যায় এবং এয়ার সার্কুলেশন ভেন্ট দিয়ে গরম বাতাস বের হয়। এ অবস্থায় আমি কি করতে পারি?
-হানিফ, চট্টগ্রাম

সমাধান : ল্যাপটপের মডেল জানালে তাতে ওয়াই-ফাই আছে কি না তা জানানো যেত। ল্যাপটপের মডেল লিখে গুগলে সার্চ দিয়ে তার স্পেসিফিকেশন ও ফিচার দেখে নিন। ল্যাপটপের সাথে একটি ড্রাইভার ডিস্ক থাকে, যাতে ল্যাপটপের প্রয়োজনীয় সব ড্রাইভার দেয়া থাকে। ড্রাইভার ডিস্কে দেখুন ওয়াই-ফাই ড্রাইভার রয়েছে কি না। যদি ডিস্ক হারিয়ে ফেলেন তবে যে ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ সেই কোম্পানির ওয়েবসাইটে গিয়ে তাদের লিস্ট থেকে আপনার মডেল সিলেক্ট করে সেখান থেকে প্রয়োজনীয় ড্রাইভারগুলো নামিয়ে নিন। ল্যাপটপ পুরনো হলে তাপজনিত সমস্যা দেখা দেয়াটা স্বাভাবিক। ভেতরে ধুলোবালি জমে ও যন্ত্রাংশ পুরনো হয়ে যাওয়ার কারণে অত্যধিক তাপ উৎপন্ন হয়। এ সমস্যা সমাধানের জন্য ল্যাপটপ কুলার ব্যবহার করতে পারেন অথবা সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে দেখাতে পারেন।

দৃষ্টি আকর্ষণ : কমপিউটার জগৎ-এর পিসির ঝুটঝামেলা বিভাগের সেবার মান ও প্রসার বাড়ানোর জন্য jhutjhamela@comjagat.com-এর পাশাপাশি jhutjhamela24@gmail.com নামে আরেকটি মেইল অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। দুটি মেইলের যেকোনোটিতে মেইল করে আপনাদের সমস্যার কথা আমাদের জানান। আমরা যথাসম্ভব দ্রুততার সাথে আপনাদের সমসার সমাধান জানানোর চেষ্টা করব ।

ফিডব্যাক : jhutjhamela24@gmail.com
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস