Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > ভিওআইপি কলরেট কমলে রাজস্ব কমবে ১১০০ কোটি টাকা
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: হিটলার এ. হালিম
মোট লেখা:২২
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৪ - মার্চ
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
ভিওআইপি
তথ্যসূত্র:
রির্পোট
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
ভিওআইপি কলরেট কমলে রাজস্ব কমবে ১১০০ কোটি টাকা
দেশে অবৈধ ভিওআইপি (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল) রোধে কলরেট ৫০ শতাংশ কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কলরেট কমানো হলে দেশে বৈধ পথে আসা কলের পরিমাণ বাড়তে পারে এমন ধারণা থেকে এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি কলরেট অর্ধেক ও ভিওআইপি কলে রাজস্ব ভাগাভাগির রেট (রাজস্ব ভাগাভাগি ৫১ থেকে ৪০ শতাংশে আনার প্রস্তাব) কমানোর প্রস্তাব পাঠায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে। মন্ত্রণালয় বিষয়টির আর্থিক দিক বিবেচনার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগে পাঠায়। অর্থ বিভাগ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে, কলরেট ৩ সেন্ট থেকে কমিয়ে দেড় সেন্ট করা হলে সরকারের রাজস্ব আয় প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা কম হবে।

আইজিডব্লিউ (ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে) অপারেটরেরা কলপ্রতি ৩ সেন্ট (২ টাকা ৪০ পয়সা) নেয়। কলরেট অর্ধেক কমলে তা নেমে আসবে দেড় সেন্টে (১ টাকা ২০ পয়সায়)। তখন বৈধ ও অবৈধ কলের আয়ে ব্যবধান থাকবে না। বর্তমান রেটে বৈধ পথে একটি কল এলে আইজিডব্লিউ অপারেটরদের সব খরচ বাদ দিয়ে মুনাফা থাকে ২০ থেকে ৩০ পয়সা। আর অবৈধ ভিওআইপি কারবারীদের লাভ থাকে দেড় থেকে পৌনে দুই টাকা।

দেশে ২৯টি আইজিডব্লিউ অপারেটর বৈধ পথে ভিওআইপি কল আনছে। যদিও বিভিন্ন অভিযোগে কয়েকটি অপারেটরের অপারেশন ব্লক করে দিয়েছে বিটিআরসি। অভিযোগ রয়েছে, এর মধ্যে অনেক অপারেটর বিশাল অঙ্কের কল দেড় সেন্ট বা তার চেয়েও কম রেটে আনছে, যা টেলিযোগাযোগ খাতে ভারসাম্যহীনতা তৈরি করছে। বিটিআরসির একটি সূত্র জানায়, দেশে প্রতিদিন ৭ কোটি মিনিটের বেশি ভিওআইপি কল আসছে। এর মধ্যে বৈধ কলের সংখ্যা মাত্র সাড়ে তিন থেকে পৌনে চার কোটি মিনিট। নিয়ন্ত্রক সংস্থার কঠোর মনিটর, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো সেলফ রেগুলেশন পদ্ধতি অনুসরণ করায় গত কিছুদিন দেশে অবৈধ ভিওআইপি কল কম এলেও অতিসম্প্রতি তা আবার বেড়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে আইজিডব্লির ২৫টি লাইসেন্স ইস্যু করে সরকার। সরকারের ধারণা ছিল, বেশি অপারেটর এলে বৈধ পথে আসা কলের সংখ্যা বাড়বে। পরবর্তী সময়ে দেখা যায়, কলসংখ্যা বাড়েনি। লাইসেন্স ইস্যু করার আগে বৈধ পথে কল আসত প্রায় সাড়ে ৫ কোটি মিনিট। কিন্তু নতুন অপারেটরেরা অপারেশনে এলে গত বছর বৈধ পথে কলের সংখ্যা আড়াই কোটি মিনিটে নেমে যায়।

কলরেট কমানো প্রসঙ্গে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আমরা মনে করি না কলরেট কমানো হলে অবৈধ ভিওআইপি কমবে। তবে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, সরকারের রাজস্ব আয় কমবে। তিনি জানান, কোনো কিছুর দাম কমে অর্ধেক হলেই তার চাহিদা দ্বিগুণ হয়ে যায় না। বর্তমানে প্রতিদিন ৫ কোটি মিনিট কল এলেও কলরেট অর্ধেক করা হলে দেশে ১০ কোটি মিনিট আসবে না বলে তিনি মনে করেন। ৫ কোটি মিনিট থেকে তা বেড়ে ৬-৭ কোটি মিনিট হতে পারে। এ অঙ্ক কষে তিনি সরকারের রাজস্ব কমার আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, অর্থ বিভাগ চূড়ান্তভাবে জানালে কলরেট অর্ধেক কমিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে ছয় মাসের জন্য এটি চালু করে দেখা যেতে পারে। ওই সময়েই বোঝা যাবে কলরেট কমলে দেশে আসা আন্তর্জাতিক কলের পরিমাণ বাড়বে কি না।

জানা গেছে, বাংলাদেশে আসা প্রতিমিনিট আমত্মর্জাতিক কলের রেট ৩ সেন্ট। থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরে ৬, ফিলিপাইনে ১১, শ্রীলঙ্কায় ৯, পাকিস্তানে সাড়ে ৮ সেন্ট। শুধু ভারতে ১ সেন্ট। ভারতের উদাহরণ টেনে গেটওয়ে অপারেটরসহ সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশের কলরেট দেড় সেন্ট করার পক্ষে মত দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে টেলিযোগাযোগ সচিব বলেন, ভারতের সাথে আমাদের তুলনা করলে হবে না। ভারতের জনসংখ্যার বিশালত্বও আমাদের বুঝতে হবে। ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা ও পাকিসত্মানের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ওই দেশগুলো মোটামুটিভাবে আমাদের সমকক্ষ। ওই দেশগুলোর আন্তর্জাতিক ইনকামিং কলরেটের হার চড়া থাকলে আমাদের কেনো কমাতে হবে? কলরেট কমানো হলেও অবৈধ ভিওআইপির কিছু কল একেবারে বন্ধ হবে না বলে তিনি মনে করেন। যারা এর সাথে জড়িত, তারা আরও উন্নত প্রযুক্তি বের করে নতুন পদ্ধতিতে অবৈধ ভিওআইপি করবে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি আইজিডব্লিউ অপারেটরের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, কলরেট কম হলে আমরা আরও বেশি বেশি কল আনতে পারব। সরকারের কলরেট কমানো ও ছয় মাসের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে চালুর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এই সময়’ আগামী দিনের জন্য ঘোষণা না করে পেছনের কোনো তারিখ (২-৩ মাস) থেকে কার্যকর করা হলে আমরা কিছু ব্যবসায় করতে পারব।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ একটি মহলকে খুশি করতে এবং অবৈধ ভিওআইপির মাধ্যমে সম্পদের বিশাল পাহাড় গড়তে কলরেট কমানোর মতো বিধ্বংসী সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। কাদের স্বার্থে কলরেট কমানো হচ্ছে, তা নিয়ে বিস্তর জল্পনা-কল্পনা চলছে টেলিযোগাযোগ খাতে। ৩ সেন্ট করে কলরেট থাকা সত্ত্বেও যেখানে একাধিক আইজিডবিস্নউ অপারেটর দেনার দায়ে জর্জরিত ও সরকারের পাওনা পরিশোধ করতে পারছে না, সেখানে কলরেট কমানোর সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী হ তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো মনে করছে। কলরেট কমিয়ে ব্যক্তিস্বার্থ রক্ষা করতে গেলে দেশের স্বার্থের জলাঞ্জলি হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বলে তাদের দাবি।

ভিওআইপি অপারেটরদের দাবি
এদিকে ভিএসপি (ভিওআইপি সার্ভিস প্রোভাইডার্স) অপারেটরেরা দাবি করেছে, কলরেট অর্ধেক হলে সরকারের রাজস্ব আয় কমবে অন্তত ২ হাজার কোটি টাকা। এজন্য অপারেটরগুলোর অ্যাসোসিয়েশন সম্প্রতি এক বিবৃতিতে কলরেট কমানোর বিরোধিতা করে ভিওআইপি উন্মুক্ত করে দেয়ার দাবি জানিয়েছে। কারণ, অভিজ্ঞতা ও কারিগরি জ্ঞানের অভাব, ব্যবসায়ের সম্পর্কে ধারণা না থাকায় ভিওআইপি বা ভিএসপি অপারেটরেরা আন্তর্জাতিক ইনকামিং কল আনতে পারছে না। আমত্মর্জাতিক কল ক্যারিয়ারগুলোর সাথে যোগাযোগ না থাকায় এরা প্রত্যাশিত কল পাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভিএসপি অপারেটরের সংখ্যা বেশি (৮৬৫টি) হওয়ায় কেউই কল পাচ্ছে না। যদিও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি ভিএসপি অপারেটরগুলো যাতে কল আনতে পারে সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে। ওই নির্দেশনা মোতাবেক আইজিডব্লিউ অপারেটরের সাথে যুক্ত হয়ে কল আনার চেষ্টা করছে এবং কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান কিছু কিছু করে কল আনছে। কিন্তু স্বতন্ত্রভাবে কোনো ভিএসপি অপারেটর কল আনতে পারছে না। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বিপণন একটি বড় বাধা।

ভিএসপি লাইসেন্স দেয়ার শুরম্নতে সরকারের ধারণা ছিল, বেশি লাইসেন্স দেয়া হলে দেশে আন্তর্জাতিক কল বেশি আসবে। ফলে সরকারের ঘরে বেশি রাজস্ব যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফল হয়েছে উল্টো। ৮৬৫টি ভিএসপি লাইসেন্সের পাশাপাশি আইজিডব্লিউর নতুন ২৫টি লাইসেন্স দেয়া হলেও আন্তর্জাতিক কল সেই অনুপাতে বাড়েনি।
আগে যে পরিমাণ কল আনত চারটি আইজিডব্লিউ অপারেটর, এখন সেই পরিমাণ কলই আনছে ২৯টি আইজিডব্লিউ ও ৮৬৫টি ভিএসপি অপারেটর। ফলে কল ভাগাভাগি হয়ে যাচ্ছে অসংখ্য অপারেটরের মাঝে। যদিও নিয়ন্ত্রক বিটিআরসি ভিএসপির আরও দেড়শ’ লাইসেন্স দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

ভিএসপি লাইসেন্সপ্রাপ্ত অ্যাবাকাস টেলিকম, এলেন টেলকম ও মাইসা টেলিকমে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, অপারেটরগুলোর কারোরই ভিএসপি ব্যবসায় সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না। এমনকি অপারেটরগুলোর প্রধানেরা জানেনও না, কীভাবে এ ব্যবসায় করতে হয়। জানা গেছে, কেউ পড়াশোনা শেষ করে কিছু একটা করতে হবে, তাই লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসায়ে নেমেছেন। কেউবা কাজ করতে করতে শিখে ফেলবেন এমন মনোভাব নিয়ে ব্যবসায়ে নেমেছেন। কিন্তু এরা নিজেরাই নিজেদের ব্যবসায়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত। ঝোঁকের মাথায় লাইসেন্স নিয়ে এরা নিজেরাই এখন বিপাকে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অপারেটর।

এ বিষয়ে আইজিডব্লিউ (ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে) অপারেটর র্যাং কসটেলের প্রধান নির্বাহী এ কে এম শামসুদ্দিন জানান, না জেনে এ ব্যবসায় আসায় সমস্যা করছে ভিএসপি অপারেটরেরা। তিনি ভবিষ্যতে জটিলতার আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বেশিরভাগ অপারেটরই আন্তর্জাতিক কল আনতে পারছে না। অনেকেরই এ সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই। তিনি জানান, ভিওআইপি কল আনতে গেলে আন্তর্জাতিক বিপণন জানতে হয়। বিদেশি অপারেটরগুলোর (ক্যারিয়ার) সাথে যোগাযোগ থাকতে হয়। তাহলেই শুধু নতুন অপারেটরগুলোর পক্ষে দেশে কল আনা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

তিনি জানান, র্যাং কসটেলে তিনটি ভিএসপি অপারেটরকে নিজেদের সাথে যুক্ত রেখেছিল। বর্তমানে কেউই আর যুক্ত নেই। নতুন কল আনতে না পারায় তাদেরকে বাদ দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, আমরা যে কল নিজেরাই আনতে পারি, তা ভিএসপি অপারেটরদের মাধ্যমে আনার কোনো কারণ দেখি না।
বিটিআরসির সর্বশেষ সিদ্ধামত্ম অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতিটি আইজিডব্লিউর অধীনে ৩৫টি করে ভিএসপি পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২০টি করে অপারেটর আইজিডব্লিউ অপারেটরেরা নিজের পছন্দ অনুযায়ী নির্বাচন করে নিতে পারেন। অবশিষ্ট ১৫টি ভিএসপি বিটিআরসি নির্ধারণ করে দেয়ার কথা।

এদিকে লাইসেন্স পাওয়া ভিএসপি অপারেটরদের জোট বেঁধে করে ব্যবসায় করার পরামর্শ দিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস অপারেটরদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা কাজ শুরু করেন। আয় না করতে পারলে বিটিআরসিকে দোষারোপ করবেন এটা ঠিক নয়। আয়ের জন্য আপনাদের নিজেদের উদ্যোগী হতে হবে, লাইসেন্স যেভাবে নিজ উদ্যোগে নিয়েছেন।

বিটিআরসি চেয়ারম্যানের কথাটিই এখন অক্ষরে অক্ষরে ফলে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজনৈতিক বিবেচনায় ঢালাওভাবে লাইসেন্স দেয়ায় ভিএসপি অপারেটরগুলোর অবস্থা কলসেন্টারের মতো হয়েছে। চলতি বছর অনেক ভিএসপি অপারেটর তাদের লাইসেন্স বিটিআরসিতে ফেরত দিতে পারে। কল আনতে না পারলে লাইসেন্স এমনিতেই টিকিয়ে রাখা যাবে না এমন আশঙ্কায় তারা লাইসেন্স প্রত্যাহার করে নিতে পারে। ওদিকে একটি আইজিডব্লিউর সাথে ৩৫টি ভিএসপি অপারেটরকে জুড়ে দেয়ায়ও কোনো ইতিবাচক ফল আসবে না বলে মনে করে ওই সূত্র।
গত বছরের মার্চে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাঙ্ককে অনুষ্ঠিত ‘ক্যারিয়ার্স ওয়ার্ল্ড এশিয়া’ সম্মেলনে অংশ নেয় আইজিডবিস্নউ অপারেটর গ্লবাল ভয়েস। অপারেটরটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এইচএম ইব্রাহীম জানান, তিনি সেখানে এশিয়ার ক্যারিয়ারগুলোর সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ক্যারিয়ারগুলোর সহযোগিতায় তার গেটওয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কল দেশে আনা। আইজিডব্লিউ অপারেটরগুলো যেখানে কল আনতে বিদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ধর্ণা দিচ্ছে সেখানে আইজিডব্লিউ অপারেটরগুলো তাদের আনা কলগুলো কেনো ভিএসপি অপারেটরগুলোর মাধ্যমে আনবে- এমন প্রশ্ন আইজিডব্লিউ অপারেটরগুলোর। তাদের দাবি, ভিএসপি অপারেটরগুলো তাদের নিজস্ব কল আইজিডব্লিউ অপারেটরগুলোর মাধ্যমে আনলে স্বয়ং ভিএসপি ও আইজিডব্লিউ অপারেটর এবং সেই সাথে দেশও উপকৃত হবে। টিকে যাবে ভিএসপি অপারেটরগুলো। আর নিজেরা কল আনতে না পারলে অবৈধ ভিওআইপি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা। কারণ, এরই মধ্যে সরকার নির্ধারিত (৩ মার্কিন সেন্ট) মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে (১ সেন্ট) কল আনছে অনেক অপারেটর। ফলে দেশে এখন বৈধ পথেই অবৈধ ভিওআইপি হচ্ছে। ভিএসপি অপারেটরেরা ব্যবসায়ে টিকে থাকতে এ অনৈতিক পথে পা বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞেরা

ফিডব্যাক : hitlarhalim@yahoo.com
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস
অনুরূপ লেখা