Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > ভাইরাস লক্ষণ চেনা ও কয়েকটি অ্যান্টিভাইরাস টুল
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: কার্তিক দাস
মোট লেখা:১০
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৪ - মার্চ
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
অ্যান্টি-ভাইরাস
তথ্যসূত্র:
সফটওয়্যার
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
ভাইরাস লক্ষণ চেনা ও কয়েকটি অ্যান্টিভাইরাস টুল
তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে কমপিউটিং ডিভাইসের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। সেই সাথে বেড়ে চলেছে ইন্টারনেটের ব্যবহার। বর্তমানে যে বিষয়টি কমপিউটার ব্যবহারকারীদের বেশি ভাবায়, তা হলো ভাইরাস। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভাইরাস ও অন্যান্য ক্ষতিকর ফাইলের আক্রমণও বাড়ছে। গবেষকদের হিসেবে প্রতিদিন নতুন নতুন ভাইরাস তৈরি করেছে সাইবার অপরাধীরা। আর ইন্টারনেটের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বজুড়ে। ইন্টারনেট থেকে পিসিতে প্রবেশ করার পর আবার পেনড্রাইভ বা অন্যান্য বহনযোগ্য স্টোরেজের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে পিসিতেও। ফলে কমপিউটিংয়ের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।
একটু খেয়াল করলেই নিচের লক্ষণগুলো দেখে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ধরে নেয়া যেতে পারে কমপিউটারটি ভাইরাসে আক্রান্ত। আর তখনই নিতে হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা :

০১. পিসির টাস্ক ম্যানেজার ডিজ্যাবল হয়ে থাকলে তা বোঝার জন্য Ctrl+Alt+Del চাপ দিন কিংবা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে চাপ দিন। টাস্ক ম্যানেজার উইন্ডোটি না এলে অথবা যদি নিষ্ক্রিয় থাকে তবে নিশ্চিত কমপিউটারটি ভাইরাসে আক্রান্ত।
০২. রেজিস্ট্রি এডিটর নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকলে তা বোঝার জন্য স্টার্ট মেনু থেকে রানে গিয়ে Regedit লিখে এন্টার দিন। যদি রেজিস্ট্রি এডিটর উইন্ডোটি না আসে তাহলে বুঝতে হবে সেটি ভাইরাসে আক্রান্ত।
০৩. কমান্ড প্রম্পট নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকলে তা বোঝার জন্য রানে গিয়ে পসফ লিখে এন্টার দেন। ভাইরাস আক্রান্ত হলে পসফ উইন্ডো আসবে না।
০৪. স্টার্ট মেন্যুতে সার্চ অপশন না থাকলে।
০৫. কোনো প্রোগ্রাম চালু নেই অথবা কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড প্রোগ্রাম চালু নেই কিন্তু সিপিইউর ব্যবহার ৫ শতাংশের ওপর দেখালে তা বোঝার জন্য Ctrl+Alt+Del চেপে পারফরম্যান্স ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার উইন্ডোটির একেবারে নিচে স্ট্যাটাস লক্ষ্য করুন।
০৬. কমপিউটারের হার্ডড্রাইভ অথবা পেনড্রাইভে ডাবল ক্লিক করার পর ওপেন না হলে।
০৭. কমপিউটারের ড্রাইভে অথবা পেনড্রাইভে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করলে ওপেন অপশনটি দ্বিতীয় অবস্থানে দেখালে কিংবা প্রথম অপশনটি দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলে কিংবা প্রথম অপশনটি ভিন্ন কোনো ভাষায় দেখালে।
০৮. কমপিউটার যদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
০৯. কমপিউটার যদি থেমে থেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিস্টার্ট নেয়। তবে অন্যান্য কারণে যেমন : উইন্ডোজের সিস্টেম ফাইল মিসিং হলে, লো ভোল্টেজ থাকলে রিস্টার্ট নিতে পারে।
১০. খুব বেশি প্রোগ্রাম ইনস্টল নেই অথচ কমপিউটার ওপেন ও শাটডাউন হতে দীর্ঘ সময় লাগলে।
১১. কমপিউটারে কোনো প্রোগ্রাম ওপেন করলে, বন্ধ করলে বা অন্য কোনো কমান্ড দিলে তা এক্সিকিউট হতে বেশি সময় নিলে।
১২. ফোল্ডার অপশন না থাকলে তা বোঝার জন্য মাই কমপিউটার ওপেন করে টুলস মেনুতে গিয়ে ফোল্ডার অপশনটি লক্ষ করুন।
১৩. Hidden files & folders অপশনটি না থাকলে কিংবা কাজ না করলে তা দেখার জন্য মাই কমপিউটার ওপেন করে টুলস মেনুতে গিয়ে ফোল্ডার অপশনে ক্লিক করম্নন। এবার ঠরবট্যিাবে ক্লিক করে Show hidden files & folders-এ ক্লিক করে Ok করুন। এই ফাংশনটি কাজ করছে কি না তা দেখার জন্য অপশনটিতে আবার আসুন। যদি আগের মতো Do not show hidden files & folders অপশনটিতে টিক চিহ্ন থাকে তাহলে বুঝবেন এটি ভাইরাসে আক্রান্ত।
১৪. কমপিউটার ওপেন হওয়ার সময় C:windows ev C:my documents উইন্ডোসহ ওপেন হলে।
১৫. তেমন কোনো প্রোগ্রাম ইনস্টল নেই কিন্তু সি ড্রাইভে স্পেস যদি পূর্ণ দেখায়।
১৬. অল্পতে কমপিউটার ঘন ঘন Hang করলে।
১৭. কোনো মেসেজ যদি নিদিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করতে বলে।
১৮. কোনো ওয়েবসাইটে যেতে গিয়ে অন্য ওয়েবসাইটে চলে গেলে।
১৯. উইন্ডোজ ট্রে নোটিফিকেশন এরিয়াতে কোনো এরর মেসেজ বারবার দেখালে।
২০. অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ইনস্টল হতে না দিলে, অ্যান্টিভাইরাস কাজ না করলে, নিষ্ক্রিয় থাকলে কিংবা অ্যান্টিভাইরাসটি নতুন করে রিস্টার্ট করতে না দিলে।
২১. ডেস্কটপে কোনো নতুন আইকন দেখালে যা আপনি রাখেননি কিংবা ইনস্টল করা প্রোগ্রামের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
২২. কোনো ফাইল বা ফোল্ডার হিডেন করেনি অথচ আপনি তা খুঁজে পাচ্ছেন না অথচ ডিস্ক স্পেস ঠিক দেখাচ্ছে।
২৩. কমপিউটার ওপেন হওয়ার সময় লগ ইন অপশন আসে, কিন্তু লগ ইন করলে কমপিউটার ওপেন হয় না।
২৪. কমপিউটার ওপেন হয়ে ডেস্কটপ আসে কিন্তু মাউস ও কীবোর্ড কাজ করে না।
২৫. মাই কমপিউটারে প্রবেশ করলে শুধু ড্রাইভ ছাড়া বাম পাশে থাকা নানা অপশনযুক্ত অংশটুকু না পেলে অর্থাৎ উইন্ডোতে শুধু ড্রাইভগুলোই দেখালে।

এছাড়া উইন্ডোজে অন্য কোনো অস্বাভাবিকতা পরিলক্ষিত হলে কমপিউটারটি ভাইরাসে আক্রামত্ম হয়েছে বলে প্রাথমিক অবস্থায় ধরে নেয়া যেতে পারে। এই ভাইরাসের যন্ত্রণা বাঁচতে হলে লাইসেন্স করা কোনো অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন এবং নিয়মিত পুরো কমপিউটার স্ক্যান করুন। অথবা লিনআক্সের কোনো ডিস্ট্র যেমন : উবুন্টু, মিন্ট, রেডহ্যাট বা ফ্যাডোরা কোর ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো সম্পূর্ণ ভাইরাসমুক্ত এবং বিনামূল্যে পাওয়া যায়। এগুলোর সিকিউরিটি সিস্টেমও অত্যন্ত চৌকস।

বিনামূল্যের সেরা কিছু অ্যান্টিভাইরাস
পিসির নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বপ্রথম যে বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে, তা হলো অ্যান্টিভাইরাস। পিসির নিরাপত্তায় ভালো একটি অ্যান্টিভাইরাস হতে পারে আপনার সহায়। ভালো একটি অ্যান্টিভাইরাস আপনাকে ভাইরাসের হাত থেকে নিশ্চিমত্ম রাখতে পারে। অ্যান্টিভাইরাসের ক্ষেত্রে যেগুলো টাকা দিয়ে কিনতে হয়, সেগুলো সাধারণতই ভালো সেবা দিয়ে থাকে। তবে এর বাইরে বিনামূল্যের অ্যান্টিভাইরাসগুলোর মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু অ্যান্টিভাইরাস, সেগুলোও আপনার ক্ষেত্রে দিতে সক্ষম। এখানে এ সময়ের সেরা কিছু অ্যান্টিভাইরাসের কথা তুলে ধরা হলো ।

অ্যাভিজি ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস
বিভিন্ন প্রিমিয়াম অ্যান্টিভাইরাসের বেশ কিছু ফিচার নিয়ে এভিজি অ্যান্টিভাইরাস অন্যতম সেরা একটি ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস। ভাইরাস শনাক্তকরণে বেশ কিছু ল্যাবের রিপোর্টে এর স্কোর খুব ভালো। এভিজিতে রয়েছে অন-অ্যাক্সেস বা রেসিডেন্ট প্রটেকশন ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পিসির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। এভিজি অ্যান্টিভাইরাসের বিশেষ কিছু ফিচারের মধ্যে রয়েছে লিঙ্ক স্ক্যানার অ্যাড-ইনস, ফেসবুক, লিঙ্ক স্ক্যানার অ্যান্ড মার্কার, মাল্টিফাংশন টুলবার, ওয়ান টাইম সিস্টেম টিউন, ফ্রি আইডেনটিটি থেফট রিকোভারি, অটোমেটিক ভাইরাস ডেফিনিশন আপডেট, ই-মেইল স্ক্যানার ইত্যাদি। ওয়েস্ট কোস্ট ল্যাবের রিপোর্ট থেকে এভিজি ম্যালওয়্যার শনাক্তকরণে প্ল্যাটিনাম অ্যান্টিম্যালওয়্যার সনদপ্রাপ্ত। এভিজির ফলস পজিটিভ রেকর্ড নেই বললেই চলে।
তুলনামূলক বিচারে ফ্রি অ্যান্টিভাইরাসগুলোর মধ্যে এভিজি প্রথম সারিতেই থাকবে। এভিজির নিজস্ব ওয়েবসাইট http://free.avg.com/gb-en/download-এর পাশাপাশি এটি ডাউনলোড করা যায় www.download.cnet.com থেকেও।

অ্যাভাস্ট ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস
ফ্রি অ্যান্টিভাইরাসগুলোর মধ্যে আরও একটি সেরা অ্যান্টিভাইরাস হলো অ্যাভাস্ট ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস। অন-অ্যাক্সেস বা রেসিডেন্ট প্রটেকশন নিয়ে পিসিকে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দিতে সক্ষম।

অ্যাভাস্টের মাধ্যমে হার্ডডিস্ক ফাইল থেকে শুরম্ন করে ইন্টারনেট, ই-মেইল এমনকি ইনস্ট্যান্ট মেসেজ থেকেও আসা বিভিন্ন ফাইল ও লিঙ্ক থেকে সুরক্ষিত থাকা যায়। এতে রয়েছে রিয়েল টাইম অ্যান্টি রম্নটকিট প্রটেকশন ও উন্নত অ্যান্টিস্পাইওয়্যার ইঞ্জিন। বুট টাইম স্ক্যানের পাশাপাশি শিডিউল স্ক্যান ও পিসির হাইবারনেশন বা সিস্নপ মোডে স্ক্যানের সুবিধা রয়েছে। এতে যুক্ত ‘হিউরিস্টিক ইঞ্জিনে’র মাধ্যমে এটি পরিচিত ভাইরাসগুলোর পাশাপাশি যেসব ভাইরাস এখনও শনাক্ত হয়নি, সেগুলোকেও বস্নক করতে সক্ষম। অ্যাভাস্টের বিশেষ ফিচারগুলোর মধ্যে রয়েছে ই-মেইল শিল্ড, ওয়েব শিল্ড, পিটুপি শিল্ড আইএম (ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজ) শিল্ড, নেটওয়ার্ক শিল্ড, সাইলেন্ট মোড/গেমিং মোড ডিটেকশন, মাল্টি-থ্রেড স্ক্যানিং অপটিমাইজেশন, কমান্ড লাইন স্ক্যানার ইত্যাদি।

অ্যান্টিভাইরাসটির ‘অ্যাভাস্ট! মার্কেট পেজ’ থেকে পিসির জন্য পূর্ণাঙ্গ সিকিউরিটি স্যুট পাওয়া যাবে। অ্যাভাস্টের ওয়েবসাইট www.avast.com অথবা http://download.cnet.com থেকেও অ্যান্টিভাইরাসটি ফ্রি ডাউনলোড করা যাবে।

কমোডো অ্যান্টিভাইরাস
ডিফেন্স পস্নাস প্রযুক্তি নিয়ে কমোডো অ্যান্টিভাইরাস হতে পারে এ সময়ের পছন্দের একটি অ্যান্টিভাইরাস। প্রচলিত ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার শনাক্ত করার পাশাপাশি সম্ভাব্য ক্ষতি কর ফাইল ও অ্যাপিস্নকেশনগুলোও এটি সফলভাবে শনাক্ত করতে সক্ষম। এতে রয়েছে অন-অ্যাক্সেস বা রেসিডেন্ট প্রটেকশন সুবিধা। এর মাধ্যমে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার ও রম্নটকিট থেকে মুক্ত থাকা যায়। আর ই-মেইল, গেম বা ইনস্ট্যান্ট মেসেজ থেকে আসা ক্ষতিকর ফাইলগুলোও এটি কার্যকরভাবে শনাক্ত ও দূর করতে সক্ষম। ‘কিপিং এ পিসি ক্লিন’ সেস্নাগান নিয়ে কমোডোতে যুক্ত বিশেষ ফিচারগুলোর মধ্যে রয়েছে : ডিফেন্স + প্রযুক্তি, ই-মেইল স্ক্যানার, গেমস স্ক্যানার, ইনস্ট্যান্ট মেসেজ স্ক্যানার, অটোমেটিক আপডেট ভাইরাস ডেফিনিশন, সিকিউর ডিএনএস অপশন, বিহেভিয়র-বেজড ডিটেকশন ইত্যাদি।

কমোডোতে যুক্ত আরও একটি সুবিধা হচ্ছে এর অটো স্যান্ডবক্স প্রযুক্তি। এটি অপরিচিত যেকোনো অ্যাপিস্নকেশন চালু করতে বাধা দেয়। ফলে একদম নতুন ধরনের আক্রমণ থেকে পিসি সুরক্ষ থাকে। তবে এতে স্থানীয়ভাবে বা নিজেদের তৈরি অনেক সফটওয়্যার চালানোও সমস্যা হয়ে পড়ে।
কমপিউটারের স্বাভাবিক গতিতে ন্যূনতম প্রভাব ফেলা এই অ্যান্টিভাইরাসটি ডাউনলোড করা যাবে www.antivirus.comodo.com ওয়েবসাইট থেকে।

অ্যাভিরা ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস
বেসিক ভাইরাস ডিটেকশনে অ্যাভিরার পার্সোনাল অ্যান্টিভাইরাস একটি ভালো অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে সমাদৃত বেশ আগে থেকেই। এর নতুন সংস্করণটিও ব্যতিক্রম নয়। প্রচলিত ভাইরাসগুলো থেকে পিসিকে মুক্ত রাখতে অ্যাভিরা ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস বেশ কার্যকর। এতে বুটআপ স্ক্যান ছাড়াও রয়েছে কাস্টমাইজড স্ক্যান ব্যবস্থা। এতে রয়েছে জেনেরিক-রিপেয়ার মোড, যার মাধ্যমে যেকোনো ভাইরাস শনাক্ত করার পাশাপাশি সেগুলোর ক্ষতিকারককারক মাত্রা বিবেচনায় ডিলিট করা বা রিপেয়ার করা যায়। অ্যাভিরা ইনস্টল হয় বেশ দ্রম্নত আর এর স্ক্যখতিকারক দ্রুত। এতে রয়েছে ওয়ান-ক্লিক রিমুভাল সিস্টেম। অন্যান্য অ্যান্টিভাইরাসের ইনস্টলের পর পিসি রিবুট করার প্রয়োজন হলেও এতে তার দরকার হয় না। এর মাধ্যমে ভাইরাস, ট্রোজান, ওয়ার্ম, ম্যালওয়্যার স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার প্রভৃতি খুব ভালোভাবেই শনাক্ত করা যায়। অ্যাভিরার দরকারি কিছু ফিচারের মধ্যে রয়েছে : কাস্টমাইজড স্ক্যান, প্রিলোডেড স্ক্যান ফর রম্নটকিট, বেবি সিটিং ফর রিমুভাল, ক্র্যাকিং লকড ফাইল ইত্যাদি। অ্যাভিরা ডাউনলোড করা যাবে www.avira.com/en/avira-free-antivirus অথবা www.downlaod.cnet.com সাইট থেকে।

এর বাইরেও পা-া ক্লাউড অ্যান্টিভাইরাসের বিনামূল্যের সংস্করণ অ্যাড-অ্যাওয়ার ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস, জোন অ্যালার্ম সিকিউরিটি টুলস, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি টুলস প্রভৃতি অ্যান্টিভাইরাসও বেশ কার্যকরভাবে ভাইরাস থেকে প্রতিরক্ষাদিতে পারে

ফিডব্যাক : kdsubho@gmail.com
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস