Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > বিটিসিএলের একের ভেতরে তিন সেবা
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: হিটলার এ. হালিম
মোট লেখা:২২
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৪ - সেপ্টেম্বর
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
টেলিযোগাযোগ
তথ্যসূত্র:
টেলিযোগাযোগ
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
বিটিসিএলের একের ভেতরে তিন সেবা
একের ভেতরে তিন সেবা পাওয়া যাবে সরকারিভাবে। এক ক্যাবলেই ভয়েস, ইন্টারনেট এবং ডিশ সংযোগ সেবা দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)।
বিটিসিএল এ প্রকল্পের নাম দিয়েছে ‘১৭১ কেএল’। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ২০১৩ সালের জুনের মধ্যে তা শেষ করার কথা থাকলেও প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বাড়ানো হয়। তবে এর মধ্যেও কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ আরও তিন মাস বাড়িয়ে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নেয়া হয়েছে।
তবে বিটিসিএল জানায়, আগামী দুই বছরের মধ্যে গ্রাহকদের এই সেবার আওতায় আনা হবে। জানা গেছে, ২ লাখ ৩৯ হাজার গ্রাহক এই সুবিধা নিতে পারবে। এরই মধ্যে সুইচ বোর্ডের উদ্বোধন হয়েছে। শিগগিরই পরীক্ষামূলকভাবে এটি চালু করা হবে।
কপার ক্যাবলের ব্যবহার সীমিত রেখে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে গ্রাহকের এলাকা পর্যন্ত, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভবন, এমনকি বাসা পর্যন্ত সংযোগ স্থাপনের সংস্থান এ প্রকল্পে রয়েছে। অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে ব্যান্ডউইডথ বেশি পরিবহন হওয়ায় বিভিন্ন ধরনের সেবা এর মাধ্যমে দেয়া সহজ হবে বলে জানান বিটিসিএলের পরিচালক (জনসংযোগ ও প্রকাশনা) মীর মোহাম্মদ মোরশেদ।
এনজিএনভিত্তিক সফট সুইচের মাধ্যমে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির টেলিফোন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দেয়া যাবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্বমানের টেলিযোগাযোগ সেবা, যেমন ফাইবার টু দ্য বিল্ডিং, ফাইবার টু দ্য হোম, ফাইবার টু দ্য অফিস সেবা দেয়া সহজ হবে। ফলে গ্রাহকেরা একই সাথে ভয়েস, ভিডিও এবং ডাটা সেবা উপভোগ করতে পারবেন। ঢাকা শহরের পুরনো ডিজিটাল টেলিফোন সিস্টেম প্রতিস্থাপন (১৭১ কেএল) প্রকল্পের আওতায় গত ২৬ জুলাই এ সেবার উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী।
বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) শেরেবাংলা নগর এক্সচেঞ্জে ১ লাখ ৭১ হাজার নামে পরিচিত প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ফয়জুর রহমান।
জানা গেছে, এরই মধ্যে সুইচের পরীক্ষামূলক ব্যবহারও শুরু হয়েছে। বর্তমানে উত্তরা, গুলশান, শেরেবাংলা নগর, রমনা, মগবাজার, নীলক্ষেত, মিরপুর, বাবুবাজার, চকবাজারসহ ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় ১ লাখের বেশি টেলিফোন চালু করার মতো অবস্থায় রয়েছে। ফাইবার অপটিক বসানো শেষ হলেই গ্রাহক পর্যায়ে সেবা দেয়া শুরু হবে।
১৭১ কেএল সিস্টেমে যন্ত্রপাতির মধ্যে রয়েছে- সফট সুইচ দুটি, টিজিডব্লিউ (ট্রাঙ্ক গেটওয়ে) ৭টি, জিপিওএন ওএলটি ৭টি, এজিডব্লিউ (অ্যাক্সেস গেটওয়ে) ১৯৬টি, টেলিফোন ধারণক্ষমতা ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৭২টি, জিপিওএনভিত্তিক টেলিফোন ৪২ হাজার ৪০০টি এবং মোট ধারণক্ষমতা ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭২টি। জিপিওএন প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকেরা হাইস্পিড ডাটা (২০ মেগাবাইট পর্যন্ত), আইপিটিভি, ভিডিও অন ডিমান্ড (ভিওডি), অনলাইন গেমসহ অন্যান্য সুবিধা ভোগ করতে পারবেন বলে জানা গেছে।
মীর মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, কিছু কিছু এলাকায় ক্যাবল বসানোর কাজ প্রায় শেষ। মূল্য সংযোজিত এসব সেবা (ভিএএস) দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে গ্রাহকেরা উপভোগ করতে পারবেন। তিনি বলেন, প্রথমে ভয়েস চালু করা হবে। এর অব্যবহিত পরই থাকবে ইন্টারনেট। তবে ভিডিও সেবা পেতে কিছুটা সময় লাগবে। এ জন্য তৃতীয় পক্ষের সাথে চুক্তি করতে হবে বিটিসিএল-কে।
এসব ভিএএস (ভ্যাস) সেবা পেতে গ্রাহককে আলাদা করে অর্থ খরচ করতে হবে। তবে কত অর্থ প্রয়োজন হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। বিভিন্ন পক্ষের সাথে চুক্তি চূড়ান্ত হলেই ভয়েস, ডাটা এবং ভিডিও সেবার জন্য অর্থ নির্ধারণ বা প্যাকেজ চূড়ান্ত করা হবে।
প্রাথমিকভাবে টেলিফোন নম্বরের আট ডিজিটে পরিবর্তন এবং এ সেবা মিরপুর ডিওএইচ এলাকায় চালু হচ্ছে। পরে পর্যায়ক্রমে রাজধানীর অন্যান্য এলাকায় সেবা দেয়া হবে। এ ছাড়া ঢাকা শহরের পুরনো টেলিফোন সিস্টেম প্রতিস্থাপন প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ হলে এ সেবার আওতায় গ্রাহকেরা ভয়েসের সাথে ডাটা এবং ভিডিও ব্যবহারের সুবিধা পাবেন।
জানা গেছে, ঢাকা শহরের পুরনো ডিজিটাল টেলিফোন সিস্টেম প্রতিস্থাপন (১৭১ কেএল) প্রকল্পটি ২০০৯ সালের ১৯ জুলাই বিটিসিএল পরিচালনা পর্ষদের ১৮তম সভায় অনুমোদিত হয়। বিটিসিএলের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পটির মাধ্যমে ঢাকা শহরের পুরনো ডিজিটাল টেলিফোন সিস্টেম প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে আমদানি করা বৈদেশিক যন্ত্রপাতি স্থাপন এবং টেস্টিং এরই মধ্যে শেষ হয়েছে
২০১৬ সালের মধ্যে সারাদেশে ইন্টারনেট সেবা
বেসরকারি মোবাইল অপারেটরেরা সীমাবদ্ধ ব্যান্ডউইডথে ইন্টারনেট সেবা দিলেও তা ব্যয়বহুল। টেলিযোগাযোগের নেটওয়ার্ক, বিশেষ করে বিটিসিএলের আওতাধীন সারাদেশের ল্যান্ডফোনের পুরনো যন্ত্রপাতি ও নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন এবং ইন্টারনেট সুবিধা বাড়ানোর জন্য অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হচ্ছে। আর এ প্রকল্প বাস্তবায়নে এনএসএনভিত্তিক টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক স্থাপনে চীন থেকে ঋণসহায়তা নেয়া হচ্ছে। প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০১৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে।
সারাদেশকে ইন্টারনেট সুবিধার আওতায় আনতে ‘অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট অ্যাট উপজেলা লেভেল প্রজেক্ট’ শীর্ষক একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে বিটিসিএল। এ প্রকল্পের আওতায় সাত বিভাগের ৬৪ জেলার ২৯০টি উপজেলায় অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল বসানো হবে।
সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে খরচ ধরা হয়েছে ৪৯৯ কোটি ১৪ লাখ টাকা। এই সংযোগ স্থাপিত হলে গ্রাহকেরা নিরবচ্ছিন্নভাবে ইন্টারনেট সুবিধা পাবেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে সারাদেশকে একটি ব্যাকবোনে নিয়ে আসার জন্য সরকার বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যার মধ্যে এটি অন্যতম।
প্রকল্প কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দরপত্র আহবান করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করতে কিছুটা সময় লাগবে বলে তিনি জানান।
প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগের ১৬ জেলার ৬৭ উপজেলায়, চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলার ৫৯ উপজেলায়, রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার ৩৮ উপজেলায়, খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৭ উপজেলায়, রংপুর বিভাগের ৮ জেলার ৪২ উপজেলায়, সিলেট বিভাগের ৪ জেলার ২৬ উপজেলায় এবং বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার ২১ উপজেলায় অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল সংযোগ স্থাপন করা হবে।
প্রকল্পের ক্যাবল কেনা হচ্ছে খুলনা ক্যাবল কোম্পানি থেকে। বাকি যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে আনা হবে। মাটি খননের কাজ করবে স্থানীয় ঠিকাদার আর যন্ত্রপাতি বসানোর কাজ করবে বিদেশি ঠিকাদার। সর্বমোট ৭ লাখ ৮ হাজার ৩০ মাইল এলাকায় অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল বসানো হবে।
এ অপটিক্যাল ফাইবার উপজেলা এক্সচেঞ্জের সাথে জেলা এক্সচেঞ্জকে সংযুক্ত করবে। উপজেলা এক্সচেঞ্জ থেকে প্রতিটি ইউনিয়নে যেকোনো সময় এ নেটওয়ার্ক বিসত্মৃত করার ব্যবস্থা থাকবে। যেকোনো বেসরকারি অপারেটরও এই অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের সংযোগ সুবিধা নিতে পারবে।
সারাদেশে এরই মধ্যে পাঁচ হাজার কিলোমিটারের বেশি অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল স্থাপন করা হয়েছে আইপিভিত্তিক সেবা দেয়ার জন্য। ৪২ জেলার দেড় শতাধিক নোডে মোট ৪৬ হাজার ক্ষমতাসম্পন্ন এডিএসএল অ্যাক্সেস নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়েছে। ২০১২ সালের জুন পর্যন্ত বিটিসিএল ৭৪৭টি এক্সচেঞ্জে (৬৪ জেলার) অপটিক্যাল ফাইবার সংযুক্ত করেছে।
দেশে টেলিফোনের সংযোগ ক্ষমতা ১৪ লাখের বেশি হলেও এই সুবিধার আওতায় আসেনি বেশিরভাগ টেলিফোন। ইন্টারনেট সেবা দেয়ার যথেষ্ট সুযোগ সৃষ্টি হলেও সেই সেবা থেকে গ্রাহক বঞ্চিত হচ্ছেন।
বিটিসিএল জানিয়েছে, টেলিফোন, এডিএসএল, ইন্টারনেট ব্যান্ডইউডথের চার্জ কমিয়ে আনা হয়েছে। ব্যয়বহুল কপার ক্যাবলের বদলে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করে খরচ কমানোর পদক্ষেপ হাতে নেয়া হয়েছে।
বিটিসিএলের এক কর্মকর্তা বলেন, বিটিসিএলের অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের সংযোগের কারণেই এসব করা সম্ভব হয়েছে। তবে এক হাজার ইউনিয়নে সংযোগ প্রকল্পটি বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে অর্থের অভাবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে গ্রাম পর্যায়ে গ্রাহকসেবা অনেক বেড়ে যাবে

বিটিসিএলের ইন্টারনেটের দরদাম
ইন্টারনেট প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছে দিতে ব্যান্ডউইডথের দাম কমিয়েছে বিটিসিএল। চলতি বছরের এপ্রিল মাসের শুরু থেকে প্রতি মেগা ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথের মাসিক চার্জ ৪ হাজার ৮০০ টাকা থেকে কমিয়ে ২ হাজার ৮০০ টাকায় করা হয়েছে। এর বাইরে যেসব প্রতিষ্ঠান উচ্চ ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করে, সেগুলোর ক্ষেত্রেও বড় ধরনের ছাড় দিয়েছে বিটিসিএল।
ভলিউমভিত্তিক ক্যাটাগরি এডিএসএল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সার্ভিসের দাম ঠিক থাকলেও ডাউনলোড ভলিউম (ডাটা লিমিট) দ্বিগুণ করা করার কথা জানিয়েছে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ।
তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতি ও ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়াতে ব্যান্ডউইডথের দাম কমানো হয়েছে। গ্রাহকদের সুবিধার জন্য বিভিন্ন প্যাকেজের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
সুপার সেভার নামে ৩০ দিনে ২৫৬ কেবিপিএস গতির ২ জিবি ডাটা প্যাকেজের খরচ ছিল ৩০০ টাকা। এখন এই প্যাকেজে ৪ জিবি ডাটা লিমিট সুবিধা মিলবে। ৫০০ টাকার স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজের গ্রাহকেরা ৫১২ কেবিপিএস গতিতে এখন পাবেন ১০ জিবি ডাটা লিমিট। এক হাজার টাকার প্রিমিয়াম প্যাকেজে গ্রাহকেরা ১ মেগা গতিতে পাবেন ২৫ জিবি পর্যন্ত ডাটা ব্যবহারের সুবিধা।
আনলিমিটেড ক্যাটাগরির ব্র্যান্ডব্যান্ড সেবার ক্ষেত্রে বিকিউব ইনফিনিটি প্যাকেজের গ্রাহককে ২৫৬ কেবিপিএস গতির ইন্টারনেটের জন্য মাসিক চার্জ দিতে হবে ৪৫০ টাকা, ৫১২ কেবিপিএসের জন্য দিতে হবে ৭৫০ টাকা, ১ মেগার জন্য দিতে হবে ১১৫০ টাকা। নতুন প্যাকেজ হিসেবে যুক্ত হয়েছে বিকিউব ইনফিনিটি ১৫০০। দেড় মেগা গতির ইন্টারনেটের জন্য মাসিক চার্জ দিতে হবে ১৬০০ টাকা।
বিটিসিএল জানিয়েছে, সব এডিএসএল (বিকিউব) সার্ভিসই শেয়ারভিত্তিক। ভলিউমভিত্তিক ক্যাটাগরিতে আগের বিকিউব এক্সপ্রেস প্যাকেজটিকে বিকিউব ইনফিনিটি ১০০০ প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আগের বিকিউব ইনফিনিটি ১২৮ প্যাকেজটি এবং নাইট টাইম ক্যাটাগরির প্যাকেজ বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া নিবন্ধন ফি (১০০ টাকা), সেটআপ কনফিগারেশন চার্জ (৩০০ টাকা), আপ গ্রেডেশন চার্জ (ফ্রি) এবং ডাউনগ্রেড চার্জ (১৫০ টাকা) আগের মতোই রয়েছে। সব সংযোগের ক্ষেত্রে মাসিক চার্জের সাথে ১৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হবে
ফিডব্যাক : hitlarhalim@yahoo.com
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৪ - সেপ্টেম্বর সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস