Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > উইন্ডোজ ৮ : কিছু বিশেষ ফিচার
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: কে এম আলী রেজা
মোট লেখা:১৫৩
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৪ - আগস্ট
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
উইন্ডোজ ৮
তথ্যসূত্র:
সফটওয়্যার
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
উইন্ডোজ ৮ : কিছু বিশেষ ফিচার
দেখা গেছে খুব ভালো সময়েও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো অপারেটিং সিস্টেম আপগ্রেড বা পরিবর্তন করতে চায় না। এরা মনে করে, আপগ্রেডিং প্রক্রিয়া ব্যয়বহুল এবং সময়ের অপচয়কারী একটি ব্যবস্থা। এ ছাড়া সিস্টেম পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানের লোকবলকে নতুন সিস্টেমের সাথে মানিয়ে নিতে প্রশিক্ষিত করতে হয়। উইন্ডোজ ৮-এর ইন্টারফেসে ব্যাপক পরিবর্তন, বিশেষ করে স্টার্ট বাটন অপসারণের ফলে অনেকে নতুন এ অপারেটিং সিস্টেম গ্রহণ না করে বিদ্যমান সিস্টেমে কাজ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। তা সত্ত্বেও মাইক্রোসফটের দাবি অনুযায়ী উইন্ডোজ ৮-এ এমন কিছু ফিচার যুক্ত করা হয়েছে, যা থেকে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষভাবে লাভবান হতে পারে। তবে নতুন এ সিস্টেমের সাথে অভ্যস্ত হতে ইউজারেরা কিছুটা সময় নেবেন। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো উপযোগী উইন্ডোজ ৮-এ এ ধরনের বিশেষ কিছু ফিচার এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস
উইন্ডোজ ৮-এর সাথে এর আগের ভার্সনগুলোর বড় পার্থক্য হলো ইন্টারেফসগত। উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমে ইউজার ইন্টারফেস বিশেষ করে স্টার্ট মেনু সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। ইন্টারফেসটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে ইউজারেরা এখানে টাচস্ক্রিনের মাধ্যমে বিভিন্ন কমান্ড বা ইনপুট কমপিউটার সিস্টেমে দিতে পারেন।
উইন্ডোজ ৮ OneNote-এর মাধ্যমে হাতে লেখা নোট এবং ডিজিটাল কালি ব্যবহার করে ওয়ার্ড ডকুমেন্ট কমেন্ট গ্রহণ করতে পারে। এতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে এ অপারেটিং সিস্টেমে টাচ অ্যান্ড ড্র্যাগের মাধ্যমে খুব স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করা যায়। এ ছাড়া উইন্ডোজ ৮-এ একই সাথে দুটো অ্যাপ্লিকেশনে কাজ করতে পারেন। যেমন- একই সময়ে ই-মেইল চেক করার পাশাপাশি এক্সেল স্প্রেডশিট এডিট করতে পারবেন।
বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমে নতুন নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছে। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো আইপ্যাড বা অ্যান্ড্রয়িড ট্যাবলেট ব্যবহার করে যেসব কাজ সম্পন্ন করছে বা করার পরিকল্পনা করছে, সে কাজগুলো টাচস্ক্রিন মনিটরসম্পন্ন একটি উইন্ডোজ ৮ ট্যাবলেট বা পিসির সাহায্যে করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া ইন্টারঅ্যাকটিভ কিয়স্কে এ বিশেষ ফিচারের ব্যবহার সফলভাবে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। মেগা মলগুলোতে সেলসপার্সনেরা কাস্টমারের স্বাক্ষর বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় ইনপুট সরাসরি স্ক্রিনের মাধ্যমে নিতে পারে।
নেটওয়ার্কিং
আগে উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা, বিশেষ করে মোবাইল ইউজারেরা যারা কাস্টমার সাইট বা রিমোট লোকেশন থেকে মূল নেটওয়ার্ক অনুসন্ধান এবং তাতে সংযোগের জন্য চেষ্টা চালাতেন, তারা অনেক অসুবিধার মুখোমুখি হতেন। উইন্ডোজ ৮ ইউজারেরা এ ধরনের সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন অর্থাৎ রিমোট লোকেশন থেকে খুব সহজেই তাদের অফিস বা হোম নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে পারবেন।
স্টার্ট স্ক্রিন থেকে নেটওয়ার্ক আইকনে প্রেস করা হলে একটি প্যানেল আপনার সামনে আসবে। স্ক্রিনের একেবারে উপরে একটা অপশন আপনার কাছে পরিচিত মনে হবে। এটি হচ্ছে অ্যারোপ্লেন মোড, যা উইন্ডোজে একটি নতুন সংযোজন। এ অপশনটি সক্রিয় করা হলে সব ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন বন্ধ হয়ে যাবে। উল্লেখ্য, বর্তমান সময়ে ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেটে ওয়্যারলেস একটি বহুল ব্যবহার হওয়া জনপ্রিয় ফিচার।
যখনই একটি নতুন নেটওয়ার্কে যুক্ত হবেন, তখন পাবলিক বা প্রাইভেট নেটওয়ার্কে যুক্ত করার বিষয়ে আপনাকে গাইড করার জন্য ডায়ালগ বক্সটি সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আপনার কমপিউটার এবং নেটওয়ার্কে অন্যান্য ডিভাইসের মধ্যে ডাটা ও রিসোর্স শেয়ারিং প্রক্রিয়াও সহজ করা হয়েছে। যেহেতু মোবাইল নেটওয়ার্কের বিষয়টি মাথায় রেখে উইন্ডোজ ৮ ডিজাইন করা হয়েছে, তাই সেল্যুলার নেটওয়ার্কে সংযোগ এবং ব্যবস্থাপনার জন্য উন্নতর টুল এতে সংযোজন করা হয়েছে। ৩জি বা ৪জি মোবাইল নেটওয়ার্কে ডাটা ট্র্যাকিং ও ডাটা ব্যবহারের বিষয়ে বিভিন্ন সময় তথ্য দেয়, ফলে এ ফিচারের কারণে ইউজার ডাটা ব্যবহারের সর্বোচ্চ সীমা সম্পর্কে অবগত হতে পারেন।
অধিকতর হার্ডওয়্যার অপশন
শুরু থেকেই পার্সোনাল কমপিউটার এবং ল্যাপটপ সুসংগঠিত ও ধারাবাহিকভাবে সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। সময়ের পরিক্রমায় আকৃতিগতভাবে এরা ছোট হচ্ছে, তবে ডেস্কটপ কমপিউটার ও ল্যাপটপ তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য এখন পর্যন্ত ধরে রেখেছে।
উইন্ডোজ ৮ পার্সোনাল কমপিউটার ও ল্যাপটপের মধ্যে প্রচলিত যে ব্যবধান রয়েছে তা কমিয়ে এনেছে। উভয়ই এখন উইন্ডোজ ৮-এর টাচস্ক্রিন ফিচারের সুবিধা নিতে পারছে। অন্য কথায় উইন্ডোজ ৮ প্রচলিত কমপিউটার হার্ডওয়্যার ও মোবাইল ডিভাইসের (যেমন ট্যাবলেট পিসি) মধ্যে যে ফারাক, তা কমাতে সক্ষম হয়েছে। এখানে উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ডেল এক্সপিএস ১২ ও লেনোভো আইডিয়া প্যাডের ডিসপ্লে ইউনিটটি এমনভাবে করা হয়েছে, যাতে এরা ট্যাবলেট হিসেবে কাজ করতে পারে। এর ঠিক বিপরীত চিত্র দেখা যায় মাইক্রোসফট সারফেস প্রো ট্যাবলেটের ক্ষেত্রে। সারফেস প্রো ট্যাবলেট যখন একটি টাচ কাভার বা টাইপ কাভারের সাথে যুক্ত হয়, তখন আল্ট্রাবুক ল্যাপটপের আকার ধারণ করে। এ ধরনের পরিবর্তন উইন্ডোজ ৮-এর বিশেষ ফিচারের কারণে সম্ভব হয়েছে। নোটবুক ও ট্যাবলেট হার্ডওয়্যারগতভাবে আলাদা হলেও উইন্ডোজ ৮ এদেরকে একই প্লাটফর্মে নিয়ে এসেছে। নোটবুক ও ট্যাবলেটের সুবিধা নেয়ার জন্য ইউজারদেরকে আলাদাভাবে উভয় হার্ডওয়্যারে বিনিয়োগ করতে হচ্ছে না।
ডুয়াল-মনিটর সাপোর্ট
উইন্ডোজচালিত কমপিউটারে একাধিক মনিটর ব্যবহারের সুবিধা কোনো প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমে মাল্টিপল মনিটর সেটআপ ও ব্যবস্থাপনা আগের অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অনেক সহজ করা হয়েছে। উইন্ডোজ ৮-এ খুব সহজেই আপনি ডেস্কটপকে একাধিক মনিটরে সম্প্রসারিত করতে পারেন।
উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমে প্রতিটি ডিসপ্লের জন্য আলাদাভাবে টাস্কবার কনফিগার করতে পারেন, যাতে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে খুব সহজে মনিটরে প্রদর্শন করা যায়। উইন্ডোজ ৮-এ আপনি প্রতিটি মনিটরের কোনা এবং পার্শববর্তী অংশকে সক্রিয় হট জোন (Hot Zone) হিসেবে ব্যবহার করে চার্ম বার ও অ্যাপ সুইচার অ্যাক্সেস করতে পারেন।
অধিকতর নিরাপত্তা
ডাটা নিরাপত্তার জন্য উইন্ডোজ ৮ বিশেষ কিছু কৌশল ব্যবহারের সুযোগ করে দিচ্ছে। প্রথমত, মাইক্রোসফট সিকিউর বুট ফিচারের সুবিধা এতে কাজে লাগিয়েছে। এর ফলে কমপিউটার বুট হওয়ার সময় শুধু অনুমোদিত সার্টিফিকেট রয়েছে এমন সফটওয়্যার ব্যবহার করে। বুটআপ প্রক্রিয়ায় বায়োস বা কার্নেল পর্যায়ের ম্যালওয়্যার অনুপ্রবেশ করতে সক্ষম হয় না। দ্বিতীয়ত, উইন্ডোজ ৮-এ মাইক্রোসফটের সিকিউরিটি প্রোডাক্টের অ্যান্টিম্যালওয়্যার ফিচার কাজে লাগানো হয়েছে। এর ফলে উইন্ডোজ ৮ অনেকটাই ম্যালওয়্যারমুক্ত একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে পরিচিত পেয়েছে।
মাইক্রোসফট তার স্মার্টস্ক্রিন টেকনোলজির সুযোগ উইন্ডোজ ৮-এ সম্প্রসারণ করেছে। আগের ভার্সনগুলোতে শুধু ইন্টারনেট এক্সপেস্নারারকে ক্ষতিকর সাইট বা ম্যালওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু উইন্ডোজ ৮-এ স্মার্টস্ক্রিন প্রযুক্তি সব নেটওয়ার্ক ট্রাফিকে প্রয়োগ করা হয়েছে। এর অর্থ, আপনি ইন্টারনেট ব্রাউজার হিসেবে এক্সপেস্নারার, ফায়ারফক্স বা ক্রোম, যা-ই ব্যবহার করেন না কেনো, উইন্ডোজ সবগুলোকে সমান সিকিউরিটি দেবে। ফলে আপনার ব্রাউজারের সাহায্যে কমপিউটার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট থেকে কোনো ডাটা ডাউনলোড করার সময় সিস্টেম ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার থেকে বেশি নিরাপদ থাকবে, যা একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।
স্টোরেজ স্পেসেস
সময়ের পরিক্রমায় হার্ডডিস্ক আগের তুলনায় এখন অনেক বেশি ডাটা ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন এবং একই সাথে এর দামও কমে এসেছে ব্যাপকভাবে। কিন্তু নতুন হার্ডওয়্যার, যেমন আল্ট্রাবুক বা ট্যাবলেট ডাটা স্টোরেজের জন্য অপেক্ষাকৃত কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ছোট আকারের সলিড স্টেট ড্রাইভের ওপর নির্ভর করছে। উইন্ডোজ ৮-এর স্টোরেজ স্পেস ফিচার সিস্টেমের ডাটা স্টোরেজ ব্যবস্থাকে ড্রাইভ প্রতিস্থাপন ছাড়াই সম্প্রসারণের সুযোগ করে দিচ্ছে। স্টোরেজ ক্যাপাসিটি বাড়ানো হলেও এজন্য নতুন ড্রাইভ লেটার অ্যাসাইন করার কোনো প্রয়োজন নেই। এ ক্ষেত্রে স্মরণ রাখা দরকার নেই কোন অ্যাপ্লিকেশন কোন ড্রাইভে সংরক্ষিত আছে।
স্টোরেজ স্পেস আপনাকে সুযোগ করে দিয়েছে একটি স্টোরেজ পুল তৈরির, যার মধ্যে ইন্টারনাল বা এক্সটার্নাল সব ধরনের ড্রাইভ থাকতে পারে। এটি বিভিন্ন ইন্টারফেসের মাধ্যমে ড্রাইভগুলোকে এমনভাবে একত্রিত করে, যাতে উইন্ডোজ ৮ ভিন্ন ভিন্ন ড্রাইভ আলাদাভাবে দেখে না। সবগুলো ড্রাইভকেই একটি বড় ড্রাইভ হিসেবে সে বিবেচনা করে। স্টোরেজ স্পেস সবগুলো ড্রাইভে ডাটা মিররিং টেকনিক ব্যবহার করে, যাতে করে স্টোরেজ পুলের আওতাভুক্ত কোনো ড্রাইভ বিকল হলে বা ক্র্যাশ করলে তাতে সংরক্ষিত ডাটা বিলুপ্ত হবে না এবং ওই ডাটা সহজেই ফিরে পাওয়া যাবে। সুতরাং উইন্ডোজ ৮ কোনো ধরনের অতিরিক্ত ব্যবস্থা ছাড়াই ডাটা নিরাপত্তা দেয়, যা যেকোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেম শুধু ইন্টারফেসগত পরিবর্তনই আনেনি, এতে যুক্ত করা হয়েছে নতুন বেশ কিছু ফিচার ও ফাংশন, যা এর আগের ভার্সনগুলোতে বিদ্যমান ছিল না। কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রডাক্টিভিটি ও দক্ষতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বিবেচনায় এনেই উইন্ডোজ ৮ তার ফিচারগুলো সাজিয়েছে, যা বর্তমান প্রতিযোগিতার যুগে টিকে থাকার জন্য একান্ত প্রয়োজন
দ্রুততার সাথে বুট হওয়া
যদিও যেকোনো অপারেটিং সিস্টেমে কমপিউটার বুট হতে খুব বেশি সময় নেয় না, তবুও বুট হওয়ার ক্ষেত্রে সময়ের সামান্য পার্থক্য অনেক বড় বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, বিশেষ করে যারা খুব ব্যস্ত তাদের জন্য। পরীক্ষা করে দেখা গেছে, ফ্রেশ ইনস্টলেশনে উইন্ডোজ ৭ বুট হতে সময় নেয় প্রায় ৩৮ সেকেন্ড। অপরদিকে উইন্ডোজ ৮ সময় নেয় প্রায় ১৭ সেকেন্ডের মতো। অর্থাৎ উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমে বুটিং সময় অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে। তবে একটি কমপিউটার কত দ্রুত বুট হবে, তা অনেকখানি নির্ভর করে কমপিউটার হার্ডওয়্যারের ওপর। সর্বশেষ কনফিগারেশনের একটি কমপিউটারে উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেম বুট হতে ১১ থেকে ১৫ সেকেন্ড সময়ের প্রয়োজন হয়। যারা খুব ব্যস্ত ইউজার তাদের কাছে সিস্টেম বুটআপের সময় কয়েক সেকেন্ড কমিয়ে আনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। অন্যান্য কম্পাট্যাবল ডিভাইসের সাথে দ্রুত ডাটা শেয়ারের জন্য কমপিউটার সিস্টেম দ্রুত বুটআপ বা শাটডাউন সময়কাল সিস্টেমে দক্ষতা দিতে অন্যতম বিশেষ নির্দেশক।

ফিডব্যাক : kazisham@yahoo.com


পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৪ - আগস্ট সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস