Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > জনপ্রিয় মোবাইল মেসেজিং সার্ভিস হোয়াটসআপের প্রাথমিক কিছু তথ্য
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: লুৎফুন্নেছা রহমান
মোট লেখা:১৩৫
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৪ - আগস্ট
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
মোবাইল
তথ্যসূত্র:
মোবাইলপ্রযুক্তি
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
জনপ্রিয় মোবাইল মেসেজিং সার্ভিস হোয়াটসআপের প্রাথমিক কিছু তথ্য
হোয়াটসআপ হলো একটি জনপ্রিয় ক্রশ-প্লাটফরম মোবাইল মেসেজিং অ্যাপ, যা এসএমএস মেসেজ এক্সচেঞ্জ করার সুবিধা দেয় বিনা খরচে। সহজ কথায় বলা যায়, হোয়াটসআপ হলো একটি জনপ্রিয় মেসেজিং সার্ভিস, যার মাধ্যমে লোকজন তাদের স্মর্টফোনে টেক্সট, ফটো এবং ভিডিও সেন্ড করতে পারবে। হোয়াটসআপ মেসেঞ্জার সাপোর্ট করে আইফোন, ব্ল্যাকবেরি, উইন্ডোজ ফোন, অ্যান্ড্রয়িড ও নকিয়া ডিভাইসে। এসব ডিভাইস একে অপরের সাথে কমিউনিকেট করতে পারে। হোয়াটসআপ সনি এরিকসন, এইচটিসি, হোয়াটসআপ ফর স্যামসাং, এলজি ইত্যাদিতেও কাজ করতে পারে। সম্প্রতি সোস্যাল নেটওয়ার্কিং জায়ান্ট ফেসবুক মোবাইল মেসেজিং সার্ভিস হোয়াটসআপকে ১৯ বিলিয়ন ডলারে কিনে নেয়ার জন্য চুক্তি করে সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে। বিশেষজ্ঞেরা মনে করছেন, বিশ্বের কোটি কোটি ব্যবহারকারীর কাছে সহজে পৌঁছানোর জন্যই এই বিশাল অঙ্কের বাজি ধরেন ফেসবুকের সিইও মার্ক জুকারবার্গ।
১৯ বিলিয়ন ডলার দিয়ে মোবাইল মেসেজিং সার্ভিস হোয়াটসআপ কেনার চুক্তি অনুযায়ী ফেসবুক হোয়াটসআপকে নগদ দেবে ৪ বিলিয়ন ডলার, ১২ বিলিয়ন ডলার থাকবে স্টকে, ১৮৩.৯ মিলিয়ন মোবাইল মেসেজিং সার্ভিসের শেয়ার কেনার জন্য। এ চুক্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ৩ বিলিয়ন ডলারের রেসট্রিক্টেড স্টক দেয়া হবে হোয়াটসআপের প্রতিষ্ঠাতা এবং কর্মচারীদের চুক্তির পর চার বছর ধরে।
ব্যবহারকারীর সংখ্যাধিক্যের কারণে সুস্পষ্টভাবে বলা যায়, অন্যান্য মেসেজিং অ্যাপস এবং সার্ভিসের তুলনায় হোয়াটসআপ এগিয়ে আছে। তবে অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীরা বসে নেই। বর্তমানে কমপক্ষে আরও ৫০টি অ্যাপ আছে, যেগুলো সম্পূর্ণ ফ্রি অথবা আংশিক ফ্রি টেক্সট মেসেজিংয়ের সুবিধা দেয়। সম্প্রতি জাপানের প্রতিষ্ঠান রাকুটেন (Rakuten) ৯০০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে লাইন, উইচ্যাট এবং ভাইবার প্রভৃতি সার্ভিস অধিগ্রহণ করে নেয়, যেগুলোর প্রত্যেকেরই রয়েছে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ভাসমান ব্যবহারকারী। গত বছরের জুন মাসের তথ্যানুযায়ী স্কাইপে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২৯৯ মিলিয়ন। মাইক্রোসফট স্কাইপেকে কিনে নেয় ৮.৫ বিলিয়ন ডলার দিয়ে। গত বছরের তথ্যানুযায়ী অ্যাপলের আইমেসেজ সার্ভিসের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৪০ মিলিয়ন। কিক মেসেঞ্জার সার্ভিস এবং ট্যাঙ্গো প্রভৃতির রেজিস্টার্ড ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১০০ মিলিয়ন। পক্ষান্তরে মোবাইল মেসেজিংয়ে পাইওনিয়ার ব্ল্যাকবেরির বিবিএম সার্ভিস যথেষ্ট পিছিয়ে আছে। তবে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী মোবাইল অ্যাপ মেসেজিং সার্ভিসের তুলনায় হোয়াটসআপ অনেক এগিয়ে এ ক্ষেত্রে শীর্ষ অবস্থানে অধিষ্ঠিত হয়ে আছে।
কিন্তু মোবাইল অ্যাপস ব্যবহারকারীদের মধ্যে এক সাধারণ প্রশ্ন রয়ে গেছে, হেয়াটসআপসের এমন কী বিশেষত্ব আছে, যার জন্য সোস্যাল নেটওয়ার্কিং জায়ান্ট ফেসবুক ১৯ বিলিয়ন ডলার দিয়ে হোয়াটসআপকে কিনে নিল?
হোয়াটসআপ ডাউনলোড করা
হোয়াটসআপকে ওয়েবসাইট, আইটিউনস অ্যাপ স্টোর এবং অ্যান্ড্রয়িড মার্কেট প্লেস থেকে ডাউনলোড করা যাবে। হোয়াটসআপে কোনো বিজ্ঞাপন না থাকায় ব্যবহারকারীরা পাবেন পরিষ্কার মেসেজিং অভিজ্ঞতা। তবে অ্যাপ ব্যবহার করার জন্য সামান্য কিছু চার্জ ধার্য করা হয়েছে। আইফোন ব্যবহারকারীদেরকে অ্যাপ ডাউনলোড করার জন্য ১.৯৯ ডলার পে করতে হয়। পক্ষান্তরে অন্যান্য ফোন ব্যবহাকারীরা অ্যাপ ডাউনলোড করতে পারবেন ফ্রি (http://www.whatsappfreedownload.org/ সাইট থেকে) এবং এক বছর ফ্রি ট্রায়াল ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। তবে এক বছর পর হোয়াটসআপ ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারীদের জন্য সাবস্ক্রিপশন ফি হিসেবে ধার্য করা হয় মাত্র ০.৯৯ ডলার।
অন্যান্য মেসেজিং অ্যাপস ও সার্ভিসের তুলনায় হোয়াটসআপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক বেশি
মেসেজিং অ্যাপস ও সার্ভিস ব্যবহাকারীর বিবেচনায় হোয়াটসআপ নিঃসন্দেহে সবার শীর্ষে রয়েছে ঠিকই, কিন্তু এসব সার্ভিসের অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীরা চুপ করে বসে নেই। ন্যূনতম প্রায় পঞ্চাশটির মতো অ্যাপস রয়েছে, যেগুলো সম্পূর্ণ ফ্রি টেক্সট মেসেজ কিংবা প্রায় ফ্রি টেক্সট। লাইন, উইচ্যাট ও ভাইবার প্রত্যেকের রয়েছে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ইউজার। সম্প্রতি জাপানি প্রতিষ্ঠান রাকুটেন প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে লাইন, উইচ্যাট ও ভাইবারকে কিনে নেয়। দুই বছর আগে মাইক্রোসফট ৮.৫ বিলিয়ন ডলার দিয়ে স্কাইপেকে কিনে নেয়ার পর গত বছরের জুন মাসের হিসাব অনুযায়ী স্কাইপে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২৯৯ মিলিয়নে উন্নীত হয়। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী অ্যাপলের আইমেসেজ সার্ভিসের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৪০ মিলিয়ন। কিক মেসেঞ্জার এবং ট্যাঙ্গো প্রত্যেকেরই রয়েছে প্রায় ১০০ মিলিয়ন রেজিস্টার্ড ব্যবহারকারী, যেখানে ব্ল্যাকবেরির বিবিএম সার্ভিস মোবাইল মেসেজিং সার্ভিসে পাইওনিয়ার হলেও ব্যবহাকারীর দিক থেকে বেশ পিছিয়ে আছে। কেননা, এদের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৮০ মিলিয়ন।
এবার পরখ করে দেখা যাক, এমন কী বিশেষত্ব আছে হোয়াটসআপের, যার জন্য সোস্যাল নেটওয়ার্কিং জায়ান্ট ফেসবুক ১৯ বিলিয়ন ডলার দিয়ে হোয়াটসআপকে কিনে নিল?
আকর্ষণীয় ক্রমবৃদ্ধি
হোয়াটসআপ কিনে নেয়ার পর ফেসবুক এক চার্ট উপস্থাপন করে, যেখানে রয়েছে ব্যবসায়ে ফেসবুক, জি-মেইল, টুইটার ও স্কাইপের সাথে হোয়াটসআপের মেসেজিং অ্যাপসের প্রথম পাঁচ বছরের তুলনামূলক ক্রমবৃদ্ধি। এসব সার্ভিসের মধ্যে একমাত্র জি-মেইলের ৫০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী দ্বিতীয় বছরে হোয়াটসআপের সমকক্ষ হতে পেরেছে। ফেসবুক ও জি-মেইল উভয়ের ব্যবহারকারী চতুর্থ বছরে ১০০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়, সেখানে টুইটার ও স্কাইপে ব্যবহারকারী একই সময়ের মধ্যে মোটামুটিভাবে ৫০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। হোয়াটসআপের যাত্রা শুরুর প্রথম দুই বছরের মধ্যে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫০ মিলিয়ন থেকে ২০০ মিলিয়নের বেশি উন্নীত হয়। হোয়াটসআপের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যবহাকারীর সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি হয়ে ৪০০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়।
হোয়াটসআপ যেভাবে কাজ করে
আপনার মোবাইল ফোন নাম্বার এন্টার করার মাধ্যমে হোয়াটসআপে সাইন করতে পারবেন। এর ফলে হোয়াটসআপের সার্ভার ওই ফোন নাম্বারের জন্য জেনারেট করে একটি ইউনিক নাম্বার পিন এবং সৃষ্টি করে একটি কী, যা ভবিষ্যতে সব ধরনের কমিউনিকেশনের জন্য একটি পাসওয়ার্ড হিসেবে কাজ করে। পাবলিক সুইচড টেলিফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম ব্যবহার করে আপনার ফোনবুকে অ্যাক্সেসের জন্য একটি রিকোয়েস্ট তৈরি করে এবং এই ফোন নাম্বার হবে আপনাকে শনাক্ত করার জন্য। এটি নির্দিষ্ট করবে আপনার কোন কন্ট্রাক্টটি ইতোমধ্যেই এ সার্ভিস ব্যবহার করেছে। হোয়াটসআপের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আপনার ফোন নাম্বার এবং এর সার্ভারের মধ্যে সব ধরনের কমিউনিকেশন হবে সম্পূর্ণরূপে অ্যানক্রিপটেড। হোয়াটসআপের পক্ষ থেকে আরও বলা হচ্ছে, ‘আমরা আপনার চ্যাট হিস্টোরি আমাদের সার্ভারে স্টোর করি না। আপনার ফোনে সফলভাবে চ্যাট মেসেজ ডেলিভার হওয়ার পর আমাদের সিস্টেম থেকে তা অপসারিত হয়।’ সহজ কথায় বলা যায়, মেসেজ লেনদেন হয় নিরাপদে।
ভার্চুয়ালি ফ্রি, ক্রশ-প্লাটফরম, কম ব্যান্ডউইডথ
হোয়াটসআপ হলো পুরোপুরি মোবাইল ক্রশ-প্লাটফরম মেসেজিং অ্যাপ, যা প্রথম বছরের জন্য ছিল ফ্রি। তবে এরপর থেকে প্রতিবছর ৯৯ সেন্ট করা হয়। এ সার্ভিস মূলত এসএমএস এবং এমএমএস প্লাটফরমের হুবহু নকল, যেগুলোর মালিকানা চালিত হয় ওয়্যারলেস ক্যারিয়ারের মাধ্যমে। হোয়াটসআপের মাধ্যমে শেয়ার করতে পারবেন আপনার লোকেশন, তৈরি করতে পারবেন গ্রম্নপ এবং টেক্সট, ভিডিও, অডিও বা ইমেজসহ সীমাহীন মেসেজ পাঠাতে পারবেন। অন্যান্য মেসেজিং অ্যাপের মতো এন্ট্রির প্রতিবন্ধকতা খুবই কম, যেহেতু সার্ভিস দ্রুত আইপি পড়ে নেয়। হোয়াটসআপ খুব কম ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করে। তাই এর এক্সিকিউটিভদের দাবি- হোয়াটসআপের রয়েছে এক প্রতিদ্বন্দ্বীপূর্ণ সুবিধা।
ইন্টারনেট ফোনকল
বর্তমানে হোয়াটসআপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৪৬৫ মিলিয়নের বেশি এবং এর সাথে রয়েছে ফেসবুকের নতুন মালিকানা। এ কোম্পানি চেষ্টা করছে বাকি সব কাজ সেরে ফেলতে, যেগুলো ইতোমধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পনিগুলো তাদের ব্যবহারকারীদেরকে অফার করছে। সম্প্রতি বার্সেলোনায় মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে হোয়াটসআপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও জ্যান কৌম (Jan Koum) ঘোষণা দেন, এ কোম্পানিটি এ বছরের দ্বিতীয় কোয়ার্টারে চালু করতে যাচ্ছে ভয়েজ কলিং সুবিধা। ভয়েজ সার্ভিস প্রথমে আসবে গুগলের অ্যান্ড্রয়িডে ও অ্যাপলের আইওএস অপারেটিং সিস্টেমে। এরপর এ সার্ভিস সম্পৃক্ত হবে অন্যান্য প্লাটফরমে, যেমন উইন্ডোজ ফোন ও ব্ল্যাকবেরিতে।
হোয়াটসআপের মূল পরিসংখ্যান
ফেসবুকের অধিগ্রহণের সময় হোয়াটসআপের ছিল ৪৫০ মিলিয়নের বেশি সক্রিয় মাসিক ব্যবহারকারী, যার ৭০ শতাংশই এ সার্ভিস ব্যবহার করছে প্রতিদিন। প্রতিদিন কমপক্ষে নতুন ১ মিলিয়ন ব্যবহারকারী হোয়াটসআপের সাথে যুক্ত হচ্ছে। হোয়াটসআপের মাধ্যমে ডেলিভার হওয়া মেসেজিং ভলিউম বিসত্মৃত হচ্ছে বিশ্বব্যাপী টেলিকম সিস্টেমে। গড়ে প্রতিদিন ১৯ বিলিয়ন মেসেজ সেন্ড হয় এবং ৩৪ বিলিয়ন মেসেজ রিসিভ হয়। প্রতিদিনের এসব মেসেজের সাথে সম্পৃক্ত থাকে ৬০০ মিলিয়নের বেশি ফটো, ২০০ মিলিয়ন ভয়েজ মেসেজ এবং ১০০ মিলিয়ন ভিডিও মেসেজ। এসব কিছু প্রতিবছর শেষে দ্বিগুণ হচ্ছে।
গোঁড়া বিজ্ঞাপনবিরোধী
হোয়াটসআপে বিজ্ঞাপনবিরোধী মনোভাব আজকের দিনের সামাজিক মিডিয়ার যুগে খুবই বিরল। ইয়াহুতে এক বছর অতিবাহিত করার পর কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা সম্পূর্ণরূপে বিজ্ঞাপনের বিরোধিতা করেন শুরু থেকেই। বেশ কিছুদিন আগে হোয়াটসআপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জ্যান কৌম এক বস্নগ পোস্টে লিখেন-‘কেউ ঘুম থেকে উঠে প্রচুর বিজ্ঞাপন দেখে উত্তেজিত বা বিস্মিত হবে না, কেউ ঘুমুতে যাওয়ার আগে ভাববে না যে আগামীকাল সকাল বেলা উঠে কতগুলো বিজ্ঞাপন দেখতে হবে।’ বিজ্ঞাপন শুধু নান্দনিকই নয়, বরং বিরক্তিকরও বটে। আপনার মেধাভিত্তিক কাজের জন্য অপমানকর ও আপনার স্বাভাবিক চিমত্মা-চেতনায় ব্যাঘাত সৃষ্টিকারীও বটে। আমাদের মনে রাখা দরকার, যখনই বিজ্ঞাপনে পরিপূর্ণ থাকবেন, তখন ব্যবহাকারী হয়ে উঠবেন একটি পণ্য হিসেবে

ফিডব্যাক : swapan52002@yahoo.com

পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৪ - আগস্ট সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস