Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > আসুসের নতুন গেমিং গ্রাফিক্স কার্ড ও গেমিং মাদারবোর্ড
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: কজ
মোট লেখা:১০৪১
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৪ - নভেম্বর
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
গ্রাফিক্স কার্ড
তথ্যসূত্র:
হার্ডওয়্যার
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
আসুসের নতুন গেমিং গ্রাফিক্স কার্ড ও গেমিং মাদারবোর্ড
আসুসের আর৯ ২৯০এক্স-৪জিডি৫ আইফিনিটি প্রযুক্তির হাই-এন্ড গেমিং গ্রাফিক্স কার্ড

আমরা কমবেশি সবাই গেম খেলি। এমন অনেকেই আছেন, যাদের কাছে সকাল, বিকাল, সন্ধ্যা বা রাত বলে কিছু নেই, নাওয়া-খাওয়া ভুলে সারা দিন পড়ে থাকেন গেম ওভার করার জন্য। গেম খেলতে হলে একটি পিসি তো লাগবেই। তার সাথে আর যে জিনিসটি লাগবে, তা হলো গ্রাফিক্স কার্ড। পুরনো অনেক গেমই হয়তো বিল্ট-ইন গ্রাফিক্স কার্ড দিয়ে খেলা যায়। তবে নতুন কিছু গেম, বিশেষ করে হাই-এন্ড গেম এবং ২০১৪ সালের সর্বশেষ সংস্করণের গেম স্বাচ্ছন্দ্যে খেলতে হলে আপনার একটি আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড থাকা খুব জরুরি। এমনই একটি গ্রাফিক্স কার্ড হলো আসুসের আর৯ ২৯০এক্স-৪জিডি৫ মডেলের গ্রাফিক্স কার্ড, যা দিয়ে অনায়াসেই সর্বশেষ সংস্করণের গেমগুলো খেলা যাবে।
সর্বোচ্চ রেজ্যুলেশনের সাথে সেরা গেমিং অভিজ্ঞতার জন্য গ্রাফিক্স কার্ডটিতে রয়েছে এএমডি রাডেয়ন আর৯ ২৯০এক্স চিপসেটের গ্রাফিক্স ইঞ্জিন, ৪ জিবি ভিডিও মেমরি ও আউটপুট রেজ্যুলেশন ২৫৬০ বাই ১৬০০ পিক্সেল। এতে এএমডি আইফিনিটি টেকনোলজি থাকায় একই সাথে ৬টি ডিসপ্লে মনিটর ব্যবহার করে গেম খেলায় ও বিনোদনে অনাবিল আনন্দ উপভোগ করা যায়। এর পাশাপাশি গ্রাফিক্স কার্ডটি ৪কে, অর্থাৎ আল্ট্রা হাই ডেফিনিশন রেজ্যুলেশন গেমিংয়ের জন্য আদর্শ। পিসিআই এক্সপ্রেস ৩.০ বাস স্ট্যান্ডার্ডের এই গ্রাফিক্স কার্ডটির মেমরি ইন্টারফেস ৫১২ বিট, মেমরি ক্লক ১২৫০ মেগাহার্টজ এবং এতে দুটি ডিভিআই আউটপুট পোর্ট, একটি এইচডিএমআই পোর্ট ও ডিসপ্লে পোর্ট রয়েছে। এছাড়া এটি মাইক্রোসফট ডিরেক্টএক্স ১১.২, এইচডিসিপি, ক্রসফায়ারএক্স প্রভৃতি সমর্থন করে। গ্রাফিক্স কার্ডটির উল্লেখযোগ্য ফিচারের মধ্যে রয়েছে :
এএমডি আইফিনিটি টেকনোলজি : এর মাধ্যমে একই সাথে ৬টি ডিসপ্লে মনিটর ব্যবহার করে গেম খেলায় ও বিনোদনে অনাবিল আনন্দ উপভোগ করা যায়।
জিপিইউ টোয়েক : এটি স্বজ্ঞাত ইন্টারফেসের মাধ্যমে গ্রাফিক্স কার্ডের ক্লকস্পিড, ভোল্টেজ, ফ্যানের পারফরম্যান্স প্রভৃতি কাজে সহায়তা করে।
জিপিইউ টোয়েক স্ট্রিমিং : এটি পর্দায় অন-স্ক্রিন ক্রিয়া বাস্তব সময়ে প্রদর্শিত করে, যা অন্যরা গেম খেলার সময় মনে করবেন লাইভ দেখছেন।

স্পেশিফিকেশন : গ্রাফিক্স ইঞ্জিন, এএমডি রাডেয়ন আর৯ ২৯০এক্স, বাস স্ট্যান্ডার্ড, পিসিআই এক্সপ্রেস ৩.০, ভিডিও মেমরি, জিডিডিআর৫ ৪ জিবি, ইঞ্জিন ক্লক, ১০০০ মেগাহার্টজ, মেমরি ক্লক, ১২৫০ মেগাহার্টজ, মেমরি ইন্টারফেস, ৫১২ বিট, ইন্টারফেস দুটি, ডিভিআই আউটপুট, একটি এইচডিএমআই আউটপুট, একটি ডিসপ্লে পোর্ট এইচডিসিপি সমর্থিত, বিদ্যুৎ ব্যবহার সর্বোচ্চ ৩০০ ওয়াট, এর সাথে ৬+৮ পিন পিসিআই এক্সপ্রেস পাওয়ার, সফটওয়্যার, আসুস জিপিইউ টুইক ও ড্রাইভার। গ্রাফিক্স কার্ডটির দাম ৫৫ হাজার ৫০০ টাকা

সাবেরটুথ জেড৯৭ মার্ক-২ গেমিং মাদারবোর্ড
মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কমপিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড, যাতে সিস্টেমের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যবস্থা থাকে। মাদরবোর্ডকে কখনও কখনও মেইনবোর্ড বা সিস্টেম বোর্ড বলা হয়। মাদারবোর্ড শক্তিশালী হলে সব ধরনের কাজ করে আরাম পাওয়া যায়। বর্তমানে গেমাদের জন্য প্রযুক্তিবিদেরা আলাদা করে গেমিং মাদারবোর্ড তৈরি করেন। দেশের বাজারে গেমাদের জন্য আসুসের নতুন একটি মাদারবোর্ড নিয়ে এসেছে গ্লোবাল ব্র্যান্ড (প্রা:) লিমিটেড।
আসুসের সাবেরটুথ জেড৯৭ মার্ক-২ মডেলের নতুন এই মাদারবোর্ডটিতে রয়েছে ইন্টেল জেড৯৭ চিপসেট, যা ইন্টেল ১১৫০ সকেটের আসন্ন পঞ্চম প্রজন্ম ও বর্তমানে বিদ্যমান চতুর্থ প্রজন্মের ইন্টেল কোর প্রসেসরসমূহ, পেন্টিয়াম, সেলেরন প্রভৃতি প্রসেসর সমর্থন করে। আসুসের টিইউএফ (দ্য আল্টিমেট ফোর্স) সিরিজের এই মাদারবোর্ডটিতে মিলিটারি-গ্রেড স্ট্যান্ডার্ডের কম্পোনেন্ট ব্যবহার হয়েছে। তাই দৃঢ়, দীর্ঘস্থায়িত্ব ও ভালো পারফরম্যান্সের নিশ্চয়তা দেয়। এতে চারটি ডিডিআর৩ র‌্যাম সস্নট থাকায় সর্বোচ্চ ৩২ জিবি র‌্যাম ব্যবহার করা যায় এবং অত্যাধুনিক পিসিআই এক্সপ্রেস ৩.০ সস্নট থাকায় এনভিডিয়া কোয়াড-জিপিইউ এসএলআই অথবা এএমডি কোয়াড-জিপিইউ ক্রসফায়ারএক্স মাল্টি-জিপিইউ সাপোর্ট করে। পিসি গেমার ও পেশাদার ব্যবহারকারীদের জন্য আদর্শ এই মাদারবোর্ডটির অন্যান্য ফিচারের মধ্যে রয়েছে ৫১২ মেগাবাইট ভিডিও মেমরির বিল্টইন গ্রাফিক্স, ৬টি সাটা পোর্ট, গিগাবিট ল্যান, ৮ চ্যানেল অডিও, ৬টি ইউএসবি পোর্ট ৩.০ প্রভৃতি। এছাড়া এর অত্যাধুনিক থার্মাল ফিচারসমূহ কম্পোনেন্টের তাপমাত্রা দ্রুততার সাথে দূরীভূত করে স্বাভাবিক ঠা-া ভাব বজায় রাখে এবং ডাস্ট প্রুফ ফিচার ধুলাবালিমুক্ত রাখে। মাদারবোর্ডটির উল্লেখযোগ্য ফিচারের মধ্যে রয়েছে :
থার্মাল রাডার ২ : এটি মাদারবোর্ডটির সাথে সংযুক্ত কম্পোনেন্টগুলোর তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করে। আর প্রয়োজনানুযায়ী কুলিং ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণ করে। টিইউএফ ইএসডি গার্ড : ইলেকট্রোস্ট্যাটিক ডিসচার্জ (ইএসডি) হঠাৎ ঘটতে পারে এবং তার ক্ষতিকর প্রভাব সহজে অবমূল্যায়ন করা হয়। এই ফিচারটি অনবোর্ডের সাথে সংযুক্ত ডিভাইস থেকে সঠিকভাবে ইলেকট্রোস্ট্যাটিক ডিসচার্জ বিলুপ্ত করার নিশ্চয়তা দেয়। আর কম্পোনেন্টের অধিক আয়ু বাড়ায়।

স্পেশিফিকেশন : সিপিইউ : ইন্টেল সকেট ১১৫০-এর চতুর্থ প্রজন্মের কোরআই৭/ কোরআই৫/কোরআই৩/পেন্টিয়াম/সেলেরন প্রভৃতি। চিপসেট : ইন্টেল জেড ৯৭। মেমরি সস্নট : চারটি ডিডিরআর৩ সস্নট, সর্বোচ্চ ৩২ জিবি র‌্যাম সাপোর্ট করে। গ্রাফিক্স : বিল্টইন ইন্টেল এইচডি গ্রাফিক্স, ৫১২ এমবি ভিডিও মেমরি, মাল্টি-ভিজিএ আউটপুট সাপোর্ট। মাল্টি-জিপিইউ সাপোর্ট : এনভিডিয়া কোয়াড-জিপিইউ এসএলআই প্রযুক্তি, এএমডি কোয়াড-জিপিইউ ক্রসফায়ারএক্স প্রযুক্তি। এক্সপেনশন সস্নট : দুটি পিসিআই এক্সপ্রেস ৩.০, একটি পিসিআই এক্সপ্রেস ২.০, তিনটি পিসিআই এক্সপ্রেস সস্নট। ল্যান : গিগাবিট ল্যান। অডিও : ৮ চ্যানেল এইচডি অডিও।
মাদারবোর্ডটির দাম রাখা হয়েছে ১৮ হাজার ৫০০ টাকা। যোগাযোগ : ০১৭১৩২৫৭৯৩৮, ৯১৮৩২৯১

পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৪ - নভেম্বর সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস