Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > অ্যাপথিওন
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: কজ
মোট লেখা:১০৪১
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৫ - জুলাই
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
গেম
তথ্যসূত্র:
খেলা প্রকল্প
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
অ্যাপথিওন
অ্যাপথিওন
পৃথিবীতে কোনো সরকার ব্যবস্থা নেই, সবকিছু চলে বিশাল বিশাল কিছু কর্পোরেশন কোম্পানির ইঙ্গিতে। তারা নিয়ন্ত্রণ করে অর্থনীতি, রাজনীতি, রাষ্ট্র, সামরিক শক্তি। সবকিছুতেই তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য। কিন্তু এই গেমটিতে ফোকাস করা হয়েছে এর চেয়েও পুরনো একটি ইস্যুকে, সেটি হলো ধর্ম। প্রাচীন গ্রিসের মানুষদের বিশ্বাস আর তাদের দেব-দেবীদের অবস্থান নিয়ে তৈরি করা হয়েছে অ্যাপথিওন। গেমের প্রতিটি অংশের মাঝে একজন করে মিথিকাল ক্যারেক্টার আসবে এবং তাদের নিজস্ব কুচক্রের মাধ্যমে স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করবে।
গেমারকে দেয়া হবে কিছু অতিমানবিক শারীরিক ক্ষমতা। সে দেবতাদের মতোই তার আকৃতির পরিবর্তন করতে পারে। এর ফলে গেমারের নড়াচড়া, হাঁটা-চলা সবকিছুই নতুন গতিপ্রাপ্ত হবে। অসম্ভব দ্রুতগতিতে ছুটে যেতে পারবেন রাস্তার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রামেত্ম। স্পাইডারম্যানের চেয়েও বহু উঁচুতে উঠে যেতে পারবেন। ভাবছেন এত উঁচুতে উঠে গেলে নামবেন কী করে? অনেক উঁচু থেকে লাফ দিলেও মুহূর্তেই সে নিচে নেমে আসবে, চারপাশের রাস্তা-ঘাট চৌচির হয়ে যাবে, তবু গেমারের গায়ে এতটুকু অাঁচড় লাগবে না।
এরপর কী হলো না হলো তার খবর আমি এখানে আর ফাঁস করব না। আসলে করার উপায়ও নেই। কারণ এই থার্ড পারসন ফুল অ্যাকশন স্ট্র্যাটেজি গেমে এরপর কোন ঘটনার মোড় কোনদিকে যাবে তার সম্পূর্ণটাই গেমারের গেমিং স্ট্র্যাটেজি, অন্যান্য মানুষ...না শুধু মানুষ নয়, মহাবিশ্বের বহু অজানা থেকে আসা বহু ধর্মের বহু ধরনের পুরনো দেবতাদের সাথে গেমার কী ধরনের আচরণ করেন, কীভাবে তাদের বিশ্বাস জয় করেন সবকিছুর ওপরই পরবর্তীতে সারা মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। এরকম গেমিং জনরা গেমিংবিশ্বে সবার প্রথমে নিয়ে এসেছে অ্যাপথিওন, যা গেমিংকে নতুন একটি পর্যায়ে নিয়ে গেছে।
গেম রিকোয়ারমেন্ট
উইন্ডোজ : ৭ বা তদুর্ধ, সিপিইউ : কোরআই৩/এএমডি সমমানের, র্যা ম : ২ গিগাবাইট, ভিডিওকার্ড : ১ গিগাবাইট, হার্ডডিস্ক : ৮ গিগাবাইট, সাউন্ডকার্ড, কিবোর্ড ও মাউস
হিরোস অব দ্য স্টর্ম
অনলাইন গেমিং জনরার শুরু হয়েছিল স্টারক্রাফট ও ওয়ারক্রাফট দিয়ে। আর আজ এসে তা হিরোস অব দ্য স্টর্ম পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে। পৌঁছেছে গ্রাফিক্স, এআই, গেমিংয়ের সবচেয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে। অসম্ভব পর্যায়ের পরিশোধন এবং অভিগম্যতা একটি স্তর দেয়ার পর হিরোস অব দ্য স্টর্ম অবিসংবাদিতভাবেই এই বছরের অন্যতম সেরা গেমে পরিণত হয়েছে। এটি একটি অত্যন্ত মায়াময় কৌশলী এরিনাকে দেখায়, যা গেমারকে কল্পনাপ্রসূত, কিংবদন্তি লীগের এক প্রামেত্ম নিয়ে যাবে। আগের ভার্সনগুলো থেকে হিরোস অব দ্য স্টর্মের ব্যাটল প্লান মারাত্মক উন্নত। গেমার প্রতিমুহূর্তেই অনুভব করবেন সেনাপতি সেজে যুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়ার উদ্দীপনা। ক্ষণে ক্ষণে বদলে যাওয়া আবহ আর স্ট্র্যাটেজি গেমারকে সত্যিকারের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করবে। আর যুদ্ধের মাঝে অনিন্দ্যসুন্দর প্রাকৃতিক গ্রাফিক্সের কথা ভুললেও চলবে না। ঘটনা হচ্ছে, যুগটা ফ্রি গেমিং আর রেডিক্যাল মুভমেন্টপূর্ণ; আর হিরোস অব দ্য স্টর্মের মতো ক্লাসিক গেমে ক্লাসিক্যাল আমেজের সাথে ওগুলোও বেশ ভালোভাবেই উপভোগ করা যাবে। গেম স্ক্রিনে যেকোনো জায়গাতে মুভমেন্টের স্বাধীনতা নিঃসন্দেহে অন্য যেকোনো গেম এবং তাদের ফিসিক থেকে হিরোস অব দ্য স্টর্মকে আলাদা করেছে। চারদিক থেকে ছুটে আসা প্রজেক্টাইলগুলোকে কাটিয়ে বিস্ফোরণের হাত থেকে বাঁচতে গেমারকে তার নিজের অসিত্মত্বের কথা জানান গেমের বাইরে কন্ট্রোলার কিংবা কিবোর্ডে বসে নয়, বরং গেমের ভেতরেও দিতে হবে। ভাইটা, প্লেস্টেশন, এক্সবক্সের দুনিয়া জয় করে আসার পর পিসি গেমিং প্লাটফর্মে গেমটির আরেকটু হলেও গেমিংকে প্রাণবন্ত আর মজাদার করে তুলেছে। পঞ্চাশটি ক্যাম্পেইন মিশন, অদ্ভুত স্ট্রাকচার, কালার কোডেড আর নিউমেরিক্যাল পাজেলস, কাস্টম চেক পয়েন্ট সব মিলিয়ে গেমটির মধ্যে কোনো কিছুর অভাব থাকলেও সেটা বুঝে ওঠা কষ্ট হবে।
এখানে গেমারের জন্য সবচেয়ে বড় প্রতিযোগী পরিবেশ, সবচেয়ে বড় বন্ধুও তাই। গেমারকে ব্যাটলফিল্ডের সচরাচর যুদ্ধের পাশাপাশি খুঁজতে হবে লুকানোর জন্য, বেঁচে থাকার জন্য, বাঁচিয়ে রাখার জন্য এলাকা। আর মৌলিক ব্যাটলফিল্ড গেমিংয়ের মতো যেকোনো স্ট্রাকচার ব্যবহারযোগ্য এবং ধ্বংসযোগ্য। গেমারেরা সচরাচর গেরিলা আক্রমণ এবং প্ল্যান করা চোরাগোপ্তা হামলার ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়। আছে সম্পূর্ণ নতুন হাতাহাতি যুদ্ধের অস্ত্রভা-ার, যেগুলো দিয়ে গেমারেরা নিজেদের মতো করে সিগনেচার কিলিং মুভ তৈরি করতে পারবেন। গেমটি খেলার সময় গেমারকে একটি জিনিস প্রতিমুহূর্তে মাথায় রাখতে হবে- যেকোনো মুহূর্তের সুযোগই সবচেয়ে বড় যুদ্ধ জিতিয়ে দিতে পারে। আক্রমণই সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা- এই তত্ত্ব সবসময় কাজ নাও করতে পারে। তাই মাঝে মাঝে খুব ভালোভাবে গাঢাকা দেয়ার পর প্রতিআক্রমণই হতে পারে সবচেয়ে ভালো পন্থা। শুধু নিজের সাম্রাজ্যের দিকে মনোযোগ দিলেই হবে না, সতর্ক থাকতে হবে প্রতিপক্ষরা কীভাবে এগোচ্ছে তার ওপর।
হিরোস অব দ্য স্টর্মের ভাবালুতা সম্পন্ন সংঘাত চিন্তা করার জন্য আলাদা মিশন প্রয়োজন মিটিয়েছে অনলাইন মডিংগুলো; তাদের ঘাঁটি নির্মাণ করা বেশ পরিচিত গেম প্লে মানুষের একটু গানবোট থেকে চালানো সিম্ফনি চালানো, দৈত্যাকার মেক ট্যাঙ্ক এবং লুমিং রোবট ড্রোন সব মিলিয়ে মন্দ জমবে না পুরো গেম প্লে। গেমটি যেকোনো স্ট্র্যাটেজি গেমপ্রেমীদের জন্য ‘মাস্ট প্লে’ একটি গেম।
গেম রিকোয়ারমেন্ট
উইন্ডোজ : ৭ বা তদুর্ধ, সিপিইউ : কোরআই৩/এএমডি সমমানের, র্যা ম : ২ গিগাবাইট, ভিডিওকার্ড : ১ গিগাবাইট, হার্ডডিস্ক : ১৫ গিগাবাইট, সাউন্ডকার্ড, কিবোর্ড ও মাউস


পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৫ - জুলাই সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস