Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > মাইক্রোটিক রাউটার কনফিগারেশন ব্যাকআপ রিস্টোর ও রাউটার রক্ষা করা
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: মোহাম্মদ ইশতিয়াক জাহান
মোট লেখা:৩
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৫ - জুলাই
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
নেটওয়ার্ক
তথ্যসূত্র:
নেটওয়ার্ক সিস্টেম
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
মাইক্রোটিক রাউটার কনফিগারেশন ব্যাকআপ রিস্টোর ও রাউটার রক্ষা করা
মাইক্রোটিক রাউটারে কাজ করার ক্ষেত্রে নানা ধরনের বিড়ম্বনায় পড়তে হয় নতুনদের। কারণ, নতুন ব্যবহারকারীদের অনেকেই জানেন না, কোন কাজ করলে কী হবে। এতে ভালো কনফিগারেশন বা ঠিকভাবে কনফিগার করা রাউটারের কনফিগারেশন নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আবার নতুন করে কাজটি করতে হয়। এই ধরনের সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে মাইক্রোটিক রাউটারের কনফিগারেশনটি ব্যাকআপ নিয়ে রাখতে পারেন। অর্থাৎ ভালো কনফিগারেশন থাকা রাউটারে নতুন কিছু কনফিগার করার আগে ব্যাকআপ নিয়ে নিন। কেননা, নতুন কনফিগারেশনে সমস্যা দেখা দিলে ব্যাকআপ নেয়া ফাইল থেকে তা রিস্টোর করে নিতে পারবেন। নতুন করে আবার সেটআপ দিতে হবে না। এছাড়া মাইক্রোটিক রাউটারকে বিভিন্নভাবে অ্যাক্সেস করা যায়, যেমন- উইনবক্স, ব্রাউজারসহ আরও কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করে। ফলে রাউটারের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই আপনার পছন্দের পদ্ধতিটি রেখে বাকি পদ্ধতিগুলো বন্ধ করে দিতে পারেন। ফলে রাউটারটি কিছুটা সুরক্ষা পাবে। এ সংখ্যায় আলোচনা করা হয়েছে মাইক্রোটিক রাউটারের কনফিগারেশন ব্যাকআপ নেয়া, ব্যাকআপ কনফিগারেশন রিস্টোর করা এবং রাউটারকে সুরক্ষা দেয়া প্রসঙ্গে।
রাউটার কনফিগারেশন ব্যাকআপ নেয়া
মাইক্রোটিক রাউটার কনফিগারেশনের প্রতিটি ধাপ লিখে রাখুন। এতে আপনার বুঝতে সুবিধা হবে কোন ধাপের পর কোন ধাপ অনুসরণ করেছেন। প্রতিটি কনফিগারেশন সম্পন্ন হওয়ার পর ওই কনফিগারেশনটির একটি ব্যাকআপ নিয়ে রাখুন। এভাবে প্রতিটি ব্যাকআপ রেখে দিতে পারেন। যদি মনে করেন, এত কনফিগারেশন ব্যাকআপ রাখলে মেমরির ক্ষতি হতে পারে, সে ক্ষেত্রে সর্বশেষ ৩-৪টি ব্যাকআপ রেখে বাকিগুলো মুছে দিতে পারেন। এজন্য ব্যাকআপ করা ফাইলটি সিলেক্ট করে ডিলিট বাটনে চাপলে ফাইলটি মুছে যাবে।
মাইক্রোটিকে রাউটার কনফিগারেশন ব্যাকআপ নেয়ার জন্য রাউটারটি চালু করে উইনবক্স দিয়ে লগইন করুন। এবার বাম পাশের ফিচার লিস্টে Files-এ ক্লিক করুন। ফলে নিচের চিত্র-১-এর মতো একটি উইন্ডো প্রদর্শিত হবে। এখানে ব্যাকআপ নামে একটি অপশন রয়েছে, যা চিত্র-১ হিসেবে দেখানো হয়েছে। আর ব্যাকআপে ক্লিক করার পর যে ব্যাকআপ ফাইলটি তৈরি হবে, তা চিত্রে দেখানো ২ নম্বর অংশে প্রদর্শিত হবে। ব্যাকআপ হিসেবে ফাইলের নাম, ফাইল টাইপ, সাইজ, তৈরি করার তারিখসহ থাকবে। কতগুলো কনফিগারেশন ব্যাকআপ নেয়া হয়েছে তা উইন্ডোর নিচের দিকের স্ট্যাটাস বারে দেখাবে। যখনই কোনো কনফিগারেশন ব্যাকআপ নেয়ার প্রয়োজন হবে, তখন মাইক্রোটিকের ফাইল ফিচার থেকে উইন্ডোটি চালু করে চিত্রে দেখানো ১ নম্বর অংশে ক্লিক করুন। এতে ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড জানতে চাইবে। কোনো ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড টাইপ না করে ব্যাকআপ বাটনে ক্লিক করুন। এতে সর্বশেষ কনফিগারেশনটি ব্যাকআপ হয়ে যাবে। ব্যাকআপ ফাইলের সাথে ব্যাকআপ নেয়ার তারিখ ও সময়টিও সংযুক্ত থাকবে, তাই স্বয়ংক্রিয় ক্লক সেট করার পদ্ধতিটি এনাবল থাকা প্রয়োজন। এর অন্যথা হলে বোঝা সম্ভব হবে নয় কবে, কখন ব্যাকআপ নেয়া হয়েছিল।
রাউটার কনফিগারেশন রিস্টোর করা
মাইক্রোটিকে কাজ করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রয়োজনে বা কনফিগারেশনে ত্রুটি দেখার কারণে পুনরায় কনফিগারেশনের প্রয়োজন হতে পারে। ধরুন, আপনি নতুন কনফিগারেশন করছেন, কিন্তু হঠাৎ দেখলেন আগের কনফিগার করা সিস্টেমটি আর কাজ করছে না, ফলে আপনি বুঝতে পারবেন না কোন অংশে ভুল করলেন। সে ক্ষেত্রে আপনার ব্যাকআপ নেয়া ফাইলটি এই সমস্যার হাত থেকে বাঁচিয়ে দেবে। যেকোনো নতুন কনফিগারেশনে হাত দেয়ার আগে পুরনো কনফিগারেশনটির একটি ব্যাকআপ নিয়ে নিন। এবার নতুন কনফিগারেশন করুন। এখন যদি দেখেন আপনার রাউটারটি কাজ করছে না, তাহলে সর্বশেষ কাজ করা কনফিগারেশনটি সিলেক্ট করুন (চিত্রে অ্যারো চিহ্ন দেয়া)। এবার রেস্টোর (চিত্রে গোল চিহ্ন দেয়া) অপশনে ক্লিক করুন। এতে সর্বশেষ কাজ করা ব্যাকআপ নেয়া কনফিগারেশনটি রেস্টোর হয়ে যাবে।
আইপি সার্ভিস লিস্টের মাধ্যমে সুরক্ষা দেয়া
মাইক্রোটিক রাউটারকে বিভিন্ন পদ্ধতিতে সুরক্ষা দেয়া যায়। তবে এখানে একটি পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে। প্রথমে মাইক্রোটিক রাউটারে উইনবক্স দিয়ে লগইন করুন। বাম পাশের ফিচার লিস্ট থেকে আইপিতে ক্লিক করুন। ফলে যেসব ফিচার লিস্ট বের হবে, সেখানে সার্ভিসেস অপশনে ক্লিক করুন। এখানে আইপি সার্ভিসেস এবং তার পোর্টগুলো দেখাবে। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সার্ভিসগুলো রেখে বাকি সার্ভিসগুলো ডিজ্যাবল করে দিন। যে সার্ভিসটি ডিজ্যাবল করতে চান সে সার্ভিসটি সিলেক্ট করে ক্রস বাটনে ক্লিক করুন। ভবিষ্যতে ডিজ্যাবল করা সার্ভিসটি প্রয়োজন হলে সিলেক্ট করে টিক () চিহ্নে ক্লিক করলে সার্ভিসটি আবার অ্যাক্টিভ হয়ে যাবে। প্রাথমিক পর্যায়ে এসব সার্ভিস ডিজ্যাবল করার প্রয়োজন নেই। যখন আপনি মাইক্রোটিকটিকে সার্ভার হিসেবে এবং রিয়েল আইপি দিয়ে ব্যবহার করবেন, সে ক্ষেত্রে উইনবক্স সার্ভিসটি রেখে অন্য সার্ভিসগুলো ডিজ্যাবল করে দিতে পারেন।
যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন, তারা উইনবক্স অ্যাপস ব্যবহার করে স্মার্টফোনে মাইক্রোটিক রাউটার ব্যবহার করতে পারবেন। এর জন্য এপিআই সার্ভিস দুটি আইপি সার্ভিস লিস্টে এনাবল রাখতে হবে। আর ব্রাউজার দিয়ে মাইক্রোটিক রাউটারটি কনফিগার বা অ্যাক্সেস করতে হলে www সার্ভিসটি এনাবল অবস্থায় রাখতে হবে।
মাইক্রোটিকে নতুন পাঠকদের বলছি, মাইক্রোটিক রাউটার কনফিগারেশনে সব সময় ব্যাকআপ রেখে কাজ করুন। এতে যেকোনো বড় ধরনের সমস্যা থেকে সহজেই পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব হবে। আর আইপি সার্ভিসটি ভালোভাবে বুঝে-শুনে ব্যবহার করুন। আপনার সার্ভিস ও পোর্ট এনাবল থাকা মানে ওই সার্ভিসগুলো দিয়ে যেন মাইক্রোটিককে অ্যাক্সেস করা যায়, সে পদ্ধতি সেট করে রাখা। সিকিউরিটির কথা বিবেচনা করে দুয়েকটি সার্ভিস এনাবল রেখে বাকি সার্ভিসগুলো ডিজ্যাবল করে দিন। আর মাইক্রোটিক রাউটারে স্বয়ংক্রিয় ঘড়িটি কাজ করে যেন সেদিকে খেয়াল রাখুন। ঘড়ির টাইম যদি রিয়েল টাইম হয়, তাহলেই সহজে বুঝতে পারবেন সর্বশেষ ব্যাকআপ নেয়া ফাইলটি কত তারিখের ও কোন সময়ের
ফিডব্যাক : rony446@yahoo.com

পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৫ - জুলাই সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস