Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > সঠিকভাবে হার্ডডিস্ককে ডিফ্র্যাগ করার ৭ কৌশল
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: তাসনীম মাহ্‌মুদ
মোট লেখা:১২১
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৫ - জুলাই
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
হার্ডডিস্ক
তথ্যসূত্র:
টিপস
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
সঠিকভাবে হার্ডডিস্ককে ডিফ্র্যাগ করার ৭ কৌশল
মাইক্রোসফট উইন্ডোজে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার হলো একটি ইউটিলিটি যা ডিজাইন করা হয়েছে ডিস্কে স্টোর করা ফাইল পূণর্বিন্যাস করা, যাতে ডাটা নিকটস্থ স্টোরেজ লোকেশনে থাকে এবং ডাটায় এক্সেস করার স্পিড বাড়ে। এ কৌশলকে বলা হয় ডিফ্র্যাগমেন্টেশন। মূলত ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টেশন হলো একটি প্রসেস যেখানে, একটি ভলিউমে ফ্র্যাগমেন্টেটেড ডাটাকে পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে শক্তিশালী বা সুদঢ় করা, যাতে এটি অধিকতর দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে।
কমপিউটারে কাজ করতে গেলে আমাদেরকে প্রতিনিয়তই ফাইল সেভ, ডিলিট বা পরিবর্তন করতে হয়, যা এক সময় ডাটা ভলিউম ফ্র্যাগমেন্টেশনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের সম্পাদিত কাজ সেভ করা হলে সাধারণত স্টোর হয় ভলিউমের বিভিন্ন লোকেশনে। উইন্ডোজে ফাইল কোথায় আবির্ভূত হবে, তার কোনো পরিবর্তন হয় না বরং তৈরি হওয়া ফাইলই প্রকৃত ভলিউম। এক সময় তৈরি হওয়া ফাইল এবং ভলিউম উভয়ই ফ্র্যাগমেন্টেডে হয়ে পড়বে এবং আপনার কমপিউটারের গতি কমে যাবে যেহেতু সিস্টেমকে কোনো সিঙ্গেল ফাইল ওপেন করতে বিভিন্ন জায়গা খোজ করতে হয়। ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্ট করলে হেড ট্রাবলিং কমে যায়, যা ডিস্কে ফাইল রাইট করতে বা ডিস্ক থেকে ফাইল রিড করতে।
কমপিউটারের গতি বাড়ানো এবং পারফরম্যান্স উন্নত করার অন্যতম সহজ, দ্রুততম এবং কার্যকর উপায় হলো হার্ড ডাইভ ডিফ্র্যাগমেন্ট করা। কমপিউটারের গতি বাড়ানো এবং পারফরম্যান্স উন্নত করার জন্য বর্তমানে বাজারে শত শত ডিফ্র্যাগমেন্টার পাওয়া যায় যেগুলো অফার করে মাল্টিপল ডিফ্র্যাগ এবং অপটিমাইজ অপশন। এখন স্বাভাবিকভাবে সব ব্যবহারকারীরই মনে এক সাধারণ প্রশ্ন হলো আপনার পিসিকে সেরা শেপে রাখার জন্য এবং হার্ড ডিস্ক মেইনটেনেন্সের জন্য সেরা ফিচার তথা ডিফ্র্যামেন্টার কোনটি, যা আপনর পিসিকে প্রায় টিপটপ রাখতে পারে।
কমপিউটার জগৎ-এর নিয়মিত বিভাগ পাঠশালায় এবার ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্যে দেখানে হয়েছে ড্রাইভকে যথাযথভাবে ডিফ্র্যাগ করার ৭ কৌশল যা আপনাকে সহায়তা করবে কাঙিক্ষত ফলাফল পেতে।
ইতোমধ্যে আপনি হয়তো ফ্র্যাগমেন্টেশনের কথা এবং এটি পিসির পারফরমেন্সের জন্য কী করে তাও হয়তো শুনে থাকবেন এবং চূড়ান্তভাবে ফ্র্যাগমেন্টেশন সম্পর্কে কিছু করার চিন্তা করতে পারেন। প্রথমে অনলাইনে গিয়ে কীভাবে হার্ড ডিস্ক ডিফ্র্যাগ করতে হয় এ সম্পর্কে টিপ খুজে বের করে নিন, যা ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টের কাজ করতে করেত প্রয়োজন হয় এবং যা মূলত আপনার উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে বিল্টইন। আপনি এই প্রোগ্রামসহ অন্যান্য থার্ড পার্টি প্রোগ্রামের বিভিন্ন ফিচার এবং সুযোগ-সুবিধা বিশেষ করে অধিকতর ফিচার পর্যালোচনা করে আপনার জন্য বেছে নিন সেরা ডিফ্র্যাগমেন্ট টুল। আপনি ইচ্ছে করলে ব্যবহার করার জন্য বেছে নিতে পারেন ফ্রি ডিফ্র্যাগমেন্ট টুল যেমন, Auslogics Disk Defrag যা আপনার জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হবে।
কৌশল ১ : জাঙ্ক ডিফ্র্যাগমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন
প্রকৃত অর্থে জাঙ্ক ডিফ্র্যাগমেন্টেশনের ঘটনা খুব একটা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হতে দেখা যায় না, যতক্ষণ পর্যন্ত না কেউ এ সম্পর্কে কিছু বলছেন। প্রতিদিনের কমপিউটিং জীবনে আমরা যেসব কাজ করে থাকি, সেগুলো অস্থায়ীভাবে ফাইল সৃষ্টি করে, যা সবসময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপসরিত হয় না। স্ট্যান্ডার্ড কমপিউটার মেইনটেইনেন্স রুটিনের স্বাভাবিক কাজ হওয়া উচিত নিয়মিতভাবে রিসাইকেল বিন, ব্রাউজার ক্যাশ এবং অন্যান্য অস্থায়ী ফোল্ডার খালি করা। অবশ্যই এ কাজটি করা উচিত যদি আপনি অপ্রয়োজনীয় জাঙ্কের বোঝা ডিফ্র্যাগ করার জন্য শক্তিপ্রয়োগ করে সময় অপচয় করতে না চান তবে। বিশেষ করে ডিফ্র্যাগমেন্টেশনের কাজ অপরিহার্য হওয়ার আগে। সুতরাং ক্লিনআপের পর ডিফ্র্যাগ করা নিয়ম করে নিন। কোনো কোনো ডিফ্র্যাগমেন্টার টুল এ কাজ স্বয়ংক্রিয় করে এবং এ কাজটি করে ডিফ্র্যাগমেন্ট করার আগে টেম্পোরারি ফাইল ডিলিট করার অপশন অফার করার মাধ্যমে। যদি আপনি Auslogics Disk Defrag টুল ব্যবহার করেন, তাহলে এ প্রোগ্রাম যাতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লিনআপ করতে পারে সেজন্য প্রথমে মূল মেনুর Settings ট্যাবে গিয়ে Program Settings - Algorithms বেছে নিন এবং Delete temporary files before defragmenting বক্স চেক করুন। এরফলে নিশ্চিত থাকতে পারবেন যে আপনি কখনোই ডিফ্র্যাগমেন্টশনের কোনো ধাপ ভুল করবেন না।
কৌশল ২ : যা ডিফ্র্যাগ করা দরকার, শুধু তাই ডিফ্র্যাগ করুন
ফ্র্যাগমেন্টেশন খারাপ। ব্যবহারকারীর মনে হতে পারে, প্রতিটি সিঙ্গেল ফাইলকে আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যা প্রকৃত পক্ষে সব সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। কিছু নির্দিষ্ট ফাইল ফ্র্যগমেন্টেশনের পারফরমেন্স ইফেক্ট জিরো হয়। সুতরাং এসব ফাইল প্রসেস করার অর্থ শুধু সময় এবং শক্তি অপচয় করা নয় বরং হার্ড ড্রাইভের আয়ুষ্কালও যথেষ্ট মাত্রায় কমিয়ে দেয় ডিস্কে মাত্রতিরিক্ত রাইটিংয়ের কারণে।
দীর্ঘ ফাইল সাধারণত দীর্ঘ ফ্র্যাগমেন্টে ভেঙ্গে যায়। এসব ফাইলের জন্য সাধারণত ডিফ্র্যাগের দরকার হয় না। কেননা মাইক্রোসফট ৬৪ মেগাবাইটকে সেট করেছে ফ্র্যাগমেন্টশনের সূত্রপাত তথা আরম্ভ হিসেবে। সাধারণত এরপর থেকে অর্থাৎ ফ্র্যাগমেন্টেশনের সাইজ ৬৪ মেগাবাইটের বেশি হলে ফ্র্যাগমেন্টকে বিবেচনা করা হয় দীর্ঘ ফ্র্যাগমেন্টশন হিসেবে যা যুক্ত হয় ফ্র্যাগমেন্টশ স্ট্যটিস্টিক্সে। সুতরাং, ফ্র্যাগমেন্টারের সাইজ ৬৪ মেগাবাইটের বেশি হলে উইন্ডোজ বিল্ট-ইন ডিফ্র্যাগমেন্টার টুল ফাইল ফ্র্যাগমন্ট প্রসেস করবে না অথবা সেগুলোকে সম্পৃক্ত করবে যখন ডিস্ক ফ্র্যাগমেন্টেশনের পার্সেন্টেজ ক্যালকুলেট করা হয়। Auslogics Disk Defrag টুল আপনাকে প্রদান করবে অধিক শক্তি যাতে ফ্র্যাগমেন্টেশনের সাইজ নির্দিষ্ট করতে পারেন। আপনি ইচ্ছে করলে নিজস্ব থ্রেসল্ট কনফিগার করতে পারবেন Settings - Program Settings - Algorithms এ গিয়ে এবং ফ্র্যাগমেন্টের ন্যূনতম সাইজকে সেট করার জন্য Skip fragments larger than বক্সে টিক দিয়ে কাঙিক্ষত সাইজ বেছে নিন। এটি হতে পারে এক ১ মেগাবাইট থেকে ১০ গিগাবাইট পর্যন্ত অথবা আপনি Skip fragments larger than চেক বক্সে টিক নাও দিতে পারেন । এরফলে প্রোগ্রাম প্রতিটি সিঙ্গেল ফাইল প্রসেস করতে পারে।
কৌশল ৩: সিস্টেম রেস্টোর পয়েন্ট না হারানো
উইন্ডোজ ভিস্তা বা উইন্ডোজের পরবর্তী ভার্সন চালিত সিস্টেমে যারা ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার টুল ব্যবহার করেন, তাদের কাছে একটি সাধারণ এবং বহুল পরিচিত অভিযোগ হলো- সিস্টেম রেস্টোর পয়েন্ট হারিয়ে গেছে। ডিফ্র্যাগ অপারেশন ফাইলকে সরিয়ে নেয়ার করণে ভলিউম শ্যাডো কপি সার্ভিস (CSS) ফিচার এক সণ্যাপশট তৈরি করে যা পুরানো ফাইলকে ওভাররাইট করে এবং রেস্টোর পয়েন্ট ডিলিট হওয়ার কারণ হয়ে দাড়াঁয়। যদি আপনার হার্ড ড্রাইভে ভিএসএস অ্যানাবল করা থাকে অথবা আপনি যদি নিশ্চিত হতে না পারেন তাহলে Auslogics Disk Defrag টুল ইনস্টল করার পর প্রথম যে কাজটি করতে হবে, তাহলো - Program Settings-Algorithms এ গিয়ে প্রোগ্রামকে VSS-compatible mode-এ ডিফ্র্যাগমেন্ট করার জন্য সেট করতে হবে। এটি ভিএসএস স্টোরেজ এরিয়ার অতিরিক্ত ক্রমোন্নতি প্রতিরোধ করে এবং নিশ্চিত করে আপনার রিস্টোর পয়েন্ট অক্ষত থাকবে।
লক্ষণীয়, সব ডিফ্র্যাগারে এই অপশন নেই, সুতরাং এটি কখনো ব্যবহার না করার বিষয় নিশ্চিত করুন যদি ভিএসএস অ্যানাবল থাকে তাহলে করা দরকার নেই।
কৌশল ৪ : এসএসডি এড়িয়ে যাওয়া
সলিড স্টেট ড্রাইভ (SSD) ডিফ্র্যাগমেন্টিং এক বিতর্কিত বিষয়। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ এক মত প্রকাশ করেন যে এসএসডি ড্রাইভ ভালোর চেয়ে বেশি ক্ষতি করে। যেহেতু এসএসডি এর মুভিং অংশ নেই, এদের ডাটা রিড করা হয় একটু ভিন্নভাবে, উল্লেখযোগ্যভাবে দ্রুতগতিতে। কাছাকাছি ব্লকের ফ্র্যাগমেন্ট ফাইল রিড করা আর পুরো ড্রাইভ জুড়ে বিক্ষেপ্তভাবে ছড়ানো ছিটানো ফ্র্যাগমেন্ট ফাইল রিড করার মধ্যে সাধারণত কোনো পার্থক্য কোনো দেখা যয়া। এ ছাড়া আধুনিক এসএসডি ফ্র্যাগমেন্টকে সেলে রাখার উদ্দেশে ফাইলকে ভেঙ্গে ফেলতে পারে যা ব্যাপকভাবে খুব একটা ব্যবহার হয় না। যেহেতু ডিফ্র্যাগমেন্টেশন চতুর্দিকের ফাইল অন্তর্ভূক্ত এবং রাইট করে, তাই এসএএডি্এর জন্য ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়াঁতে পারে।
Auslogics Disk Defrag টুল আপনাকে প্রোগ্রাম সেট করার সুযোগ দেবে যাতে আপনার এসএসডি ড্রাইভ লিস্ট প্রদর্শন না করে। দুর্ঘটনাক্রমে ডিফ্র্যাগমেন্টেশন যাতে চালু না হয় তা প্রতিরোধ করে ।
কৌশল ৫ : যেখানকার ফাইল সেখানে রাখুন
বিভিন্ন ধরনের ডিফ্র্যাগমেন্টার বিভিন্ন ধরনের অপটিমাইজেশন অ্যালগরিদম ব্যবহার করতে পারে। Auslogics Disk Defrag Uz‡ji Defrag & Optimize ফিচার ফাইল ডিফ্র্যাগমেন্টিংয়ের পাশাপাশি ড্রাইভে ফ্রি স্পেস সুদৃঢ় করে, মাস্টার ফাইল টেবল (MFT) এর জন্য সংরক্ষেত স্পেসে রেগুলার ফাইলকে সরিয়ে নেয় এবং সিস্টেম ফাইলকে সরিয়ে হার্ড ডিস্কের সামনে নিয়ে আসে।
সিস্টেম ফাইলগুলো আপনার অপারেটিং সিস্টেমের জন্য অপরিহার্য। এসব ফাইলের যথাযথ প্লেসমেন্ট সিস্টেমের পারফরমেন্স বেশ উন্নত করতে পারে। এসব ফাইল ড্রাইভের চতুর্দিকে বিক্ষেপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে পারে। ফলে যখন ফাইলে এক্সেসের প্রয়োজন হবে, তখন উইন্ডোজকে ড্রাইভের সব জায়গায় খোজ করতে হয়। ভালো ডিফ্র্যাগমেন্টারে পাবেন সিস্টেম ফাইলকে হার্ড ড্রাইভের সামনে প্লেস করার অপশন। যেখান থেকে উপাদানগুলো দ্রুতগতিতে রিড করা যায়। Auslogics Disk Defrag টুলে আপনি Settings - Program Settings – Algorithms–এ এই অপশন সিলেক্ট করতে পারবেন। অবশ্য এতে ডিফ্র্যাগমেন্টেশনকে বেশ ধীর গতিসম্পন্ন করে ফেলে। সুতরাং সব সময় ডিফ্র্যাগের জন্য এ অপশন উপযোগী নয়। এ ফিচার সপ্তাহে অন্তত একবার বা মাসে একবার ব্যবহার করা উচিত।
কৌশল ৬ : ডিফ্র্যাগমেন্টেশন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ার অপেক্ষায় থাকার দরকার নেই
আধুনিক ডিফ্র্যাগমেন্টার যেমন Auslogics Disk Defrag দিয়ে আপনি পিসি ব্যবহার করতে পারেন যখন ডিফ্র্যাগমেন্টেশন রানিং থাকে। এখনো অনেক ব্যবহারকারীর মনে করেন, যদি আপনি সেরা আউটপুট পেতে চান, তাহলে, পিসির ব্যবহার সীমিত করা এক ভালো অভ্যাস অথবা পিসির কাছ থেকে যখন দূরে থাকবেন, তখন ডিফ্র্যাগ রান করা উচিত। অনেক ব্যবহারকারী আছেন, যারা দিন শেষে ডিফ্র্যাগ করতে পছন্দ করেন। Auslogics Disk Defrag টুলের ক্ষেত্রে অপারেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে না অথবা সারা রাতের জন্য পিসিকে অন রাখা দরকার নেই। ডিফ্র্যাগমেন্টেশন শেষে কমপিউটারকে শাটডাউন করার জন্য রয়েছে এক সহজ চেক বক্স। এই চেক বক্সে টিক করা থাকলে পিসি নিরাপদে বন্ধ হবে ডিফ্র্যাগমেন্টেশন শেষে।
কৌশল ৭ : মন আবিষ্ট করা বা না করা, যদি আপনি সত্যি সত্যি পছন্দ করেন
ডিফ্র্যাগমেন্টেশন আকষর্ণীয় হতে পারে এবং অনেক পিসি ব্যবহারকারী ডিফ্র্যাগমেন্ট প্রসেসকে মন্ত্রমুগ্ধ নয়নে অবলকন করতে থাকেন। এখানে দুটি বিষয় লক্ষণীয়- আপনি সম্ভবত আকর্ষণীয় ডিফ্র্যাগমেন্ট প্রসেসে মনো আবিষ্ট হয়ে হার্ড ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টেশনের পয়েন্ট পুরোপুরি হারিয়ে ফেলতে পারেন। অপর দিকে আপনি পেতে পারেন যথার্থ নতুন এক নতুন কার্যকর চিত্তবিনোদনের কৌশল। যেহেতু ধারণা করা হয়, ডিফ্র্যাগমেন্টেশন কমপিউটারকে দ্রুততর করে এবং কাজ শেষ করার সময় আপনাকে কমপিউটারের সামনে বসিয়ে না রাখতে সহায়তা করে।
Auslogics Disk Defrag আবির্ভুত হওয়া ক্লাস্টার ম্যাপকে কাস্টোমাইজ করার সুযোগ দেয়। আপনি প্রায় এক ডজনের বেশি লুক থেকে একটি বেছে নিতে পারেন অথবা প্রতি বার ডিফ্র্যাগের সময় একটি নতুন লুক বেছে নিতে পারেন। এটি এমন এক ফিচার যা উইন্ডোজের বিল্ট-ইন ডিফ্র্যাগ টুলে পাওয়া যায় না। Auslogics Disk Defrag টুলে আপনি ম্যাপে স্বতন্ত্র ব্লকে ক্লিক করতে পারবেন এবং দেখতে পারবেন সেখানে কোন কোন ফাইল আছে, সেখানে কতগুলো ফ্র্যাগমেন্ট আছে এবং তাদের স্ট্যাটাস কী ইত্যাদি জানতে পারবেন। প্রতিটি অপারেশনের পর আপনি একটি রিপোর্ট পাবেন। সুতরাং আপনি খুব সহজেই দেখতে পারবেন কী হয়েছে, কেন সেখানে ফ্র্যাগমেন্টেড রয়েগেছে ইত্যাদী।
উইন্ডোজ ওএস চালিত আধুনিক হার্ড ড্রাইভে ডিফ্র্যাগমেন্টেশন এখনো এক অপরিহার্য কাজ। ডিফ্র্যাগমেন্টেশন মোটেও কোনো ভীতিকর কোনো কাজ নয় অথবা আপনি ভাবেন না এমন কোনো কাজও নয়। আধুনিক ডিফ্র্যাগমেন্টার যেমন Auslogics Disk Defrag টাস্কে সুবিধাজনক সময়ের জন্য শিডিউল করতে পারেন যেমন, পিসিকে সেট করতে পারেন অপারেশনের পরে শাটডাউন হবে, বা সত্যি সত্যি উপভোগ করছেন কাস্টোমাইজেশন লুকসহ ডিফ্র্যাগমেন্টেশন। ডিফ্র্যাগের দরকার আছে কী নেই তা বিবেচ্য বিষয় নয়, সঠিকভাবে ডিফ্র্যাগের উপায় কী ইত্যাদী বিষয় এ লেখায় তুলে ধরা হয়েছে
ফিডব্যাক : swapan5200@yahoo.com
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৫ - জুলাই সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস