Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > এশিয়া প্যাসিফিক আইসিটি অ্যালায়েন্সের স্বীকৃতি পেল বেসিস এবার এশিয়ার বাজারে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: শামীম আহসান
মোট লেখা:১
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৫ - এপ্রিল
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
আইসিটি
তথ্যসূত্র:
রির্পোট
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
এশিয়া প্যাসিফিক আইসিটি অ্যালায়েন্সের স্বীকৃতি পেল বেসিস এবার এশিয়ার বাজারে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ
সভাপতি, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংগঠন এশিয়া প্যাসিফিক আইসিটি অ্যালায়েন্সের (অ্যাপিকটা) সদস্যপদ পেয়েছে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। গত ২৩ থেকে ২৫ মার্চ সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত অ্যাপিকটার ৪৮তম কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় বেসিস এই সদস্যপদ পায়। আর অ্যাপিকটার মাধ্যমে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে ছয়টি বিষয়ে কাজ করবে বেসিস, যা বেসিসের ওয়ান বাংলাদেশ ভিশন ও সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সহায়ক হবে এবং এশিয়ার বাজারে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। এই ছয়টি বিষয় নিয়েই এ লেখা।
এশিয়ার তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বড় সংগঠন হলো অ্যাপিকটা। এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংগঠনের এই জোট মূলত সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে নিজ নিজ দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সেক্টরের কাঠামো গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে থাকে। এছাড়া সদস্য দেশগুলের নিজস্ব তথ্যপ্রযুক্তিকে বিশ্ববাজারে তুলে ধরা, তথ্যপ্রযুক্তির সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি ইনোভেশনগুলোকে এগিয়ে নিতে বেশ শক্ত ভূমিকা রাখে এই জোট। অ্যাপিকটার অন্য সদস্য দেশগুলো হলো : অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনাই, চীন, চাইনিজ তাইপে, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, ম্যাকাও, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম। বাংলাদেশের সাথে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ব্যবসায় সম্ভাবনা বাড়াতে অ্যাপিকটার সদস্যপদ নেয়ার জন্য সস্প্রতি আবেদন করে বেসিস। এপিকটার সদস্যপদ পেতে নিজ দেশের তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়নে সরকারের সাথে কাজ করা নিবন্ধিত আইসিটি সংগঠন, স্থানীয়ভাবে অ্যাপিকটা অ্যাওয়ার্ড আয়োজনের সক্ষমতাসহ ছয়টি যোগ্যতা পূরণ করতে হয়। যোগ্যতা পূরণ করে আবেদনের পর বেশ কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে টিকে গেলে আবেদনকারী সংগঠনকে সদস্যপদ পাওয়ার যথার্থতা তুলে ধরে নির্বাহী কমিটির কাছে প্রেজেন্টেশন দিতে হয়। এরপর কমিটি সদস্যপদ ঘোষণা করে। তারই ধারাবাহিকতায় অ্যাপিকটার ৪৮তম কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় বেসিস প্রতিনিধি দলের অংশ নেয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ মার্চ সিঙ্গাপুরে এপিকটার নির্বাহী কমিটির কাছে বাংলাদেশের আইসিটি সেক্টরের উন্নয়ন ও সম্ভাবনা নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন দিই। উপস্থিত সদস্য দেশগুলো আমাদের কার্যক্রম দেখে সন্তুষ্ট হন ও ভূয়সী প্রশংসা করেন। এর আগে আমিসহ আমার সফরসঙ্গী এশিয়ান-ওশেনিয়ান কমপিউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশনের (অ্যাসোসিও) সাবেক চেয়ারম্যান আবদুলস্নাহ এইচ কাফী ও বেসিসের মহাসচিব উত্তম কুমার পাল সদস্য সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করি এবং বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দেয়ার অনুরোধ জানাই। এই অনুরোধের ফলে ও আমাদের প্রেজেন্টেশনে অভিভূত হয়ে তারা ভোট দেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বেসিস অ্যাপিকটার সদস্যপদ অর্জন করে।
পলিসি বিনিময় করা
অ্যাপিকটার সাথে সবচেয়ে বড় যে বিষয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে, সেটি হলো পলিসি বিনিময় করা। বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় আইসিটি পলিসি, আইসিটি অ্যাক্ট, জাতীয় আইসিটি ইন্টার্নশিপ গাইডলাইন, আইটি সিএ রুলস, জাতীয় ডাটা সেন্টার ইউজার পলিসি, এক্সপোর্ট পলিসি, ইমপোর্ট পলিসি, ইমপোর্ট অ্যান্ট এক্সপোর্ট অ্যাক্ট, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্টসহ বিভিন্ন পলিসি ও অ্যাক্ট বিনিময় করতে পারব। এর ফলে যেসব দেশের পলিসি সফল, সেসব দেশের পলিসি আমাদের পলিসি ও অ্যাক্টে যুক্ত করতে পারব। এতে অ্যাপিকটার প্রতিটি দেশই উপকৃত হবে। আমরা শিগগিরই অ্যাপিকটার সদস্যদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করব এবং সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করব। এতে আমরা কী কী বিষয়ে কাজ করতে পারি, তা উল্লেখ করা হবে।
বাণিজ্যে প্রসার
অ্যাপিকটা সদস্য দেশগুলোর তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য এবং সেবার উন্নয়ন ও প্রসারে কাজ করে। এছাড়া প্রতিবছর তথ্যপ্রযুক্তির সেরা উদ্ভাবনগুলোকে অ্যাপিকটা অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়। আয়োজন করা হয় বিজনেস ম্যাচমেকিং- যেখানে বিনিয়োগকারী, সম্ভাব্য পার্টনার ও ভোক্তাদের সম্মিলন ঘটানো হয়। এছাড়া বিজনেস এক্সপো, সেমিনার ও ট্রেড মিশনের মাধ্যমে পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময় ও উন্নয়ন দেখানো হয়। এর ফলে অ্যাপিকটার অন্য দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায়ীদের একটি মেলবন্ধন তৈরি হবে। তাদেরকে আমাদের পণ্য ও সেবার মান দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে তারা আমাদের এসব পণ্য ও সেবা নিতে আগ্রহী হবে। ফলে বাণিজ্যের সম্ভাবনা বাড়বে।
অবকাঠামো বিনিময়
বিশ্ব অর্থনীতিতে সামনের দিনগুলোতে পথ দেখাবে এশিয়া। অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে বেশি। আগামী দিনের বিনিয়োগের ক্ষেত্র হিসেবে ইতোমধ্যে পরিচিতি পেতে শুরু করেছে এ অঞ্চল। আর উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে বিশেষভাবে বিবেচনা করছে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো। ইতোমধ্যেই স্যামসাংসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান তাদের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আরঅ্যান্ডডি) সেন্টার বাংলাদেশে স্থাপন করেছে। এ ধরনের আরও প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে আনতে তাদেরকে আমাদের অবকাঠামো সুবিধা দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমরা কালিয়াকৈর হাইটেক পার্ক, জনতা টাওয়ারের সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় আইসিটি হাব দ্রুত চালু করে তাদের অবকাঠামোগত সুবিধা দিতে পারি। অ্যাপিকটার মাধ্যমে ঠিক একইভাবে আমরাও সদস্য দেশগুলোতে আমাদের নিজস্ব প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে সে দেশে বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে পারি।
ই-কমার্সের প্রসার
বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশ এখন অনেক ক্ষেত্রেই উদাহরণ হয়ে উঠছে। ই-কমার্সেও তাই। এই ক্ষেত্রটিতেও দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, দেশে বর্তমানে বছরে ই-কমার্সের মাধ্যমে ২০০ কোটি টাকারও বেশি লেনদেন হচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে অনেক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও বাংলাদেশের ই-কমার্সে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বহির্বিশ্বেও সাড়া ফেলেছে। ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (ইউএনসিটিএডি) সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর ই-কমার্সে এগিয়ে যাওয়ার উদাহরণে বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। দেশে এখন প্রায় ১২ কোটি মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী। এছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ৪ কোটি। এছাড়া ফেসবুক ব্যবহারকারী প্রায় ১ কোটি। পাশাপাশি নতুন ই-কমার্স অ্যাপ্লিকেশন, প্ল্যাটফর্ম ও পেমেন্ট সুবিধার কারণে ই-কমার্সের ব্যবহার সহজতর হয়েছে। এসব কারণে দেশে ই-কমার্সের প্রসার বাড়ছে। বর্তমানে বিজনেস টু বিজনেস (বিটুবি) তুলনায় বিজনেস-টু-কনজ্যুমারের (বিটুসি) মূল্যমান অনেক কম। বিটুবি মূল্য যেখানে ১৫ ট্রিলিয়নে দাঁড়িয়েছে, সেখানে বিটুসি মূল্য এখন মাত্র ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার। তবে এশিয়া ও আফ্রিকায় বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এই ক্ষেত্রটি দ্রুত বাড়ছে। ২০১৮ সাল নাগাদ উন্নয়নশীল ও পরিবর্তনশীল অর্থনীতির দেশগুলোতে বিটুসি ই-কমার্স আরও ৪০ শতাংশ বেড়ে যাবে। এই ক্ষেত্রটিতে উন্নতি করতে তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো খাত, লজিস্টিক ও ট্রেড সুবিধা, আইনগত ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, ই-পেমেন্ট সিস্টেম, প্ল্যাটফর্ম ও দক্ষতা উন্নয়নের মতো বিষয়গুলোতে নীতিনির্ধারণী ভূমিকা নিতে হবে। আন্তর্জাতিক আলোচনা ও সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করতে ই-কমার্সের প্রচার বাড়াতে হবে। আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক নিয়মকানুন, কর, সক্ষমতা বাড়ানোর মতো বিষয়গুলোতে জোর দিতে হবে। আর এই প্রসারকে আরও ত্বরান্বিত করবে বেসিসের অ্যাপিকটা মেম্বারশিপ প্রাপ্তি। বেসিস অ্যাপিকটার অন্যান্য সদস্য সংগঠন বা দেশের সাথে বিটুবি-বিটুসি মিটিং, কারিগরি সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের ই-কমার্স ক্ষেত্রকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারবে।
আইটি ও বিপিও ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ
বেসিসের দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক উদ্যোগ বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম) গত সাত বছরে প্রায় ১০ হাজার দক্ষ জনশক্তি তৈরি করেছে। এছাড়া আগামী তিন বছরে বিনামূল্যে ২৩ হাজার দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে বেসিস। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইআইপি) প্রকল্পের অধীনে এই জনশক্তি তৈরিতে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠন ও প্রশিক্ষণ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২০১৮ সালের মধ্যে ১০ লাখ দক্ষ জনশক্তি তৈরির মাইলফলক ঘোষণা করেছে বেসিস। এই বিপুল সংখ্যক দক্ষ জনশক্তি দেশের আইটি কোম্পানিগুলো ছাড়াও বিদেশে চাকরির অপার সম্ভাবনা থাকছে। বেসিসের অ্যাপিকটাতে সংযুক্ত হওয়ার ফলে এই সম্ভাবনা আরও বেড়ে গেল। অ্যাপিকটা যেহেতু সদস্য সংগঠনগুলোর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে আইসিটি মানবসম্পদ গড়ে তোলা ও তাদের চাকরির সুযোগ তৈরি করে। তাই এই দেশগুলোতে আমাদের বিশ্বমানের দক্ষ জনশক্তির কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।
বিনিয়োগ বৃদ্ধি
গত বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশী একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে বিনিয়োগের মাধ্যমে সিলিকন ভ্যালিভিত্তিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ফেনক্স ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে ২০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়া সুইজারল্যান্ডের ইনভেস্টমেন্ট এবি কিনেভিক, নরওয়ের এসএনটি ক্লাসিফায়েডস, রকেট ইন্টারনেট, সিফসহ বিশ্বের বিভিন্ন নামীদামী কোম্পানি ও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করছে। এর ফলে ওইসব কোম্পানি বছরে ৪-৫ গুণ রিটার্ন পাচ্ছে। দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিংয়ে শুধু যুক্তরাজ্য ও ইউরোপে ফোকাস করলেই হবে না, এশিয়ার দেশগুলোকেও গুরুত্ব দেয়া জরুরি। যেহেতু এই অঞ্চলে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে অ্যাপিকটা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে, তাই এর সদস্য হতে পেরে বেসিস সদস্য দেশগুলোর সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করতে পারবে। অ্যাপিকটার সদস্য দেশগুলোতেও আন্তর্জাতিক মানের অনেক কোম্পানি রয়েছে। এসব কোম্পানির কাছে সঠিকভাবে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে পারলে তাদেরকেও বাংলাদেশে আনা সম্ভব হবে। আর এর মাধ্যমে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিনিয়োগ বাড়বে। বেসিসেরও ‘ওয়ান বাংলাদেশ’ ভিশন বাস্তবায়ন হবে।
পরিশেষে বলতে চাই, আগামীতে তথ্যপ্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকবে এশিয়া। এখনই অনেকাংশে এগিয়ে গেছে। আগামী দশকে এশিয়া তথ্যপ্রযুক্তিতে নেতৃত্ব দেবে এবং সেখানে বাংলাদেশ একটি শীর্ষস্থানীয় আইটি গন্তব্যস্থল (ডেস্টিনেশন) হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে। আমরা ১ বিলিয়ন ডলারের যে রফতানি করব, তার মধ্যে ৩৫০ মিলিয়ন ডলার আসবে এশিয়া থেকে। তাই দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে আমাদেরকে পশ্চিমা বিশ্বের পাশাপাশি পূর্বেও নজর দিতে হবে


পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৫ - এপ্রিল সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস
অনুরূপ লেখা