Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > ওয়ারলক
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: কজ
মোট লেখা:১০৪১
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৫ - এপ্রিল
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
গেম
তথ্যসূত্র:
খেলা প্রকল্প
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
ওয়ারলক
ওয়ারলক
অনিন্দ্যসুন্দর একটি দিনের আকাশ কালো করে যখন এলিয়েনরা নেমে আসে, তখন পৃথিবীর মানুষকে কষ্টের নতুন অর্থ শিখতে হয়। আর তখন মানুষকে মুক্তি দিতে জেগে ওঠেন একদল যোদ্ধা। গেমারকে খেলতে হবে তাদেরই দলনেতা হয়ে। বিভিন্ন কায়দায় জাদু আর নানা অস্ত্রের সাহায্যে অসংখ্য মায়াবী জাদুপূর্ণ ঘর, পাজলস আর এলিয়েনদের পার করতে হবে। যুদ্ধ করতে হবে অসংখ্য এলিয়েন, জাদুকর, জম্বি, ভয়াবহ জন্তু ও যোদ্ধাদের সাথে।
গেমে গেমারের লক্ষ থাকবে স্বর্ণভা-ার। এজন্য পথে গেমার পাবেন বিভিন্ন ধরনের ম্যাপ, রত্নভা-ার, অস্ত্র, আপগ্রেড। এছাড়া থাকছে বিভিন্ন ধরনের রিউন্স। যেগুলো দিয়ে গেমার তার হিরোর নানা জাদুকরী ক্ষমতার শক্তি বাড়াতে পারবেন। গেমারকে গেমের শুরুতেই যেকোনো একজনকে নিয়ে খেলা শুরু করতে হবে। প্রত্যেক হিরোর রয়েছে আলাদা ক্ষমতা, ভিন্নতর স্টোরি সেট। প্রত্যেক বস ব্যাটল গেমারের গেমিং অভিজ্ঞতাকে নিয়ে যাবে অনন্য এক উচ্চতায়। হিরো শিখে নেবেন শক্তিশালী সব জাদু, দ্রুত জীবন বাঁচানোর দক্ষতা। পাওয়া যাবে ক্রস বো, গ্রেনেড, পিস্তল, ধারালো ফাঁদসহ অনেক কিছু। কিন্তু সবকিছু ছাড়িয়ে গেমারকে নির্ভর করতে হবে নিজের সিদ্ধান্তগুলোতে, যার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে সবকিছুর ভবিষ্যৎ। নিজের চেহারা লুকিয়ে রাখতে হয় যান্ত্রিক মৃত্যু-মুখোশ দিয়ে। টান টান উত্তেজনা সত্ত্বেও গেমের সত্যিকারের স্বাদ বেরিয়ে আসে স্থৈর্য আর মনোযোগের মধ্য দিয়ে। গেমটির গ্রাফিক্স হালের গেমগুলোর মতো চোখ ধাঁধানো না হলেও এর বাস্তববাদী কন্ট্রোল ব্যবস্থা ও শব্দ-কৌশল গেমারের সাথে আত্মিক করে তুলে। গেমটির উন্নত এইমিং প্যানেল আর সমৃদ্ধ ইনভেন্টরি- সব মিলিয়ে গেমটিকে করে তুলেছে গেমারদের পছন্দের প্রথমসারির গেমগুলোর একটি। আর এর অনন্যসাধারণ স্টোরিলাইন গেমটিকে একটি শিল্পে পরিণত করেছে।
গেম রিকোয়ারমেন্ট
উইন্ডোজ : এক্সপি/ভিসতা/৭, সিপিইউ : কোরআই৩ ২.২ গিগাহার্টজ/এএমডি অ্যাথলন, র্যা ম : ২ গিগাবাইট উইন্ডোজ এক্সপি/২ গিগাবাইট উইন্ডোজ ভিসতা/৭, ভিডিও কার্ড : ৫১২ মেগাবাইট উইথ পিক্সেল শেডার, সাউন্ড কার্ড, কীবোর্ড ও মাউস
এনিমি
এনিমি পুরোটাই এমন এক প্রণোদনা, যেখানে গেমার প্রতিমুহূর্তে যুদ্ধক্ষেত্রকে, যুদ্ধকে অনুভব করবেন নিজের প্রতিটি রক্তকণিকায়। সামনে থেকে ছুটে আসা গুলিকে মনে হবে যেন নিজের কানের পাশ দিয়েই শিষ কেটে গেল। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, এনিমি খেলতে সবচেয়ে বেশি যেটা প্রয়োজন, তা হচ্ছে ধৈর্য। অপেক্ষা করতে হবে প্রতিটি সতর্ক মুহূর্তের মাঝে প্রতিটি অসতর্কতার। সুযোগ বুঝে আঘাত হানতে হবে কঠিন রক্ষাব্যূহের সবচেয়ে দুর্গম কিন্তু মোলায়েম জায়গায়। বাস্তবের নিউইয়র্ক শহরের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা গেমটির আসল আকর্ষণ এর কমব্যাট স্টাইল।
মোটামুটি সাধারণ পাওয়ার নিয়ে গেমটি শুরু করলেও সময়ের সাথে সাথে প্রচুর আপগ্রেড পাবেন। বিভিন্ন অ্যাকশন থেকে আপনার এক্সপেরিয়েন্স পয়েন্ট বাড়বে, যা থেকে আপনি পাবেন বাড়তি সব সুবিধা। অস্ত্র আর পাওয়ার কেনার দোকানটিও কম বড় নয়, ক্ষুরধার বেস্নড থেকে শুরু করে নানা আধুনিক অস্ত্র পাবেন অস্ত্রাগারে। আর পাওয়ারের তো অভাবই নেই। মাটির নিচ থেকে কাঁটা বের করে শত্রুকে গেঁথে ফেলা, ঘূর্ণিঝড়ের সাহায্যে শত্রুকে দিশেহারা করা ইত্যাদি নানা ধরনের পাওয়ার কিনতে পারবেন। বিভিন্ন লেভেলে বিভিন্ন কিংবা সব অস্ত্রই গেমার ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু সবকিছুতেই থাকবে এনিমিদের একচ্ছত্র আধিপত্য। গেমটির প্রেক্ষাপট গড়ে উঠেছে এমনই একটি প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। এনিমি এমন একটি সংস্থা, যারা অন্য সব কিছুর ওপর সামরিক শক্তিকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আর কিছুদিনের মধ্যেই এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ভীতি উদ্রেককারী একটি সংস্থায় পরিণত হলো। কারণ এরা এমন এক ধরনের প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে, যা দিয়ে স্থানকে পরিবর্তিত করে দেয়া যায়। এরা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে পৃথিবীর সবচেয়ে নিষ্ঠুরতম মিলিটারি ফোর্স তৈরি করার কাজে নেমে পরে, যার পরবর্তী পরিণাম ছিল নিঃসন্দেহে ভয়াবহ।
এরা এক সেনাদল গড়ে তুলে। তাদের প্রত্যেককে দেয়া হয় নিজস্ব রি-জেনারেশন ক্ষমতা। ধীরে ধীরে সংস্থাটির সেনাদলের ভয়ঙ্কর এজেন্টরা ছড়িয়ে পড়ে পৃথিবীজুড়ে। গেমের গল্প অসম্ভব সুন্দর না হলেও রোমাঞ্চকর সব বাঁকে ভরা। তাই গেমটিতে এরপর কী হবে, তা এখানে ফাঁস করব না।
গেমটি অবশ্যইা ‘বস্নাড বাথ’ ধরনের গেম। বিভিন্ন শক্তিশালী এজেন্ট, সেনাবাহিনী, রোবটদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে গেমারকে। গেমারের আছে ডার্ট চিপ, যা দিয়ে তিনি সময়কে কিছু ভগ্নাংশের জন্য ধীর করে দিতে পারেন। তিনি মানুষের মনে কিছু জটিল ফাংশনও তৈরি করতে পারেন। যার ফলে একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর তিনি কোনো মানুষকে আত্মহত্যা, অন্যকে হত্যা করা কিংবা ভুল করে নিজেকে আঘাত করে ফেলা প্রভৃতি কাজ করতে পারেন। আছে অনেক ধরনের অস্ত্র ও আপগ্রেড। প্রতিটি অস্ত্রের একাধিক ফায়ারিং মোড গেমটিকে অন্য সব ফার্স্ট পারসন শুটিং গেম থেকে অভিনবত্ব এনে দিয়েছে। সুতরাং গেমারদের উচিত দেরি না করে এখনই এনিমিদের হাত থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করা।
গেম রিকোয়ারমেন্ট
উইন্ডোজ : এক্সপি/ভিসতা/৭, সিপিইউ : কোরআই৩ ১.২ গিগাহার্টজ/এএমডি অ্যাথলন, র্যা ম : ২ গিগাবাইট উইন্ডোজ এক্সপি/২ গিগাবাইট উইন্ডোজ ভিসতা/৭, ভিডিও কার্ড : ২৫৬ মেগাবাইট উইথ পিক্সেল শেডার, সাউন্ড কার্ড, কীবোর্ড ও মাউস

পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৫ - এপ্রিল সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস