Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > পিসির ঝুটঝামেলা
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: কজ
মোট লেখা:১০৪১
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৫ - মার্চ
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
ট্রাবলশূটিং
তথ্যসূত্র:
ট্রাবলশুটিং
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
পিসির ঝুটঝামেলা
সমস্যা : আমার একটি স্টেশনারি দোকান আছে। এতে স্টেশনারি পণ্য বিক্রির সাথে সাথে ফটো কপি, প্রিন্টিং, স্ক্যানিং ইত্যাদি সার্ভিসও দিয়ে থাকি। কিছুদিন আগে একজনের পেনড্রাইভ থেকে ডাটা কপি করে নেয়ার আগে স্ক্যান দিয়ে অনেকগুলো ভাইরাস পেয়েছিলাম। আমি অ্যাভাইরা অ্যান্টিভাইরাস ফ্রি ভার্সন ব্যবহার করি। এরপর থেকে পিসি অনেক সেস্না হয়ে গেছে। পিসির কিছু কিছু ফাইল শর্টকাট হয়ে গেছে। পিসিতে ইনস্টল করা অনেক সফটওয়্যার ঠিকমতো কাজ করছে না। নানা ধরনের এরর মেসেজ আসছে। আমি উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার করি। একজন পরামর্শ দিলেন পিসির এক্সপি বদলে উইন্ডোজ সেভেন দিতে। কিন্তু আমি এক্সপি ব্যবহারে অভ্যস্ত, তাই উইন্ডোজ সেভেন ব্যবহার করতে চাচ্ছি না। এমন অবস্থায় উইন্ডোজ বদল না করে কোনোভাবে কি পিসি ঠিক করা যাবে?
- মাসুম, মিরপুর
সমাধান : আপনার কাজের স্বার্থে পিসিতে অনেকজনের পেনড্রাইভ ব্যবহার করতে হয়। তাই আপনার পিসির জন্য প্রথম যে জিনিসটি লাগবে, তা হচ্ছে ভালোমানের অ্যান্টিভাইরাস বা ইন্টারনেট সিকিউরিটি সফটওয়্যার। ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস কিছুটা সুরক্ষা দিয়ে থাকে, তবে তা আপনার কাজের জন্য যথেষ্ট নয়। তাই ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস আনইনস্টল করে দিয়ে তাতে ভালোমানের অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করে নিন। এ ক্ষেত্রে বিটডিফেন্ডার, নরটন, এইসেট নড৩২, পান্ডা, ক্যাস্পারস্কি ইত্যাদি সফটওয়্যারের যেকোনোটি ব্যবহার করতে পারেন। আন্টিভাইরাস সফটওয়্যার আপডেট করে তা দিয়ে পুরো পিসি স্ক্যান করে নিন। পুরো পিসি স্ক্যান করার পর যেসব ভাইরাস পাবেন তা ডিলিট করে দিন। এরপর ভাইরাসগুলো পিসির যেসব ফাইলের ক্ষতি করেছে, তা ঠিক করার পালা। যে ডিস্ক থেকে উইন্ডোজ এক্সপি ইনস্টল করেছেন সে ডিস্কটি পিসির ডিভিডি রমে ঢোকান। এরপর স্টার্ট মেনু থেকে রানে গিয়ে পসফ টাইপ করুন। কমান্ড প্রম্পট উইন্ডোতে লিখুন sfc /scannow। এরপর স্ক্যানিং ও রিপেয়ারিং প্রসেস শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এতে পিসির যেসব সিস্টেম ফাইল ভাইরাসের আক্রমণে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, তা নতুন করে তৈরি করা হবে এবং নষ্ট হয়ে যাওয়া ফাইলগুলোকে রিপ্লেস করা হবে। কাজ শেষ হওয়ার পর পিসি রিস্টার্ট করে দেখুন উইন্ডোজের সব প্রোগ্রাম ঠিকমতো কাজ করছে কি না। যদি ঠিক না থাকে, তবে নতুন করে এক্সপি সেটআপ দিতে হবে। আর যদি ঠিক থাকে, তবে দেখুন পিসিতে ইনস্টল করা অন্যান্য সফটওয়্যার ঠিকমতো কাজ করছে কি না। যদি কোনো সফটওয়্যার ঠিকমতো কাজ না করে, তবে তা আনইনস্টল করে নতুন করে ইনস্টল করে নিন। পিসি ভালো রাখার জন্য অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের পাশাপাশি অ্যাডভান্সড সিস্টেম কেয়ার, সিস্টেম মেকানিক বা টিউনআপ ইউটিলিটিস সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন। এই সফটওয়্যারগুলো ছোটখাটো সমস্যা দূর করে পিসি ভালো রাখতে অনেক সহায়তা করে।
বর্তমানে উইন্ডোজ এক্সপির জন্য মাইক্রোসফট কোনো আপডেট বা সাপোর্ট দিচ্ছে না। তাই এক্সপি ব্যবহার করাটা খুব একটা নিরাপদ নয়। দিন দিন উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেকাংশে কমে যাচ্ছে। নেট অ্যাপ্লিকেশন্সের জরিপ অনুযায়ী ডিসেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত পৃথিবীতে এক্সপি ব্যবহারকারীর শতকরা হার হচ্ছে ১৮.৯৩ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ইউজার হচ্ছে উইন্ডোজ সেভেনের, ৫৫.৯২ শতাংশ। ধীরে ধীরে উইন্ডোজ ৮ ও ৮.১-এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে। এজন্য যুগের সাথে তাল মিলিয়ে থাকার জন্য উইন্ডোজ সেভেন বা এইট অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে ব্যবহার করা শুরু করতে পারেন। উইন্ডোজ সেভেন বা এইটের জন্য যেসব আপডেট ছাড়া হয়, তা পিসির সুরক্ষায় বেশ কার্যকর। পিসির কনফিগারেশন যদি উইন্ডোজ সেভেন বা এইটে আপডেট করার উপযোগী না হয়, তবে সম্ভব হলে পুরো পিসি আপগ্রেড করে নিন
ফিডব্যাক : jhutjhamela24@gmail.com

পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৫ - মার্চ সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস