Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > স্মার্টফোন উন্নয়নে ৫০ অ্যাপ
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: গোলাপ মুনীর
মোট লেখা:২০২
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৫ - ডিসেম্বর
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
স্মার্টফোন
তথ্যসূত্র:
প্রযুক্তি
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
স্মার্টফোন উন্নয়নে ৫০ অ্যাপ
লাইফস্টাইল থেকে শুরু করে উৎপাদন, ভ্রমণ পরিকল্পনা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে ব্যবহার করে স্মার্টফোনকে আরও উন্নত করে তুলতে হলে আপনার হোমস্ক্রিনে থাকা চাই কিছু জরুরি অ্যাপ। তেমনি ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি অ্যাপের ওপর আলোকপাত রয়েছে এই লেখায়।
বিপণনবিষয়ক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিয়েলসেন সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা শেষে জানিয়েছে, একজন গড়পড়তা ব্যবহারকারী প্রতিমাসে গড়ে ২৭টি অ্যাপ ব্যবহার করেন। সংখ্যাটি ছোট মনে হতে পারে। কারণ, অ্যাপল ও গুগল উভয়েরই অ্যাপ স্টোরে পাওয়া যায় ১০ লাখেরও বেশি অ্যাপ। অবশ্য, মূল কথা হচ্ছে ২৭টি অ্যাপ আপনার চাওয়া অনুযায়ী পুরোপুরি আলাদা হতে পারে। কিছু অ্যাপসের রয়েছে প্রচুর ব্যবহারকারী- ফেসবুক ও টুইটার পড়ে সামাজিক নেটওয়ার্ক ক্যাটাগরিতে; ম্যাসেজিংয়ের জন্য আছে হোয়াটসঅ্যাপ, আছে ফেসবুক মেসেঞ্জার ও সণ্যাপচ্যাট; বিশ্বটা ঘুরে দেখার জন্য আছে গুগলম্যাপ; মিউজিকের জন্য স্পটিফাই; ভিডিওর জন্য ইউটিউব; ই-বুক পড়ার জন্য কিন্ডল; ফটো-শেয়ারিংয়ের জন্য ইনস্টাগ্রাম এবং এমনি আরও কত অ্যাপ।
এগুলোর বাইরে বিশ্বের ৯,০০,১০০ কোটি অ্যাপের মধ্যে পছন্দের সফটওয়্যার বেছে নেয়া সহজ কাজ নয়। তবে সঠিক মতো অ্যাপ বেছে নিতে পারলে আপনার স্মার্টফোন সক্ষমতা নিশ্চিত বাড়বে, এ কথা বলে দেয়া যায়। এমনকি আগে থেকে লোড করে রাখা ডিফল্ট অ্যাপ সরিয়ে অন্য অ্যাপ ব্যবহার করলেও আপনার স্মার্টফোনের ক্ষমতা বেড়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রবণতাগুলোর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবণতা হচ্ছে- অ্যাপসগুলোকে একসাথে কাজ করানো হয়, এগুলোর পার্টনারশিপের মাধ্যমে ফিটনেস-ট্র্যাকিং অ্যাপের বেশিরভাগই ব্যাপক ধরনের পরিপূরক বা কমপ্লিমেন্টারি সার্ভিস দেয় অথবা অ্যাপল ও গুগলের স্মার্টফোন ফিচারের মাধ্যমে কাজ ও কনটেন্টকে আপনার ডিভাইসে মুভ করাকে সহজ করে তোলে।
একটি প্রবণতা এখন এর প্রাথমিক পর্যায়ে। এটি হচ্ছে স্মার্টওয়াচের কম্প্যানিয়ন অ্যাপস। সাধারণত তা ডিজাইন করা হয় দুই-তিনটি মুখ্য কাজ মেইন অ্যাপ থেকে আপনার হাতের কব্জিতে নিয়ে যাওয়া, যাতে স্মার্টফোনকে বারবার পকেট থেকে বের করতে না হয়। এজন্য খুঁজুন আইফোন অ্যাপের অ্যাপস্টোরে ‘অ্যাপলওয়াচ’ অফশুট। আর গুগল প্লেতে খুঁজুন অ্যান্ড্রয়িড অ্যাপের জন্য অ্যান্ড্রয়িডওয়্যার ভার্সন।
অ্যাপ ডেভেলপারেরা প্রাইভেসির ব্যাপারটি নিয়েও বেশ সতর্ক। যেমন, মেসেজিং অ্যাপ ‘টেলিগ্রাম’। এর একটি বিশেষ ফিচার হচ্ছে এনক্রিপশন সৃষ্টি। এটি বিতর্ক সৃষ্টি করেছে স্পটিফাই অ্যাপের আপডেটে সংস্করণের সমালোচনার মতোই, যাকে ভুল করে দেখা হচ্ছে। এর অ্যাপ ছবি রুট-আউট ও কথোপকথনের পথ খুলে দিয়েছে। যেহেতু অ্যাপ বিজনেস ক্রমেই প্রসার লাভ করছে, তাই অ্যাপমেকারদের এসব বিষয়ে নজর রাখতে হবে। ২০১৪ সালে অ্যাপল আইওএস অ্যাপস ডেভেলপ করার জন্য ডেভেলপারদের দিয়েছে ১ হাজার কোটি ডলার। অপরদিকে গুগল অ্যান্ড্রয়িড অ্যাপস ডেভেলপের জন্য ডেভেলপারদের দিয়েছে ১০০ কোটি ডলার। এই অর্থে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে আপফ্রন্ট পেমেন্ট ও আন-অ্যাপ পার্সেজ। কিন্তু বিজ্ঞাপনের জন্য নয়। বিজ্ঞাপনের পেছনে খরচ করা হয় বিপুল অর্থ। ফেসবুকের মতো কোম্পানি ২০১৪ সালে শুধু মোবাইল বিজ্ঞাপনের পেছনে খরচ করেছে ৭৫০০ কোটি ডলার।
যারা স্মার্টফোন ও অ্যাপ সম্পর্কে তুলনামূলকভাবে কম অভিজ্ঞ, এই লেখা সুযোগ করে দেবে তাদের স্মার্টফোন উন্নততর করে তোলার কাজটি শুরু করতে। এমনকি আপনি যদি এর মধ্যে ২৭টিও আপনার জন্য উপকারী হিসেবে না পান। এর কয়েকটি হলেও আপনার প্রতিদিনের জীবনের উপকারী হবে। অপরদিকে, স্মার্টফোন সম্পর্কে অভিজ্ঞজনদেরও কিছু অ্যাপ তার চাহিদা পূরণ করতে পারবে।
লাইফস্টাইল বা হেলথ অ্যাপ
আইওএস : Moodnotes অ্যাপ হচ্ছে একটি ডিজিটাল ডায়রি। এতে ধরা পড়বে আপনার মুড বা মনোভাব- ভালো খারাপ সব মুড, হাই কিংবা লো মুড। এটি আপনাকে ব্যাখ্যা দেবে আপনার লো মুডের মুহূর্তগুলো, আর টুকটাক তথ্য জানাবে। মুডনোটস আপনাকে সহায়তা করবে চিন্তা-ভাবনার সাধারণ ফাঁদ থেকে বের করে আনার ব্যাপারে। মুডনোটসে আপনার মুড ধারণ করে আপনি উন্নত করতে পারেন আপনার ভাবনা-চিন্তার অভ্যাস। এতে আপনি পাবেন সুখবোধ ও কল্যাণচিন্তার প্রেক্ষাপট। মোট কথা মুডনোটস অ্যাপ সাহায্য করবে আপনার মুডের অবস্থা ও এর ওপর কিসের প্রভাব পড়েছে তা জানতে। সুষ্ঠু চিন্তার অভ্যাস গড়ে তুলতে; জানাবে চিন্তারফাঁদ কী ও এ থেকে বাঁচার উপায়; বাড়াবে নিজের সচেতনতা; চিন্তার সহায়ক নতুন প্রেক্ষাপট সৃষ্টি করবে এবং হতাশা দূর করবে।
ক্লু পিরিয়ড ট্র্যাকার
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড অ্যাপ : Clue হচ্ছে একটি পিরিয়ড ট্র্যাকার। অর্থাৎ এটি জানিয়ে দেবে আপানর পরবর্তী মাসিক, পিএমএস অর্থাৎ প্রিমিনস্ট্রুয়ালের তারিখ। জানিয়ে দেবে আপনার গর্ভবতী হওয়ার পরবর্তী সম্ভাব্য তারিখ। আপনার মাসিকচক্রের সাথে কী আপনার মুডের কোনো সম্পর্ক আছে? ক্লু পিরিয়ড ট্র্যাকারের মাধ্যমে এ সম্পর্কে আরও জানতে পারবেন। আপনার জন্য বাকি কেয়ারের দায়িত্বটা ক্লু-ই পালন করবে। এটি খুবই বিজ্ঞানসম্মত। ক্লু আলোকপাত করে প্রজননচক্র বা ফার্টিলিটি সাইকেলের ওপর। এটি আপনার গর্ভবতী হওয়ার উদ্দেশ্য থাক, কিংবা শুধু মাসিকচক্রের ধরন আরও ভালো করে বুঝতে চান- এটি ব্যবহার করুন মাসজুড়ে।
মাইফিটনেসপল
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন অ্যাপ : MyFitnessPal অ্যাপ হচ্ছে আপনার ক্যালোরি পরিমাপের সবচেয়ে সহজ উপায়। আপনার ফিটনেস প্ল্যান যাই হোক, এর মাধ্যমে প্রয়োজন মতো আপনার ক্যালোরি টার্গেট সেট করতে পারবেন। এটি Fitbit থেকে Runkeeper পর্যন্ত অন্যান্য হেলথ অ্যাপের সাথেও ভালো কাজ করে।
রাইটমুভ
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন অ্যাপ : এই অ্যাপটি বিশেষত ডিজাইন করা হয়েছে অ্যান্ড্রয়িড স্মার্টফোনের জন্য (স্যামসাং গ্যালাক্সি রেঞ্জ, গুগল নেক্সাস, অনেক এইচটিসি হ্যান্ডসেট)। এটি ইউজারদের প্রপার্টি ব্রাউজিংয়ের সর্বোত্তম অভিজ্ঞতা দেবে। এর মাধ্যমে রাইটমুভ ওয়েবসাইটের সব প্রপার্টি দেখতে পারবেন। এর সবকিছুই ফ্রি। এর মাধ্যমে সব প্রপার্টি ইনফোতে সহজেই ঢোকা যায়। অ্যাপটি ব্যবহার করতে সহজ। এমনকি বাড়ির ছবি, ফ্লোরপ্ল্যান, মানচিত্রের লোকেশন ও স্ট্রিটভিউ দেখার সুযোগ করে দেয় এই অ্যাপ। জানা যাবে বাড়ির কাছের স্কুল ও স্টেশনের অবস্থান। বিদেশ থেকে হট প্রপার্টিগুলোও চেক করা যাবে। আছে ফোন ও ই-মেইলের মাধ্যমে প্রপার্টি সম্পর্কিত তথ্য অনুসন্ধানের সুযোগ।
রানট্যাস্টিক স্লিপ বেটার
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড অ্যাপ : রাতের বেলার অভ্যাসগুলো অধিকতর কোয়ান্টিফিকেশন বা পরিমাপ করে Runtastic স্লিপ বেটার অ্যাপ। আপনার বিছানার পাশে রাখা স্মার্টফোনে এটি ইনস্টল করে নিতে পারেন। এটি পরিমাপ করবে আপনার স্লিপিং প্যাটার্ন বা ঘুমের ধরন। এর অ্যালার্মের লÿ্য আপনার ঘুমচক্রের সর্বোত্তম সময়ে আপনাকে জাগিয়ে দেয়া, যাতে এড়াতে পারেন মর্নিং গ্রাম্পস বা সকালবেলার বদমেজাজ। আইফোন ও অ্যান্ড্রয়িডের জন্য তৈরি স্লিপ বেটার স্লিপ সাইকল অ্যালার্ম ক্লক অ্যাপ নজর রাখে ঘুমের ওপর, মনিটর করে আপনার স্বপ্ন এবং উন্নত করে তোলে আপনার বেডটাইম হেবিটগুলো। আপনার ঘুমাতে অসুবিধা হচ্ছে কি না, কিংবা জানতে চান কী করে আপনার দিনের বেলার কাজগুলো রাতের ঘুমের দক্ষতার ওপর প্রভাব ফেলে, তা এই অ্যাপ জানিয়ে দেবে।
বাম্বল
আইওএস : Bumble হচ্ছে একটি লোকেশনভিত্তিক স্যোশাল ও ডেটিং অ্যাপ্লিকেশন, যা যোগাযোগে আগ্রহী ইউজারদের মধ্যে যোগাযোগের সুযোগ করে দেয়। এই অ্যাপ শুধু মহিলাদের তাদের ম্যাচ বা পছন্দের সাথীর সাথে চ্যাট শুরু করার সুযোগ দেয়। কিন্তু যদি কোনো মহিলা ২৪ ঘণ্টা কোনো চ্যাট না করেন, তবে অ্যাকাউন্ট অদৃশ্য হয়ে যায়। একই লিঙ্গের যুগলের ক্ষেত্রে উভয়ের যেকোনো একজনকে সক্রিয় থাকতে হবে কানেকটেড থাকার জন্য। টিন্ডারের সহপ্রতিষ্ঠাতা হুইটনি ওলফ ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে প্রতিষ্ঠা করেন বাম্বল। বাম্বল ইতোমধ্যে আপলোড করা ছবিসহ মৌল তথ্যসংবলিত ইউজার প্রোফাইল তৈরি করতে ফেসবুক ব্যবহার করে। প্রার্থীদের দূরত্বের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। কলেজ গ্র্যাজুয়েটদের ইনফরমেশন বর্তমান জব ও কোম্পানি থেকে ঢোকানো হয়।
পিক-ব্রেইন ট্রেনিং
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড (ফ্রি + আইএপি) : মনে পড়ে কি, এক সময় নিনটেনডোর ড. কায়াশিমার ‘ব্রেইন ট্রেনিং’ ছিল একটি ক্র্যাজ? এখন Peak – Brain Training সেই একই কাজটি করছে স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের বেলায়। এতে রয়েছে কয়েক ডজন মিনি-গেম, যেগুলো ডিজাইন করা হয়েছে থিঙ্কিং স্কিল টেস্ট করার জন্য এবং সময়ের সাথে এ ক্ষেত্রে উন্নতি চিহ্নিত বা পরিমাপ করার জন্য। এর মজাদার চ্যালেঞ্জিং গেম, গোলস ও ওয়ার্কআউটের মাধ্যমে উন্নয়ন ঘটাতে পারবেন আপনার কগনিটিভ স্কিল এবং গড়ে তুলতে পারবেন সুষ্ঠু প্রশিক্ষণের অভ্যাস। কিছু কিছু ব্রেইন টেনিং সার্ভিসে প্রয়োজন দীর্ঘ সময় ডেস্কটপ কমপিউটারের সামনে বসে কাটানোর। কিন্তু পিক তা থেকে ভিন্ন। এটিকে তৈরি করা হয়েছে মোবাইল করে। আপনি পিক দিয়ে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন, যখন যেখানে থাকেন সেখানে।
জম্বিস, রান!
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন (ফ্রি + আইএসপি) : Zombies, Run! হচ্ছে একটি ভিডিও গেম, যা ডেভেলপ ও পাবলিশ করেছে নাওমি এল্ডারম্যান ও রেবেকা লেভিনিকে সাথে নিয়ে ‘সিক্স টু স্টার্ট’। এটি আইওএস ও অ্যান্ড্রয়িড প্লাটফরমের জন্য। এটি বিশ্বব্যাপী আইওএসের জন্য রিলিজ করা হয় ২০১২ সালের ২৭ ফেব্রম্নয়ারি। এই গেমের তহবিল জুগিয়েছে কিক স্টার্টার, যা প্রত্যাশার তুলনায় পাঁচ গুণ অর্থ কামিয়েছে। এটি একটি আকর্ষণীয় রানিং গেম। প্লেয়ারেরা কাজ করে একটি সিরিজ মিশনের মাধ্যমে ‘রানার ৫’ চরিত্র হিসেবে। রানের সময় এরা দৌড়ে আর শোনে বিভিন্ন অডিও ভাষ্য গল্পটা বের করে আনার জন্য। দৌঁড়ের সময় খেলোয়াড়েরা সংগ্রহ ও সরবরাহ করে গোলাবারুদ, ওষুধ ও ব্যাটারি। এগুলো দাদে ঘাঁটি তৈরি ও সম্প্রসারণের কাজে ব্যবহার করা যায়। এই অ্যাপ ফোনের জিপিএস ও অ্যাক্সেলারোমিটারের সাহায্যে পরিমাপ করতে পারে দূরত্ব, সময়, দৌড়ের বেগ, প্রতিটা মিশনে বার্ন হওয়া ক্যালোরির পরিমাণ। প্লেয়ারকে স্বল্প সময়ে দ্রুততর বেগে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে হবে, নইলে জম্বিতে ধরা পড়ে যাবে, তাদের সরবরাহ হারাবে। এমনকি মিশন ব্যর্থ হবে। অ্যাপটির সিজন ১-এর জন্য রয়েছে ২৩টি মিশন, আর সিজন২-এর জন্য রয়েছে ৬০টিরও বেশি মিশন।
ট্র্যাভেল অ্যাপ সিটিম্যাপার
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন : Citymapper জানিয়ে দেয় টিউব রেলওয়ে থেকে শুরু অন্যান্য ট্রেনের ও ট্যাক্সি থেকে বাস পর্যন্ত নানা রুটের তথ্য। জানিয়ে দেয় প্রতিটির যানের প্রক্ষেপিত সময়। সাথে আছে আবহাওয়া, ধর্মঘট ও অন্যান্য বাধাবিঘ্নের সতর্কবার্তা। যুক্তরাজ্যের লন্ডন, ম্যানচেস্টার ও বার্মিংহামে এটি কাজ করে।
ইউকে বাস চেকার
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/ উইন্ডোজ ফোন : ডজন ডজন বাস-চেকিং অ্যাপ রয়েছে। তবে এগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ৩ লাখের বেশি বাসস্টপ কভার করে। এটি বাসের আগমন সময় চেক সম্পন্ন করে দ্রুত। ফলে এই অ্যাপটি আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনা করেত সহায়ক।
হোটেল টুনাইট
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন : বেশি থেকে বেশিসংখ্যক মানুষ এখন আর হোটেল অ্যাকোমডেশন বুকিং করতে পান না। বরং প্রয়োজনের দিনটিতেই হোটেল বেছে নিতে এরা ব্যবহার করেন এই অ্যাপটি। এর ব্যবহার সরল ও দ্রুতগতিতে কাজ করে। কয়েকটি টোকা দিয়ে হোটেল বুকের কাজটি সেরে ফেলা যায়।
ইয়াহু ওয়েদার
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড : আবহাওয়া হতে পারে নির্মম। কিন্তু কমপক্ষে এই অ্যাপে আবহাওয়াবার্তা খুব ভালো করে দেখা যায়। ইয়াহুর ওয়েদার টুলগুলো শুধু দেখতেই সুন্দর নয়। এতে আবহাওয়াবার্তায় থাকে বিস্তারিত বিবরণ। প্রতিটি দিনের শুরুতে কিংবা প্রতিটি ঘণ্টা শুরুর আগে আপনি এই অ্যাপ ব্যবহার করে জেনে নিতে পারবেন।
ডুয়োলিঙ্গো : লার্ন ল্যাঙ্গুয়েজ
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন : ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিং অ্যাপের সংখ্যা নিতান্ত কম নয়। এগুলোর মধ্যে Duolingo : Learn Languages সবচেয় সরল, তবে সবচেয় বেশি কার্যকরও। এর বাইট-সাইজের লেসনগুলো মজা করে স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, জার্মান ও অন্যান্য ভাষায় দ্রুত শেখা যায়।
ভিউ রেঞ্জার জিপিএস
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড (ফ্রি আইএপি) : ViewRanger GPS অ্যাপ স্মার্টফোনকে পরিণত করে একটি আউটডোর জিপিএসে এবং এটি কাজ করে আইফোন, অ্যান্ড্রয়িড ও নোকিয়া সিম্বিয়ান স্মার্টফোনে। আপনার ছুটি কাটানোর দিনগুলোতে যদি ওয়াকিং ও সাইক্লিং অন্তর্ভুক্ত থাকে, তবে এই অ্যাপটি হবে চমৎকার এক সঙ্গী। বিশেষ করে এটি যুক্তরাজ্যের ভেতরে হলিডে উপভোগ করার জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী। এটি ট্যাপ করে অর্ডন্যান্স সার্ভে এবং বিস্তারিত সাইকেল চালানো ও হাঁটার রুটের ম্যাপ তৈরি করে। উল্লেখ্য, অর্ডন্যান্স সার্ভে হচ্ছে গ্রেট ব্রিটেনের ন্যাশনাল ম্যাপিং এজেন্সি এবং বিশ্বে মানচিত্র তৈরির সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান।
হোপার- এয়ারফেয়ার প্রিডিকশন
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড : বিমানের ভাড়া ওঠানামার বিষয়টি বেশিরভাগ যাত্রীদের জানা থাকে না। অথচ এই বিষয়টি জানা এদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ Hopper অ্যাপ আপনাকে বার্গেন-হান্টারের সুযোগ। এর মাধ্যমে আপনি ভাড়া বিশেস্নষণ করতে পারবেন এবং চেষ্টা করে আগে থেকেই আন্দাজ অনুমান করেত পারবেন কখন সবচেয়ে কম ভাড়ায় বিমান চড়া যাবে। হোপারে দেয় গভীর গবেষণার মাধ্যমে তুলে আনা এমনসব ডাটা, যা ট্র্যাভেলারদের জন্য খুবই সহায়ক। এসব ডাটার মাধ্যমে এরা জানতে পারেন কোথায় যেতে হবে, কখন যেতে হবে। হোপার হচ্ছে একটি বিগডাটা স্টার্টআপ, যার শুরু কানাডায় ২০০৭ সালে। এর প্রতিষ্ঠাতার সিইও ফ্রেডারিক ল্যালোন্দে।
ওয়াইফাইম্যাপার
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড : যারা সচরাচর ভ্রমণে যান, তারা বিদেশে থাকার সময় ওয়াইফাই হটস্পট ফ্রি সার্চ করার বিষয়টি ভালো করেই জানেন। এটা এদের জন্য এক স্বপ্ন। WifiMapper- এ রয়েছে বিশ্বের ৫০ কোটি হটস্পটের ডাটাবেজ। এসব ব্যাপারে ওয়াইফাই ম্যাপার আপনাকে গাইডলাইন দেবে।
হেয়ার ম্যাপস
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন : গুগল ও অ্যাপলের রয়েছে নিজ নিজ ম্যাপ অ্যাপ। কিন্তু নোকিয়ার HERE Maps অ্যাপের রয়েছে প্রচুর সমর্থক। এর প্রধান প্রধার ফিচারের মধ্যে আছে- অফলাইনে ম্যাপ স্টোর করা এবং এর পাবলিক ট্র্যান্সপোর্ট ও রেসেত্মারাঁ/শপ ডাটা অন্তর্ভুক্তকরণ। ১০০টিরও বেশি দেশে ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়া এটি কাজ করে। আপনার ম্যাপ সেভ করে রেখে আপনি কাছাকাছি এলাকার হোটেল, রেসেত্মারাঁর মতো জায়গা খুঁজে পেতে পারেন। পেতে পারেন টার্ন-বাই-টার্ন ভয়েস-গাইডেড নেভিগেশন ডিরেকশন। আপনি হেঁটে, জনপরিবহনে কিংবা কারে যেখানেই থাকুন হেয়ার অ্যাপ ব্যবহার করে মানচিত্রের সাহায্যে আপনি সব সময় সঠিক নির্দেশনা পাবেন। হেয়ার অ্যাপ একটি পর্দায় আপনার ভ্রমণ বিকল্পগুলো প্রদর্শন করবে। একটি মাত্র টোকা দিয়ে আপনি পছন্দের রুটটি বেছে নিতে পারেন। এটি আপনাকে জানিয়ে দেবে ট্রাফিক ইনফো ও স্পিড লিমিট।
মাইক্রোসফট ট্র্যান্সলেটর
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন : এই হ্যান্ডি সঙ্গী বিদেশে অবস্থানের সময় আপনাকে অনুবাদ করে দেবে বিদেশি ওয়ার্ড ও ফ্রেজ। এটি ৫০টি ভাষা সাপোর্ট করে। এতে উচ্চারণ সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়টি পাঠ করে দেয়া অথবা পর্দায় দেখানোর অপশন আছে। এমনকি এটি স্মার্টওয়াচে বেশি গতিতে কাজ করে।
এন্টারনেইনমেন্ট অ্যাপ মিক্সরেডিও
আইওএস/অ্যন্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন : প্লেলিস্ট স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ চ্যাটারের নজর স্পটিফাই ও অ্যাপল মিউজিকের ওপর। MixRadio অ্যাপ এ ক্ষেত্রে হতে পারে বিস্ময়কর এক বিকল্প। যদিও এর থিমড প্লেলিস্ট হাই প্রোফাইল রিভালের উপযোগী। মিক্সরেডিওর পেছনে যে টিমটি রয়েছে, এরা বিগত দশকে ডিজিটাল মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে বরাবর সামনের কাতারে ছিল। লিগ্যাল ডাউনলোড মার্কেট শুরু হওয়ার পর থেকে মিউজিক স্ট্রিমিংয়ের বিকাশ পর্যন্ত এর বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ শ্রোতাকে বিনোদিত করে আসছে। বর্তমানে চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইউরোপসহ ৩১টি দেশে মিক্সরেডিও মিউজিক স্ট্রিমিং করছে।
সংকিক কনসার্টস
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড : সংকিক আপনার মিউজিক কালেকশন স্ক্যান করে কিংবা প্রোফাইল স্পটিফাই করে আপনার সঙ্গীত সম্পর্কিত রুচি জেনে নেয়। এরপর আপনার কাছে টেক্সট মেসেজ পাঠায় আপনার প্রিয় শিল্পী মিউজিকের জন্য চুক্তি করে। সংকিক একটি ওয়েবসাইট ও মোবইল সার্ভিস, যা জোগান দেয় টিকেট ও লাইভ মিউজিক ইভেন্টের পারসোনালাইজড দিন-তারিখ। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের প্রিয় ব্যান্ড সম্পর্কিত ই-মেইল অ্যালার্ট পায়। এটি লন্ডনের সিলিকন রাউন্ডঅ্যাবাউট এলাকার একটি অরিজিনাল হাইটেক স্টার্টআপ। এরা বিপুলসংখ্যক আর্টিস্টের অনুষ্ঠানের টিকেট বিক্রি করে এদের ওয়েবসাইটে। এর রয়েছে মাসে ১ কোটি ইউনিক ইউজার। ৫০ লাখ ইউজার রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।
টিউনইন রেডিও
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন (ফ্রি + আইএপি) : TuneIn অ্যাপের সাহায্যে প্রিয় রেডিও স্টেশনের অনুষ্ঠান ফ্রি শোনা যায়। এর রয়েছে যুক্তরাজ্যে প্রধান প্রধান চ্যানেলসহ ১ লাখেরও বেশি স্ট্রিমিং অনলাইন রেডিও স্টেশন। এর রয়েছে বিশ্বের স্পোর্টস, নিউজ, মিউজিক ও টক-রেডিওর সবচেয়ে বড় সিলেকশন। প্রিমিয়াম সাবক্রিপশনের মাধ্যমে এতে পাওয়া যায় অডিও বুকস ও শোনা যায় বিশ্বের নানা স্থানের অ্যাডফ্রি রেডিও স্টেশনও।
গুডরিডস
আইওএস/অ্যানড্রয়িড : Goodreads হচ্ছে বইপোকাদের সুপ্রতিষ্ঠিত একটি কমিউনিটি, যা বই রিকমেন্ড করে। আপনি লিখতে পারেন আপনার নিজের বই সমালোচনা, চেক করে দেখতে পারবেন আপনার বন্ধুর বুক রিভিউগুলোও। আর বইটি কেনার আগে এর রিভিউ চেক করার জন্য বারকোড স্ক্যান করতে পারবেন। গুডরিডস অ্যান্ড্রয়িড অ্যাপ দিয়ে ঢুকে পড়ুন বিশ্বের পাঠকদের সবচেয়ে বড় সোশ্যাল নেটওয়ার্কে। সেখানে আপনার বন্ধুদের ও অন্য গুডরিডস মেম্বারদের করা হাজার হাজার বুক রিভিউ পড়তে পারেন। আপনার পঠিত বইগুলো রেখে দিতে পারবেন একটি ভার্চুয়াল বুকসেলফে। আর অ্যাপে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ‘টু-রিড’ বইয়ের একটি তালিকা তৈরি করে ফেলুন। সব পাঠকের জন্য গুডরিডস একটি ফ্রি সার্ভিস। এর রয়েছে সাড়ে তিন কোটির চেয়েও বেশি সদস্য, যারা এতে সংযোজন করেছেন ১০০ কোটির মতো বই। গুডরিডস অ্যাকাউন্ট ছাড়াই এই অ্যাপের মৌলিক ফিচারগুলো ব্যবহার করতে পারবেন, তবে সর্বোত্তম এক্সপেরিয়েন্সের জন্য এই অ্যাপে আপনি সাইনইন ও সাইনআপ করতে পারেন।
পকেট
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড (ফ্রি + আইএপি) : Pocket হচ্ছে একটি সর্বোত্তম ‘রিড ইট লেটার’ ক্যাটাগরির অ্যাপ। এই অ্যাপ আপনাকে সাহায্য করবে বিভিন্ন সোর্স থেকে সারাদিন নানা ধরনের লেখা সংগ্রহ করে তা পরে সুবিধামতো সময়ে পড়ার জন্য সেভ করে রাখতে। এ ছাড়া বিভিন্ন ভিডিও সোর্স থেকে ভিডিও ছাড়া অনেক কিছুই সেভ করে রাখতে পারবেন পরে উপভোগ করার জন্য। সরাসরি ব্রাউজার বা টুইটার, ফ্লিপবোর্ড, পালস ও জাইটের মতো অ্যাপ থেকে সংগ্রহ করেও এসব সরাসরি সেভ করে রাখতে পারবেন। এর সেন্সিবল সোশ্যাল ফিচার আপনাকে সাহায্য করবে বন্ধুদের সাথে তা শেয়ার করতেও। এটি আপনার পকেটে, ফোনে, ট্যাবলেটে বা কমপিউটারে থাকে, তখন এর জন্য ইন্টারনেট কানেকশনেরও প্রয়োজন নেই।
স্টার ওয়াক ২
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড : রাতের তারা দেখা এক উত্তম উপভোগের বা আনন্দের বিষয়। এই উত্তম বিনোদনের কাজটি কোনো কোনো সময় চলে আনডিজিটাল উপায়ে। এটি প্রমাণ করে মাঝে-মধ্যে সর্বোত্তম বিনোদনের বিষয়টি স্বতন্ত্রভাবে আনডিজিটালি সম্পন্ন করা যায়। কিন্তু Star Walk ২ তারা দেখার জন্য আপনার এক অনন্য সাথী। এটি আপনাকে সাহায্য করে তারকাপুঞ্জ, গ্রহ ও উপগ্রহগুলো চিহ্নিত করতে। স্টার ওয়াক ২ হচ্ছে একটি ইন্টারেকটিভ অ্যাস্ট্রোনমি গাইড। এটি দেখাবে আকাশের তারা, গ্রহ, উপগ্রহ ইত্যাদি মহাজাগতিক বস্ত্ত, এগুলোর সঠিক স্থানে। সাথে থাকবে এগুলো সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য, এমনকি জানিয়ে দেবে এগুলোর নাম পর্যন্ত। জ্যোতির্বিদ্যা সম্পর্কে কম জানা বা কম আগ্রহী একজন মানুষও আকাশে তাকিয়ে এই অ্যাপের সাহায্যে জানতে পারবেন মহাকাশের কোন বস্ত্ত কোন জায়গায় দেখা যাবে। এটি আমাদেরকে মহাবিশ্ব সম্পর্কে জানার ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলবে। এই অ্যাপ ব্যবহার করে একটি অ্যাপল ওয়াচে রাতে বা দিনে আকাশ দেখার কাজ করা যাবে।
ম্যাজিক পিয়ানো
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড (ফ্রি + আইএপি) : অনেকেই আছেন যাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন টুংটাং করে মজার সুরে পিয়ানো বাজাবেন। কিন্তু কার্যত নেই তাদের সেই দক্ষতা। Magic Piano তাদের জন্য একটি ওয়েলকাম অ্যাপ। ম্যাজিক পিয়ানো অ্যাপ আপনাকে সহায়তা করবে বেশকিছু গানের সুর বাজানোর ব্যাপারে, অন্যদের সাথে নেটে বাজাতে সহায়তা দেবে। সেই সাথে পিয়ানো বাজানোর ক্ষেত্রে আপনাকে শেখাবে কিছু কৌশল।
ভেসেল
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড (ফ্রি + আইএপি) : নতুন প্রজন্মের ভিডিও স্টারদের জন্য ইউটিউব একটি দ্রুত বিকাশমান ক্ষেত্র। কিন্তু Vessel একটি অ্যাপ হিসেবে এর সুপারফ্যানদের প্রদর্শনের আয়োজন করছে। এর মাধ্যমে পপুলার ইউটিউব ভিডিও দেখার সুযোগ মিলবে। উদঘাটন করতে পারবেন আপনার প্রিয় শো। শর্টফর্ম ভিডিও সার্ভিস ভেসেল গুগলের ভিডিও সাইটের প্রতিস্থাপন চায় না, বরং এটি এর বিগ স্টারদের সুযোগ দেয় তাদের ভিডিও থেকে টাকা কামানোর ‘ফার্স্ট উইনেন্ডা’র। ভেসেল চালু করেছে একটি আইওএস অ্যাপ ও একটি ওয়েবসাইট। বর্তমানে ওয়েবসাইট বা আইওএস অ্যাপ হিসেবে ভেসেল ইউটিউব, টিভি ফিল্ম, মিউজিক লেভেলের ক্রমবর্ধমান রোস্টার থেকে ভিডিও সার্ভআপ করছে। যদিও অনলাইন ভিডিও স্টার্টআপ ভেসেল সরাসরি ইউটিউবের প্রতিযোগী নয়, এরপরও এটি শর্টফর্ম ভিডিও ক্রিয়েটরদের সার্ভিস মনোপলির জন্য সত্যিকারের এক বড় চ্যালেঞ্জ।
সোশ্যাল/মিডিয়া অ্যাপ ফ্লিপবোর্ড
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন : Flipboard হচ্ছে একটি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক অ্যাগ্রেগেষণ, ম্যাগাজিন ফরম্যাট মোবাইল অ্যাপ। এটি লোকালাইজড করা হয়েছে ২০টি ভাষায়। এই সফটওয়্যার সোশ্যাল মিডিয়া ও অন্যান্য ওয়েবসাইট থেকে কনটেন্ট সংগ্রহ করে ম্যাগাজিন ফরম্যাটে উপস্থাপন করে। এটি আপনার ফেভারিট টপিক ও সাইটকে একটি ফ্লিবেপবল ডিজিটাল ম্যাগাজিনে পরিণত করতে সোশ্যাল ফিডসও নিয়ে আসছে। ফ্লিপবোর্ড তৈরি করেছে ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সফটওয়্যার কোম্পানি ফ্লিপবোর্ড ইঙ্ক। ২০১০ সালে ফ্লিপবোর্ড উন্মুক্ত করেন অ্যাপলের সাবেক আইফোন ইঞ্জিনিয়ার ইভানডোল ও টেলমি’র সাবেক সিইও মাইক ম্যাককিউ। সারা বিশ্বের মিডিয়া আউটলেট থেকে নিউজ ইন্টিগ্রেট করে তা ম্যাগাজিন আকারে উপস্থাপন করে।
পেরিস্কোপ
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড : Periscope হচ্ছে আইওএস ও অ্যান্ড্রয়িডের জন্য একটি লাইভ ভিডিও স্ট্রিমিং অ্যাপ। এটি ডেভেলপ করেছেন ক্যাভন বায়েকপৌর এবং জো বার্নস্টিন। এরা ২০১৩ সালে বিদেশ সফর করার সময় এর ধারণা নিয়ে আসেন। তাকসিম স্কয়ারে যখন বিÿক্ষাভ চলছিল, তখন বায়েকপৌর ইস্তাম্বুলে ছিলেন। তিনি দেখতে চেয়েছিলেন, সেখানে কী ঘটে চলেছে। তিনি টুইটার খুললেন। তখন তিনি বিÿক্ষাভ সম্পর্কে পড়তে পারছিলেন, কিন্তু তাদের দেখতে পারছিলেন না। এরা ২০১৪ সালে একটি কোম্পানি গড়ে তোলেন। তখনই এরা পেরিস্কোপের ধারণা নিয়ে কাজ করছিলেন। তবে তখন একে পেরিস্কোপ বলা হতো না, বলা হতো বাউন্টি। পণ্যটি উন্মুক্ত করার আগে টুইটার পেরিস্কোপের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে। এই নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের বিষয়টি প্রকাশ করে ঘোষণা দেয়া হয় গত ১৩ মার্চ। পেরিস্কোপ উন্মুক্ত করা হয় চলতি বছরের ২৬ মার্চ। পরে তা অ্যান্ড্রয়িডের জন্য বাজারে ছাড়া হয় গত ২৬ মে। গত ১২ আগস্ট ঘোষণা দেয়া হয়- পেরিস্কোপের অ্যাকাউন্ট সংখ্যা ১ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। উন্মুক্ত করার মাত্র চার মাসের মধ্যে পেরিস্কোপের এ সাফল্য আসে। পেরিস্কোপ ব্যবহারকারীদের অপশন রয়েছে একটি লিঙ্ক তাদের লাইভ স্ট্রিমিংয়ে টুইট করার। এরা বেছে নিতে পারবেন, এদের ভিডিও সবাইকে দেখাবেন, না শুধু নির্দিষ্ট ক’জনের জন্য দেখার সুযোগ রাখা হবে।
টেলিগ্রাম মেসেঞ্জার
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন : ২০১৫ সালে এসে মেসেজিং অ্যাপের জন্য সবচেয়ে বড় চিন্তা হচ্ছে সিকিউরিটি। আপনার চ্যাট যাতে নিরাপদ থাকে সেজন্য আরও বেশি বেশি এনক্রিপশস টেকনোলজি ব্যবহার করে তা নিশ্চিত করাই হচ্ছে এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কাজ। টেলিগ্রাম অ্যাপের আবেদন এর সেলফ-ডেস্ট্রআক্টং সিক্রেট চ্যাটকে ছাড়িয়ে গেছে। এই ভালোভাবে ডিজাইন করা। এর সাথে তুলনা করা হয় হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক মেসেঞ্জারের।
পকেট কাস্টস
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন : Pocket Casts হচ্ছে একটি শক্তিশালী পডকাস্ট ম্যানেজার। এর তৈরিকারকেরা বলেন, আমরা পডকাস্ট পছন্দ করি। তাই আমরা এমন একটি পডক্যাচার তৈরি করেছি, যা নানা ফিচারে পরিপূর্ণ এবং এর ব্যবহারও সহজ। তবে আমরা যা বলি, শুধু তা-ই বিশ্বাস করবেন না। জেনে নিন অন্যেরা কী বলে।
ওয়েবলগ ‘লাইফহ্যাকার’ বলেছে, ‘আইওএসের আজকাল রয়েছে প্রচুর মানসম্পন্ন পডকাস্ট ম্যানেজার। কিন্তু সবগুলোকে পরীক্ষা করে দেখার পর আমাদের ফেভারিট হচ্ছে পকেট কাস্টস। কারণ, ফাংশনালিটি ও ইউজেবিলিটির মধ্যে এটি স্পট হিট করার ব্যবস্থা করে।’
অ্যাপলের সবকিছুর কভারেজ দেয়ার ওয়েবলগ ‘ম্যাকস্টরিজ’ বলেছে, ‘পকেট কাস্টস একটি গ্রেট পডকাস্টস ক্লায়েন্ট...পুশ নোটিফিকেশন ও সিঙ্ক সিস্টেমগুলো নির্ভরযোগ্য। এর অটোম্যাটিক ডাউনলোড শেষ পর্যন্ত সৃষ্টি করে একটি অদৃশ্য ডাউনলোড অভিজ্ঞতা, যা ঘটে পর্দার আড়ালে। আপনাকে এর জন্য চিন্তা করতে হবে না।’
এর নানা ফিচারের মধ্যে রয়েছে- ক্রসপ্ল্যাটফরম সিঙ্কিং, অটো ডাউন লোড, কস্টিনিউয়াস প্লেব্যাক, ভ্যারিয়েবল স্পিড, ফিন্টার, নোটিফিকেশন, স্টোরেজসহ অনেক কিছু। এর নতুন সংস্করণ ৫.০.১-এ রয়েছে এসবের বাইরে আরও নানা সুযোগ।
ভিএসসিও ক্যাম
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড (ফ্রি + আইএপি) : বিল্ট-ইন ক্যামেরা অ্যাপ দ্রুত উন্নতির দিকে এগিয়ে গেছে। কিন্তু VSCO Cam রয়ে গেছে মোবাইল ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে সমঝদারদের জন্য একটি পছন্দের বিষয়। এটি একটি চমৎকার শুটিং ও এডিটিং টুল। আছে প্রচুর ফিল্টার।
ফায়ারচ্যাট
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড : আপনার কাছে এর প্রযুক্তিটির যতক্ষণ ব্যাখ্যা না দেয়া হবে, ততক্ষণ মনে হবে FireChat একটি ম্যাজিক। এটি একটি মেসেজিং অ্যাপ, যেটি কাজ করে থ্রিজি বা ওয়াই-ফাই ছাড়াই। এটি কাজ করে আপনার চারপাশে ডিভাইসের তৈরি একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। এটি খুবই উপকারী গ্রুপ ট্র্যাভেলিংয়ের জন্য, একই সাথে পাবলিক ডেমোনেস্ট্রেশন স্পোর্টস বা মিউজিক ইভেন্টের জন্যও।
গুগল ফটোস
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড : এমনকি আইওএস ব্যবহারকারীরা গুগলের ফটোগ্রাফির ক্লাউড সার্ভিসের অবদান স্বীকার করে, যা এর সার্ভারে আপনার মানচিত্র আপলোড করে এবং এগুলোকে আপনার বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সদস্যদের জন্য সার্চযোগ্য করে তোলে। আপনি যদি ফোন কভারেজের বাইরে চলে যান, তবে এটি উপকারী।
ফ্রিডলি
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড : আরএসএস ফিডস ট্যাবগুলোকে ডিজিটাল নিউজে সব সময় খুব একটা ইউজার-ফ্রেন্ডলি ছিল না- বিশেষ করে মূলধারার ইন্টারনেট ইউজারদের জন্য। ফ্রিডলি কাজ করে এক্সেসিবল ইন্টারফেস হিসেবে অধিকতর অভিজ্ঞ ইউজারদের ফিচারের ফিডস ড্রিল করার জন্য। উল্লেখ্য, আরএসএস (‘রিচ সাইট সামারি’ মূলত ‘আরডিএফ সাইট সামারি’, যাকে কখনও কখনও বলা হয় ‘রিয়েলি সিম্পল সিন্ডিকেশন’) ব্যবহার করে স্ট্যান্ডার্ড ওয়েব ফিড ফরম্যাট, যখন-তখন ঘন ঘন আপডেটেড ইনফরমেশন তথা ব্লগ এন্ট্রিজ, নিউজ হেড লাইনস, অডিও, ভিডিও প্রকাশ করার জন্য। একটি আরএসএস ডকুমেন্টে (যাকে বলা হয় ফিড বা ওয়েব ফিড কিংবা চ্যানেল) অন্তর্ভুক্ত থাকে পুরো বা সংক্ষেপিত টেক্সট এবং প্রকাশের তারিখ ও লেখকের নামের মতো মেটাডাটা। আরএসএস ফিডস পাবলিশারদের সুযোগ করে দেয় ডাটা অটোম্যাটিক্যালি সিন্ডিকেট করার জন্য। আরএসএস রিডার, অ্যাগ্রিগেটর বা ফিড রিডার নামের সফটওয়্যার হতে পারে ওয়েব-বেজড, ডেমকটপ-বেজড কিংবা মোবাইল ডিভাইস-বেজড, যা ইউজারদের উপহার দেয় আরএসএস ফিড ডাটা।
আইএম- ফটো ফিল্টার ক্যামেরা
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন : EyeEm হচ্ছে একটি গ্লোবাল ফটোগ্রাফি কমিউনিটি ও মার্কেটপ্লেস। এর ফ্রি অ্যাপের মাধ্যমে অ্যাপস্টোর ও গুগল প্লে’র মাধ্যমে ফটোগ্রাফারদের পাওয়ার উপযোগী একটি প্লেস, যেখানে ফটোগ্রাফি শেয়ার, ইন্টারেক্ট করা যায় ও ফটোগ্রাফি সম্পর্কে শেখার আরও সুযোগ পাওয়া যায়। আইএম প্লে’র মাধ্যমে ছবি তোলা ও এরপর স্টাইলিশ ফিল্টার প্রয়োগের জন্য ওয়ান লেভেল বিষয়ক আইএম এখনও আরেকটি অ্যাপ। কিন্তু আপনি এর মার্কেটে যোগ করতে পারেন এর বেস্ট শুট।
প্রোডাকটিভিটি সস্ন্যাক
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন : Slack হচ্ছে আপনার ওয়ার্ক স্প্যানিং ডেস্কটপের ও মোবাইলের জন্য একটি মেসেজিং সার্ভিস। পিং কলিগদের জন্য এটি একটি ক্যুইক ওয়ে। এর সবচেয়ে ভালো উপকার হচ্ছে, এটি আপনার ই-মেইল ইনবক্স ক্লাটার রিডিউস করে।
ট্রেলেস্না
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড : সস্ন্যাক যদি হয় মেসেজিংয়ের জন্য, তবে ট্রেলেস্না এর চেয়েও বেশি প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের জন্য। উভয়ই একসাথে ভালো কাজ করে বোর্ডস ও কার্ডস ব্যবহার করে প্রজেক্টস ব্র্যাক ডাউনের ও কোওয়ার্কের ডিভাইড টাস্কের জন্য। এই অ্যাপগুলো দেয় এডিট বা এডিশনের জন্য ক্যুইক ওয়ে।
সানরাইজ ক্যালেন্ডার
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড : মাইক্রোসফট এই ক্যালেন্ডার অ্যাপ এতটাই পছন্দ করে যে, এরা এই কোম্পানি কিনে নেয় ‘অ্যান আউটলুক অ্যাপ’ প্রক্রিয়ায় রিব্র্যান্ডিং করে। সানরাইজ হচ্ছে মোবাইল ও ডেস্কটপের জন্য একটি ইলেকট্রনিক ক্যালেন্ডার অ্যাপ্লিকেশন। এর ডিজাইনার হচ্ছেন পিয়েরে ভেলেডি এবং জেরেমি লি ভ্যান। এই সার্ভিস চালু করা হয় ২০১৩ সালের অক্টোবরে, যখন মাইক্রোসফট ঘোষণা করে এরা একীভূত হয়েছে সানরাইজ ক্যালেন্ডার টিমের সাথে, এর লার্জার মাইক্রোসফট আউটলুক টিমের সাথে, যেখানে এরা এদের ফিচার সংযোজন অব্যাহত রাখবে মাইক্রোসফট আউটলুক মোবাইল সার্ভিসের সাথে।
উন্ডারলিস্ট
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন (ফ্রি + আইএপি) : Wunderlist বিশ্বেব লাখ লাখ মানুষকে সাহায্য করে ধারণা ও টু-ডু লিস্ট ও দর্শনীয় স্থান খুঁজে পেতে। হতে পারে আপনি খুঁজছেন মুদি পণ্যের তালিকা, কিংবা ভাবছেন কোনো প্রকল্প নিয়ে, অথবা পরিকল্পনা করছেন কোনো ছুটি কাটানোর, উন্ডারিস্ট সহজ করে দেবে আপনার লিস্ট শেয়ার করতে। মাইক্রোসফট এ বছর কিনে নেয় উন্ডারলিস্টও। এই উন্ডারলিস্ট ‘টু-ডু-লিস্ট অ্যাপ’ নেয় কিছু বিটিং- ব্যক্তিবিশেষের কাজ থেকে শুরু করে জটিল প্রকল্পও, এটি বিভাজন থেকে শুরু করে বিজয় অর্জন পর্যন্ত সবকিছুই করা সহজে সম্ভব। উন্ডারলিস্ট কাজ করে আপনার ফোন, ট্যাবলেট ও কমপিউটারে। অতএব আপনি আপনার টু-ডু-লিস্টে ঢুকে পড়তে পারবেন যেকোনো স্থান থেকে, যেকোনো সময়ে। এটি একটি বেস্ট টু-ডু-লিস্ট।
পুশবুলেট
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড : Pushbullet-এর ব্যাখ্যা দেয়া কঠিন হতে পারে। কিন্তু একবার যদি আপনি তা ইনস্টল করে নিতে পারেন, তবে দেখবেন এটি কত মজার। এটি ফাইল পিং করে, আপনার ডিভাইসগুলোর মধ্যে কিংবা বন্ধুদের মধ্যে সংযোগ গড়ে তোলে। সোশ্যাল ম্যাসেজ ও টেক্সট রিপ্লাইয়ের জন্য এটি একটি ভালো হাব।
ড্রপবক্স
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/উইন্ডোজ ফোন (ফ্রি + আইএপি) : আপনার গুগল, অ্যাপল বা মাইক্রোসফট ফোনে অ্যাটাচড থাকবে একটি ক্লাউড-স্টোরেজ। কিন্তু ড্রপবক্স আপনাকে দেবে এর একটি চমৎকার বিকল্প- আপনি ফটো, ডকুমেন্ট বা মিউজিক স্টোরই করুন না কেনো।
আইএফ বাই আইএফটিটিটি
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড : IFTTT হচ্ছে আপনার সব অ্যাপ সংযুক্ত করে এগুলোর মাধ্যমে চলা কাজকে স্বয়ংক্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে একটি অবাক করা উপায়। আপনার সোশ্যাল ফটো আপলোড থেকে শুরু করে ড্রপবক্স পর্যন্ত ও নিউজ সাইট থেকে স্টোরি সেভিং পর্যন্ত এটি ছোট-বড় কাজের জন্য উপকারী।
সুইফটকি কিবোর্ড
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড/ফ্রি + আইএপি) : আপনার স্মার্টফেনের ডিফল্ট কিবোর্ড রিপ্লেস করার জন্য বেস্ট অ্যাপগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি অ্যাপ হচ্ছে SwiftKey Keyboard। কারণ, এটি অধিকতর অটোকারেকশনের জন্য আপনার লেখার ধরন বা রাইটিং স্টাইল শেখার সক্ষমতা রয়েছে। Emoji নামের একগুচ্ছ থিম ও ট্র্যানশেস্নষণ অন দ্য ফ্লাইও খুবই চমৎকার।
আইএ রাইটার
আইওএস/অ্যানড্রয়িড : iA Writer ডিজাইন করা হয়েছে সর্বোত্তম ডিজিটাল রাইটিং এক্সপেরিয়েন্স দেয়ার জন্য। এটি আপনাকে সুয়োগ করে দেয় আপনার হাতকে কিবোর্ডে রাখার জন্য এবং মনকে টেক্সটে রাখার জন্য। আইএ রাইটার বিখ্যাত এর টেক্সটে গভীরতর ফোকাসের জন্য। এর অনন্য টুল আপনার মনোযোগকে শানিত করে রাইটিং স্টাইল উন্নত করে। এর রয়েছে কাস্টমাইজেবল কিবোর্ড বার। এর আরও অনেক উল্লেখযোগ্য ফিচারের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে- কনফিগারেবল কিবোর্ড বার, ফরম্যাটিং কনভার্ট করে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে ও আবার তা আগের ফরম্যাটে ফিরিয়ে আনে, এটি ফরম্যাটিং এক্সপোর্ট করে এইচটিএমএলে ও বিউটিফুলি স্টাইলড পিডিএফে, রিয়েল টাইম আইক্লাউড ও ড্রপবক্স সিঙ্ক, কিউরেটেড ফন্টসহ বিউটিফুল প্রিভিউ টেম্পলেট।
মেইলবক্স
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড : বর্তমানে এটি জিরো ইনবক্সে রিচিং বা অ্যাপ্রোচিংয়ের জন্য বেস্ট টুল। এটি মেইলবক্স রিডিজাইন করেছে ই-মেইলকে লাইট, ফাস্ট ও মোবাইল-ফেন্ডলি করার জন্য, আপনার আর্কাইভে বা ট্রাশে ই-মেইলে দ্রুত সোয়াইপ করার জন্য এবং পুরো কনভারসেশন চ্যাটের মতো ভিউয়ে সোয়াইপ করার জন্য। এটি পুরোপুরি একটি নতুন ইনবক্স। বর্তমানে এটি কাজ করে জি-মেইল ও আইক্লাউড ই-মেইলে।
স্ক্যানার প্রো ৬ বাইরেডল
আইওএস (আইএপি) : এটি পিজিক্যাল স্ক্যানারের কাজ করে। পিডিএফ ডকুমেন্ট ডিজিটাল ফরম্যাটে রিটার্নিংয়ের আগে প্রিন্ট বা সাইন যাই করুন, অথবা শুধু ডকুমেন্টের ডিজিটাল কপিই করুন, তবে এটি বেস্ট অপশন।
আই পাসওয়ার্ড
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড (ফ্রি + আইএপি) : আমরা সবাই কমপিউটারে পাসওয়ার্ডের ব্যাপারে ততটা মনোযোগ বা কড়াকড়ি আরোপ করি না। কিন্তু যখন দেখি পাসওয়ার্ড খুব চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছে, তখন আমরা পাসওয়ার্ড ট্রাই করি। ও Password আপনার বিস্তারিত স্টোর এনক্রিপটেড রাখে। ফলে আপনি নিরাপদে ও দ্রুত লগইন করতে পারেন।
নিউমারাস
আইওএস/অ্যান্ড্রয়িড : এই নিট ফিগারস-ফোকাসড Numerous অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে যেকোনো কাজে কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে কিংবা উভয় ক্ষেত্রে। এটি আপনার সোশ্যাল ফলোয়ার থেকে যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ নম্বর অথবা আপনার বিনিময় হারের পদক্ষেপগুলা চিহ্নিত করে এবং গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলোর কাউন্টডাউন করে।
স্ট্রিকস
আইওএস : Streaks হচ্ছে একটি পার্ট প্রোডাকটিভিটি ও পার্ট হেলথ অ্যাপ। এই অ্যাপের লক্ষ্য আপনাকে ভালো অভ্যাস গড়ে তোলার ছয়টি কাজ বেছে নিয়ে, যা আপনি প্রতিদিন করতে চান। এটি আপনাকে মনে করিয়ে দেবে

পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৫ - ডিসেম্বর সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস