Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > উইন্ডোজ ১০ পিসির গতি বাড়ানোর ৫ উপায়
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: তাসনীম মাহ্‌মুদ
মোট লেখা:১২১
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৬ - মার্চ
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
উইণ্ডোজ
তথ্যসূত্র:
ব্যবহারকারীর পাতা
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
উইন্ডোজ ১০ পিসির গতি বাড়ানোর ৫ উপায়
উইন্ডোজ ১০ দ্রুত রান করাতে চান? উইন্ডোজ ১০-এর পারফরম্যান্স বাড়াতে চাইলে এ লেখায় উল্লিখিত টিপগুলো অনুসরণ করুন।
০১. স্টার্টআপের সময় রান করা প্রোগ্রাম ডিজ্যাবল করা
উইন্ডোজ ১০ খুব কার্যকর এবং শক্তিশালী হলেও কখনও কখনও পিসিকে বেশ ধীর গতিসম্পন্ন মনে হয় ব্যাকগ্রাউন্ডে অসংখ্য প্রোগ্রাম রানিং থাকার কারণে। যেসব প্রোগ্রাম কমপিউটিং জীবনে হয়তো কখনই ব্যবহার করা হবে না বা কদাচিৎ ব্যবহার হয়। এসব প্রোগ্রামকে থামিয়ে দিন যাতে ব্যাকগ্রাউন্ডে রানিং না থাকে। এতে পিসি অধিকতর সাবলীলভাবে রান করতে থাকবে। অর্থাৎ পিসির পারফরম্যান্স উন্নত হবে।
টাস্ক ম্যানেজার চালু করার মাধ্যমে এ কাজটি শুরু করুন। এজন্য Ctrl+Shift+Esc চাপুন অথবা স্ক্রিনে নিচে ডানপ্রান্তে ক্লিক করেTask Manager সিলেক্ট করুন। যদি কোনো ট্যাব ছাড়া কমপ্যাক্ট অ্যাপ হিসেবে টাস্ক ম্যানেজার চালু হয়। এবার স্ক্রিনে More detailsঅপশনে ক্লিক করুন। এরপর টাস্ক ম্যানেজার আবির্ভূত হবে তার সব ট্যাবসহ। এখানে অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। তবে এ লেখায় ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে শুধু অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম দূর করার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে, যেগুলো কমপিউটার স্টার্টআপের সময় লোড হয়।
স্টার্টআপ ট্যাবে ক্লিক করুন। ফলে আপনি একটি প্রোগ্রামের লিস্ট এবং সার্ভিস দেখতে পারবেন, যেগুলো কমপিউটার স্টার্টআপের সময় চালু হয়। এতে ডান ক্লিক করে ‘ডিজ্যাবল’সিলেক্ট করুন। এটি প্রোগ্রামকে পুরোপুরি ডিজ্যাবল করে না। এটি শুধু প্রোগ্রামকে স্টার্টআপের সময় চালু হওয়া থেকে বাধা দেয়। ফলে আপনি অপারেটিং সিস্টেমকে চালু করার পর সব সময় অ্যাপ্লিকেশনকে রান করাতে পারবেন। আপনি যদি পরে সিদ্ধান্ত নেন যে স্টার্টআপের সময় প্রোগ্রাম চালু হবে, তাহলে টাস্ক ম্যানেজারের এই এরিয়াকে রিটার্ন করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে অ্যাপ্লিকেশনে ডান ক্লিক করে ‘এনাবল’ সিলেক্ট করতে হবে।

চিত্র-১ :টাস্ক ম্যানেজার ব্যবহার করে জানা যায় স্টার্টআপের সময় চালু হওয়া প্রোগ্রাম ডিজ্যাবল করা
প্রোগ্রাম এবং সার্ভিসগুলোর মধ্যে কোনো কোনোটি স্টার্টআপের সময় রান করে, সেগুলো আপনার কাছে খুব পরিচিত মনে হতে পারে। যেমন- ওয়ানড্রাইভ বা এভারনোট, ক্লিপার। তবে আপনি হয়তো এগুলোর মধ্যে কোনোটিকে শনাক্ত করতে নাও পারেন।
এ ক্ষেত্রে টাস্ক ম্যানেজার আপনাকে সহায়তা করবে আনফ্যামিলিয়ার প্রোগ্রাম সম্পর্কে তথ্য পেতে। এজন্য একটি আইটেমে ডান ক্লিক করে প্রোপার্টিজসিলেক্ট করুন হার্ডডিস্কে এর লোকেশনসহ এ সম্পর্কে অধিকতর তথ্য খুঁজে পেতে। এ তথ্যগুলো হতে পারে আপনার ডিজিটাল সিগনেচারসহ অন্যান্য তথ্য, যেমন- ভার্সন নাম্বার, ফাইল মাইজ এবং সবশেষ এর মোডিফিকেশন সংশ্লিষ্ট।
একটি আইটেমে ডান ক্লিক করে Open file location সিলেক্ট করুন। এটি File Explorerওপেন করে এবং একে অন্য ফোল্ডারে নিয়ে যায়, যেখানে ফাইল অবস্থান করে। এটি আপনাকে দিতে পারে প্রোগ্রামসংশ্লিষ্ট আরেকটি ক্লু তথা রহস্য সমাধানের উপায়। এরপর ডান ক্লিকের পর Search online সিলেক্ট করুন, যা হবে সবচেয়ে সহায়ক। এরপর প্রোগ্রাম বা সার্ভিসসংশ্লিষ্ট তথ্যের সাথে বিং লিঙ্কসহ চালু হবে। আপনি Reason Softwareচালিত একটি সাইটে যেতে পারেন, যা একটি ফ্রি সার্ভিস ‘Should I Block It?’ হিসেবে পরিচিত। এটি ফাইল নাম খোঁজ করে। এ ক্ষেত্রে আপনি খুঁজে পাবেন প্রোগ্রাম বা সার্ভিস সম্পর্কিত তথ্য।
এবার স্টার্টআপের যেসব প্রোগ্রাম চালু হয় সেসব প্রোগ্রাম ডিজ্যাবল করার জন্য সিলেক্ট করে কমপিউটারকে রিস্টার্ট করুন।
০২. শ্যাডো, অ্যানিমেশন ও ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট ডিজ্যাবল করা
উইন্ডোজ ১০-এর সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে চমৎকার দৃষ্টিনন্দন শ্যাডো, অ্যানিমেশন ও ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট। দ্রুতগতির নতুন পিসিতে সাধারণত সিস্টেম পারফরম্যান্সে তেমন কোনো ইফেক্ট পরিলক্ষেত হয় না। তবে পুরনো এবং ধীরগতির পিসির ক্ষেত্রে পারফরম্যান্স ইফেক্ট স্পষ্টত পরিলক্ষেত হয়।
এগুলো খুব সহজেই বন্ধ করা যায়। উইন্ডোজ ১০-এ সার্চ বক্সে sysdm.cpl টাইপ করে এন্টার চাপুন। ফলে System Properties ডায়ালগ বক্স চালু হবে। এরপর Advanced ট্যাবে ক্লিক করে পারফরম্যান্স সেকশনে Settings-এ ক্লিক করুন। ফলে আপনার সামনে Performance Optionsডায়ালগ বক্স আবির্ভূত হবে এবং দেখতে পাবেন বিভিন্ন ধরনের অ্যানিমেশন এবং স্পেশাল ইফেক্টের লিস্ট।

চিত্র-২ : পারফরম্যান্স অপশন ডায়ালগ বক্স যেখানে আপনি বিভিন্ন ইফেক্ট বন্ধ করতে পারবেন
যদি আপনার হাতে সময় থাকে এবং টোয়েক করতে পছন্দ করেন, তাহলে স্বতন্ত্রভাবে একটি একটি করে সক্রিয় এবং নিষ্ক্রিয় করতে পারেন। এগুলো হলো অ্যানিমেশন এবং স্পেশাল ইফেক্ট, যেগুলো সম্ভবত আপনি বন্ধ রাখতে চান। কেননা, এগুলো সিস্টেম পারফরম্যান্সে মারাত্মকভাবে ইফেক্ট তথা প্রভাব ফেলে।
* অ্যানিমেট নিয়ন্ত্রণ করে উইন্ডোজের অভ্যন্তরের অপরিহার্য অংশ।
* উইন্ডোজ অ্যানিমেট হয় যখন মিনিমাইজ এবং ম্যাক্সিমাইজ করা হয়।
* টাস্কবারে অ্যানিমেশন।
* ভিউতে ফেইড বা সস্নাইড মেনু।
* ভিউতে ফেইড বা সস্নাইড টুলটিপস।
* ক্লিক করার পর মেনু আইটেমে ফেইড আউট হয়।
* উইন্ডোজের অন্তর্গত শ্যাডো প্রদর্শন করা।
তবে যাই হোক, স্ক্রিনের উপরে Adjust for best performance সিলেক্ট করে Ok-তে ক্লিক করুন। ফলে উইন্ডোজ ১০ ইফেক্টগুলো বন্ধ হয়ে যাবে, যেগুলো সিস্টেমকে ধীরগতিসম্পন্ন করে দেবে।
০৩. উইন্ডোজ ট্রাবলশুটার চালু করা
উইন্ডোজ ১০-এর সাথে সম্পৃক্ত করা হয়েছে খুবই প্রয়োজনীয় অল্প পরিচিত টুল, যা সমস্যা খুঁজে বের করে তা সমাধানও করতে পারে। এটি চালু করার জন্য সার্চ বক্সে troubleshooting টাইপ করুন এবং আবির্ভূত হওয়াTroubleshooting Control Panel আইকনে ক্লিক করুন। এবার আবির্ভূত হওয়া স্ক্রিনের সিস্টেম অ্যান্ড সিকিউরিটি সেকশনেRun maintenance tasks-এ ক্লিক করুন।ফলে Troubleshoot and help prevent computer problems শিরোনামে একটি স্ক্রিন আবির্ভূত হবে। এবার Next-এ ক্লিক করুন।
ট্রাবলশুটার ফাইল খুঁজে বের করবে এবং আপনার অব্যবহৃত শর্টকাট আইডেন্টিফাই করার চেষ্টা করবে আপনার পিসিরজন্য যেকোনো পারফরম্যান্স এবং অন্যান্য ইস্যু, সেগুলোকে রিপোর্ট করে পরে ফিক্স করে। লক্ষণীয়, এ ক্ষেত্রে অনেক সময় একটি মেসেজ আসতে পারে, যেখানে উল্লেখ থাকেTry troubleshooting as an administrator। যদি পিসির অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ক্ষমতা আপনার হাতে থাকে, তাহলে এতে ক্লিক করলে ট্রাবলশুটার চালু হয়ে এর কাজ করা শুরু করবে।

চিত্র-৩ : উইন্ডোজ ১০-এর ট্রাবলশুটার পারফরম করতে পারে মেইনটেনেন্স ও পরিষ্কার করার কাজ
০৪. পারফরম্যান্স মনিটর থেকেসহায়তা পাওয়া
উইন্ডোজ ১০-এ পারফরম্যান্স মনিটর নামের এক চমৎকার টুল সম্পৃক্ত করা হয়েছে, যা অন্যান্য কিছু বিষয়ের সাথে সাথে আপনার পিসি সম্পর্কিত, সিস্টেম এবং পারফরম্যান্স ইস্যুসংশ্লিষ্ট যেকোনো ইস্যুর বিস্তারিত পারফরম্যান্স রিপোর্ট তৈরি করতে পারে।
রিপোর্ট পেতে চাইলে সার্চ বক্সে perfmon/report টাইপ করে এনআর চাপুন। লক্ষণীয়, perfmonএবং সস্ন্যাশ (/) চিহ্নের মাঝে যাতে একটি স্পেস থাকে তা নিশ্চিত করুন।রিসোর্স অ্যান্ড পারফরম্যান্স মনিটর চালু হয়ে আপনার সিস্টেম সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে। এজন্য ৬০ সেকেন্ড সময় নিতে পারে উল্লেখ করলেও কয়েক মিনিট পর্যন্ত সময় লাগতে পারে এ কাজের জন্য। যখন মনিটর করার কাজ শেষ হবে, তখন একটি ইন্টারেক্টিভ রিপোর্ট দেবে।

চিত্র-৪:পারফরম্যান্স মনিটর সিস্টেম ও পারফরম্যান্স ইস্যুর বিস্তারিত তথ্য দেবে
এ রিপোর্টে আপনি পাবেন ব্যাপক বিসত্মৃত তথ্য এবং এ কাজ সম্পন্ন করতে প্রচুর সময় নিতে পারে। এ ক্ষেত্রে আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে ওয়ার্নিং সেকশনে খেয়াল করা। যদি আপনার পিসির জন্য বড় কোনো ইস্যু খুঁজে পান, যেমন- উইন্ডোজসংশ্লিষ্ট, ড্রাইভারসংশ্লিষ্ট এবং এধরনের কোনো সমস্যা তাহলে পারফরম্যান্স মনিটরটুল বলে দেবে কীভাবে প্রতিটি সমস্যা ফিক্স করতে হবে, কীভাবে ডিভাইসগুলোকে সক্রিয় করতে হবে, যেগুলো ডিজ্যাবল তথা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
এবার রিসোর্স ওভারভিউ সেকশনে স্ক্রলডাউন করুন, যেখানে আপনার সিপিইউ, নেটওয়ার্ক, ডিস্ক ও মেমরি কেমনভাবে পারফরম করবে তা অ্যানালাইসিস করবে। প্রতিটি রেজাল্টই হয় কালার কোডেট। এ ক্ষেত্রে গ্রিন তথা সুবজ রং দিয়ে বুঝানো হয় এখানে কোনো সমস্যা নেই, হলুদ বর্ণ দিয়ে বুঝানো হয় সম্ভাব্য ইস্যু ও লাল বর্ণ দিয়ে বুঝানো হয় সমস্যাযুক্ত।
এছাড়া রিসোর্স ওভারভিউ পারফরম্যান্স ম্যাট্রিক্স এবং বিস্তারিত ব্যাখ্যামূলক। যেমন- সিপিইউ সবুজ হতে পারে এবং Normal CPU loadসহ সিপিইউর ইউটিলাইজেশন ২১ শতাংশ। অথবা মেমরির ক্ষেত্রে 1520 MB is availableসহ প্রদর্শিত হতে পারে ৬২ শতাংশ ইউটিলাইজেশন এবং হলুদ বর্ণ। অবশ্য এটি নির্ভর করে আপনার হার্ডওয়্যারের ওপর, যেমন- মেমরি।
০৫. বস্নটওয়্যার দূর করা
অনেক ব্যবহারকারী মনে করে থাকেন পিসির গতি কমে যাওয়ার মূল কারণ হলো উইন্ডোজ নিজেই। কিন্তু কখনওকখনও উইন্ডোজ ১০ নিজেই এজন্য দায়ী না হয়ে বস্নটওয়্যার বা অ্যাডওয়্যারকে দায়ীকরা যায়,যা ব্যাপকভাবে সিপিইউ ও সিস্টেম রিসোর্স ব্যবহার করে। অ্যাডওয়্যার ও বস্নটওয়্যার বিশেষভাবে প্রতারণামূলক। কেননা, এগুলো আপনার অজান্তে কমপিউটার প্রস্ত্ততকারকদের মাধ্যমে ইনস্টল করা হতে পারে। এগুলো থেকে যদি আপনি মুক্ত থাকতে পারেন, তাহলে উইন্ডোজ ১০ কত দ্রুত রান করতে পারে তা দেখে বিস্মিত হতে পারেন।
প্রথমে সিস্টেম স্ক্যান রান করুনঅ্যাডওয়্যার ও ম্যালওয়্যার খুঁজে বের করার জন্য। যদি আপনি সিস্টেমে ইতোমধ্যে একটি সিকিউরিটি স্যুট যেমন- নর্টন সিকিউরিটি বা ম্যাকাফি লাইভ সেফ ইনস্টল করে থাকেন, তাহলে তা ব্যবহার করুন। আপনি ইচ্ছে করলে উইন্ডোজ ১০-এর বিল্টইন অ্যান্টিম্যালওয়্যার অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য সার্চ বক্সে Windows Defender টাইপ করেএন্টার চেপে Scan Now-এ ক্লিক করুন। উইন্ডোজ ডিফেন্ডার ম্যালওয়্যার খোঁজ করবে এবং যদি কিছু খুঁজে পায় তাহলে তা অপসারণ করবে।
একটি দ্বিতীয় অপশন রাখা একটি ভালো অভ্যাস।এ ক্ষেত্রে ভালো হয় ম্যালওয়্যারবাইটস অ্যান্টিম্যালওয়্যার নামের ফ্রি টুলকে বিবেচনা করা। এই ফ্রি ভার্সন ম্যালওয়্যারের জন্য স্ক্যান করে এবং যদি কিছু খুঁজে পায় তাহলে তা অপসারণ করে। আর পেইড ভার্সন সবসময় প্রথমেই অফার করে সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য প্রোটেকশন ব্যবস্থা। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় দ্বিতীয় অপশনটি বেছে নেয়া। সুতরাং ফ্রি টুল, যেমন ম্যালওয়্যারবাইটস অ্যান্টিম্যালওয়্যার বেছে নেয়া হবে ভালো অভ্যাস। ফ্রি ভার্সস ম্যালওয়্যারের জন্য স্ক্যান করবে এবং কোনো ম্যালওয়্যার খুঁজে পেলে তা অপসারণ করবে। পেইড ভার্সন সবসময় সংক্রমণকে প্রতিহত করবে প্রথম প্লেসে।

চিত্র-৫ : ম্যালওয়্যারবাইটস অ্যান্টিম্যালওয়্যার পিসির সমস্যার জন্য স্ক্যান করে ও ফিক্স করে সমস্যা
এবার বস্নটওয়্যারের জন্য চেক করে দেখুন এবং এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য বেশ কিছু ফ্রি টুল আছে, যেগুলো ক্ষেত্রবিশেষে ব্যবহার করা যেতে পারে। আমাদের মনে রাখা দরকার, কোনো একক প্রোগ্রাম আপনার পিসির সব বস্নটওয়্যার খুঁজে বের করতে পারবে না। এ ক্ষেত্রে ভালো পছন্দ হতে পারে ‘পিসি ডিক্র্যাফায়ার’, ‘স্যুড আই রিমুভ ইট?’ এবং ‘সিস্নম কমপিউটার’ নামের টুলগুলো।
ফিডব্যাক :mahmood_sw@yahoo.com

পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৬ - মার্চ সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস
অনুরূপ লেখা