Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > পেশা যখন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: মো: আতিকুজ্জামান লিমন
মোট লেখা:১৮
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৬ - জুন
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
আউটসোর্সিং
তথ্যসূত্র:
ক্যারিয়ার
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
পেশা যখন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে পণ্য বা সেবা প্রচার এবং কোনো নির্দিষ্ট পণ্য বা সেবা কেউ যদি কেনে তাহলে তার একটি কমিশন রেফারেল লিঙ্কের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অনলাইনে অর্থ আয়ের একটি উপায়। অনেকের জন্য এটি মূল অর্থ উপার্জনের মাধ্যম। অর্থাৎ অ্যামাজন বা ই-বের পণ্য কোনো মাধ্যমে বিক্রি করিয়ে দিতে পারলে তারা আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন দেবে। ধরুন, অ্যামাজন স্টোরের ৫০০০ ডলারের পণ্য বিক্রি করিয়ে দিলে আপনাকে কমপক্ষে ২০০ ডলার কমিশন দেবে। এভাবে বিশ্বের প্রায় সব কোম্পানিই তাদের পণ্যের বিক্রির ওপর কমিশন দেয়। আর তা-ই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে যুক্ত হওয়ার লিঙ্ক হলো affiliate-program.amazon.com। এ লেখায় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে আয় করার বেশ কিছু উপায় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং
অনলাইনে যখন কোনো পণ্যের প্রচার-প্রচারণা করা হয়, তখন তাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলা হয়। যখন আপনার এই ডিজিটাল মার্কেটিং স্কিলটা নিজের কোনো পণ্য বা সার্ভিসের জন্য ব্যবহার করবেন, তখন তাকে ইন্টারনেট মার্কেটিং বলতে পারেন। যদি কেউ অন্যের কোনো পণ্য বা সেবা অনলাইনের মাধ্যমে করে, তখন তাকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হয়।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে সফলতার বিভিন্ন টিপ, পরামর্শ জানার দশটি ওয়েবসাইট এখানে উল্লেখ করা হলো- ০১. মার্কেটিং গরিলা, ০২. হোয়াট ডাজ জো থিংক, ০৩. মিসি ওয়ার্ড, ০৪. মি গ্রিন, ০৫. অ্যাফিলিয়েট সামিট, ০৬. ফিঞ্চ সেলস, ০৭. জন চো, ০৮. শোয়েমানি, ০৯. আই ওয়ার্ক ইন মাই পাজামাস এবং ১০. ডুকেও।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শেখার জন্য যেসব বিষয় আপনাকে শিখতে হবে তা হলো :
* সাবলীলভাবে ইংরেজি লেখার ক্ষমতা
ইরেজিতে নিজের দক্ষতা যদি কম থাকে, তবে তা উন্নত করার চেষ্টা করতে হবে।
* ব্লগ তৈরি ও তা রক্ষণাবেক্ষণ জানা
কিছু ব্লগ সাইট ফ্রিতে তৈরি করা সম্ভব, আবার কিছু সাইটের জন্য হয়তো কিছুটা খরচ করতে হবে।
* ব্লগ প্রমোশনের বা মার্কেটিংয়ের জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) শিখতে হবে
কোনো একটি সাইটকে প্রমোট করতে এসইও খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসইও করে একটি সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে (গুগল, ইয়াহু ইত্যাদি) প্রথমদিকে নিয়ে আসা সম্ভব, অবশ্য এর জন্য বেশ পরিশ্রম করতে হয়।
* সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং জানতে হবে
নতুন নতুন অনেক সোশ্যাল মিডিয়া বাজারে আছে (ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদি) এবং আসছে। অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান এখন পুরোপুরি পণ্য বা সার্ভিসের বিজ্ঞাপন বা প্রমোশনে ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবহার করে। এর মাধ্যমে এন্ড ইউজারের মতামত দেখা যায় এবং এর ওপর ভিত্তি করে মার্কেটিং পলিসি পরিবর্তন করে থাকে। তাই এই মিডিয়ার খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে সবসময় নিজেকে আপডেট রাখতে হবে।
* ই-মেইল মার্কেটিংয়ে দক্ষতা থাকতে হবে
ই-মেইল মার্কেটিং ব্যবহার করে দ্রুত নির্দিষ্ট ইউজারের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। বর্তমানে ই-মেইল মার্কেটিংও বেশ জনপ্রিয়।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং যেভাবে করবেন
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অনেকভাবে করা যায়। যেমন- কোনো একটি রিভিউ সাইট তৈরি করে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে ভিজিটর জেনারেট করে অথবা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বা ই-মেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে।
প্রোডাক্ট রিভিউ সাইট অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের অন্যতম একটি মাধ্যম। একটি জরিপে দেখা যায় (ইন্টারনেট থেকে)-
* ৮৩ শতাংশ ভোক্তা বলেছেন প্রোডাক্ট রিভিউ তাদের পারচেজ ডিসিশনকে প্রভাবিত করে।
* ৭০ শতাংশ ক্রেতা কেনার আগে অনলাইনে প্রোডাক্ট রিভিউ খোঁজেন।
* প্রায় অর্ধেকেরও বেশি ক্রেতা প্রোডাক্ট রিসার্চের অংশ হিসেবে সার্ভে এবং ভোক্তাদের রিভিউ পড়ে থাকেন।
* প্রায় ১০ জনের মধ্যে ৯ জন মার্কিনি কেনার আগে কোনো না কোনো সময় প্রোডাক্ট রিভিউ পড়ে থাকেন।
উপরের উল্লিখিত জরিপ দেখে সহজেই অনুমেয়, যেকোনো পণ্যের রিভিউ খুবই গুরুত্বের সাথে দেখা হয়। অনেকেই রিভিউ সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে থাকেন যাতে ভোক্তাদের সহজে আকৃষ্ট করা যায়। এরা পণ্য বা সার্ভিস সম্পর্কে ভালো ভালো রিভিউ ও রেটিং দিয়ে থাকে। অনেক ক্রেতাই শুধু রেটিং ও রিভিউয়ের ওপর ভিত্তি করেন কোনো বিষয় সম্পর্কে।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের অনেক বড় বড় সাইট বা নেটওয়ার্ক রয়েছে, যেগুলো থেকে সাইনআপ করে বিভিন্ন অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারেন। বিশ্বের বড় কয়েকটি অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্ক হচ্ছে- www.commissionjunction.com; www.clickbank.com; www.onenetworkdirect.com; www.linkshare.com; www.amazone.com; www.commissionsoup.com; www.shareasale.com; www.warriorplus.com; www.affiliatewindow.com
কোথায় শিখবেন?
ইন্টারনেটের বিশাল রাজ্যে ইউটিউব ভিডিও, বিভিন্ন ব্লগের আর্টিকল, ই-বুক দেখে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে পারেন। ইউটিউব ভিডিও বা ই-বুকের মাধ্যমে শিখতে বেশ সময় প্রয়োজন। সেই সাথে কোনো অভিজ্ঞ কারও কাছ থেকে শেখাটা অনেক সহজ হবে। হাতে-কলমে শেখার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারেন। অনলাইন মার্কেটি এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শেখার অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। অনলাইনেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের কোর্সের ব্যবস্থা করেছে, যেখান থেকে কোর্স শেষে সার্টিফিকেট দেয়া হয়।
এ পেশাতে ভালো করতে পারলে আয়ের পরিমাণ বেশ ভালো। অনেকেই এই পেশাতে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়েছেন। নিজেদের ফুলটাইম নিয়োগ করে উপার্জন করছেন বেশ ভালো অঙ্কের অর্থ
প্রফেশনাল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য যেসব টেকনিক্যাল বিষয় জানতে হয়
* অ্যামাজন ও ইবে অ্যাফিলিয়েট কী?
* কেনো অ্যাফিলিয়েটের জন্য অ্যামাজন ও ই-বে প্রথম পছন্দ?
* কেনো অ্যামাজন ও ই-বেতে উপার্জন বেশি হয়?
* তাদের পেমেন্ট সিস্টেম কী?
* কীভাবে অ্যামাজনে অ্যাফিলিয়েটের জন্য আবেদন করবেন।
* অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েশন কীভাবে কাজ করে।
* সাইট অপটিমাইজেশন।
* কনটেন্ট অপটিমাইজেশন।
* কম্পেটিটর অ্যানালাইসিস।
* ল্যান্ডিং পেজ সেটআপ।
* লিস্ট বিন্ডিং। * এসইও।
* অ্যাফিলিয়েটে মার্কেটিংয়ের জন্য উপযুক্ত পণ্য নির্বাচন।
* পণ্যের মান, দাম, জনপ্রিয়তা ইত্যাদি যাচাই।
* পণ্য সম্পর্কে ধারণা নেয়া।
* পণ্যের অ্যাফিলিয়েশনের জন্য উপযুক্ত বিক্রি বহুল এবং জনপ্রিয় কিওয়ার্ড নির্বাচন।
* কিওয়ার্ড টার্গেট করে পণ্যের বিবরণ তৈরি।
* ট্রাফিক ম্যাথড ফ্রি। * ট্রাফিক ম্যাথড পেইড।
ফিডব্যাক : infolimon@gmail.com


পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৬ - জুন সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস