Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > দক্ষতার সাথে উইন্ডোজ রিইনস্টল করা
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: তাসনুভা মাহমুদ
মোট লেখা:১০২
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৬ - আগস্ট
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
উইণ্ডোজ
তথ্যসূত্র:
পাঠশালা
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
দক্ষতার সাথে উইন্ডোজ রিইনস্টল করা
উইন্ডোজ রিইনস্টল করা খুব গুরুত্বপূর্ণ এক কৌশল অপারেটিং সিস্টেমের একটি স্পষ্ট কপি দিয়ে কাজ শুরু করার ফলে অপসারণ করতে পারবেন ব্লটওয়্যার, মুছে ফেলতে পারবেন ম্যালওয়্যার এবং ফিক্স করতে পারবেন সিস্টেমের অন্যান্য সমস্যা।
একটি সম্পূর্ণ স্পষ্ট রিইনস্টল করা পিসি থেকে উইন্ডোজ ১০ ও ৮ বা ম্যানুফ্যাকচারারের রিকোভারি পার্টিশন অথবা উইন্ডোজ ৭-এর জন্য ডিস্ক অপশন-পিসি রিসেট অপশন আলাদা। এসব বিল্টইন অপশন আপনার পিসিকে আগের ফ্যাক্টরি-ডিফল্ট অবস্থায় নিয়ে আসে, যা সম্পৃক্ত করে কিছু ভেন্ডর-ইনস্টলড জাঙ্ক, যা আপনি কখনই প্রত্যাশা করেন না। একটি স্পষ্ট ইনস্টলে ব্যবহার হয় জেনেরিক উইন্ডোজ ইনস্টলেশন মিডিয়া, যা ডাউনলোড করা যেতে পারে মাইক্রোসফটের সাইট থেকে, যেখানে ওএস ছাড়া অন্য কিছুই থাকে না।
উইন্ডোজ যাতে ভালোভাবে পারফরম করতে পারে, সে প্রত্যাশায় নিয়মিতভাবে উইন্ডোজ রিইনস্টল করা উচিত নয়। তবে যদি কোনো কমপিউটার স্টার্টআপ প্রোগ্রাম, কনটেক্সট মেনু আইটেম এবং সারা বছরের জাঙ্ক দিয়ে পরিপূর্ণ থাকে, তাহলে উইন্ডোজ রিইনস্টল করাই হলো খুব দ্রুতগতিতে কমপিউটারের গতিকে আবার যথেষ্ট মাত্রায় উন্নীত করা।
উইন্ডোজ রিইনস্টল করা হলে ম্যালওয়্যারে আক্রান্ত কমপিউটার অথবা বস্নু স্ক্রিন অব ডেথের মাধ্যমে আরও খারাপভাবে আক্রান্ত কমপিউটার এবং সফটওয়্যারের ইস্যুর কারণে অন্যান্য সিস্টেম সমস্যা রক্ষা পায় তথা সেভ হয়। উইন্ডোজ রিইনস্টলেশনের কাজ শুরু করার আগে পার্সোনাল সব ডাটা ব্যাকআপ করে নিন। প্রত্যেক ব্যবহারকারীরই উচিত নিয়মিতভাবে তাদের ডাটার ব্যাকআপ রাখা। বিশেষ করে একটি অপারেটিং সিস্টেম রিইনস্টল করার আগে এ কাজটি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
উইন্ডোজ ১০ ও ৮ পিসি রিসেট বা রিফ্রেশ করা
উইন্ডোজ ৮-এ যুক্ত করা হয়েছে Refresh your PC এবং Reset your PC ফিচার, যা উইন্ডোজের ইনস্টলিং প্রক্রিয়াকে সহজতর করতে চেষ্টা করে। আসলে এ দুটি অপশনই ব্যাকগ্রাউন্ডে উইন্ডোজের রিইনস্টলেশন পারফরম করে দ্রুতগতিতে কমপিউটারের ড্রাইভ রিকোভারি ফাইল থেকে একটি ফ্রেশ উইন্ডোজ সিস্টেম, একটি উইন্ডোজ ইনস্টলেশন ডিস্ক বা ইউএসবি ড্রাইভ ইনস্টল করে।
উইন্ডোজ ১০-এ ঠিক অপশনটিকে Reset this PC বলা হয়। এ অপশন দিয়ে আপনি পিসি রিসেট করতে পারবেন, ধরে রাখতে পারবেন সব পার্সোনাল ফাইল এবং উইন্ডোজ স্টোর অ্যাপস অথবা পিসি রিসেট করতে এবং ডিস্ক থেকে সব কিছু মুছে ফেলতে পারবেন। যেকোনো উপায়ে ইনস্টল করতে পারবেন সব ডেস্কটপ প্রোগ্রাম। রিসেট দিস পিসি ফিচার ব্যবহার করে পাবেন আপনার সব ভালো সিস্টেম ফাইলসহ একটি ফ্রেশ উইন্ডোজ ডেস্কটপ সিস্টেম। অর্থাৎ রিসেট দিস পিসি অপশন উইন্ডোজ ১০-কে ফ্যাক্টরির ডিফল্ট অবস্থায় রিসেট করে।
যদি সিস্টেম থেকে সবকিছুই মুছে ফেলতে চান, উইন্ডোজ আপনার সিস্টেম ড্রাইভকে এমনভাবে মুছে ফেলবে যে, পরে কেউ আপনার পার্সোনাল ফাইল রিকোভার করতে পারবে না। পিসি থেকে আপনার সব উপাদান বা কনটেন্ট অপসারণ করার সবচেয়ে সহজতম উপায় হলো এটি।
উইন্ডোজ ১০-এ এই অপশনটি পাবেন Update & security→Recovery-এর অন্তর্গত Settings app-এ। এবার Reset this PC-র অন্তর্গত Get Started-এ ট্যাপ করুন বা ক্লিক করুন। এরপর উইন্ডোজকে বলতে পারেন Keep my files or Remove everything।
যদি আপনার কমপিউটার ঠিকভাবে বুট না হয়, তাহলে এটি বুট হবে অ্যাডভান্সড স্টার্টআপ অপশন মেনুতে, যেখানে পিসি রিসেট করার জন্য Troubleshoot সিলেক্ট করতে হবে। এই অপশনে অ্যাক্সেস করতে পারবেন Windows recovery drive থেকে বুট করার মাধ্যমে।
উইন্ডোজ ৮-এ এই অপশনগুলো পাওয়া যাবে মডার্ন পিসি সেটিংস অ্যাপসের Update and recovery→Recovery অন্তর্গত অপশনে।
ম্যানুফেকচারারের রিকোভারি পার্টিশন বা ডিস্ক ব্যবহার করা
উইন্ডোজ ১০-এর অ্যানিভারসারি আপডেটে মাইক্রোসফট পরীক্ষা করা শুরু করে Give your PC a fresh start নামের একটি নতুন টুল দিয়ে, যা আপনাকে এখান থেকে উইন্ডোজ রিইনস্টল করার সুযোগ করে দেবে। এর ফলে ম্যানুফেকচারারের দেয়া সব জাঙ্ক মুছে ফেলবে। এটি ঠিক উইন্ডোজ ১০ ইনস্টল করার মতোই ভালো। এবার অ্যানিভারসারি আপডেটে আপগ্রেড করার পর রিকোভারি প্যানের নিচে Learn how to start fresh with a clean installation of Windows অপশনের জন্য অনুন্ধান করুন।
Give your PC a fresh start অপশন
অ্যানিভারসারি আপডেট দিয়ে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ১০ ব্যবহারকারীদের জন্য অনুমোদন করতে পারে উইন্ডোজ ১০-এর রিইনস্টলেশন এবং অপসারণ করতে পারে ম্যানুফেকচারার ইনস্টল করা জাঙ্ক।
ম্যানুফেকচারারের রিকোভারি পার্টিশন বা ডিস্ক ব্যবহার করা (উইন্ডোজ ৭ বা আগের ভার্সনের)
উইন্ডোজ ৭ ও উইন্ডোজের আগের ভার্সনের জন্য পিসি ম্যানুফেকচারারেরা দেয় একটি রিকোভারি পার্টিশন বা রিকোভারি ডিস্ক। বেশিরভাগ পিসি ম্যানুফেকচারার তাদের কমপিউটারে যুক্ত করে না উইন্ডোজ ইনস্টলেশন ডিস্ক।
যদি আপনার কমপিউটারে একটি রিকোভারি পার্টিশন থাকে, যা উইন্ডোজ রিইনস্টল করার জন্য রান করে ম্যানুফেকচারারের রিকোভারি টুল। অনেক পিসির রিকোভারি টুলে অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহারকারীকে বুট প্রসেসর চাপতে হয়। এটি আপনার স্ক্রিনে ডিসপ্লে হতে পারে বা কমপিউটার ম্যানুয়ালে এটি প্রিন্টেড অবস্থায় থাকতে পারে।
যদি আপনার কমপিউটারের সাথে রিকোভারি ডিস্ক সমন্বিত থাকে, তাহলে তা আপনার কমপিউটারের অপটিক্যাল ড্রাইভে ইনসার্ট করে নিন এবং এখান থেকেই বুট করাতে পারবেন উইন্ডোজ রিইনস্টল করার জন্য। এভাবেই আপনার ড্রাইভে পাবেন নতুনের মতো উইন্ডোজ সিস্টেম। সব অরিজিনাল ড্রাইভ ইনস্টল হবে, যা ভালো সংবাদ হলেও খারাপ সংবাদ হলো ব্লটওয়্যার আবার ফিরে আসবে। সুতরাং আপনাকে অনাকাঙিক্ষত জাঙ্ক সফটওয়্যার অপসারণ করতে হবে রিইনস্টল করার পর।
উইন্ডোজ ইনস্টলেশন মিডিয়া ডাউনলোড করা
রিসেট ফিচার এবং ম্যানুফেকচারারের অনুমোদিত রিকোভারি টুল একটি নতুন, স্পষ্ট, পরিপাটি উইন্ডোজ সিস্টেম পাওয়ার ক্ষেত্রে আপনাকে সহায়তা করতে নাও পারে। তবে উইন্ডোজ ইনস্টলেশন ডিস্ক থেকে উইন্ডোজ রিইনস্টল করলে সহায়তা পাবেন।
যদি আপনি নিজেই নিজের কমপিউটার তৈরি করে এতে উইন্ডোজ ইনস্টল করে থাকেন, তাহলে তা আপনার নাগালেই রাখুন। যদি আপনার কাছে উইন্ডোজ ডিস্ক না থাকে, তাহলে মাইক্রোসফটের সাইট থেকে উইন্ডোজ ১০ ইনস্টলেশন মিডিয়া ডাউনলোড করে নিতে পারেন। আপনি মাইক্রোসফটের সফটওয়্যার রিকোভারি ওয়েবসাইট থেকে Windows 7 ISOs ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। মাইক্রোসফটের সাইট থেকে এখনও উইন্ডোজ ৮.১ ইনস্টলেশন মিডিয়া পেতে পারেন। বর্তমানে ব্যবহৃত উইন্ডোজ পিসির প্রোডাক্ট কী খুঁজে পাবেন নিরসফটের মতো টুল ProduKey-র সাথে। এরপর প্রোডাক্ট কী লিখে রাখুন, যা পরে কাজে লাগতে পারে।
মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ১০ ডাউনলোড টুল ব্যবহার করুন ইউএসবি ড্রাইভে উইন্ডোজ ১০-এর ইনস্টলেশন ফাইল রাখার জন্য অথবা একটি আইএসও ডাউনলোড করুন।
উইন্ডোজ ১০ ও ৮.১ ডাউনলোড টুল আপনাকে গাইড করবে ইউএসবি ইনস্টলেশন মিডিয়া তৈরি করার জন্য। যদি আপনি Windows 7 ISO ফাইল ডাউনলোড করে থাকেন এবং তা ডিস্কে বার্ন না করিয়ে থাকেন, তাহলে ব্যবহার করতে পারেন মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৭ ইউএসবি/ডিভিডি ডাউনলোড করা টুল। যাতে ইউএসবি ড্রাইভে ওই উইন্ডোজ সিস্টেম রাখা যায় এবং তা ইউএসবি ড্রাইভ থেকে ইনস্টল করা যায়।
উইন্ডোজ ৭ ইউএসবি/ডিভিডি ডাউনলোড করা টুল আপনাকে জিজ্ঞেস করবে কোন মিডিয়ায় আপনার উইন্ডোজ ইমেজ সেন্ড করতে যাচ্ছেন।
উইন্ডোজ ইনস্টলেশন মিডিয়া বুট করা
উইন্ডোজের একটি স্পষ্ট ইনস্টল পারফরম করার জন্য আপনার কমপিউটারের অপটিক্যাল ড্রাইভে বা ইউএসবি পোর্টে একটি ইনস্টলেশন মিডিয়া ঢুকিয়ে কমপিউটার রিবুট করুন। এর ফলে আপনার কমপিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিমুভেবল মিডিয়া থেকে বুট হবে।
যদি কোনো কারণে আপনার কমপিউটার রিমুভেবল মিডিয়া থেকে বুট হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে কমপিউটারের বায়োসে ঢুকে অ্যাক্সেস করতে হবে এবং পরিবর্তন করতে হবে বুট অর্ডার অথবা বুট প্রসেসের সময় একটি কী-তে চাপতে হবে বুট মেনুতে অ্যাক্সেস করার জন্য। এরপর সিলেক্ট করতে হবে বুট ডিভাইস।
নতুন উইন্ডোজ ১০ এবং টঊঋও ভরৎসধিৎবসহ উইন্ডোজ ৮.১ পিসি বুট ডিভাইস বেছে নেয়ার সুযোগ করে দেবে ভিন্ন উপায়ে। উইন্ডোজে থেকে শিফট কী চেপে ধরুন এবং Settings চার্ম প্যানেলে Restart অপশনে অথবা Start স্ক্রিনে ক্লিক করুন। পিসি সেটিং অ্যাপ ওপেন করে নেভিগেট করুন Update and recovery→Recovery অপশন। এরপর Advanced startup-এর অন্তর্গত Restart now অপশনে ক্লিক করুন। এর ফলে আপনার কমপিউটার রিবুট হবে Advanced Startup Options মেনুতে। এবার Use a device সিলেক্ট করুন এবং বেছে নিন একটি ডিভাইস, যেখান থেকে পিসি বুট করাতে চান। এরপরও যদি আপনার কমপিউটার যথাযথভাবে উইন্ডোজ বুট করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে বিচলিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। কেননা, এই মেনুতেই এটি সরাসরি বুট হবে। সুতরাং এ অপশনগুলো ব্যবহার করতে পারেন সমস্যা ফিক্স করার সহা্য়তা পাওয়ার জন্য।
উইন্ডোজ রিইস্টল করা
উইন্ডোজ ইনস্টলেশন মিডিয়া একবার বুট হওয়ার পর উইন্ডোজ ইনস্টলার কর্তৃত্ব গ্রহণ করে এবং আপনাকে সম্পূর্ণ প্রসেস জুড়ে গাইড করবে।
ডিস্ক পার্টিশনিং অপশনে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিন। কোনো পার্টিশন বা ফাইল যেগুলো আপনি রাখতে চান, সেগুলো ওভাররাইট না করেই পুরনো উইন্ডোজ সিস্টেমকে প্রতিস্থাপন করতে পারবেন।
আপনার পিসির জন্য ড্রাইভার ডাউনলোড করা
আগের যেকোনো ভার্সনের চেয়ে উইন্ডোজের আধুনিক ভার্সনে অনেক বেশি বিল্টইন ড্রাইভার রয়েছে। সুতরাং আপনাকে বেশিরভাগ হার্ডওয়্যারই কাজ করা উচিত। ম্যানুফেকচারারের ওয়েবসাইট থেকে আপনার পিসির হার্ডওয়্যারের জন্য হয়তো ড্রাইভার এবং ইউটিলিটিজ গ্র্যাব করতে হতে পারে।
ম্যানুফেকচারারের ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার পিসির স্পেসিফিক মডেলের সাথে সংশ্লিষ্ট ডাউনলোড পেজ খুঁজে বের করুন। এখান থেকেই আপনি বেছে নিতে পারবেন কোন ফাইল ডাউনলোড এবং ইনস্টল করতে হবে। যেসব ফাইল ব্লটওয়্যার ইনস্টল করতে পারে, সেসব ফাইল ইনস্টলেশনের সময়ই আনচেক করার ব্যাপারটি নিশ্চিত করুন।
যদি আপনি নিজেই নিজের পিসি তৈরি করে থাকেন, তাহলে প্রতিটি হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্টের জন্য স্বতন্ত্র পেজে ড্রাইভার এবং টুল খুঁজে পাবেন।
কাস্টোম রিফ্রেশ ইমেজ তৈরি করা (উইন্ডোজ ৮)
উইন্ডোজ ৮-এ মাইক্রোসফট সম্পৃক্ত করেছে recimg নামে এক কমান্ড লাইন টুল। এটি তৈরি করে কাস্টম রিকোভারি ইমেজ। এই টুল উইন্ডোজ ১০-এ অপসারণ করা হয়। সুতরাং যারা উইন্ডোজ ৮ ও ৮.১ ব্যবহার করছেন, তাদের জন্যই এ টুল সহায়ক হবে। এ টুল প্রচুর সময় এবং কষ্ট কমিয়ে দেবে ভবিষ্যতের যেকোনো রিফ্রেশে।
প্রথমে ব্লটওয়্যার আনইনস্টল করুন এবং নতুন পিসি বা উইন্ডোজ রিইনস্টল করার পর ফেভারিট টোয়েক পারফরম করার ব্যাপারটি নিশ্চিত করুন। এরপর আপনার পছন্দের সফটওয়্যারগুলো ইনস্টল করুন। ফলে পরিবর্তনগুলো সেভ হবে রিকোভারি ইমেজে। সুতরাং সবসময় পিসি রিফ্রেশ করার দরকার হবে না।
ৎবপরসম রান করার আগে সিস্টেমকে অবশ্যই স্পষ্ট করে নেবেন। যদি কিছু সময়ের জন্য উইন্ডোজ ইনস্টলেশন ব্যবহার করে থাকেন, কালেক্ট করে থাকেন টেম্পোরারি ফাইল এবং অন্যান্য গারবেজ- তাহলে কাস্টোম রিকোভারি ইমেজ স্কোয়েকি ক্লিন না করতে পারেন। মাইক্রোসফট চেষ্টা করছে এসব প্রয়োজনীয়তা পরিহার করার জন্য Refresh your PC ফিচার দিয়ে। কখনও কখনও সেরা সমাধান হলো সব কিছু মুছে দিয়ে নতুন করে স্টার্ট করা
ফিডব্যাক : mahmood_sw@yahoo.com

পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৬ - আগস্ট সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস