Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া: প্রযুক্তি কি আমাদের স্মৃতিকে হত্যা করে চলেছে
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: গোলাপ মুনীর
মোট লেখা:২০১
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৬ - অক্টোবর
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
প্রযুক্তি বিপ্লব
তথ্যসূত্র:
রির্পোট
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া: প্রযুক্তি কি আমাদের স্মৃতিকে হত্যা করে চলেছে
প্রযুক্তি আমাদের অনেক সহজ সুযোগ এনে দিয়েছে। এর ফলে প্রযুক্তি কি
আমাদেরকে আলসে করে তুলছে? আমরা কি হয়ে উঠছি ভুলোমন?
আমরা কি হারিয়ে ফেলছি মৌলিক সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা?
এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই আজকের এই লেখা।
গোলাপ মুনীর
আপনার সবচেয়ে কাছের ও সবচেয়ে প্রিয় ব্যক্তিদের মধ্যে কয়জনের ফোন নাম্বার আপনি মনে রাখতে পারেন? কয়জনেরই জন্মতারিখ কিংবা ডাক-ঠিকানা বা নাম-ঠিকানা মনে রাখতে পারেন? যদি মনে করেন, আগে এসব ফোন নাম্বার বা নাম-ঠিকানা যতটা মনে রাখতে পারতেন, এখন আর ততটা পারেন না, তবে আশঙ্কা করতে পারেন আপনি ডিজিটাল অ্যামনেশিয়ায় (digital amnesia) ভুগছেন। ডিজিটাল অ্যামনেশিয়ার বাংলা নাম দিতে পারি ‘ডিজিটাল স্মৃতিবিলোপ’।
‘ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া’ পদবাচ্যটি চালু করে সাইবার সিকিউরিটি গ্রম্নপ ‘ক্যাসপারস্কি ল্যাব’। এরা এই কথাটি চালু করে সেই ‘ফরগেটিং ইনফরমেশন’ বোঝানোর জন্য, যা আপনার ডিভাইস আপনার হয়ে ইনফরমেশন স্টোর করবে ও মনে রাখবে বলে আপনি মনে করেন। গত বছর ক্যাসপারস্কি চোখ খুলে দেয়ার মতো একটি সমীক্ষা প্রকাশ করে। এর নাম ‘দ্য রাইজ অ্যান্ড ইমপেক্ট অব ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া’। এই সমীক্ষার মাধ্যমে চেষ্টা করা হয় এটুকু জানতে- কী করে আমরা আমাদের হাতে নিয়ে চলাচল করার মতো ছোট্ট হাইটেক টুলের ওপর কতটুকু নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি।
‘ডিজিটাল প্রযুক্তিগুলো আমাদের জীবনযাত্রা ও কর্মকা--র উপায়গুলোকেই শুধু পাল্টাচ্ছে না, এগুলো আমাদের চিন্তা-ভাবনা, শিক্ষা ও আচরণের ধরনও পাল্টে দিচ্ছে। পাল্টে দিচ্ছে আমাদের স্মরণে রাখার ধরনও’- এ অভিমতই তুলে ধরা হয়েছে ক্যাসপারস্কি পরিচালিত উলিস্নখিত সমীক্ষায়। এই সমীক্ষা-সূত্রে জানা গেছে, সমীক্ষায় অংশ নেয়া ইউরোপের ৬ হাজার প্রাপ্তবয়স্ক লোকের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি লোক যে বাড়িতে বসবাস করে আসছেন, সে বাড়ির ফোন নাম্বার মনে করতে পারেননি। একই সাথে এরা স্মরণ করতে পারেননি তাদের বর্তমান কর্মস্থলের ফোন নাম্বার। যাদের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তাদের প্রতি তিনজনের একজন স্বীকার করেছেন, তারা তাদের মেমরি বা স্মৃতি এতটুকু মাত্রায় আউটসোর্স করে দিয়েছেন যে, এরা তাদের জীবনসাথীর কাছেও ফোন করতে পারেন না, ফোন তালিকা থেকে আগে ফোন নাম্বার না দেখে।
সমীক্ষায় অংশ নেয়া প্রতি ১০ জনের ৯ জন তাদের সন্তানদের স্কুলের ফোন নাম্বার স্মরণ করতে পারেন না। জরিপে অংশ নেয়া লোকদের ৩৬ শতাংশ বলেছেন, এরা আগে যেগুলো তাদের স্মরণে ছিল, সেগুলোও এখন আর স্মরণে রাখার প্রয়োজন বোধ করেন না। প্রয়োজনে এরা তা জানার জন্য অনলাইনের আশ্রয় নেন। প্রায় প্রতি চারজনে একজন জানিয়েছেন, অনলাইন থেকে যে তথ্যটি এরা বের করলেন, কাজ শেষ হওয়ার পরপরই এরা তা ভুলে যান। কারণ, তা স্মরণে রাখার প্রয়োজন আছে বলে এরা মনে করেন না।
নারী-পুরুষ কিংবা বয়সভেদে সাধারণত এই ডিজিটাল অ্যামনেশিয়ার বেলায় তেমন ধর্তব্য নয়, যদিও সমীক্ষায় এমনটি কিছুটা জানা যায়। ডিজিটাল অ্যামনেশিয়ার প্রকোপ বয়স্কদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে একটু বেশি। ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সী ডিজিটাল নেটিভদের মধ্যে ডিজিটাল টুলে স্টোর করে রাখা ডাটা হারিয়ে গেলে এরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বেন। এরপরও এরা অনলাইনের ওপর বেশি থেকে বেশি নির্ভরশীল হচ্ছেন।
কগনিটিভ কমপিউটার
কগনিটিভ কমপিউটার বলতে বুঝি বোধজ্ঞানসম্পন্ন কমপিউটার। মার্ক পেশচি বলেন, ‘আমাদের মৌলিক কাজগুলো মেশিনের হাতে দিয়ে দেয়ার অর্থ, আসলে আমরা একটি উল্টো কাজই করছি। আমরা উঁচু পর্যায়ের কগনিটিভ কাজগুলোই হস্তান্তর করছি যন্ত্রের হাতে। হতে পারে এসব কাজ ম্যানুয়াল লেবার কিংবা হতে পারে সমস্যা সমাধানের কাজ, যেমন- ম্যাপরিডিং।’
তার এই অভিমত প্রমাণ করতে পেশচি উল্লেখ করেন, দু’টি গ্রাউন্ড ব্রেকিং আইবিএম কমপিউটিং সিস্টেমের কথা। এর একটি ‘ওয়াটসন ফর অনকোলজি’, অপরটি আইবিএমএ’র ওয়াটসন-পাওয়ার্ড কগনিটিভ কমপিউটার জড়ংং। প্রথমটি ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ক্যান্সার প্রতিষ্ঠানগুলো তথ্যের পাহাড় থেকে চালুনি দিয়ে ছেঁকে প্রয়োজনীয় তথ্য বের করার কাজে, যাতে রোগীকে সর্বোত্তম চিকিৎসা সেবা দেয়া যায়। দ্বিতীয়টি আইনগত গবেষণার জন্য বিশেষায়িত এবং এটি নিজের কাজ থেকে শিক্ষা নিতে পারে। প্রযুক্তিতে এই অগ্রগতি সম্প্রসারিত হচ্ছে রুটিনকর্মের বাইরে রোবটিকসের গতিশীল সমস্যা সমাধানের কাজে। তা সত্ত্বেও পেশচি উল্লেখ করেন, নিচু পর্যায়ের অধিকতর দৈহিক কাজকর্ম ধীরগতিতে বিলোপ হয়ে যাচ্ছে। কারণ, কায়িক জগতটা একটি রোবটের জন্য শ্রমসাধ্য কাজ, একান্তভাবেই ইনটেলেকচ্যুয়াল জগতের পেশার জন্য।
হাতে তৈরির পুনর্জন্ম
হয়তো ভাগ্যের পরিহাস- একদিকে যেমন আমরা ক্রমেই বেশি হারে ঝুঁকে পড়ছি হাইটেক পণ্যের দিকে, ঠিক তেমনি নতুন করে বাড়ছে হাতে তৈরি বা হ্যান্ডমেইড পণ্যের প্রতিও আকর্ষণ। এতে হ্যান্ডমেইডের জগতে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের রিস্কিলিং, নতুন শৈল্পিক দক্ষতা। শিল্পকলা ও কারুপণ্যের এই নতুন ঢেউ দেখা গেছে নিটিংয়ের ক্ষক্ষত্রে আগ্রহের বিষয়টিতে। একুশ শতাব্দীর শুরু থেকে আমেরিকার ‘ক্র্যাফট ইয়ার্নস কাউন্সিল’ (সিওয়াইসি) খবর দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫-৩৫ বছর বয়সী মোট মহিলার এক-তৃতীয়াংশ কোনো না কোনো হাতে তৈরির কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট। বৈশ্বিকভাবে আর্টিশান গুডস বা কারুপণ্য তৈরিতে বিস্ফোরণ ঘটেছে। শুধু ২০১৫ সালে ১৬ লাখ বিক্রেতা আড়াই কোটি ক্রেতার কাছে তাদের হাতে তৈরি কারুপণ্য Etsy.com-এর মাধ্যমে বিক্রি করে আয় করেছে ২৩৯ কোটি ডলার। এই পরিমাণটা এত বেশি যে, প্রফেসর সুসান লাকমানের মতে এটি একটি রেনেসাঁর জন্ম দিতে যাচ্ছে। তিনি কাজ করছেন ইউনিভার্সিটি অব সাউথ অস্ট্রেলিয়ার হাউকি ইউ সেন্টারে। উল্লেখ্য, Etsy.com হচ্ছে হ্যান্ডমেইড আইটেম ও ভিন্টেজ অবজেক্টের অর্থাৎ কারুপণ্য ও বিরল পণ্যের জন্য হাইয়েস্ট প্রোফাইল অনলাইন মার্কেটপ্লেস।
সুসান লাকমানের সবশেষ বই ‘ক্র্যাফট অ্যান্ড দ্য ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন এক্সপোনেনশিয়াল গ্রোথের ক্ষক্ষত্রগুলো- আর্টিশানাল গুডসের প্রতি আগ্রহ ও মহিলা উদ্যোক্তাদের (মামপ্রিনার) উত্থান, মহিলা তাদের সন্তানের যত্নআত্তির পাশাপাশি গড়ে তুলছেন তাদের ব্যবসায়। সুসান লাকমান নামের এই মহিলা ২০০৫ সালে চালু করা Etsy.com সম্পর্কে একটি অনুষ্ঠানে বলেন, হ্যান্ডমেইড ক্র্যাফট ও এর তৈরি পণ্য এখন সবখানে, আজকের অনলাইন ট্রেডিং ওয়েবসাইটের সুবাদে। লাকমানের মতে, ‘হাইটেক পরিচালনা করছে লোটেককে। ওয়েবসাইট ও অনলাইন শপের কল্যাণে কমার্স কাজটি এখন সহজ। আর ইন্টারনেট অর্থ পণ্য তৈরি সম্পর্কে আরও বেশি বেশি তথ্য। এ কাজকে এগিয়ে নেয়ার জন্য ইন্টারনেট এনে দিচ্ছে জনগণের ক্ষমতায়ন।’
সুসান লাকমানের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে- ‘হ্যান্ডমেইড পণ্যের প্রতি মানুষের রয়েছে আলাদা আকর্ষণ। কারণ ‘আনঅথেনটিক’ দুনিয়ায় এর রয়েছে একটি ‘অথেনটিক’-এর ছোঁয়া, অনুভূতি।’ তার ধারণা, হ্যান্ডমেইড পণ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহের কারণ বিভিন্ন। এর মধ্যে আছে নস্টালজিয়া তথা অতীতপ্রিয়তা, আছে এর অনন্যতা।
লাকমান বলেন, এ ক্ষক্ষত্রে রেনেসাঁ একটা চলছে বটে, তবে এক সময় এতে দুর্ভাগ্য আসবে যখন আমরা নৈপুণ্যটা বা দক্ষতাটুকু হারিয়ে ফেলব। অপরদিকে শিক্ষাবিদেরা অনুন্ধান করছেন ডিজিটালডেস্কিলিং ও কারুপণ্য তৈরির মধ্যে সংযোগ আছে কি না। এরা জানতে চাইছেন, যদি তেমন কোনো সংযোগ-সম্পর্ক থাকে, তবে এ ক্ষক্ষত্রে আমাদের কোনো করণীয় আছে কি না। আমরা যখন এমনি এক ভাবনা-চিন্তার জগতের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে, তবে আমরা অনলাইনে ঝাঁপিয়ে পড়ে একটি প্যাটার্ন ডাউনলোড করে তা নিয়ে এক্ষণেই কাজ শুরু করা থেকে কি বিরত থাকব?
প্রযুক্তি ও মস্তিষ্ক
বার্মিংহাম স্কুল অব সাইকোলজির লেকচারার ড. মারিয়া উইমবারের অভিমত হচ্ছে- ‘সমীক্ষার ফলাফল কোনো না কোনোভাবে দ্বিধারী তলোয়ারের মতো। একদিকে নিজের মনের মধ্যে তথ্যের স্মৃতিভা-ার গড়ে না তুলে অনলাইনের তথ্যের ওপর নির্ভর করার ফলে আমরা হয়ে উঠছি শূন্যগর্ভ চিন্তাবিদ।’ সমীক্ষায় আবার বলা হয়েছে, স্পষ্টতই আমাদের মস্তিষ্কের ধারণক্ষমতা সীমিত। অতএব একজন বলতেই পারেন, একটি স্মার্টফোন আমাদের মেমরিকে আরও জোরদার করে তুলতে পারে। কারণ, স্মার্টফোন মেমরি স্টোর করে বাহ্যিকভাবে। এর ক্যাপাসিটি অবাধে বাড়ানো যায় দীর্ঘমেয়াদি মেমরির বেলায়। আর ভুলে যাওয়াটা কোনোভাবেই খারাপ কিছু নয়- ‘ফরগেটিং ইজ নো ওয়ে অ্যা ব্যাড থিং।’
বিশ্বব্যাপী বর্তমানে বিজ্ঞানীরা জানতে চেষ্টা করছেন- হাইটেক গ্যাজেটের প্রতি আসক্তি সত্যিকার অর্থে আমাদের ওপর কতটুকু প্রভাব ফেলছে। এরা সমীক্ষা চালিয়ে জানার চেষ্টা করছেন, কোন প্রযুক্তি তরুণদের বোধজ্ঞান বাড়িয়ে তুলছে, বয়স্করা কি চিন্তাভাবনা ছেড়ে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে শুরু করে দিয়েছেন কি না, অথবা বিষয়গুলোকে প্রহেলিকাময় করে তুলছেন কি না?
বব কুপার হচ্ছেন পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার একজন সারভাইভাল এক্সপার্ট। তিন দশক ধরে তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন ‘ওয়াইল্ডার্নেস স্কিল’ বিষয়ে। তার বিশ্বাস, মানুষ বিপজ্জনকভাবে টেকনোলজির ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠছে, বিশেষত জিপিএস সিস্টেম ব্যবহারের ব্যাপারে। আর এই নির্ভরশীলতার মাত্রা এতটাই বেশি যে, এর ফলে তার ভাষায় এরা শুধু ‘bush-craft skill’-ই হারিয়ে ফেলছে না, একই সাথে হারিয়ে ফেলছে ‘common sense skill’-ও। বব কুপার বিবিসি নিউজকে জানান, ‘একটি বিচ্ছিন্ন স্থান খুঁজে পেতে পরিভ্রাজকদের সমস্যা নেই ইলেকট্রনিক ম্যাপরিডার ব্যবহারে। কিন্তু যখন ম্যাপরিডারটির কাজ করা বন্ধ হয়ে যায়, মানুষ জানে না তখন কী করতে হবে।’
কিছু প্রযুক্তিবিষয়ক লেখক তার সাথে একমত পোষণ করেন। এরা বলেন, কমপিউটিংয়ে অগ্রগতি, মেকানাইজেশন ও আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স আমাদেরকে শুধু জড়বুদ্ধিসম্পন্নই করে তুলছে না, একই সাথে আমাদের জীবনকে করে তুলছে দুর্বিষহ-দুর্দশাগ্রস্ত। এরপরও ৬৫ শতাংশ আমেরিকানের আশঙ্কা, আগামী ৫০ বছরের মধ্যে মানুষের বেশিরভাগ কাজই করে দেবে রোবট। রাস্তার মোড়ে মোড়ে থাকবে চালকবিহীন গাড়ি। সবাই এ ব্যাপারে উদ্বিগ্ন নন।
ভার্চু্যয়াল রিয়েলিটি পাইওনিয়ার মার্ক পেশচি একজন সম্প্রচারক, লেখক, গবেষক ও ভবিষদ্বাণী তথা ফিউচারিস্টও বটে। আমাদের চারপাশে যে অসংখ্য পরিবর্তন ঘটে চলেছে তাকে তিনি অভিহিত করেছেন ‘অ্যা কোয়ান্টাম জাম্প ইন হিউম্যান ক্যাপাবিলিটি ফর এভরিওয়ান’। তিনি ২০১২ সালে ‘অস্ট্রেলিয়ান পপুলার সায়েন্স’ সাময়িকীকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারের সময় এ কথা বলেন। এই সাক্ষাৎকার দেয়ার সময় তিনি বলেন, ‘চলমান প্রাযুক্তিক পরিবর্তন ততটাই গুরুত্বপূর্ণ, যতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল ৭০ হাজার বছর আগে ‘স্পিচ’-এর উদ্ভব।’

পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৬ - অক্টোবর সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস
অনুরূপ লেখা