Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > উইন্ডোজ মাস্টার বুট রেকর্ড রিপেয়ার ও ফিক্স করা
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: তাসনীম মাহ্‌মুদ
মোট লেখা:১১৪
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৬ - নভেম্বর
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
আইসিটি
তথ্যসূত্র:
পাঠশালা
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
উইন্ডোজ মাস্টার বুট রেকর্ড রিপেয়ার ও ফিক্স করা
আপনার পিসি কাজ করতে পারবে না, যদি মাস্টার বুট রেকর্ড করাপ্ট করে বা মুছে যায়। তবে সৌভাগ্যবশত আপনি এ সমস্যা ফিক্স করতে পারবেন।
পিসি স্টার্টআপ সিস্টেমের মূল অংশ হলো মাস্টার বুট রেকর্ড। এটি কমপিউটারের ডিস্ক পার্টিশনের তথ্য ধারণ করে ও অপারেটিং সিস্টেম লোড হতে সহায়তা করে। মাস্টার বুট রেকর্ড যদি যথাযথভাবে কাজ না করে, তাহলে আপনার পিসি ঠিকভাবে কাজ করতে পারবে না।
র্যা নসামওয়্যার মাস্টার বুট রেকর্ড ওভাররাইট করে, যা নতুন কিছু নয়। অতিসম্প্রতি পেটিয়া (Petya) ধরনের র্যা নসামওয়্যার মাস্টার বুট রেকর্ডে সমস্যা সৃষ্টি করছে। কিছুদিন আগে এক বিরক্তিকর ম্যালওয়্যার পপআপ হয় FossHub (ফ্রি ও ওপেনসোর্স সফটওয়্যার কমিউনিটির অংশ, যার লক্ষ্য ডাউনলোড ও ফ্রি প্রোজেক্টের হোস্টিং)-এ, যা ওভাররাইট করে মাস্টার বুট রেকর্ড এবং আক্রান্ত ব্যবহারকারীদের জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
মাস্টার বুট রেকর্ড নষ্ট হয়ে গেলে সাধারণত অপরিবর্তনীয় হয় না। তবে কিছু সমস্যা রয়েই যায়, যেহেতু মাস্টার বুট রেকর্ড ওভার রাইট করার ফলে আপনার পিসিকে রেন্ডার করবে অপারেট করার অনপুযোগীভাবে যতক্ষণ পর্যন্ত না এটি রিপেয়ার হচ্ছে।
মাস্টার বুট রেকর্ড ফিক্স করা
মাস্টার বুট রেকর্ড ফিক্স করার মূল উপায় হলো কমান্ড প্রম্পট ও bootrec.exe রান করা। উইন্ডোজ ৮ ও ১০-এর আগের ভার্সনগুলোতে কমান্ড প্রম্পটে অ্যাক্সেস করা হতো রিকোভারি মিডিয়া, যেমন ডিভিডি ডিস্ক বা ইউএসবি ড্রাইভের মাধ্যমে। এগুলো উইন্ডোজ ১০-এ এখন পর্যন্ত কাজ করছে এবং এ সম্পর্কে পরে আলোচনা করা হবে। তবে উইন্ডোজের সর্বাধুনিক ভার্সন বাড়তি মিডিয়া ছাড়া রিকোভারি কমান্ড রান করানোর জন্য অফার করে সহজতর প্রক্রিয়া।
যখন উইন্ডোজ ১০ পিসি প্রথম বুট করা হয়, তখন সমস্যা থাকলে তা রিকগনাইজ করা উচিত এবং automatic repair মোড এন্টার করা উচিত। এ কাজটি হওয়ার সময় ব্লু উইন্ডোজ লোগোর নিচে Preparing Automatic Repair লেখাটি দেখতে পারবেন।
যদি এমনটি না হয়ে দেখা গেল ব্লু উইন্ডোজ লোগো, তাহলে কমপিউটার বন্ধ করুন হার্ড রিসেট/পাওয়ার বাটন চেপে। কমপিউটার অন-অফ করতে থাকুন যতক্ষণ পর্যন্ত না দেখতে পাচ্ছেন আপনার পিসি অটোমেটিক রিপেয়ারে বুট হচ্ছে। এর জন্য মাত্র কয়েকবার রিবুট করুন।
অটোমেটিক রিপেয়ার মোড প্রস্ত্তত হওয়ার পর আপনি দেখতে পারবেন Automatic Repair স্ক্রিন। এখান থেকে সিলেক্ট করুন Advanced options। পরবর্তী স্ক্রিনে Troubleshoot-এ ক্লিক করে আবার Advanced options সিলেক্ট করুন।
এবার ছয় অপশনসহ আরেকটি স্ক্রিন দেখতে পারবেন। আপনি যদি চান, তাহলে কমান্ড প্রম্পটে ও Bootrec-এ যাওয়ার আগে সিলেক্ট করুন। Startup Repair একটি স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম, যা যেকোনো সমস্যা ফিক্স করতে চেষ্টা করে কোনো রকম বাধা ছাড়া, যদি কমপিউটার ডিস্কে কোনো সমস্যা খুঁজে পায়।
কোনো সমস্যা ফিক্স করার জন্য এটি একটি চমৎকার ইউটিলিটি হলেও স্টার্টআপ রিপেয়ার অনেক বেশি সময় নেয় কাজ শেষ করতে সাধারণ বুটরেক (Bootrec) রান করানোর তুলনায়।
বুটরেক অপশন ব্যবহার করার জন্য Command Prompt টাইলে ক্লিক করুন। এটি আবার আপনার কমপিউটারকে রিবুট করানোর জন্য প্রম্পট করতে পারে। এরপর পাসওয়ার্ডসহ লগইন করার জন্য বলতে পারে। যদি এমনটি ঘটে থাকে, তাহলে সে অনুযায়ী কাজ করুন। কমান্ড লাইন আবির্ভূত হওয়ার পর আপনাকে নিচে বর্ণিত কমান্ড টাইপ করে এন্টার চাপতে হবে।
bootrec.exe /fixmbr
লক্ষণীয়, exe ও /fixmbr-এর মাঝে স্পেস ব্যবহার করে কমান্ড যথাযথভাবে রান করা জটিল। এ ক্ষক্ষত্রে কমান্ডের প্রথম অংশ exe পিসিকে বলছে Bootrec প্রোগ্রাম রান করানোর জন্য এবং কমান্ডের দ্বিতীয় অংশ /fixmbr অপশন Bootrec-কে বলছে, আমরা যা চাই ড্যাশ তাই রিকোভার করতে।
যদি সবকিছু ঠিকভাবে কাজ করে, তাহলে কমান্ড প্রম্পট প্রিন্ট করবে The operation completed successfully। এরপর পিসিকে রিবুট করুন।
যদি আপনি র্যাকনসামওয়্যার থেকে অথবা ম্যালওয়্যারের অন্য কোনো ফরম থেকে রিকোভারের চেষ্টা করে থাকেন, তাহলে সেফ মোড থেকে বুট করুন ও অ্যান্টিম্যালওয়্যার রান করার বিষয়টি নিশ্চিত করুন।
একটি সিস্টেম রিপেয়ার ড্রাইভ থেকে বুটরেক
যদি আপনি উইন্ডোজের একটি পুরনো ভার্সন রান করতে থাকেন অথবা আপনার উইন্ডোজ ১০ পিসি যদি রিপেয়ার অপশন চালু না করে, তাহলে আপনার মাস্টার বুট রেকর্ড ফিক্স করার জন্য দরকার হবে একটি রিকোভারি ড্রাইভ ব্যবহার করা। পিসিতে সিস্টেম রিপেয়ার মিডিয়া ঢুকিয়ে পিসি স্টার্ট করুন। এটি হতে পারে আপনার তৈরি করা একটি অথবা উইন্ডোজ ইনস্টল ডিস্কের পারচেজ ভার্সন।
উইন্ডোজের জন্য একটি রিকোভারি ড্রাইভ তৈরি করা হলে যেকোনো বিপর্যয়ের সময় সেটি হতে পারে এক রক্ষাকবচ। এবার সিস্টেম বুট করুন। যদি আপনি ইউএসবি ড্রাইভ ব্যবহার করেন, তাহলে ইন্টারনাল ড্রাইভে ফিরে যাওয়ার আগে আপনার সিস্টেমের বায়োসকে সেট করতে হবে ইউএসবি থেকে বুট করার জন্য। যদি আপনার বায়োস সঠিকভাবে কনফিগার করা না হয়, তাহলে সিস্টেম রিকোভারি ড্রাইভ কোনো কাজে আসবে না। লক্ষণীয়, বায়োসে এন্টার করার উপায়টি সার্বজনীন নয়।
রিকোভারি ড্রাইভে বুট করার পর আপনার পছন্দের কিবোর্ড লেআউট ও ল্যাঙ্গুয়েজ সিলেক্ট করুন। এরপর আপনি পৌঁছে যাবেন ট্রাবলশুটিং স্ক্রিনে।
এ অবস্থায় আপনি কন্টিনিউ করতে পারেন কমান্ড প্রম্পট ও রান করতে পারেন বুটরেক।
যদি আপনি উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে অনুসরণ করা উচিত রিকোভারি মোডে চালু করা ধাপগুলো। ইনপুট মেথড সিলেক্ট করার পর Repair your computer সিলেক্ট করুন। এরপর Next→System Recovery Options →Command Prompt-এ ক্লিক করার পর বুটরেক স্টার্ট করুন একই bootrec.exe /fixmbr ব্যবহার করে।
পরবর্তী ধাপ
যদিও মাস্টার বুট রেকর্ড সমস্যা রিপেয়ার করা তুলনামূলকভাবে সহজ হলেও খারাপ কিছু ঘটার জন্য প্রস্ত্তত থাকা ভালো, যাতে আবির্ভূত যেকোনো সমস্যার সমাধান করা যায়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মাস্টার বুট রেকর্ড ইরেজারের এবং পিসির অন্যান্য আকস্মিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করা। আপনার পার্সোনাল ফাইলগুলো ব্যাকআপ করে নিন। এর অর্থ প্রতিদিনের লোকাল ব্যাকআপ এক্সটারনাল হার্ডড্রাইভে রাখা অথবা প্রতিদিনের ব্যাকআপের জন্য থার্ডপার্টি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা।
আপনি একটি সিস্টেম রিকোভারি ড্রাইভ তৈরি করে নিতে পারেন। এটি উইন্ডোজ ১০-এর যুগে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু উইন্ডোজ ১০-এর প্রথম দিকের ব্যবহারকারীদের মধ্যে অনেকেই তাদের অপারেটিং সিস্টেমকে আপগ্রেড করে নিয়েছেন ডিজিটাল ডাউনলোডের মাধ্যমে। এর ফলে তাদের হাতে নেই অপারেটিং সিস্টেমের ফিজিক্যাল কপি। যদি অটোমেটিক রিপেয়ার মেথড ব্যর্থ হয়, তাহলে আপনার দরকার হবে একটি সিস্টেম রিপেয়ার ড্রাইভ বুটরেক ব্যবহার করার জন্য অথবা অন্য যেকোনো সিস্টেম রিকোভারি টুল
ফিডব্যাক : mahmood_sw@yahoo.com


পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৬ - নভেম্বর সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস