Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > ২০১৬ সালের সেরা কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজার
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: ডা. মোহাম্মদ সিয়াম মোয়াজ্জেম
মোট লেখা:১৮
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৬ - অক্টোবর
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
ইনটারনেট
তথ্যসূত্র:
ইন্টারনেট
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
২০১৬ সালের সেরা কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজার
ওয়েব ব্রাউজার হলো সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন, যা আপনাকে সক্ষম করবে ইন্টারনেট ব্রাউজ করার এবং ওয়েব সাইটে অ্যাক্সেস করার জন্য। ডেস্কটপ ও অ্যাপ ব্রাউজার ট্রান্সলেট করে এইচটিএমএল এবং অনুমোদন করে টেক্সট রিড করার, ইমেজ ভিউ করার ও অনলাইন ভিডিও প্লে করার জন্য। এ সার্ভিসগুলো প্রাথমিকভাবে ফোকাস করে ইন্টারনেটে অ্যাক্সেস করার জন্য, তবে এগুলো ওয়েব সার্ভার ও ফাইল সিস্টেমে প্রাইভেট ইনফরমেশনে অ্যাক্সেস করতে পারবে।
সেরা ওয়েব ব্রাউজার বেছে নেয়ার জন্য যে বিষয়গুলোর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেয়া উচিত সেগুলো সিম্পিস্নসিটি, স্পিড ও সিকিউরিটি। ওয়েব ব্রাউজারকে লোড হতে হবে দ্রুতগতিতে এবং গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান প্রধান অপারেটিং সিস্টেমের সাথে কম্প্যাটিবল হতে হবে।
ওয়েব ব্রাউজার দেয় বাস্তব সুবিধাজনক ফিচার, যা ওয়েব সার্ফিংকে করে অধিকতর সহজ ও দ্রুততর। সিকিউরিটি ফিচার যেমন- প্রাইভেসি সেটিং, পপআপ বস্নকার ও অ্যান্টিস্পাইওয়্যার এনাবল করে, সেফ ইন্টারনেট সার্ফিং ও পার্সোনাল ইনফরমেশন নিরাপদ রাখতে সহায়তা করে।
যখন একটি নতুন পিসি বা ল্যাপটপ কিনে ওপেন করা হয়, তখন দেখা যায় তথ্যপ্রযুক্তির মহাসড়ক ইন্টারনেটে যুক্ত হওয়ার একমাত্র পথ হলো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার অথবা এজ ওয়েব ব্রাউজার, যদি পিসিটি উইন্ডোজ ১০ চালিত হয়।
লক্ষণীয়, নতুন ব্রাউজার অপশন এজ ও ভিভালডির আসার সাথে সাথে ওয়েব হয়ে উঠেছে আরও অনেক বেশি মজার ক্ষক্ষত্রে। কেননা, ব্রাউজার শুধু একটি ওয়েবপেজ ভিউয়ার ও কন্টেইনারই নয়, বরং সত্যিকার অর্থে এক অ্যাক্টিভ ও ইন্টারেক্টিভ অ্যাক্টিভিটিজ যেমন- মেসেজিং ও গেমিং। এটি আপনার ই-মেইল রিডার, মিউজিক ও ভিডিও প্লেয়ার এবং সম্ভাব্য ভিডিও কনফারেন্সিং উইন্ডো। কিছু সময় স্থবিরতার পর ওয়েব ব্রাউজার বেছে নেয়ার প্রসঙ্গটি আবার উঠে এসেছে।
নতুন ব্রাউজার এন্ট্রিগুলোর মধ্যে রয়েছে মাইক্রোসফটের ওয়েব সার্ফিং সফটওয়্যার এজ, অপেরা প্রস্ত্ততকারকের ভিভালডি, জাভা স্ক্রিপ্ট প্রস্ত্ততকারকের ব্রেভম্যাক্সথনের দুটি আলাদা অপশন- একটি স্পিডের জন্য, অপরটি ফিচারের সাথে লোড হয়।
নতুন সদস্য এজ
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের এক সিরিজ ভার্সনের পর মাইক্রোসফটের নতুন অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ১০-এর সাথে সম্পৃক্ত করা হয় ওয়েব সফটওয়্যার এজ। এ নতুন ব্রাউজারগুলো সম্পৃক্ত করে কিছু নেফটি, ইউনিক ফিচার, যেমন- ওয়েব নোট, যা আপনাকে সুযোগ করে দেবে টিকা লেখার ও ওয়েব পেজ শেয়ার করার, একটি অ্যাড-ফ্রি রিডিং ভিউ, ইন্টিগ্রেটেড সার্চ ও সোশ্যাল শেয়ারিং। ওইসব সক্ষমতা এর সর্বাধুনিক ভার্সনে যুক্ত করেছে ট্যাব পিনিং ও এক্সটেনশন সাপোর্ট।
প্রাইভেসি
ব্রাউজার বিশ্বে প্রাইভেসি এবং অ্যাড-বস্নকিং ফিচার সূচিত করে এক বড় প্রদর্শন। অনুমান করা যায়, যেহেতু কনজ্যুমার সার্ভেতে দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করা হয় তাদের ওয়েব ব্রাউজারগুলো ট্র্যাক করা সম্ভব নয়। নতুন ওয়েব ব্রাউজার আপনাকে রাখবে ওয়েব অ্যাড থেকে মুক্ত। ম্যাক্সথন ও অপেরা এখন বাজারে চালু করে বিল্টইন অ্যাড বস্নকারসহ প্রাইভেট ব্রাউজিং মোড। সক্রিয় থাকা অবস্থায় ফায়ারফক্স বস্নক করে থার্ডপার্টি ট্র্যাকার, যা ব্রাউজার প্রস্ত্ততকারকদের অনুসরণ করা উচিত। অপ্রত্যাশিতভাবে এ প্রবণতার একমাত্র ব্যতিক্রম হলো উচ্চতর প্রাইভেসি প্রোটেকশনের ক্ষক্ষত্রে গুগলের ক্রোম। কেননা, ক্রোম তাদের ব্যবসায় পরিচালনা করে থাকে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে।
অপরিহার্য এক্সট্রা
বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিতে ইদানীং ওয়েব কনজ্যুমিংয়ের অপরিহার্য দুটি ফিচার হলো অ্যাড-ফ্রি রিডিং মোড ও শেয়ার বাটন। বেশ কিছু ব্রাউজারে এই ফিচারগুলো বাইডিফল্ট সম্পৃক্ত থাকে। এগুলো ফাংশনালিটি দিলেও এদের এক্সটেনশন খুঁজে পাওয়া যায় না। সুতরাং অনেক সাইট অ্যাড ও অটো-প্লে ভিডিও দিয়ে ওভারলোডেড থাকে, যা ওয়েব ব্রাউজকে ব্যাহত করাসহ দিন দিন কঠিন থেকে কঠিনতর করে তুলছে। ইদানীং অন্যতম এক সাধারণ অ্যাকশন হলো অনলাইনের মজার কোনো ঘটনা আপনার প্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্কে শেয়ার করা।
কনটেন্ট থেকে সরে এসে অ্যাডোবির ফ্ল্যাশ টেকনোলজি হয়ে উঠেছে ওয়েব ব্রাউজার ফাংশনালিটির জন্য এক চলমান ইস্যু। ফায়ারফক্স হলো প্রথম, যেটি আসলে এ অ্যাকশন গ্রহণ করে, ফ্ল্যাশ কনটেন্টকে অটো-প্লেয়িংয়ের পরিবর্তে অন-ডিম্যান্ডে পরিণত করে। গুগল উল্লেখ করে ক্রোমের আগামী ভার্সনের এমন সুবিধা থাকবে। ইতোমধ্যে ক্রোম ও এজ ব্রাউজারে ফ্ল্যাশ বিল্টইন করা হয়েছে।
ব্যাটারি-বিষয়ক
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হলো ব্যাটারির ব্যবহার। টেক নিউজ স্টোরিজের দাবি, ক্রোম ব্রাউজার ল্যাপটপের ব্যাটারি পাওয়ার প্রচ-ভাবে ব্যবহার করে। তাই অনেকের কাছে ক্রোম ল্যাপটপ ব্যাটারি কিলার হিসেবে পরিচিত। কিছুদিন আগে মাইক্রোসফট প্রকাশ করে এক ভিডিও, যেখানে দেখানো হয় এজ ব্রাউজার ব্যাটারির আয়ু উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাড়ায়। অপেরার ব্রাউজারের ব্যাটারি সেভার মোড এজ ব্রাউজারের চেয়ে বেশি দক্ষ। তবে অনেকের কাছে ফায়ারফক্স পাওয়ার ব্যবহারের ক্ষক্ষত্রে সবার সেরা।
ডেস্কটপ ব্রাউজারগুলোর মধ্যে কয়েকটি অফার করে মোবাইল ভার্সন, যা তাদের ডেস্কটপ সিবলিংয়ের সাথে সিঙ্ক করতে পারে। এর অর্থ আপনি যখন এক ডিভাইস থেকে আরেক ডিভাইসে সরে আসবেন, তখন আপনার সব বুক মার্কস, প্রেফারেন্স, ট্যাবস, ব্রাউজিং হিস্টোরি, অ্যাড-অনস ইত্যাদি সব পেতে পারেন।
ব্রাউজার প্ল্যাটফরমের তারতম্যের সাথে সাথে সিঙ্কের তারতম্য হতে পারে। যেমন- আইওএসে ফায়ারফক্স সিঙ্ক করতে পারে বুকমার্কস, ওপেন ট্যাব, হিস্টোরি ও একটি কমপিউটার থেকে পাসওয়ার্ড। তবে বুকমার্কস শুধু সিঙ্কড হতে পারে ফোন থেকে ডেস্কটপে। ফায়ারফক্সের অ্যান্ড্রয়িড ক্লায়েন্টে তেমন সীমাবদ্ধতা নেই। মাইক্রোসফট এজ সিঙ্ক হতে পারে উইন্ডোজ ১০ মোবাইল ফোনে, দুটি লিডিং মোবাইল প্ল্যাটফরমে হতে পারে না। তবে নতুন ব্রাউজার ভিভালডির কোনো মোবাইল ভার্সন এখন পর্যন্ত নেই। অপেরা ও ম্যাক্সথনও সিঙ্ক করতে পারে। ডেস্কটপ কমপিউটার থেকে মোবাইল ফোনে মুভ করার জন্যই শুধু সিঙ্কসিং প্রয়োজন তা নয়, বরং কমপিউটারের মধ্যেও দরকার। উইন্ডোজের অন্তর্গত ফায়ারফক্সে ও হোম ম্যাকেও সিঙ্ক করা যায়।
ড্রেসিংআপ
সফটওয়্যার হাউসগুলো অব্যাহতভাবে অফার করে আসছে ব্রাউজিং ইন্টারফেস কাস্টোমাইজেশন। অতীতে ছিল সম্পূর্ণরূপে স্কিনিং প্রোগ্রাম, যেভাবে ফায়ারফক্স ব্যবহার করা হতো অনুমোদন করার জন্য। ইন্টারফেসে প্রতিটি বাটন ও কন্ট্রোল রিডিজাইন করার পরিবর্তে বেশিরভাগ ব্রাউজারই আপনাকে মেনু এরিয়ার জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড কালার সেট করার সুযোগ দেয়, যেমনটি ফায়ারফক্স করে থাকে। ইন্টারফেস কাস্টোমাইজেশনের ক্ষক্ষত্রে ভিভালডি দারুণভাবে কাজ করে। অপরদিকে এজ আপনাকে সুযোগ দেবে শুধু লাইট ও ডার্ক উইন্ডোর মধ্য থেকে বেছে নেয়ার।
বিভিন্ন ওয়েব ব্রাউজারের বৈশিষ্ট্য

মজিলা ফায়ারফক্স
মজিলা ফায়ারফক্স উইন্ডোজ ১০সহ উইন্ডোজের আগের প্রতিটি ভার্সন অর্থাৎ উইন্ডোজ এক্সপি থেকে শুরু করে উইন্ডোজ ৭, ৮ ও ৮.১ ভার্সন যেমন সাপোর্ট করে, তেমনি ম্যাক ও লিনআক্স সাপোর্ট করে। যদি আপনি ফায়ারফক্স ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে নতুন ভার্সন পাওয়ার জন্য কমপিউটারকে রিস্টার্ট করলেই হবে অথবা ফোর্সড আপডেটের জন্য Help > About Firefox-এ অ্যাক্সেস করতে হবে।
ফায়ারফক্সে ব্রাউজার ইন্টারফেসটি বেশ আকর্ষণীয়। এর নতুন লুকটি ক্রোমের মতো হলেও বেশ পার্থক্য রয়েছে। অ্যারোতে ক্লিক করে সামনে-পেছনে স্ক্রল করার সময় ফায়ারফক্সের ট্যাব থাকে রিডেবল। ফায়ারফক্সের সার্চ বক্সকে রাখা হয়েছে এর অ্যাড্রেস বার থেকে আলাদা করে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইভেসি প্রোটেকশন। ফায়ারফক্সের সার্চ বক্সে সম্পৃক্ত রয়েছে একটি ড্রপডাউন অ্যারো, যা সার্চ প্রোভাইডারদের মধ্য থেকে বেছে নেয়ার সুযোগ দেবে। ফায়ারফক্সের অন্য গুরুত্বপূর্ণ ফিচারগুলো হলো কাস্টোমাইজেবল ও সিঙ্ক করার সক্ষমতা। সলিড সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি ফিচারটি চমৎকার।
গুগল ক্রোম
গুগল ক্রোম হলো প্রথম ব্রাউজার, যার ইউজার ইন্টারফেসকে সম্পূর্ণরূপে সাধারণ ও সহজ-সরল করা হয়েছে। এটি ব্যবহারকারীদেরকে অফার করে অ্যাড্রেস বার ও অন্যান্য কয়েকটি বাটনের চেয়ে সামান্য কিছু বেশি সুবিধা। প্রচুর পরিমাণের এক্সটেনশন ইনস্টল করার ফলে সিস্টেম ক্লাটার হওয়ার পরও এর লুকটি ক্লিন এবং বেশিরভাগ ব্যবহারকারীর কাছে গুগল ক্রোম তেমন কনফিউজিং মনে হয় না। তবে বেশিরভাগ ইউজারের জন্য এ বিষয়টি তেমন বিভ্রান্তকর মনে হয় না। বেশিরভাগ ব্রাউজারের মতো ক্রোম অবিশ্বাস্যভাবে ১৫টির বেশি ওপেন ট্যাব নিয়ে কাজ করতে পারে। ক্রোম উইন্ডো এক্সপান্ডেট বা সামান্য মিনিমাইজ অবস্থায় থাকলেও এটি কনটেন্ট ডেলিভারির কাজটি চমৎকারভাবে করতে পারে। ক্রোম হলো প্রথম ব্রাউজার, যেখানে অ্যাডোবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ার ও পিডিএফ রিডার বিল্টইন। ক্রোম ম্যাক ওএস, লিনআক্স ও উইন্ডোজ ৭ থেকে শুরু করে উইন্ডোজ ১০ পর্যন্ত সব ভার্সনই সাপোর্ট করে।
অপেরা
অপেরা ব্রাউজার ব্যবহার করে গুগলের ক্রোমিয়াম ওয়েব ইঞ্জিন। এ ক্ষক্ষত্রে ধরে রাখে এক সেট সিগনেচার ফিচার, যা অন্য ব্রাউজারদের থেকে অপেরাকে আলাদা করে রাখে। অপেরা ব্রাউজারে রয়েছে ক্রোমের মতো একটি সিঙ্গেল হাইব্রিড অ্যাড্রেস-সার্চ বার। অপেরার সাম্প্রতিক ফিচারে সম্পৃক্ত করা হয়েছে বিল্টইন অ্যাড বস্নকিং ও ব্যাটারি সেভার মোড, ভিডিও পপআউট, টার্বো কম্প্রেশন স্কিম, একটি বিল্টইন ভিপিএন। অপেরা এক্সটেনশন ব্যবহারের জন্য ব্রাউজারকে রিস্টার্ট করার দরকার হয় না, যা একে অন্যান্য ব্রাউজার থেকে আলাদা করেছে। অপেরা ব্রাউজার ভিন্নভাবে বুকমার্কস হ্যান্ডেল করতে পারে।
অপেরা রান করে উইন্ডোজ ঘরানার উইন্ডোজ এক্সপি থেকে শুরু করে উইন্ডোজ ১০ পর্যন্ত সব অপারেটিং সিস্টেম, ম্যাক ওএসএস এক্স ১০ লাইওন বা এর পরবর্তী ভার্সন এবং ৫টি জনপ্রিয় লিনআক্স ডিস্ট্রিবিউশন।
মাইক্রোসফট এজ
মাইক্রোসফটের এজ ব্রাউজারকে দিন দিন উন্নত থেকে উন্নততর করা হচ্ছে। এর ইন্টারফেসটি চমৎকার এবং অফার করে ভালো সিকিউরিটি অপশন ও সাপোর্ট করে এক্সটেনশন। উইন্ডোজ ১০ অ্যানিভারসারি আপডেটে সম্পৃক্ত করা হয় এজ ব্রাউজার। এ আপডেট ভার্সনে যুক্ত করা হয় এক্সটেনশন, ট্যাব-পিনিং, দ্রুততর পেজ রেন্ডারিং ও বিসিত্মৃত স্ট্যান্ডার্ড সাপোর্টসহ কিছু অপরিহার্য আপডেট। উইন্ডোজ ১০-এ এজ ইনস্টল হয় ডিফল্ট ব্রাউজার হিসেবে। উইন্ডোজ ১০ মোবাইল ভার্সনেও এজ ডিফল্ট ব্রাউজার।
উইন্ডোজ ১০ অ্যানিভারসারি আপডেটে সম্পৃক্ত করা নতুন টোয়েক ও ব্রাউজিং টুলগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো ট্যাব পিনিং, যার অর্থ ট্যাব রো’র বাম দিকে একটি ছোট স্ক্যায়ার ট্যাবে ক্লিক করে ব্রাউজারের ডান দিকে টপ বর্ডারে থাকে বাকি কন্ট্রোলগুলো। এখানে রিডিং মোডের জন্য রয়েছে বুক আইকন, স্টার ব্যবহার হয় ফেভারিট যুক্ত করার জন। রিডিং লিস্ট ফিচারে রিডিং মোডে তেমন করণীয় কিছু নেই।
ভিভালডি
ভিভালডির সবশেষ আপডেট ভার্সন হলো ১.৩। ভিভালডি ওয়েব ব্রাউজার সফটওয়্যারটি অফার করে কাস্টোমাইজেশন সুবিধা। এই ওয়েব ব্রাউজারটি ওয়েব স্ট্যান্ডার্ডের সাথে কমপস্নায়েন্ট। এতে রয়েছে চমৎকার ট্যাব ইমপ্লিমেন্টেশন। ভিভালডি ওয়েব ব্রাউজারের সব টুল যদি এনাবল করা হয়, তাহলে কিছুটা ক্লাটারেট তথা বিশৃঙ্খল হতে পারে। এতে নেই কোনো রিডিং মোড অথবা শেয়ার বাটন। এতে নেই সিঙ্কসিং সুবিধা এবং মোবাইল ভার্সন। ভিভালডি ওয়েব ব্রাউজারে বেসিক কিছু ফিচার নেই, যেগুলো এর প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়েব ব্রাউজারগুলো অফার করে থাকে।
সাফারি
অ্যাপল ম্যাকের জন্য সেরা ব্রাউজার হলো সাফারি যা ক্রশ পস্নাটফরম উপযোগী। এ ব্রাউজারটি অন্যান্য ব্রাউজারের তুলনায় অনেক বেশি অ্যানার্জি ইফিসিয়েন্ট হওয়ায় সাইটগুলো অনেক বেশি রেসপন্সিভ। এ ব্রাউজারের টুলগুলো সেভ, ফাইন্ড এবং ফেবারিট শেয়ার করার ক্ষক্ষত্রে সহায়তা করবে। সাফারি আইক্লাউডের সাথে কাজ করতে পারে যাতে নিরববিচ্ছন্নভাবে ডিভাইস জুড়ে ব্রাউজ করা যায়। সাফারি হলো প্রথম ব্রাউজার যেটি বাইডিফল্ট কুকিজ বস্নক করে। বাইডিফল্ট সাফারি প্রতিহত করে থার্ড-পার্টি ওয়েব সাইট যাতে ক্যাশে, লোকাল স্টোরেজ বা ডাটাবেজে ডাটা থেকে না যায়। সাফারি অ্যাপল ফ্ল্যাগশিপের ব্রাউজার হলেও তা ব্যবহার করার জন্য যে অ্যাপল ডিভাইসের প্রয়োজন হবে এমন কোনো কথা নেই। উইন্ডোজের বেশ কিছু ভার্সন রয়েছে যেগুলো সাফারি সাপোর্ট করে। এ ছাড়া এটি লিনআক্সের কোনো ডিস্ট্রিউিশনেও রান করানো যায়
ফিডব্যাক : siam.moazzem@gmail.com


পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৬ - অক্টোবর সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস