Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > উইন্ডোজ ১০ রিপেয়ার করার পর্যায়ক্রমিক ধাপ
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: তাসনুভা মাহমুদ
মোট লেখা:১০০
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৬ - অক্টোবর
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
ব্যবহার
তথ্যসূত্র:
ব্যবহারকারীর পাতা
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
উইন্ডোজ ১০ রিপেয়ার করার পর্যায়ক্রমিক ধাপ
মাইক্রোসফট উন্ডোজের নতুন অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ১০ ইতোমধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে এবং সারা বিশ্বে এই অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন ২৭ কোটিরও বেশি। বলা হয়ে থাকে, উইন্ডোজ ঘরনার অপারেটিং সিস্টেমগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সুরক্ষক্ষত ও নিরাপদ সিস্টেম উইন্ডোজ ১০ হওয়ার পরও মাঝে-মধ্যে বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হয়। অভিযোগ উঠেছে, উইন্ডোজ ১০ মাঝে-মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে এবং ইঙ্গিত দেয় রিপেয়ার করার প্রয়োজনীয়তার কথা। এ অভিযোগগুলো সচরাচর হয়ে থাকে অধিকতর মন্দ পারফরম্যান্স বা স্ট্যাবিলিটি, যার কারণে ঘটতে পারে ড্যামেজ বা ডাটা হারানো বা উইন্ডোজ সিস্টেম ফাইলের করাপশন, যা টিপিক্যালি খুঁজে পাওয়া যায় C:\Windows ফোল্ডারে। যদি এমন সমস্যা সৃষ্টি হয়, তাহলে ব্যবহারকারীদের উপদেশ দেয়া হয় সব ধরনের বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে আগের মতো সবকিছু সেট করার জন্য। এ জন্য নিচে বর্ণিত কাজগুলো সম্পন্ন করতে হবে।
উইন্ডোজ ১০ রিপেয়ার ড্রিল
এ লেখায় ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে যেসব অ্যাপ্রোচ বা প্রচেষ্টা তুলে ধরা হয়েছে, তার বেশিরভাগই উইন্ডোজের আগের ভার্সন যেমন- উইন্ডোজ ৭ ও উইন্ডোজ ৮-এর সাথে কাজ করলেও বেশি ফোকাস করা হয়েছে মাইক্রোসফটের সর্বাধুনিক ভার্সন উইন্ডোজ ১০।
প্রথমে চেষ্টা করুন প্রাথমিক ধাপের কাজগুলো ধারাবাহিকভাবে করার। যদি এতে কাজ না করে, তাহলে পরবর্তী ধাপের জন্য এগিয়ে যান। এভাবে ধাপে ধাপে কাজ করে এগিয়ে যেতে থাকেন যতক্ষণ পর্যন্ত না সফল হতে পারছেন।
প্রতিটি ধাপের সমস্যা সমাধানের জন্য সময় ও কঠোর প্রচেষ্টা অভ্যাহতভাবে বাড়াতে হবে। কোনো কোনো ধাপের জন্য দরকার বাড়তি কাজ করা, যাতে পিসির আগের অবস্থা রিস্টোর করা যায় অথবা এ ধাপের আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়া। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সিস্টেমের সম্পূর্ণ ব্যাকআপ নেয়া, যাতে অনাকাঙিক্ষত বিপর্যয়ের সময় গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও তথ্য পাওয়া যায়।
ডাটা হারানোর আগে ব্যাকআপ নেয়া
যেকোনো সময় আপনি উইন্ডোজ সিস্টেমের ব্যাপক পরিবর্তন সাধন করতে পারেন। যেমন- এমএস অফিসের মতো অ্যাপ্লিকেশন স্যুট ইনস্টল করা বা ওএস আপগ্রেডের বা রিপেয়ারের কাজ করা। এ ধরনের কাজ করার আগে সবচেয়ে ভালো হয় একটি সম্পূর্ণ ব্যাকআপ রেখে এ কাজ শুরু করা। আপনি উইন্ডোজ বিল্টইন ব্যাকআপ টুল বা অন্য যেকোনো থার্ডপার্টি ইউটিলিটিও ব্যবহার করতে পারেন এ কাজে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এমন একটি ব্যাকআপ ব্যবহার করা, যা আপনার বুট/সিস্টেম ড্রাইভের ইমেজ ব্যাকআপ তৈরি করবে। এ টুল আপনাকে ড্রাইভ রিরাইটের এবং সিস্টেমের নরমাল অপারেশনের জন্য রিস্টোর করার সুযোগ দেবে, যাতে কোনো সমস্যা হলে পরিবর্তন বা রিপেয়ার করা যায়।
ধাপ-১ : সাম্প্রতিক রিস্টোর পয়েন্ট দিয়ে চেষ্টা করা
একটি রিস্টোর পয়েন্ট হলো উইন্ডোজ পিসির ওএসের সুনির্দিষ্ট সময়ের এক বিশেষ অবস্থার সণ্যাপশুট যদি এনাবল থাকে, তাহলে উইন্ডোজ সিস্টেম রিস্টোর ক্যাপাবিলিটি আপনার পক্ষক্ষ তৈরি এবং মেইনটেইন করবে রিস্টোর পয়েন্ট। যদি এটি আপনার টার্গেট মেশিনের জন্য একটি অপশন হয়, তাহলে তা দেখার জন্য উইন্ডোজ ১০ (কর্টনা) সার্চ বক্সে restore point টাইপ করুন। এর ফলে সিস্টেম প্রোপার্টিজ উইন্ডো ওপেন হবে সিস্টেম প্রটেকশন ট্যাবে।
রিস্টোর পয়েন্ট খেয়াল করার জন্য আপনাকে অবশ্যই সিস্টেম রিস্টোর উইজার্ড জুড়ে কাজ করতে হবে। এবার উইজার্ডের প্রথম প্যানে Next বাটনে ক্লিক করুন রিস্টোর পয়েন্টের লিস্ট দেখার জন্য। এবার আপনি যা দেখছেন, তা যদি পছন্দ না করেন অথবা মেশিনে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার আগে আপনি যা দেখতে পাচ্ছিলেন তা যদি দেখতে না পারেন, তাহলে একটি কমপ্লিট লিস্ট দেখার জন্য ক্লিক করুন Show more restore points চেকবক্সে। এরপর রিস্টোর পয়েন্টে ক্লিক করুন, যা আপনি রিভার্ট করতে চান।
চিত্র-২-এর জন্য স্ক্রিনশুট ক্যাপচার করতে গিয়ে তুলে নিন সবচেয়ে পুরনো আইটেম, যাতে যতদূর সম্ভব সময়মতো ফিরে যাওয়া যায়। এরপর যদি আপনি Scan for affected programs বাটনে ক্লিক করেন, তাহলে ফলাফল হিসেবে যা দেখা যাবে, তার সবই আনডান করা যাবে ওই সণ্যাপশুটে পিসি রিস্টোর করার মাধ্যমে। এ ক্ষক্ষত্রে বিবেচনা করার জন্য উইন্ডোজ আপডেট এবং ডিভাইস ড্রাইভারসহ আরও দুই ডজনের বেশি আইটেমের একটি দীর্ঘ লিস্ট পাবেন পরীক্ষায় দেখার জন্য।
রিস্টোর পয়েন্টে ফিরে আসতে সাধারণত ৫ থেকে ১৫ মিনিট সময় লাগে। ব্যাকআপ ধরে রাখার জন্য বাড়তি কঠোর প্রচেষ্টা নির্ভর করে লিস্টের আইটেমের সংখ্যার ওপর, যা চিত্র-৩-এ দেখানো হয়েছে। সাইজ ও সুযোগ-সুবিধার ওপর ভিত্তি করে এর জন্য সময় নিতে পারে কয়েক মিনিট থেকে শুরু করে ঘণ্টা পর্যন্ত।
ধাপ-২ : জায়গামতো বর্তমান উইন্ডোজ ভার্সন আপগ্রেড করা
এটি একটি চমৎকার ফিচার এবং বর্তমান ওএস ইনস্টলেশনের সাথে অপরিহার্যভাবে অন্তর্ভুক্ত করে একটি ফ্রেশ নতুন কপি, যেখানে আপনার ডাটা, ফাইল, সেটিং এবং প্রেফারেন্সগুলো থাকে অপরিবর্তনীয়। এর মানে হচ্ছে, একই ভার্সনের জন্য উইন্ডোজ ১০ ইনস্টলার রান করে, যা বর্তমানে মেশিনে রান করে উইন্ডোজ ১০-এর অভ্যন্তর থেকে।
একই এডিশনের (যেমন- হোম, প্রো, এন্টারপ্রাইজ অথবা এডুকেশন) ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য দরকার ইনস্টলেশন মিডিয়া (যেমন- en-US আমেরিকান ইংলিশের জন্য), যা বর্তমানে ইনস্টল করা এডিশন হিসেবে তৈরি। খেয়াল রাখতে হবে, ৩২ বিট মিডিয়া যেন ৩২ বিটে ইনস্টল হয় এবং ৬৪ বিট মিডিয়া যেন ৬৪ বিটে ইনস্টল হয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এ উদ্দেশ্যে একটি ইনস্ট্যাবল এবং বুটেবল ইউএফডি (UFD) (ইউএসবি ফ্ল্যাশড্রাইভ) তৈরি করা উচিত। কেননা, কোনো এক সময় এটি আবার দরকার হতে পারে। এই প্রসেসে কাজ করার আগে বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ রিকোমেন্ট করে থাকেন যে, আপনার ইউইএফআই (UEFI) ফার্মওয়্যার সেটিংয়ে ফাস্ট বুট এবং সিকিইউর বুট অপশনকে বন্ধ করে দিন।
ইন-পেলেস অর্থাৎ জায়গামতো আপগ্রেড কার্যকর করা বেশ সহজ কাজ। উইন্ডোজ ১০-এ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাকাউন্টসহ লগইন করার বিষয়টি নিশ্চিত করুন। এরপর ডিজ্যাবল বা আনইনস্টল করুন যেকোনো থার্ডপার্টি অ্যান্টিভাইরাস বা সিকিউরিটি সফটওয়্যার, যা হয়তো রান করে উইন্ডোজ ডিফেন্ডার ছাড়া অন্য কিছু। এরপর ইউএফডি থেকে অথবা মাউন্ট করা আইওএস থেকে রান করুন, যা অবস্থান করে সিস্টেম/বুট ডিভাইস ছাড়া অন্য কোথাও। উইন্ডোজ ইনস্টলেশনের কাজ শুরু হলে লাইসেন্স শর্ত মেনে নিন এবং Upgrade this PC now সিলেক্ট করুন। এরপর আপডেটকে অনুমোদন করুন এবং Next-এ ক্লিক করুন। উইন্ডোজ ১০ আপডেট গ্র্যাব করে ইনস্টলার ওএস ইমেজে সুইচ করুন এবং নিজেকে রান করানোর সুযোগ দিন। সুতরাং আপনাকে অবশ্যই লাইসেন্স শর্ত মেনে নিতে হবে এবং ওএসকে অনুমোদন দিতে হবে, যাতে জায়গামতো আপডেট হয়।
বাইডিফল্ট, ইনস্টলার ধারণ করে টার্গেট মেশিনের সব পার্সোনাল ফাইল এবং অ্যাপ। আপনি যা চান, এটি তা। সুতরাং কোনো দরকার নেই Ready to install পেজে Change what to keep-এর গভীরে যাওয়ার। যেহেতু আপগ্রেড রান করে জায়গামতো, সার্কুলার প্রগ্রেস ইন্ডিকেটর প্রদর্শন করে Upgrading Windows ১ থেকে ১০০ ভাগ পর্যন্ত। এ কাজ শেষ হলে আপনাকে নিয়ে যাবে কিছু বাড়তি সেটআপ স্ক্রিনে, যেখানে পাবেন কাস্টোমাইজ সেটিং অপশন অথবা কাজ শেষ করার পথে নিয়ে যাবে। এ কাজ শেষ হলে আপনাকে বেশ কিছু কালার স্ক্রিনে কাজ করতে হবে। যেহেতু ইনস্টলার জায়গামতো উইন্ডোজ ১০ আপগ্রেডের ফাইনাল টাচ দেবে। পিসির হার্ডওয়্যারের ওপর নির্ভর করে এই সম্পূর্ণ প্রসেসটি শেষ হতে ১০ থেকে ৩০ মিনিট সময় নেবে। এ কাজ শেষে আপনাকে আবার নেটওয়ার্ক সংযোগ সাধন করতে হবে এবং সেট করতে হবে টাইম জোন।
ধাপ-৩ : পিসি রিসেট করা
পিসি রিসেট করা হলো রিস্টোরিং অপারেশনের অনেক কাছাকাছি পৌঁছানোর জন্য কঠোর প্রচেষ্টা করা। কেননা, এটি পিসিকে ফিরিয়ে নিয়ে আসে এর বিল্টইন রিকোভারি ইমেজে (সাধারণত যখন উইন্ডোজের প্রাথমিক ইমেজ এবং সিস্টেম/বুট ডিস্ক ইমেজ লেআউট প্রতিষ্ঠিত হয়)। যেমন- পিসি সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করার সক্ষমতা। অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাকাউন্ট থেকে এ কাজটি খুব সহজেই করা যায়। এ জন্য ক্লিক করুন Setings-Update & Security Recovery-এ। এরপর Rest this PC-এর অন্তর্গত Get Started বাটনে ক্লিক করুন।
পরবর্তী স্ক্রিন আবির্ভূত হবে আপনাকে জানানোর জন্য, আপনি আসলে কিসের জন্য এবং সুযোগ-সুবিধা ও প্রভারের ক্ষক্ষত্রে কেন রিসেটকে যথাযথভাবে বর্ণনা করা হয় draconian হিসেবে।
বুঝে নিন এতে কী বোঝায় : যদি রিসেট ওএস তার প্রাথমিক অ্যাপেয়ারেন্সে ফিরে আসে তাহলে ইনস্টল করা সব অ্যাপ্লিকেশন এবং অ্যাপ হারিয়ে যাবে। আপনি ইউজার লাইব্রেরি ডকুমেন্টস ডাউনলোডস পিকচার মিউজিক এবং ভিডিও রাখবেন নাকি রাখবেন না, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। অন্যথায় সবকিছু হারিয়ে যাবে। লক্ষণীয়, এ ফিচারটি খুব একটা দরকারি নয়, যদি উলিস্নখিত ধাপগুলোর কোনোটি কাজ না করে।
ধাপ-৪ : উইন্ডোজ ১০-এর পরিষ্কার রিইনস্টল
এর অর্থ হচ্ছে সম্পূর্ণরূপে নতুন ওএস দিয়ে আবার ইনস্টলেশন শুরু করা। এখন প্রশ্ন হলো কেন এটি দরকার? এ ছাড়া আরও কারণ রয়েছে। যেমন- সংশোধন অসাধ্য সিস্টেমের অস্থিতি, ম্যালওয়্যার সংক্রমণ বা সমস্যা, যা দীর্ঘ সময় নেয় ফিক্স করতে। এটি উত্তরাধিকারী সূত্রে প্রাপ্ত UEFI ব্যবহার করে বায়োস ইমিউলেশন থেকে সুইচ করা প্রত্যাশা করতে পারে। আরও প্রত্যাশা করা যায়, এটি বুট/সিস্টেম ড্রাইভ পরিষ্কার করে ফেলে এবং পুরনো উইন্ডোজ ভার্সনের থেকে যাওয়া উপাদানগুলো যেমন- রিকোভারি পার্টিশন, ওইএম পার্টিশন ইত্যাদি অপসারণ করার এবং পরিষ্কার পরিপাটি উইন্ডোজ ১০ দিয়ে আবার কাজ শুরু করা।
সবচেয়ে সুখের বিষয়, যতদিন পর্যন্ত আপনি উইন্ডোজ ১০-এর বৈধ কী ব্যবহার করবেন অথবা উইন্ডোজ ৭ বা উইন্ডোজ ৮.১-এ আপগ্রেড থাকবেন, ততদিন পর্যন্ত মাইক্রোসফট আপনার পিসিকে শনাক্ত করবে এবং এটিকে অ্যাক্টিভেট থাকার পারমিট করবে। এর ফলে আপনাকে আবার ওই কী সরবরাহ করার প্রয়োজন হবে না। তা সত্ত্বেও আপনি যদি কী-তে অ্যাক্সেস করতে পারেন, তাহলে ভালো হবে ওই ফাইলকে ইউএফডি বা অন্য কোনো স্টোরেজ মিডিয়াতে রাখা যখন রিকোয়েস্ট করা হয়। এটি কদাচিৎ ঘটে থাকলেও থাকা উচিত।
একটি ক্লিন ইনস্টল প্রসেস পারফর্ম হয় ৯৯ শতাংশ, যা ৩নং ধাপের ইন-প্লেস আপগ্রেডের মতো। আপনার ইনস্টলেশন ইউএফডি থেকে বুট করে Install Now সিলেক্ট করুন। এবার লাইসেন্স শর্ত মেনে নিয়ে বেছে নিন Custom : Install Windows only (advanced) অপশন, যখন আপনার কাছে উপস্থাপন করা হবে।
এ প্রসেস শেষ হলে আপনাকে শুরু থেকেই কাজ করতে হবে। এ প্রসেস জুড়ে কাজ করে শেষ করতে সাধারণত ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা লাগতে পারে, বিশেষ করে যখন নতুন পিসিকে ম্যানুয়ালি সেটআপ করা হয়। এর অর্থ- অফিস স্যুটসহ সব ধরনের অ্যাপস এবং ইউটিলিটি রিইনস্টল করা যেগুলো কাস্টোমাইজ করা হয়। নিনাইট () ইউটিলিটি আপনাকে সুযোগ দেবে কমন অ্যাপ্লিকেশন এবং টুলের কাস্টোম মেনু তৈরি করার এবং এরপর আপনার পক্ষক্ষ ইনস্টল হবে
ফিডব্যাক : mahmood_sw@yahoo.com


পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৬ - অক্টোবর সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস
অনুরূপ লেখা