Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > ক্লে অ্যানিমেশন জগৎ
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: নাজমুল হাসান মজুমদার
মোট লেখা:১৩
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৭ - এপ্রিল
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
অ্যানিমেশন
তথ্যসূত্র:
মাল্টিমিডিয়া
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
ক্লে অ্যানিমেশন জগৎ
ক্লে অ্যানিমেশন অনেক পুরনো একটি অ্যানিমেশন কৌশল। প্ল্যাস্টিসিন (plasticine) আবিষ্কারের পর থেকে এ অ্যানিমেশন করা অনেক সহজতর হয়েছে। ১৮৯৭ সালে আবিষ্কার হয় প্ল্যাস্টিসিন। সর্বপ্রথম চলচ্চিত্রে ১৯০২ সালে কাদামাটির ব্যবহার দেখানো হয় ভাস্কর্যে এবং এটিই ছিল ক্লে অ্যানিমেশনের প্রথম ধাপ ও যাত্রা। যদিও মূল ক্লে অ্যানিমেশনের শুরুটা চলচ্চিত্রে হয় আরও ছয় বছর পরে, যেখানে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণে কাদামটি দিয়ে তৈরি ভাস্কর্যের অ্যানিমেশন দেখানো হয়। ১৯০৮ সালে আমেরিকায় ক্লে অ্যানিমেটেড ফিল্ম প্রযোজনা করা হয়। এডিসন ম্যানুফেকচারিং মুক্তি দেয় ‘এ স্কাল্পচার ওয়েলশ রেবিট ড্রিম’ চলচ্চিত্র।
ক্লে অ্যানিমেশন
ক্লে অ্যানিমেশন এমন একটি পদ্ধতি, যাতে সিনথেটিক ক্লে’র সাহায্যে চরিত্র তৈরি করে তার নড়াচড়ার পরপর অনেকগুলো ছবি তোলা হয়। এতে অনেক সময় এক সেকেন্ডের একটি নড়াচড়ার জন্য বিশ থেকে পঁচিশটি ফ্রেমে ছবি নিতে হয়। আর এই ছবিগুলোকেই পরপর সাজানোর পর হয়ে ওঠে এক একটি ক্লে অ্যানিমেশন। শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘তারে জমিন পার’-এ এই ক্লে পদ্ধতির অ্যানিমেশন ব্যবহার করা হয়।
ক্লে অ্যানিমেশন বর্তমান সময়ের অ্যানিমেশনপ্রেমীদের কাছে এক বিস্ময়কর অ্যানিমেশন পদ্ধতি। প্রায় সত্তর থেকে আশি বছর পর্যন্ত এটি তেমন জনপ্রিয়তা না পেলেও আর্থার ক্লোকি’র অ্যাডভেঞ্চার ও ফ্যান্টাসিনির্ভর চলচ্চিত্র ‘গাম্বি’ ১৯৯৫ সালে মুক্তির পর বিশ্বে স্টপ মোশন ক্লে অ্যানিমেশন ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। সব স্টপ মোশনই ক্লে মোশন অ্যানিমেশন নয়। ক্লে অ্যানিমেশন মূলত স্টপ মোশন অ্যানিমেশনের একটি ধরন, যাতে ক্যারেক্টার মডেলগুলো তৈরি করা হয় কাদামাটি দিয়ে। ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত আমেরিকান টিভিতে সিরিজ হিসেবে ‘দ্য গাম্বি শো’ এবং ১৯৮৮ সালে ‘দ্য অ্যাডভেঞ্চার অব গাম্বি’ ভালো সাড়া ফেলে দর্শকদের কাছে। গাম্বি’র ক্যারেক্টার মডেলিং অ্যানিমেটর আর্থার ক্লোকি’র নিজের করা। আর্থার ক্লোকিকে স্টপ মোশন ক্লে অ্যানিমেশনের পথ প্রদর্শক বলা হয় এবং ১৯৫৫ সালে তার পরীক্ষামূলক চলচ্চিত্র ‘গাম্বিসিয়া’ দিয়ে তার কর্মজীবন শুরু হয়।
১৯১৬ সালে ক্লে অ্যানিমেশনে কিছুটা নতুনত্ব আসা শুরু করে, যার শুরুটা আর্টিস্ট হেলেনা স্মিথ ডেটন এবং অ্যানিমেটর ওইলি হপকিনের কাছ থেকে পাওয়া যায়। তাদের কাছ থেকে আরও বৃহৎ পরিসরে এর নির্মাণ হতে থাকে। হপকিন উইকলি ‘ইউনিভার্সাল স্ক্রিন ম্যাগাজিনে রুচিশীল পঞ্চাশটির ওপর ক্লে অ্যানিমেটেড সিগমেন্ট করে থাকে, কিন্তু ১৯২০ সালের পর থেকে ক্লে অ্যানিমেশন কিছুটা স্থিতিশীল অবস্থায় আসে। তখন আসেত্ম আসেত্ম থ্রিডি রূপের দিকে অ্যানিমেশন জগৎ কিছুটা প্রসারিত হতে শুরু করে। তখন থেকে স্টুডিও কার্টুনে সেল প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে অধিকতর গ্রহণযোগ্যতা পেতে থাকে।
জার্মানিতে মার্ক চিনয়ের সিনেপস্নাস্ট ফিল্মস স্টুডিওতে ১৯৭২ সালে আন্দ্রে রসি তৈরি করেন জার্মান ভাষার ক্লে অ্যানিমেটেডের চলচ্চিত্রের একটি সেট জার্মান একটি টিভি চ্যানেলের জন্য এবং আরেকটি তৈরি করেন শিক্ষামূলক একটি টিভি সিরিজের জন্য। ক্লে অ্যানিমেশনে আরও পরিবর্তন আনেন অ্যানিমেটর ক্রেইগ বারটলিট ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সালের সময়ে, যেখানে তিনি শুধু ক্লে পেইন্টিং ব্যবহার করেননি বরং ক্লে চিত্র তৈরি করেন এবং থ্রিডি স্টপ মোশনের দারুণ রূপ দেন।
ক্লে অ্যানিমেশন একাডেমি অ্যাওয়ার্ড জয়ী শর্টফিল্ম দ্য সেন্ড ক্যাসেল (১৯৭৭), নিক পার্কের তৈরি আর্ডমান, অ্যানিমেশন প্রোডাকশনের ক্রিয়েচার কমপোর্টস (১৯৮৯) চলচ্চিত্রেও ক্লে অ্যানিমেশনের ব্যবহার অনেক হয়েছে। আর্ডমান অ্যানিমেশন প্রোডাকশন তৈরি করে এক সময় ক্লে অ্যানিমেটেড সিজি শর্টফিল্ম, এক মিনিটের দ্য পেজেন্টারস সিরিজ। কিছু অ্যানিমেশন অনলাইনে দেখানো হয়, যেমন- নিউ গ্রাউন্ডস।
বেশ কিছু কমপিউটার গেমে ক্লে অ্যানিমেশনের ব্যবহার হয়েছে, যেমন- দ্য নেভারল্যান্ড, ক্লে ফাইটার। এ ছাড়া টিভি কমার্শিয়ালেও ক্লে অ্যানিমেশনের ব্যবহার হয়েছে, যেমনটা আর্ডমান স্টুডিওর শেভরন কারের বিজ্ঞাপনে। কার্টুন নেটওয়ার্ক চ্যানেলের মাধ্যমেও ক্লে অ্যানিমেশন বর্তমান সময়ে অনেক বেশি পরিচিতি লাভ করেছে।
ক্লে অ্যানিমেশন ধরন
ক্লে অ্যানিমেশন একটি ভিন্নধর্মী অ্যানিমেশন পদ্ধতি, যেখানে ক্যারেক্টার মডেলিং কাদামাটি এবং বর্তমান সময়ে প্ল্যাস্টিসিন ব্যবহারে হয়ে থাকে। ক্লে অ্যানিমেশনের জনপ্রিয় কিছু ক্যারেক্টার হচ্ছে ‘গাম্বি ও পোকি’, ‘ওয়ালিশ ও গ্রোমিট’। ক্লে অ্যানিমেশনকে ‘ক্লে ম্যাশন’ও বলা হয়। আমেরিকান অস্কারজয়ী ও বেশ কিছু গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রের প্রযোজক ও পরিচালক উইল ভিন্টনের অ্যানিমেশন স্টুডিও রয়েছে, যেখানে ক্লে আর্টিস্টরা ক্লে অ্যানিমেশন বিভিন্ন চলচ্চিত্রের ডেভেলপ করে থাকে। ক্লে অ্যানিমেশনে একজন ক্লে অ্যানিমেটরকে এক সেকেন্ডের একটি অ্যানিমেশনের জন্য ১২টি স্টিল ছবি ব্যবহার করতে হয়। প্রতিটি ছবিতে তার আগের ছবির থেকে খুবই অল্প পরিমাণ পরিবর্তন হয়, খুব মসৃণ ও সুন্দর একটি মুভমেন্টের জন্য। যদি এই পরিবর্তনটা চমৎকার হয়ে থাকে, তবে সেই ক্লে অ্যানিমেশন বেশ ভালো হয়। ৩০ মিনিটের একটি ক্লে অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র নির্মাণে ২১,৬০০ স্টিল ছবি এবং নববই মিনিটের চলচ্চিত্রে প্রায় ৬৪,৮০০-এর মতো স্টিল ছবির প্রয়োজন পড়ে। একেকটি ক্লে অ্যানিমেশনে এজন্য অনেক ধৈর্য ও পরিশ্রমের প্রয়োজন পড়ে। এর ফলে সুন্দর চলচ্চিত্র নির্মিত হয়।
প্ল্যাস্টিসিন
প্ল্যাস্টিসিন এক ধরনের কাদামাটির মতো উপাদান, যা ক্লে অ্যানিমেশনে বর্তমানে ব্যবহার হয়ে থাকে। এটি বিশেষ ধরনের পুটিং, যা ক্যালসিয়াম সল্ট, পেট্রোলিয়াম জেলি ও অ্যালোপ্যাথিক অ্যাসিড থেকে তৈরি হয়ে থাকে। এর অপর নাম ফ্লেয়ার লেজার, শিশুদের খেলনা হিসেবে প্ল্যাস্টিসিন ব্যবহার হয়, যার মাধ্যমে শিশুরা নিজেরা বিভিন্ন মডেলের খেলনা তৈরি করে। উপাদানটি ক্লে অ্যানিমেশনে জনপ্রিয় হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে, এটি শুষ্ক থাকে এবং স্টপ মোশনের ক্ষেত্রে খুব সুন্দরভাবে এটি ব্যবহার করা যায়। নিক পার্কের বেশ কিছু অস্কারজয়ী অ্যানিমেশন কাজে প্ল্যাস্টিশিন নামের ক্লে’র ব্যবহার হয়।
ইংল্যান্ডের আর্ট শিক্ষক উইলিয়াম হাবার্ট ১৮৯৭ সালে তার ছাত্রদের জন্য প্ল্যাস্টিসিন ব্যবহারের চিমত্মা করেন ভাস্কর্য তৈরিতে। প্ল্যাস্টিসিন মূলত অবিষাক্ত, নরম এবং শুকনো। এটি গলে যায় না, এ জন্য এর ব্যবহার করা অনেক সহজ। ১৯০০ সালে বাণিজ্যিকভাবে কারখানায় ইংল্যান্ডে উৎপাদন শুরু হয় এবং প্রথম দিকে চার রঙের প্ল্যাস্টিসিন বিক্রি শুরু হয়। হারবুট কোম্পানি প্ল্যাস্টিসিনকে মূলত শিশুদের খেলনার উপকরণ হিসেবে সবার কাছে পরিচিত করে এবং স্কুলের শিক্ষকেরা এটি শিশুদের আর্ট-বিষয়ক শিক্ষার উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করতেন। সময়ের সাথে অনেক পরিবর্তন এসেছে প্ল্যাস্টিসিন তৈরির মিশ্রণে, এখনও শিশুদের কাছে খেলনা তৈরির উপকরণ এবং ক্লে অ্যানিমেশনে প্ল্যাস্টিসিন ব্যবহার ব্যাপক জনপ্রিয়।
ক্লে অ্যানিমেশনের ধাপ
* আইডিয়া
ক্লে অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হলে প্রথমে একটি গল্প ঠিক করতে হবে, যে গল্প এর দর্শকদের আকৃষ্ট করবে বিষয়বস্ত্তর প্রতি। তারপর গল্পের বিভিন্ন ক্যারেক্টার এবং পারিপার্শ্বিক বিষয়গুলো ভাবতে হবে। কেমন হবে ক্লে অ্যানিমেশনটি? কেমন হবে এর প্রপস এবং অন্য বিষয়গুলো? তা চিমত্মা করতে হবে এবং এর কাঠামোর বিষয়গুলো রাফ করতে হবে।
* স্টোরিবোর্ড
স্টোরি লাইনের ডেভেলপ করতে হবে। বেশ কয়েকবার স্টোরি বা গল্প কীভাবে এগিয়ে যাবে সেটার কিছু দিক ঠিক করতে হবে। ক্যারেক্টার মডেলিংয়ের আগে ক্যারেক্টারগুলোর মুভমেন্ট এবং প্রপস ও পরিবেশের একটা রূপ অাঁকতে হবে কাগজে, প্রয়োজনে রেফারেন্সগুলোর কথা উল্লেখ করতে হবে।
* টুলস
ক্লে অ্যানিমেশনে বেশ কিছু টুল ব্যবহার করতে হয় ক্যারেক্টার মডেলিংয়ের জন্য। এ জন্য প্ল্যাস্টিসিন, প্ল্যাস্টিক কভার বা ফরমিকা, টুথপিক, রোলিং পিন, ওয়্যার, পেন্সিল, মাপকাঠি প্রভৃতি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ব্যবস্থা করতে হবে। ক্যারেক্টারগুলোর ফ্যাসিয়াল এক্সপ্রেশন বা ছোট কিছু তৈরি করার ক্ষেত্রে টুথপিক ব্যবহার করতে হবে। ফলে মডেলগুলো সুন্দর লাগে।
* ক্যারেক্টার মডেল তৈরি
ক্যারেক্টার মডেলটি কী রকম হবে তার ওপর নির্ভর করে ওয়্যার এবং প্ল্যাস্টিসিন ব্যবহার করে একটা বেসিক শেপ তৈরি করতে হবে এবং ধীরে ধীরে সেই মডেলটি আরও বেশি সুন্দর করে গড়ে তুলতে হবে। টুথপিক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় টুল ব্যবহার করে প্রতিটা অংশের একটা পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়ার প্রচেষ্টা এবং প্রয়োজনে টেক্সচার ব্যবহার করতে হবে। সময় নিয়ে আরও পরিপূর্ণ ক্যারেক্টার মডেল নির্মাণে চেষ্টা করতে হবে। এভাবে একটি ক্লে অ্যানিমেশনে যত ক্যারেক্টার মডেল তৈরির প্রয়োজন হবে, ঠিক ততগুলো তৈরি করতে হবে।
* ব্যাকগ্রাউন্ড ডিজাইন এবং প্রপস
ব্যাকগ্রাউন্ডে কী ধরনের প্রপস হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত কাজ করতে হবে এবং যথাসম্ভব সুন্দর ও রঙিন বিষয়বস্ত্ত বাছাই করতে হবে সেট, ব্যাকগ্রাউন্ড এবং প্রপস ডিজাইন করার জন্য। ব্যাকগ্রাউন্ড এবং অন্যান্য ডিজাইন গল্প ও বিষয়বস্ত্তর সাথে সামঞ্জস্য রেখে ঠিক করতে হবে, যাতে ক্যারেক্টারের গুরুত্ব কোনোভাবেই কমে না যায়।
* সাউন্ড এবং রঙ
গল্প অনুযায়ী এবং বিষয়বস্ত্তর মিল রেখে অ্যানিমেশনের জন্য সাউন্ড এবং এতে রঙের ব্যবহার করতে হবে। কারণ, ক্লে অ্যানিমেশনে সাউন্ড এবং রঙের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে একে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য। ফলে ক্লে অ্যানিমেশনটি দর্শকদের কাছে একটা ভালো লাগার আবেশ তৈরি করে।
* অ্যানিমেশন
একটি ডিজিটাল ক্যামেরা সেট করতে হবে, যেখান থেকে অ্যানিমেটর গল্প ও বিষয়বস্ত্তর সময় অনুযায়ী আলো, বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গির বিভিন্ন ফ্রেম এবং দৃশ্যাবলীর বিভিন্ন পরিবর্তন আবদ্ধ করে একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর ক্লে অ্যানিমেশনের কাজ করতে হবে। ছবি ধারণ করে হোক বা ভিডিও করেই হোক, ছবি কিংবা ভিডিওর মান যথাসম্ভব ভালো রাখতে হবে। এতে ক্লে অ্যানিমেশন অনেক বেশি প্রাণবন্ত লাগবে। ক্লে অ্যানিমশনে খুব সতর্ক থাকতে হয় কিছু ব্যাপারে। ক্যারেক্টার মডেলের বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করার সময় যেন এর সবকিছু ঠিক থাকে। সুন্দরভাবে করতে পারলে পুরো ক্লে অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রটি অনেক বেশি উপভোগ্য হয়ে ওঠে।
* পূর্ণাঙ্গ ক্লে অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রের রূপদান
কমপিউটারে ক্লে মোশনের ছবিগুলো বা ভিডিওগুলো নিয়ে ভিডিও এডিট বা এডিটিংয়ের বিভিন্ন টুল ব্যবহার করে বিভিন্ন অংশের অ্যানিমেশনগুলোর সংযোজন করে, যা প্রয়োজন সেটা রেখে পরিপূর্ণ একটা অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রের নির্মাণ সম্পূর্ণ করা হয়


পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৭ - এপ্রিল সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস