Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > ক্ল্যাশ অব ক্ল্যান
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: মঞ্জুর
মোট লেখা:৪
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৭ - মে
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
গেম
তথ্যসূত্র:
খেলা প্রকল্প
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
ক্ল্যাশ অব ক্ল্যান
ক্ল্যাশ অব ক্ল্যান
মনজুর আল ফেরদৌস
ফিনল্যান্ড। ক্ল্যাশ অব ক্ল্যানের গল্পের শুরম্নটা এখানেই হয়েছিল। ব্যাপক জনপ্রিয় এই গেমের স্রষ্টা কোম্পানি সুপারসেল, যেখানে তাদের দরজা খুলেছিল। যদি আপনি ভাবেন, ফিনল্যান্ড একটি গেমিং কোম্পানির জন্য সঠিক জায়গা নয়, তাহলে আপনাকে মনে করিয়ে দিতে চাই আরেকটি কোম্পানির নাম- নকিয়া। সত্য হচ্ছে, ফিনিশরা আসলে নিজেদের প্রযুক্তির ব্যাপারে ভালোই জানে।
সুপারসেল তাদের যাত্রা শুরম্ন করেছিল ২০১০ সালে। ১৫ জন কাজ করত ছোট্ট এই কোম্পানিতে। সুপারসেলের প্রথম গেম ছিল হেয় ডে। এটি একটি মোবাইলে খেলার ক্ষেত-খামারি গেম ছিল। যদিও সুপারসেলের ডেভেলপারেরা ভিন্ন কিছু একটা খুঁজছিলেন।
তাদের সুপারস্টার গেম ক্যাশ অব ক্ল্যানের শুরম্নর কোডনেম ছিল ম্যাজিক। তারা চেয়েছিল রিয়েল টাইম গেমিংয়ের হার্ডকোর গেমারদের বের করে আনতে, যা একদমই সহজ ছিল না। ক্ল্যাশ অব ক্ল্যানের দরকার ছিল এমন কিছু করা, যা অ্যাডভান্স গেমারদের যথেষ্ট চ্যালেঞ্জ দিতে পারে, আবার একই সাথে নতুনদের জন্য মানিয়ে নেয়ার পরিবেশ দিতে পারে। সৌভাগ্যবশত ঠিক তা-ই হয়েছিল।
ফোর্বস ম্যাগাজিনে পলতাসি এই গেমটির ব্যাপারে তার অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেছিলেন ‘ফান’।
ওয়ার্ল্ড অব ওয়ারফেরার ও ফাইনাল ফ্যান্টাসির মতো ক্ল্যাশ অব ক্ল্যানও দারম্নণ সফল একটি এমএমও গেম। চমৎকার এই গেম থরে থরে সাজানো হয়েছে আর প্রতি লেবেলে গেমের চ্যালেঞ্জ বাড়তে থাকে। প্রচুর পরিকল্পনা আর কৌশল ব্যাবহার কওে এগিয়ে যেতে হয় আর সেনাদলের সক্ষমতাও বাড়িয়ে নিতে হয় সময়ের সাথে সাথে।
উপার্জনের দিক থেকে এক নম্বরে স্থান করে নেয়া এই গেম ডাউনলোডের জন্য কোনো খরচ করতে হয় না। যতই গেম এগিয়ে যেতে থাকে, গেমিং অভিজ্ঞতা বাড়াতে নতুন আপডেট, আপগ্রেড আর আনলকের জন্য অপেক্ষা করতে হয় অথবা নগদ খরচ করে এগিয়ে যাওয়া যায়।
এক কথায় ক্ল্যাশ অব ক্ল্যান মোবাইল গেমিং জগতে এক যুগামত্মকারী পদক্ষেপ। সিরিয়াস গেমারদের মোবাইল পস্ন্যাটফর্মে আনতে এই গেম দারম্নণ সাহায্য করেছে, যা গেমের বাইরেও ব্যক্তিগত জীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে
ফিডব্যাক : monzuralferdous@gmail.com

অ্যালিয়েন ভার্সেস প্রিডেটরস
অনিন্দ্যসুন্দর একটি দিনের আকাশ কালো করে যখন অ্যালিয়েনেরা নেমে আসে, তখন পৃথিবীর মানুষকে কষ্টের নতুন অর্থ শিখতে হয়। আর তখন মানুষকে মুক্তি দিতে জেগে উঠে একদল যোদ্ধা। গেমারকে খেলতে হবে তাদেরই দলনেতা হয়ে। বিভিন্ন কায়দায় জাদু আর নানা অস্ত্রের সাহায্যে অসংখ্য মায়াবী জাদুপূর্ণ ঘর, পাজলস আর এলিয়েনদের পার করতে হবে। যুদ্ধ করতে হবে অসংখ্য অ্যালিয়েন, জাদুকর, জম্বি, ভয়াবহ জন্তু ও যোদ্ধাদের সাথে।
এ জন্য পথে গেমার পাবেন বিভিন্ন ধরনের ম্যাপ, ট্রেজার্স, অস্ত্র ও আপগ্রেড। এ ছাড়া থাকছে বিভিন্ন ধরনের রিউন্স, যেগুলো দিয়ে গেমার তার হিরোর নানা ক্ষমতার শক্তি বাড়াতে পারবেন। গেমারকে গেমের শুরম্নতেই যেকোনো একজনকে নিয়ে খেলা শুরম্ন করতে হবে। প্রত্যেক হিরোর রয়েছে আলাদা ক্ষমতা, ভিন্নতর স্টোরি সেট। প্রত্যেক বস ব্যাটল গেমারের গেমিং অভিজ্ঞতাকে নিয়ে যাবেন অনন্য এক উচ্চতায়। হিরো শিখে নেবেন শক্তিশালী সব জাদু, দ্রম্নত জীবন বাঁচানোর দক্ষতা। পাওয়া যাবে ক্রস বো, গ্রেনেড, পিসত্মল, ধারালো ফাঁদসহ অনেক কিছু। কিন্তু সবকিছু ছাড়িয়ে গেমারকে নির্ভর করতে হবে নিজের সিদ্ধামত্মগুলোর ওপর, যার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে সবকিছুর ভবিষ্যৎ। নিজের চেহারা লুকিয়ে রাখতে হবে যান্ত্রিক মৃত্যু-মুখোশ দিয়ে। টানটান উত্তেজনা সত্ত্বেও গেমের সত্যিকারের স্বাদ বেরিয়ে আসে ধৈর্য আর মনোযোগের মধ্য দিয়ে। গেমটির গ্রাফিক্স হালের গেমগুলোর মতো চোখ ধাঁধানো না হলেও এর বাসত্মববাদী কন্ট্রোল ব্যবস্থা ও শব্দকৌশল করভোকে গেমারের সাথে আত্মিক করে তোলে। গেমটির উন্নত এইমিং প্যানেল আর সমৃদ্ধ ইনভেন্টরি- সব মিলিয়ে গেমটিকে করে তুলেছে গেমারদের পছন্দের প্রথম সারির গেমগুলোর একটি। আর এর অনন্যসাধারণ স্টোরিলাইন গেমটিকে একটি শিল্পে পরিণত করেছে।
গেম রিকোয়ারমেন্ট
উইন্ডোজ : ৭/৮.১/১০, সিপিইউ : কোরআই৩ ২.২ গিগাহার্টজ/এএমডি অ্যাথলন, র্যা ম : ৪ গিগাবাইট, ভিডিও কার্ড : ১ গিগাবাইট উইথ পিক্সেল শেডার, সাউন্ড কার্ড, কিবোর্ড, মাউস

এনিমি রাস্ট
রাস্ট একটি কিং অব দ্য হিলসার ভাইভালকো অব গেম, যা পুরোপুরি রিয়েলিজমকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। পুরোটাই এমন এক প্রণোদনা, যেখানে গেমার প্রতিমুহূর্তে যুদ্ধক্ষেত্রকে, যুদ্ধকে উপলদ্ধি করবেন নিজের প্রতিটি রক্তকণিকায়। সামনে থেকে ছুটে আসা গুলিকে মনে হবে যেন নিজের কানের পাশ দিয়েই শিষ কেটে গেল। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, এনিমি খেলতে সবচেয়ে বেশি যা প্রয়োজন, তা হচ্ছে ধৈর্য। অপেক্ষা করতে হবে প্রতিটি সতর্ক মুহূর্তের মাঝে প্রতিটি অসতর্কতার। গেমটির আসল আকর্ষণ এর কমব্যাট স্টাইল।
মোটামুটি সাধারণ পাওয়ার নিয়ে গেমটি শুরম্ন করলেও সময়ের সাথে সাথে প্রচুর আপগ্রেড পাবেন। বিভিন্ন অ্যাকশন থেকে আপনার এক্সপেরিয়েন্স পয়েন্ট বাড়বে, যা থেকে আপনি পাবেন বাড়তি সব সুবিধা। অস্ত্র আর পাওয়ার কেনার দোকানটিও কম বড় নয়- ÿুরধার বেস্নড থেকে শুরম্ন করে নানা আধুনিক অস্ত্র পাবেন অস্ত্রাগারে। আর পাওয়ারের তো অভাবই নেই। মাটির নিচ থেকে কাঁটা বের করে শত্রম্নকে গেঁথে ফেলা, ঘূর্ণিঝড়ের সাহায্যে শত্রম্নকে দিশেহারা করা ইত্যাদি নানা ধরনের পাওয়ার কিনতে পারবেন। বিভিন্ন লেভেলে বিভিন্ন কিংবা সবগুলো অস্ত্রই গেমার ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু সবকিছুতেই থাকবে এনিমিদের একচ্ছত্র আধিপত্য। গেমটির প্রেক্ষাপট গড়ে উঠেছে এমনই একটি প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে।
গেমটির গল্প অসম্ভব সুন্দর না হলেও রোমাঞ্চকর সব বাঁকে ভরা। তাই গেমটিতে এরপর কী হবে সেটা এখানে ফাঁস করব না।
গেমটি অবশ্যই ‘বস্নাড বাথ’ ধরনের গেম। বিভিন্ন শক্তিশালী এজেন্টের বিরম্নদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে গেমারকে। একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর কোনো মানুষকে আত্মহত্যা, অন্যকে হত্যা করা কিংবা ভুল করে নিজেকে আঘাত করে ফেলা প্রভৃতি কাজ করতে পারবেন গেমার। আছে অনেক ধরনের অস্ত্র ও আপগ্রেড। প্রতিটি অস্ত্রের একাধিক ফায়ারিং মোড গেমটিকে অন্য সব ফার্স্ট পারসন শুটিং গেম থেকে অভিনবত্ব এনে দিয়েছে। সুতরাং, গেমারদের উচিত দেরি না করে এখনই নেমে পড়া কিং অব দ্য হিল হতে।
গেম রিকোয়ারমেন্ট
উইন্ডোজ : ৭/৮.১/১০, সিপিইউ : কোরআই৩ ২.২ গিগাহার্টজ/এএমডি অ্যাথলন, র্যা ম : ৮ গিগাবাইট,
ভিডিও কার্ড : ২ গিগাবাইট উইথ পিক্সেল শেডার

পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৭ - মে সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস