Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > বিশেষজ্ঞদের চোখে উইন্ডোজ ১০-এর কিছু সমস্যা ও সমাধান
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: তাসনীম মাহ্‌মুদ
মোট লেখা:১২০
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৭ - জুন
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
উইণ্ডোজ
তথ্যসূত্র:
পাঠশালা
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
বিশেষজ্ঞদের চোখে উইন্ডোজ ১০-এর কিছু সমস্যা ও সমাধান
কমপিউটিং বিশ্বে অপারেটিং সিস্টেমের বাজারে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে আছে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম। মাইক্রোসফট তার ব্যবহারকারীদের কমপিউটিং জীবনকে অধিকতর সহজ-সরল ও গতিময় করার জন্য প্রতিনিয়তই অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজে যুক্ত করে আসছে নিত্যনতুন ফিচার। কিন্তু তার অপারেটিং সিস্টেমগুলো কখনই শতভাগ বাগমুক্ত বা ত্রুটিমুক্ত ছিল বলা যাবে না। এমনকি মাইক্রোসফটের সবশেষ নতুন অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ১০, যা উইন্ডোজের আগের যেকোনো ভার্সনের অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য ও স্থিতিশীল অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ব্যবহারকারীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে ঠিকই, কিন্তু শতভাগ বাগমুক্ত বা ত্রুটিমুক্ত বলা যাবে না কোনো অবস্থাতেই।
বিভিন্ন ব্যবহারকারীর সাথে আলোচনা করে বিশেষজ্ঞেরা আইডেন্টিফাই করেন পাঁচটি সমস্যা। বিপুলসংখ্যক ব্যবহারকারী প্রায় সময় অভিযোগ করে থাকেন-ফোর্সড উইন্ডোজ ১০ আপডেট, কর্টনা ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট (যেটি থেকে কোনো কোনো ব্যবহারকারী পরিত্রাণ পেতে চান কিন্তু পারেন না), হারানো ডিস্ক স্পেস, সস্ন্যাগিশ বুট টাইম ও স্টার্ট মেনুসংশ্লিষ্ট সমস্যা।
উপরিল্লিখিত সমস্যাগুলো দেখে বিচলিত হওয়ার কিছুই নেই। কেননা, এ ইস্যুগুলোর ব্যাপারে যত্নশীল হওয়ার জন্য প্রচুর গবেষণা হয়েছে, যার ফল হিসেবে ব্যবহারকারীরা কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবেন। ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে মে ২০১৭ সংখ্যায় কয়েকটি সমস্যার সমাধান তুলে ধরা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি সংখ্যায় বাকি সমস্যাগুলোর সমাধান তুলে ধরা হয়েছে।
স্টার্ট মেনুর বিপর্যয় ফিক্স করা
যখন প্রথম ঘোষণা করা হলো, উইন্ডোজ ১০-এ স্টার্ট মেনুকে পুনর্প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে, তখন অনেক ব্যবহারকারী এটিকে সাদরে গ্রহণ করে নেন। কিন্তু উইন্ডোজ ১০ অবমুক্ত হওয়ার পর কোনো কোনো ব্যবহারকারী অভিযোগ উত্থাপন করতে শুরু করলেন যে, স্টার্ট মেনুতে বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। অভিযোগটি ছিল এমন- Start বাটনে ক্লিক করলে তা রান করে না অথবা উইন্ডোজ ফ্রিজ হয়ে যায় অথবা র্যােন্ডম এন্ট্রি অ্যাপেয়ার্ড অথবা ডিজঅ্যাপেয়ার্ড হয়। যদি কখনও স্টার্ট মেনুর সমস্যায় পড়েন, তাহলে আতঙ্কিত হবেন, কেননা এ ধরনের সমস্যা ফিক্স করার জন্য বেশ কিছু উপায় আছে, যা দিয়ে চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
লক্ষণীয়, উপরে উল্লিখিত কৌশলগুলোর কোনো একটি দিয়ে চেষ্টা করার আগে প্রথমে কমপিউটার রিস্টার্ট করে দেখুন। কেননা, কখনও কখনও কমপিউটার রিস্টার্ট করলে সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে।
মাইক্রোসফটের স্টার্ট মেনু ট্রাবলশুটার টুল রান করুন।
স্টার্ট মেনুর কোনো সমস্যা নিজে নিজে ফিক্স করার জন্য চেষ্টা করার আগে ডাউনলোড করে নিন মাইক্রোসফটের স্টার্ট মেনু ট্রাবলশুটার টুল ও তা রান করুন।

চিত্র : স্টার্ট মেনু ট্রাবলশুটার টুলের অপশন
ট্রাবলশুটার টুল স্টার্ট মেনু সমস্যা খুঁজে দেখে এবং চেক করে দেখে অ্যাপ্লিকেশন যথাযথভাবে ইনস্টল না হওয়ার কারণে, সমস্যা রেজিস্ট্রি সংশ্লিষ্ট, স্টার্ট মেনু ডাটাবেজ টাইলস করাপ্ট করেছে অথবা অ্যাপ্লিকেশন ম্যানিফেস্ট জাতীয় কোনো জটিলতার কারণেই কী সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। (অ্যাপ্লিকেশন ম্যানিফেস্টের রয়েছে সেটিংস, যা উইন্ডোজকে বলে দেয় কীভাবে একটি প্রোগ্রামকে হ্যান্ডেল করতে হবে যখন এটি চালু হয়।) সমস্যার জন্য চেক করার পর এটি সাধ্যাতীতভাবে চেষ্টা করে সেগুলো ফিক্স করার জন্য। ট্রাবলশুটার টুলের কাজ শেষ হওয়ার পর টুলটি কী কী খুঁজে পেল তার ফলাফল যদি দেখতে চান, তাহলে স্ক্রিনে ‘View Detailed Information’-এ ক্লিক করুন।
লক্ষণীয়, উইন্ডোজের ট্রাবলশুটার টুলটি সব সমস্যার সমাধান করতে পারে না। যদি এটি আপনার সমস্যার সমাধান করতে না পারে, তাহলে সমস্যা সমাধানের জন্য অন্য কোনোভাবে চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
আপডেটের জন্য চেক করা
উইন্ডোজ আপডেট করলে অনেক সময় আপনার সমস্যার সমাধান হয়েও যেতে পারে। মাইক্রোসফট অব্যাহতভাবে এর আপডেটের সাথে সাথে বাগসমূহ চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলে। প্রথমে নিশ্চিত হয়ে নিন, আপনি সর্বাধুনিক উইন্ডোজ আপডেট ব্যবহার করছেন। এ জন্য Settings > Updates & Security > Windows Update-এ গিয়ে Check for updates সিলেক্ট করুন। এটি যদি কোনো কিছু খুঁজে পায়, তাহলে সেগুলো ইনস্টল করে নিন। এ কাজ শেষে আপনাকে হয়তো পিসিটি রিস্টার্ট করতে হতে পাওে, যাতে আপডেট কার্যকর হয়।
করাপ্ট করা ফাইল ফিক্স করার জন্য ব্যবহার করুন পাওয়ারশেল
এরপরও যদি স্টার্ট মেনু সমস্যাযুক্ত থাকে, ধরে নিতে পারেন সমস্যার কারণ সম্ভবত করাপ্ট করা ফাইল। এ অবস্থায় ব্যবহার করতে পারেন কমান্ড লাইন টুল, যাকে বলা হয় পাওয়ারশেল (PowerShell)। এটি উইন্ডোজে বিল্টইন। এটি খুঁজে পেতে এবং তা ফিক্স করতে নিচে বর্ণিত ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
• উইন্ডোজ সার্চ বক্সে PowerShell-এর জন্য সার্চ করুন। এবার সার্চ রেজাল্টে Windows PowerShell-এ ডান ক্লিক করুন এবং সিলেক্ট করুন ‘Run as administrator’, যা পাওয়ারশেল চালু করবে।
• যদি কোনো কারণে সার্চ বক্স কাজ করতে না পারে, তাহলে কিবোর্ডে Windows key + R চেপে PowerShell টাইপ করে এন্টার চাপুন। এটি পাওয়ারশেল রান করে, তবে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর অ্যাকউন্ট রান করে না, যা ব্যবহার করার জন্য দরকার হয়। অবশ্য এ জন্য আরও কিছু কাজ করতে হবে- টাস্কবারে PowerShell আইকনে ডান ক্লিক করে Pin to taskbar সিলেক্ট করুন। এরপর PowerShell বন্ধ করুন। এবার টাস্কবারে PowerShell আইকনে ডান ক্লিক কওে ‘Run as administrator’ সিলেক্ট করুন।
• একজন অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে PowerShell রান করানোর পর sfc/scannow টাইপ করে এন্টার চাপুন। করাপ্ট করা ফাইল খোঁজ করার জন্য পাওয়ারশেল আপনার সিস্টেম স্ক্যান করবে। এ কাজটি সম্পন্ন হতে কয়েক মিনিট সময় নিতে পারে।
• পাওয়ারশেল যখন আপনার সিস্টেম স্ক্যান করা শেষ করবে, তখন আপনাকে জানিয়ে দেবে এটি found and fixed corrupt files, found corrupt files but couldn't fix them অথবা found no corrupt files। যদি করাপ্ট করা ফাইল খুঁজে পায়, কিন্তু সেগুলো ফিক্স করতে না পারে, তাহলে নিচে বর্ণিত কমান্ড টাইপ করে dism/online/cleanup-image/restorehealth এন্টার চাপুন।
নতুন লোকাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটর অ্যাকাউন্ট তৈরি করা বা পিসি রিসেট করা
যদি এসব কাজের মধ্যে কোনোটি কাজ না করে, তাহলে লোকাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটর অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিন এবং এ অ্যাকাউন্টে স্টার্ট মেনু যদি কাজ করে তাহলে সব ফাইল এবং সেটিংস এতে সরিয়ে আনুন অথবা উইন্ডোজ ১০ রিকোভারি অপশনসহ পিসিকে রিসেট করুন।
হারানো স্টোরেজ স্পেস রিকোভার করা
উইন্ডোজ ১০ প্রচ-ভাবে হার্ডড্রাইভ স্পেস ব্যবহার কওে, বিশেষ করে যদি তা উইন্ডোজের আগের ভার্সন থেকে আপগ্রেড করা হয় অথবা উইন্ডোজ ১০ আপডেট করা হলে। কেননা, যখন প্রধান প্রধান আপডেট আপগ্রেড অথবা ইনস্টল করা হয়, তখন উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমের আগের ভার্সন ধারণ করে। এর কারণ হলো যদি এতে ফিরে আসতে চান।
তবে, ওই পুরনো অপারেটিং সিস্টেম ভার্সন কয়েক গিগাবাইট স্টোরেজ স্পেস ব্যবহার করে। যদি আপনার পিসিতে প্রচুর স্টোরেজ স্পেস থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই। তবে, স্টোরেজ স্পেস যদি টানটান অবস্থায় থাকে, তাহলে তা এক মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ, আপনার কাছে ৩২ জিবি স্টোরেজ স্পেসযুক্ত একটি এইচপি স্ট্রিম ল্যাপটপ আছে, যখনই এটিকে উইন্ডোজ ১০-এর সবশেষ নতুন ভার্সনে আপগ্রেড করার জন্য চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেন, তার কারণ আপনার পুরনো উইন্ডোজ ভার্সন এত বেশি স্পেস ব্যবহার করা শুরু করল যে, উইন্ডোজের নতুন ভার্সন ইনস্টল করা সম্ভব হয়নি।
আপনি উইন্ডোজের পুরনো ভার্সনে ফিরে যেতে না চান, তা নিশ্চিত করতে পারলে সহজে এটি ডিলিট করতে পারেন। এটি স্টোর হয় Windows.old নামে ফোল্ডাওে, যা খুঁজে পারেন /Windows ফোল্ডারে। অন্যথায় ম্যানুয়ালি এটি ডিলিট করতে পারেন। এ জন্য ডিস্ক ক্লিনআপ টুল ব্যবহার করতে পারেন। এ জন্য নিচে বর্ণিত ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন।
• সার্চ বারে Disk Cleanup টাইপ কওে টুলটি রান করুন এবং আবির্ভূত হওয়া সার্চ ফলাফলে Disk Cleanup-এ ক্লিক করুন। সম্পূর্ণ ডিস্ক জুড়ে পরীক্ষা করে দেখার জন্য কিছু সময় নেবে।
• ডিস্ক ক্লিনআপের কাজ শেষ হওয়ার পর ফাইলের লিস্ট স্ক্রল ডাউন করে আপনি ক্লিনআপ করতে এবং Previous Windows installation(s)-এর পাশের বক্স চেক করতে পারবেন। এ এন্ট্রি আবির্ভূত হতে পারে যদি আপনার হার্ডডিস্কে আগের উইন্ডোজ ইনস্টলেশন ডিস্ক থাকে।
• Ok-তে ক্লিক করুন। এর উইন্ডোজের পুরনো ভার্সন ডিলিট হয়ে যাবে এবং হার্ডডিস্ক স্পেস ফিরে পাবেন।
উইন্ডোজের বুটআপের গতি ত্বরান্বিত করা
উইন্ডোজ ১০ যখন প্রথম অবমুক্ত করা হয়, তখন থেকেই ব্যবহারকারীদের অভিযোগ শোনা যাচ্ছিল, উইন্ডোজ ১০-এর বুটআপ সময় উইন্ডোজের আগের ভার্সনের তুলনায় বেশি। উইন্ডোজ ১০-এর মন্থর গতির জন্য যদি বিরক্ত বোধ করেন, তাহলে নিচে বর্ণিত দুটি উপায় দিয়ে চেষ্টা করে দেখতে পারেন স্টার্ট আপের গতি বাড়াতে।
এনাবল করুন ফাস্ট স্টার্টআপ
উইন্ডোজ ১০-এ ফাস্ট স্টার্টআপ (Fast Startup) নামে এক ফিচার সম্পৃক্ত করা হয়েছে, যা উইন্ডোজ হাইবারনেট ফিচারের সাথে কম্বাইন করে একটি নরমাল অর্থাৎ স্বাভাবিক শাটডাউন।
ফাস্ট স্টার্টআপে যখন উইন্ডোজ শাটডাউন করা হয়, তখন এটি আপনার অ্যাপ্লিকেশন বন্ধ করে দেয় এবং সব ইউজারের লগ অফ করে, কিন্তু আপনার হার্ডডিস্কের হাইবারনেশন ফাইলে উইন্ডোজ কার্নেল ও ড্রাইভার লোড করে। এরপর যখন পিসি রিস্টার্ট করবেন, তখন উইন্ডোজ হাইবারনেশন ফাইল থেকে কার্নেল ও ড্রাইভারসমূহ লোড করে স্টার্টআপের গতিকে ত্বরান্বিত করে। এ ফিচারকে সক্রিয় করার জন্য নিচে বর্ণিত ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
• Start বাটনে ডান ক্লিক করুন। এরপর আবির্ভূত হওয়া মেনু থেকে Power Options সিলেক্ট করুন।
• এবার ‘Choose what the Power buttons do’-এ ক্লিক করুন।
• এরপর আবির্ভূত হওয়া স্ক্রিনে ‘Change Settings that are currently unavailable’-এ ক্লিক করুন।
• এরপর পরবর্তী স্ক্রিনে ‘Turn on fast startup (recommended)’-এর পাশের বক্স চেক করুন।
• এবার Save changes-এ ক্লিক করুন।
লক্ষণীয়, কোনো কোনো মেশিনে ফাস্ট স্টার্টআপ ফিচার এনাবল করা থাকে না। যদি এমনটি আপনার ক্ষেত্রে হয়, তাহলে ‘Turn on fast startup (recommended)’ এন্ট্রি দেখতে পাবেন না।

চিত্র : সিস্টেম সেটিংস অপশন
আপনার পিসির বুটিং সময় দ্রুততর করার জন্য ফাস্ট স্টার্টআপ অপশন সক্রিয় করা।
স্টার্টআপের সময় দ্রুততর করার জন্য টাস্ক ম্যানেজার ব্যবহার করা।
উইন্ডোজ ১০ টাস্ক ম্যানেজার পিসির স্টার্টআপ ম্যানেজ করার জন্য এক চমৎকার টুল। এ টুল দিয়ে আপনি প্রোগ্রাম ডিজ্যাবল করতে পারবেন, যেগুলো স্টার্টআপের সময় রান করে।
• টাস্কবারে ডান ক্লিক করে সিলেক্ট করুন Task Manager।
• যদি টাস্ক ম্যানেজার একটি ছোট উইন্ডো হিসেবে রান করে এবং আপনার সিস্টেমে রান করা বর্তমান অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে শুধু প্রদর্শন করে। এবার স্ক্রিনে নিচে ‘More details’ লিঙ্কে ক্লিক করুন। এটি ওপেন করে স্ক্রিনের উপরে মাল্টিপল ট্যাবসহ একটি সম্প্রসারিত ভিউ।
• Startup ট্যাবে ক্লিক করুন। এটি স্টার্টআপে রান করা সব অ্যাপ্লিকেশনের একটি লিস্ট করে।
• আপনি প্রতিটি অ্যাপ্লিকেশনে ডান ক্লিক করুন যেগুলো স্টার্টআপে রান করাতে চান না। এরপর Disable সিলেক্ট করুন। এরপরও আপনি প্রোগ্রাম রান করাতে পারবেন স্বাভাবিকভাবে এগুলো চালু করার মাধ্যমে।
বাড়তি কিছু টিপস
কোন প্রোগ্রাম ডিজ্যাবল করতে হবে, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে খেয়াল করুন ‘Startup impact’ কলাম। এটি প্রদর্শন করে স্টার্টআপ সময়ে প্রোগ্রামে কোনো ইম্প্যাক্ট নেই, কম ইম্প্যাক্ট, মাঝারি ইম্প্যাক্ট অথবা উচ্চতর ইম্প্যাক্ট আছে কি না।

চিত্র : টাস্ক ম্যানেজার ব্যবহার করে স্টার্টআপ অ্যাপ্লিকেশন ডিজ্যাবল করা
লিস্টের অনেকগুলো প্রোগ্রাম তেমন সুপরিচিত নয়, ফলে নিশ্চিত হতে পারবেন না যে, সেগুলো ডিজ্যাবল করা উচিত হবে কি না। রিকগনাইজ করতে পারছেন না এমন কোনো প্রোগ্রামে ডান ক্লিক করুন এবং ‘Search online’ সিলেক্ট করুন। এটি চালু করবে ফাইল নেমে একটি অনলাইন সার্চ।
লিস্টের যেকোনো প্রোগ্রামে ডান ক্লিক করে সিলেক্ট করুন ‘Open file location’ অপশন। এটি ফোল্ডারে ওপেন করবে Windows Explorer, যেখানে প্রোগ্রামের .exe ফাইল পাওয়া যাবে। এটি হলো প্রোগ্রামের উদ্দেশ্যে আরেকটি ক্লু, যার আলোকে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন প্রোগ্রামটি রান করানোর জন্য ডিজ্যাবল করা হবে কি না।
মে ২০১৭ ও চলতি সংখ্যায় উল্লিখিত কৌশলগুলো অবলম্বন করলে যেকোনো অবস্থায় উইন্ডোজ ১০ স্বাচ্ছন্দ্যে রান করাতে পারবেন।
ফিডব্যাক : mahmood_sw@yahoo.com


পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৭ - জুন সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস
অনুরূপ লেখা