Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > ভিডিও গেমস
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: কজ
মোট লেখা:১০৪১
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৭ - জুলাই
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
গেম
তথ্যসূত্র:
খেলা প্রকল্প
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
ভিডিও গেমস
ভিডিও গেমস
মনজুর আল ফেরদৌস
ভিডিও গেমস। বিংশ শতকের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথে ক্রীড়া ও বিনোদনের এক দারুণ সংযোজন। লাখ লাখ গেমার প্রতিদিন ঘণ্টা ঘণ্টা সময় ব্যয় করছে এই গেমসের পেছনে। একটা সময় এমন ছিল, যখন অভিভাবকেরা এই ভিডিও গেমস খুব একটা পছন্দ করতেন না। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই মানসিকতারও পরিবর্তন এসেছে। আসুন জেনে নেয়া যাক, কীভাবে ভিডিও গেমস আমাদের জন্য সুফল বয়ে আনতে পারে।
০১. শিশু, বুড়ো কিংবা টগবগে তরুণ, সবার মধ্যেই একটা বিষয় কিন্তু মিলে যায়। তা হচ্ছে- আমরা সবাই বুড়ো হচ্ছি। বয়সের সাথে সবারই এই বার্ধক্য মেনে নিতে হয়। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ভিডিও গেমস ঠিক এই কাজটাতেই আমাদের সাহায্য করতে পারে। আইওয়া ইউনিভার্সিটির ৬৮১ জন ৫০ বা তার বেশি বয়সের গেমারের ওপর করা এক গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য, সপ্তাহে ৫ থেকে ৮ ঘণ্টা গেমস খেলার কারণে বছর ঘুরে আসতে আসতে সমবয়সীদের চেয়ে তাদের বুড়িয়ে যাওয়ার গতি অনেকটা কম থাকে।
০২. আপনি যদি অ্যাকশন গেমসের ভক্ত হয়ে থাকেন তো আপনার জন্য সুখবর এই- নিয়মিত অ্যাকশন গেমস খেলার কারণে খুব অল্প সময়ের ভেতর অনেক জটিল সিদ্ধান্ত অনেক সহজে নিতে পারেন আপনি, যা সহজে ধরা না পড়লেও আপনার দৈনন্দিন জীবনে দারুণ প্রভাব ফেলে।
০৩. শৈশবে অনেকেই মা-বাবার কাছ থেকে এমন কথা শুনে বড় হন, একটানা কমপিউটার কিংবা মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থেকে থেকে চোখ নষ্ট হয়ে যাবে। অনেকে এটাও বলতেন যে, একটানা চোখের পলক না ফেলে খেলার কারণে ড্রাই আই সিন্ড্রোম কিংবা চোখের মাংসপেশীর ক্ষতি হতে পারে। সত্য বলতে, ধীরগতির গেমস যেমন দ্য সিমস ২-এর চেয়ে দ্রুতগতির গেম যেমন কল অব ডিউটি কিংবা আনরিয়েল টুর্নামেন্টের খেলোয়াড়দের চোখের জ্যোতি ভালো থাকে। অ্যাকশন গেমস চোখের এক ধরনের ক্ষমতা বাড়ায়, যার নাম কন্ট্রাস্ট সেন্সিটিভিটি ফাংশন।
০৪. আরেকটি বড় ভুল হচ্ছে, ভিডিও গেমস খেলোয়াড়দের অসামাজিক মনে করা। প্রায় ২০টিরও বেশি গেমার ইভেন্ট নিয়ে গবেষণা করে ইউকে ও কানাডার ফলাফল হচ্ছে- এই গেমারেরা অনেক বেশি সামাজিক। অনেক গেমসে এখন চ্যাট করার সুযোগ থাকে, যা গেমারদের নিজেদের ভেতরেও একটি দারুণ বন্ধুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
০৫. কিছু গেমস খেলার মাধ্যমে ব্রেইন ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়ে, যা কঠিন ও কম সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে এবং মস্তিষ্কের নতুন তথ্য ধারণক্ষমতা বাড়ায়।
০৬. ক্রিকেট খেলায় আমরা অনেক সময় শুনে থাকি যে, এই খেলায় খেলোয়াড়দের হ্যান্ড-আই কো-অর্ডিনেশন জরুরি এবং নিয়মিত খেলার কারণে তা উন্নত হয়। তেমনি ভিডিও গেমস খেলার মাধ্যমে খেলোয়াড়দের হেড-আই কো-অর্ডিনেশন উন্নত হয়, যা হাই স্কুল পর্যায়ের ছাত্রদের আরও ভালো ফলাফল করতে সাহায্য করে।
০৭. মনোযোগ ও একাগ্রতা বাড়াতে ভিডিও গেমস দারুণ সাহায্য করে। প্রায় প্রতিটি গেমস খেলেই খেলোয়াড়দের এই একই অনুভূতি হয়, যা বাস্তব জীবনে দারুণ কাজে আসে।
০৮. কয়েক বছর আগে নিউজিল্যান্ডের এক গবেষণায় দেখা যায়, মানসিক অবসাদগ্রস্ততা কাটাতে গেমস অনেক কাজে আসে। তারা স্পারক্স নামের একটি গেম দিয়ে এই গবেষণা চালায়, যা টিনএজদের সাথে কাউন্সেলিংয়ের চেয়ে ভালো ফলাফল দিয়েছিল।
০৯. ওকলাহোমা ইউনিভার্সিটির স্বাস্থ্য-বিজ্ঞান কেন্দ্রে কিছুদিন আগে এক গবেষণা করা হয়। সেখানে ১০ থেকে ১৩ বছর বয়সের শিশুদের তিনটি কাজ করতে দেয়া হয়। অ্যাক্টিভ ভিডিও গেমস খেলা, টেলিভিশন দেখা আর ট্রেডমিলে হাঁটা। গবেষণা শেষে দেখা যায়, মোশন-কন্ট্রোল্ড ভিডিও গেমস খেলা আর ট্রেডমিলে ৩.৫ মাইল/ঘণ্টা প্রায় সমান ফলাফল দিচ্ছে। দুই ক্ষেত্রেই শিশুরা প্রায় সমান পরিমাণে ক্যালরি পুড়িয়েছিল।
১০. দম্পতিদের অনেক অনেক উপায় আছে একসাথে সময় কাটাবার। ইউনিভার্সিটি অব ডেনভারের মনোবিজ্ঞানীরা দেখতে চেয়েছিলেন, একসাথে ভিডিও গেমস খেলা তার ভেতর পড়ছে কি না। যদিও পুরুষেরা গেমস খেলেন সাধারণত তাদের পুরুষ বন্ধুদের সাথেই।
১৯৯৬ সালে শুরু করা এই গবেষণায় অংশ নিয়েছিলেন ২০০ দম্পতি এবং দেখা হচ্ছিল যে, বিয়ের দ্বিতীয় বছর তাদের সম্পর্কের সবচেয়ে জরুরি অংশ কোনটি হয়। উত্তর পাওয়া যায়, একসাথে আনন্দ আর উত্তেজনায় কাটানো সময়গুলো। বিজ্ঞানীদের একজন হাওয়ার্ড মার্কম্যান বলেন, যত বেশি আপনি আনন্দ, উত্তেজনা আর উপভোগ্য কাজে বিনিয়োগ করবেন, ততই আপনার জীবন আর পারস্পরিক সম্পর্কের মাঝে সুখের পরিমাণ বাড়তে থাকবে।
এই গবেষণায় সরাসরি ভিডিও গেমস ব্যবহার করা না হলেও একটি দিক নিশ্চিতভাবে বলা যায়, একসাথে খেলাধুলায় সময় কাটানো দম্পতিরা অন্যদের চেয়ে সুখী এবং সুস্বাস্থ্যের অধিকারী।
পরিশেষে বলা যায়, ভিডিও গেমস নিয়ে শোনা ক্ষতিকর দিকগুলোর বিপরীতে অনেক ভালো দিকও বিদ্যমান। সবকিছুই পরিমিত পরিমাণে জীবনের সাথে মিলিয়ে নিতে হয়। কারণ যত যাই হোক; খেয়াল রাখা জরুরি, অতিরিক্ত যেকোনো কিছুই ক্ষতিকর। আর পরিমাণ মতো হলে তা অবশ্যই দারুণ সুখকর
বুলেট স্টর্ম
বুলেট স্টর্ম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এমন এক গেম, যেখানে গেমার প্রতিমুহূর্তে যুদ্ধক্ষেত্রকে, যুদ্ধকে অনুভব করবেন নিজের প্রতিটি রক্তকণিকায়। সামনে থেকে ছুটে আসা গুলিকে মনে হবে যেন নিজের কানের পাশ দিয়েই শিস কেটে গেল। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এনিমি খেলতে সবচেয়ে বেশি যা প্রয়োজন, তা হচ্ছে ধৈর্য এবং অপেক্ষা করতে হবে প্রতিটি সতর্ক মুহূর্তের মাঝে প্রতিটি অসতর্কতার। সুযোগ বুঝে আঘাত হানতে হবে সবচেয়ে কঠিন রক্ষাব্যূহের সবচেয়ে দুর্গম কিন্তু মোলায়েম জায়গায়। পোস্ট-অ্যাপোক্যালিপ্টিক ওয়ার্ল্ডের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা গেমটির আসল আকর্ষণ গেমটির কমব্যাট স্টাইল।
মোটামুটি সাধারণ পাওয়ার নিয়ে গেমটি শুরু করলেও সময়ের সাথে সাথে প্রচুর আপগ্রেড পাবেন। বিভিন্ন অ্যাকশন থেকে আপনার এক্সপেরিয়েন্স পয়েন্ট বাড়বে, যা থেকে আপনি পাবেন বাড়তি সব সুবিধা। অস্ত্র আর পাওয়ার কেনার দোকানটিও কম বড় নয়, ক্ষুরধার বেস্নড থেকে শুরু করে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র পাবেন অস্ত্রাগারে। আর পাওয়ারের তো অভাবই নেই। মাটির নিচ থেকে কাঁটা বের করে শক্রুকে গেঁথে ফেলা, ঘূর্ণিঝড়ের সাহায্যে শক্রুকে দিশেহারা করা ইত্যাদি নানা ধরনের ট্রিকস করতে পারবেন। বিভিন্ন লেভেলে বিভিন্ন কিংবা সবগুলো অস্ত্রই গেমার ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু সবকিছুতেই থাকবে এনিমিদের একচ্ছত্র আধিপত্য।
আপনাকে যুদ্ধ করতে হবে এমন একটি সংস্থার বিরুদ্ধে, যারা অন্যসব কিছুর ওপর সামরিক শক্তিকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আর কিছু দিনের মধ্যেই এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ভীতি-উদ্রেককারী একটি সংস্থায় পরিণত হবে। কারণ, তারা এমন এক ধরনের প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে, যা দিয়ে স্থানকে পরিবর্তিত করে দেয়া যায়। এরা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে পৃথিবীর সবচেয়ে নিষ্ঠুরতম মিলিটারি ফোর্স তৈরি করার কাজে নেমে পড়ে, যার পরবর্তী পরিণাম ছিল নিঃসন্দেহে ভয়াবহ।
তারা এক সেনাদল গড়ে তোলে। তাদের প্রত্যেককে দেয়া হয় নিজস্ব রিজেনারেশন ক্ষমতা। ধীরে ধীরে সংস্থাটির সেনাদলের ভয়ঙ্কর সব এজেন্টরা ছড়িয়ে পড়ে পৃথিবীজুড়ে। গেমটির গল্প অসম্ভব সুন্দর না হলেও রোমাঞ্চকর সব বাঁকে ভরা। তাই গেমটিতে এরপর কী হবে, সেটা এখানে ফাঁস করব না।
গেমটি অবশ্যই গেমারেরা যাকে বলে কি না ‘বস্নাড বাথ’ ধরনের গেম। বিভিন্ন শক্তিশালী এজেন্ট, সেনাবাহিনী, রোবটদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে গেমারকে। গেমারের আছে এমনসব প্রযুক্তি, যা মানুষের মনে কিছু জটিল ফাংশন তৈরি করতে পারে। যার ফলে একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর তিনি কোনো মানুষকে আত্মহত্যা, অন্যকে হত্যা করা কিংবা ভুল করে নিজেকে আঘাত করে ফেলা প্রভৃতি কাজ করতে পারেন। আছে অনেক ধরনের অস্ত্র ও আপগ্রেড। প্রতিটি অস্ত্রের একাধিক ফায়ারিং মোড গেমটিকে অন্যসব ফার্স্ট পারসন শুটিং গেম থেকে অভিনবত্য এনে দিয়েছে। সুতরাং গেমারদের উচিত দেরি না করে এখনই এনিমিদের হাত থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করা।
গেম রিকোয়ারমেন্ট
উইন্ডোজ : ৭/৮.১/১০, সিপিইউ : কোরআই৩ ১.২ গিগাহার্টজ/এএমডি সমমানের, র্যা ম : ৮ গিগাবাইট উইন্ডোজ, ভিডিও কার্ড : ৫১২ মেগাবাইট পিক্সেল শেডারসহ ১০ জিবি হার্ডডিস্ক স্পেস, সাউন্ডকার্ড, কিবোর্ড ও মাউস

পাথ অব এক্সাইলস
পাথ অব এক্সাইলস শব্দাড়ম্বরপূর্ণ আর পরিণামে একটি দুঃসাহসিক গেমিং অভিজ্ঞতা। শুরু হবে ভয়ঙ্কর অন্ধকূপ দিয়ে আর এমনই তার ভিজ্যুয়ালাইজেশন যে, যারা ক্লস্ট্রফোবিক তাদের এটা নিয়ে না বসাই ভালো। এরপরের অংশ আবার টানেল থেকে একেবারেই আলাদা- শ্বাসরুদ্ধ করা পরিবেশ, ফেরারি হিসেবে পালানো। সেই পালানোর ওপর একটি ফোকাস, একটি ফোকাস মেকানিক্স আর এনভায়রনমেন্টাল আর্কিটেক্ট মিশ্রিত করা হয়েছে এমনভাবে যে, দৌড়নোর সময় রাস্তার নুড়ি থেকে স্কাইলাইন পর্যন্ত কিছুই চোখ এড়াবে না। গেমটিতে আছে কনটেন্ট, সুন্দর স্টোরিলাইন ও হিউমার।
এখন ভেতরের কথাগুলো বলে নেয়া যাক। গেমটি বিভিন্ন ছোট ছোট গল্পে বিভক্ত। প্রত্যেকটি গল্প একটির চেয়ে আরেকটির সৌন্দর্যের ভয়াবহতাকে ফুটিয়ে তুলেছে। এই প্রচ-তার সবকিছু শেষ করে ফেলা যাবে মাত্র একটি ফুটবল ম্যাচ দেখতে যতক্ষণ লাগে, ততক্ষণের মধ্যেই। আর এই দ্রুতলয়ের গেমিং গেমারকে তার সর্বোচ্চ শক্তির শেষটুকু ব্যবহার করতে বাধ্য করবে এবং গেমার পাবেন ফুটবল ওয়ার্ল্ড কাপ ফাইনাল দেখার মতোই উত্তেজনা। গেমারেরা এখন ভাবছেন এত তাড়াহুড়ো আর উত্তেজনার মাঝে হয়তো গেমটির অনেক অংশই ঠিকমতো বুঝে ওঠা যাবে না। কিন্তু ব্যাপারটা ঠিক এর উল্টো। গেমের প্রত্যেকটি চরিত্রের চারিত্রিক গভীরতা সম্পূর্ণতা নিয়ে গেমের প্রত্যেকটি অংশকে সৌন্দর্যপূর্ণ করে গড়ে তুলেছে। নিখুঁত স্টোরিলাইন, হৃদয় অাঁকড়ানো রোল প্লেয়িং- সব মিলিয়ে গেমটি ‘ওর্থ দ্য টাইম’। এখানে প্রত্যেকটি এপিসোডের মধ্যে উপরে বলা বিষয়গুলো ছাড়াও আর একটি মজার ব্যাপার আছে- গেমটির প্রত্যেকটি অংশই মৌলিক, রিদমিক ও নতুনত্বসম্পন্ন। প্রত্যেকটি ব্যাটল ভিন্ন ভিন্ন ট্যাকটিকসকে বের করে নিয়ে আসে। আর প্রত্যেক অনুভূতি তার মানবিক চূড়াকে স্পর্শ করে যায়। গল্পের প্রতিটি বাঁকে গেমারকে হতে হবে হতভম্ব বাস্তবতার নিষ্ঠুরতায়। এক পর্যায়ে গেমার শিখে নেবেন শক্তিশালী সব জাদু, দ্রুত জীবন বাঁচানোর দক্ষতা। পাওয়া যাবে ক্রস বো, গ্রেনেড, ধারালো ফাঁদসহ অনেক কিছু। কিন্তু সবকিছু ছাড়িয়ে গেমারকে নির্ভর করতে হবে নিজের সিদ্ধান্তগুলোতে, যার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে সবকিছুর ভবিষ্যৎ। সব মিলিয়ে গেমার খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারবেন পুরো গেমিং ম্যাট্রিক্সের সাথে।
গেমটি সম্পূর্ণ ফ্রি টু প্লে এবং এখন পর্যন্ত গেমিং জগতের সবচেয়ে বড় কাস্টমাইজেশনসম্পন্ন গেম। গেমারদের এই আরপিজিতে নরমাল গেমটাইম ৭৫০-১২০০ ঘণ্টা। বিশাল এই গেমে কোনো কিছুরই অভাব নেই। আপনার পক্ষে আরপিজিতে যা যা আশা করা সম্ভব, সবই পাবেন গেমটিতে। সুতরাং আর দেরি না করে এখনই শুরু করে দিন বিশাল এই গেমিং অ্যাডভেঞ্চার।
গেম রিকোয়ারমেন্ট
উইন্ডোজ : ভিস্তা/৭/৮.১/১০, সিপিইউ : ইন্টেল কোর টু ডুয়ো ৩.২ গিগাহার্টজ/এএমডি সমমানের প্রসেসর, র্যা ম : ৪ গিগাবাইট উইন্ডোজ, ভিডিও কার্ড : ১ গিগাবাইট পিক্সেল শেডারসহ ১২+ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক স্পেস।

পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৭ - জুলাই সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস