Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন পর্ব : ০১
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: নাজমুল হাসান মজুমদার
মোট লেখা:৭
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৭ - আগস্ট
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
ফ্রিল্যান্স
তথ্যসূত্র:
আউটসোর্সিং
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন পর্ব : ০১
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
পর্ব : ০১
নাজমুল হাসান মজুমদার
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও ই-কমার্স সাইট ও ব্লগ ওয়েবসাইটের কনটেন্টগুলোকে ভালো একটি অবস্থানে আনতে সব সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ই-কমার্স সাইটে বেশিরভাগ সময় আমরা প্রোডাক্ট বিষয়ক বর্ণনা দিয়ে থাকি। সেজন্য এর বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ কোনো প্রোডাক্ট রিভিউ কিংবা প্রোডাক্টের ভালো-মন্দ নিয়ে খুব একটা আলোচনা করি না। কিন্তু একটা ই-কমার্স সাইটের বিভিন্ন প্রোডাক্টের বিক্রি বাড়াতে হলে এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিছু কাজ করতে হবে। সেই বিষয়গুলো ই-কমার্স সাইটটির পাশাপাশি অন্যভাবে কাজ করেও ই-কমার্স সাইটটির জন্য সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে থাকবে। ঠিক তেমনি ব্লগ ওয়েবসাইটেও বিভিন্ন কনটেন্ট বা আর্টিকল ব্যবহার করা হয়। আর এসব ক্ষেত্রে ট্রাফিক বাড়িয়ে অর্গানিক উপায়ে সার্চইঞ্জিনের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে ভিজিটর এনে র¨vঙ্কিং বা অবস্থান বাড়ানো হচ্ছে ‘এসইও’।
এসইও-এর ক্ষেত্রে আর্টিকল, লিঙ্ক বিল্ডআপ, ব্যাকলিঙ্ক, কিওয়ার্ড রিসার্চ, গেস্ট পোস্ট প্রতিটি ধাপপ্রয়োজন এবং এই ধাপগুলোর সঠিক বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করেই ব্লগ বা ওয়েবসাইট ভিজিটরদের কাছে পৌঁছায়।
কনটেন্ট
কনটেন্ট একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইটের প্রাণ। মূলত ওয়েবসাইট ভিজিটরেরা কনটেন্ট পড়তেই আপনার ওয়েবসাইটে আসবে। তাদের প্রয়োজন তথ্য এবং সাইটে কত ভালো তথ্য আছে, তার ওপর নির্ভর করেই আপনার সাইটে ভিজিটরেরা আসবে। কনটেন্ট বিভিন্ন ধরনের হবে। সেটা হতে পারে লেখা, ছবির মাধ্যমে তথ্য দেয়া, ভিডিও প্রভৃতি। চমৎকার তথ্যমূলক ছবি, সস্নাইড, অডিও, লেখা কিংবা ভিডিওর সুন্দর উপস্থাপন সাইটের গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্ট হিসেবে ভূমিকা রাখতে সহায়তা করে এবং সার্চ ইঞ্জিনে সাইটের ট্রাফিক বাড়াবে। সাথে রাখতে হবে সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোতে সাইট শেয়ারিংয়ের ব্যবস্থা।
কিওয়ার্ড রিসার্চ
কিওয়ার্ড রিসার্চ ব্লগ এসইও-এর জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সঠিকভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে আর্টিকল বা লেখা প্রয়োজন। কারণ কিওয়ার্ডের সাহায্যেই গুগল কিংবা বিংয়ের মতো সার্চইঞ্জিনগুলোতে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের লেখা র¨vঙ্ক করে। পরিকল্পনামাফিক কিওয়ার্ড ব্যবহার করার প্রয়োজন পরে ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোতে। একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে যত বেশি প্রোডাক্ট সংখ্যা বাড়বে,প্রতিনিয়ত তত বেশি কিওয়ার্ড রিসার্চের গুরুত্ব ও প্রয়োজন বেড়ে যাবে। প্রতিটি প্রোডাক্ট বিষয়ক কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে হবে সম্ভাব্য ক্রেতার কাছে পৌঁছাতে হলে। হতে পারে ই-কমার্স সাইটটির জন্য ব্লগিং ব্যবস্থা গড়ে তুলে অথবা কোম্পানির নিজ উদ্যোগে প্রতিটি প্রোডাক্টের জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ করে সম্ভাব্য ভলিউম ভালো এমন কিওয়ার্ড ধরে প্রোডাক্টভিত্তিক কিছু সাপোর্টিং নিশ সাইট তৈরি করা। প্রোডাক্টভিত্তিক কনটেন্ট রেখে প্রোডাক্টের ছবি কিংবা ভিডিও রেখে সম্ভাব্য রিচ করতে সাহায্য করবে ক্রেতার কাছে। গুগল কিওয়ার্ড প্ল্যানার https://adwords.google.com/KeywordPlanner ও ‘লং টেল প্রো’ এরকম বেশ কিছু কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল ব্যবহার করে সহজে বিভিন্ন কিওয়ার্ড নিয়ে রিসার্চ করার মাধ্যমে পরিপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
কিওয়ার্ড নির্বাচন
কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে হলে বেশকিছু বিষয়ে প্রথমে লক্ষ রাখতে হয়। কেন, কীভাবে এবং কী জন্য কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে হবে। একজন ই-কমার্স ব্যবসায়ী বা ব্যবসায়িক ব্লগে প্রোডাক্টের ওপর নির্ভর করে কিওয়ার্ড নির্বাচনের কাজ করতে হবে। কিওয়ার্ড নির্বাচনকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। সেগুলো হচ্ছে- ০১. জেনেরিক কিওয়ার্ড, ০২. ব্রড ম্যাচ কিওয়ার্ড ও ০৩. লং টেল কিওয়ার্ড।
কিওয়ার্ড বাছাই করতে হয় প্রোডাক্ট বিষয়ক তথ্য সার্চ ইঞ্জিনে ওপরের দিকে রাখার প্রয়োজনে। যদি প্রোডাক্ট হয় ‘এসি’, তবে সে ক্ষেত্রে কিওয়ার্ড তিন ধরনের হবে। যেমন- জেনেরিক কিওয়ার্ড-Walton AC। ব্রড ম্যাচ কিওয়ার্ড- Walton NEW VERSION AC। লং টেল কিওয়ার্ড- How to buy Walton NEW VERSION AC।
ঠিক এরকম করে বিভিন্ন ধরনের কিওয়ার্ড নিয়ে সাইটের জন্য কাজ করে এসইও করতে হবে। ভালো কনটেন্ট, ভালো ব্যাকলিঙ্ক সবকিছুর সমন্বয়ে সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে ভালো অবস্থায় নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
টাইটেল, মেটা ট্যাগ ও ডেসক্রিপশন
ওয়েবসাইটে টাইটেল, মেটা ট্যাগ ও ডেসক্রিপশনের পূর্ণ ব্যবহার দরকার। একটি ওয়েবসাইটের একেকটি ওয়েবপেজের টাইটেল, ট্যাগ কিংবা ডেসক্রিপশন ভিন্ন থাকা আবশ্যক। প্রতিটি ভিন্ন পেজের ভিন্ন ভিন্ন টাইটেল, মেটা ট্যাগ ও ডেসক্রিপশন থাকে। গুগল কিংবা অন্য সার্চ ইঞ্জিনগুলো টাইটেল, মেটা ট্যাগ ও ডেসক্রিপশন অনুসারে ওয়েবপেজকে বিভিন্ন অবস্থান প্রদান করে। ওয়েবসাইটের পেজগুলোর প্রতিটি পোস্টে আলাদা করে একটি নাম ও একটি ইউআরএল অ্যাড্রেস থাকে, যা দিয়েপ্রতিটি লেখা পোস্ট ভিন্ন ভিন্ন নামে সার্চ ইঞ্জিনে নিজের অবস্থান ঠিক রাখতে পারে।
প্রোডাক্টভিত্তিক এসইও
ই-কমার্সভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রোডাক্টের বিষয়ের ব্যাপারে নির্ভর করে প্রোডাক্টভিত্তিক এসইও করার প্রয়োজন পড়ে। প্রোডাক্ট যদি ‘বাংলাদেশি জামদানি শাড়ি’ হয়, তাহলে পুরো বিষয়ে এসইও করার ক্ষেত্রে বিষয়টা এমন হবে- কেন জামদানি শাড়ি জনপ্রিয়। কাদের জন্য এটি প্রয়োজন এবং কীভাবে এটি তৈরি হয়েছে। তাহলে ওয়েবসাইটে এরকম প্রতিটা বিষয়, প্রতিটা প্রশ্নোত্তর তৈরি করায় খেয়াল থাকতে হবে, পোস্টের শিরোনাম বা টাইটেল কি আসলে এই বিষয়গুলোর সাথে সামঞ্জস্য? ক্রেতারা তাদের কেনার সময় কি এই কিওয়ার্ডগুলোসার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে? যদি তাই হয়, তাহলে পুরো বিষয়টা রিসার্চ করে এসইও-এর প্ল্যান সেভাবে করতে হবে। যদি কিওয়ার্ড ‘sari’ হয়, তাহলে‘nice jamdani sari’, ‘Popular jamdani collection’ এরকম আরও কিছু প্রোডাক্ট সংশ্লিষ্ট কিওয়ার্ড ব্যবহার করে সার্চ ভলিউম এবং কিওয়ার্ড অ্যানালাইসিস করার মাধ্যমে সেই প্রোডাক্টের বিভিন্ন তথ্য ওয়েবসাইটের কনটেন্টের মাধ্যমে ভালো প্রমোট করতে হবে।
ব্যাকলিঙ্ক
ওয়েবসাইটে একটি আর্টিকলের সাথে অন্য আরেকটি ওয়েবসাইটের ব্যাকলিঙ্ক থাকে। এ ক্ষেত্রে কোনো একটি আর্টিকলে যদি আরেকটি আর্টিকলের কোনো তথ্যের কিছু বিষয় ব্যবহার হয়, তাহলে রেফারেন্স হিসেবে সেই তথ্য নেয়া ওয়েবসাইটের ওয়েবপেজের লিঙ্ক লেখার মাঝে কিওয়ার্ড ব্যবহার করে দেয়া হয়। এখানে ‘অ্যাঙ্কর ওয়ার্ড’ কিংবা ‘অ্যাঙ্কর টেক্সট’ রয়েছে। এ ‘অ্যাঙ্কর ওয়ার্ড’ কিংবা ‘অ্যাঙ্কর টেক্সট’ হচ্ছে যে শব্দটি কিংবা যে বাক্যের সাথে ব্যাকলিঙ্ক রয়েছে, সেই তথ্য দেয়া সাইটের। যে লিঙ্কের শব্দের ওপর মাউস কার্সর রাখলে সেই শব্দে ব্যাকলিঙ্কের নাম কিংবা ব্যাকলিঙ্কের শব্দ দেখা যায়; যে শব্দের ওপর কার্সর রাখলে এ লেখা দেখা যায়, সেই শব্দ অ্যাঙ্কর ওয়ার্ড কিংবা অ্যাঙ্কর টেক্সট। এর মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সেই অ্যাঙ্কর ওয়ার্ড কিংবা অ্যাঙ্কর টেক্সট দিয়েপ্রাথমিকভাবে ব্যাকলিঙ্কের ব্যাপারে একটি ধারণা পায়। এভাবে অন্য একটি সাইট থেকে তথ্যগ্রহণ করা সাইটে প্রবেশের সুবিধা রাখা যায়। ই-কমার্সে ওয়েবসাইটে প্রোডাক্টেরতথ্যের ব্যাকলিঙ্ক করা থাকলে সেই ভিন্ন সাইট থেকে সরাসরি ক্রেতা তার পছন্দের প্রোডাক্টের খোঁজ পেতে পারে। এই যে লিঙ্ক, যেটি মূল সাইটটি পেল সহযোগী সাইট থেকে, অর্থাৎ মূল সাইটের লিঙ্ক থাকল সহযোগী সাইটে, এটিই মূল সাইটের ব্যাকলিঙ্ক। তথ্যমূলক ছবি, অডিও, সস্নাইড, লেখা কিংবা ভিডিওর মাধ্যমেও মূল সাইটের জন্য ব্যাকলিঙ্ক করা যায়। ইউটিউব, ভিডিও এ ধরনের ভিডিও শেয়ারিং সাইট থেকেও ব্যাকলিঙ্ক করা যায় মূল সাইটের জন্য। এছাড়া উইকি, ফোরাম, ব্লগ, বিভিন্ন কমিউনিটি সাইটের সাথে ব্যাকলিঙ্ক করা যেতে পারে। ওয়েবসাইটের ব্যাকলিঙ্কসমূহ দেখার জন্য এ ওয়েবসাইটhttps://ahrefs.com/ ব্যবহার অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে। সাইটটিতে পেইড রেজিস্ট্রেশন করে ব্যাকলিঙ্কসহ যাবতীয় কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে।
সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ
একজন ব্যবহারকারীর জন্য সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ (এসইআরপি) তার প্রয়োজন অনুযায়ী কনটেন্ট কিংবা তথ্য উপস্থাপন করে থাকে। যিনি এই সুবিধা নিচ্ছেন, তার কী ধরনের কনটেন্ট দরকার, সেই ধরনের কনটেন্ট হাজির করে। সবসময় ইউনিক কনটেন্ট এ জন্য অনেক গুরুত্ব পায়। ভালো মানের কনটেন্ট সব সময়ে সার্চ ইঞ্জিনে ভালো ইনডেস্ক পেয়ে থাকে। প্রতি মুহূর্তে সার্চ ইঞ্জিনে অবস্থান ধরে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ভালো কনটেন্ট, লিঙ্ক বিল্ড সবকিছু অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সার্চ ইঞ্জিনে ভালো ট্রাফিকের জন্য অন্য কোনো উপায় নেই। তাই লেখার কোয়ালিটি মান ধরে রেখে ট্রাফিক বাড়াতে হবে। ভালো কনটেন্ট অনেক ভালো ট্রাফিক আনবে। এরজন্য ওয়েবমাস্টারের ভালো ব্যবহার প্রয়োজন। গুগল এসইও টুল ওয়েবমাস্টার টুলস https://www.google.com/webmasters/tools/ এবং বিং ওয়েবমাস্টার টুলস www.bing.com/toolbox/webmaster-এর মাধ্যমে মূল সাইটটিসহ সহযোগী সাইটগুলো এই ওয়েবমাস্টারে সাবমিট করে ওয়েবসাইট ইনডেস্ক করতে হবে। এতেগুগল ও বিং উভয় সার্চ ইঞ্জিনে খুব দ্রম্নত সময়ে লিঙ্ক ইনডেস্ক হবে। সাইট কী অবস্থানে আছে, সার্চ ইঞ্জিনে তা দেখতে হলে http://www.alexa.com/ থেকে ওয়েবসাইট এলেক্সা র¨vঙ্ক দেখে নেয়া যায়। সে অনুসারে সার্চ ইঞ্জিনে একটি সাইটের র¨vঙ্ক জানা যাবে।
Do follow ও No follow
বিভিন্ন সাইট আছে, যেগুলো Do follow বিষয়টি অনুসরণ করে। অনেক দরকারি তথ্যের জন্য কিছু সাইটে অবশ্যই ভিজিট করা প্রয়োজন। Do follow মূলত মানুষ যেসব সাইটকে বেশি অনুসরণ করে, সেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। গুগল তার সার্চ ইঞ্জিনে Do follow ব্যাপারটি অনেক গুরুত্ব দেয় এবং সেই বিষয়গুলো সার্চ রেজাল্টে গুরুত্ব পেয়ে অবস্থান করে। নিচে দেয়া কোড লাইনটির মতোDo follow বিষয়গুলো আমাদের সাইটগুলোয় রাখলে ওই বিষয়ে গুগল সার্চ ইঞ্জিন বেশি প্রাধান্য দেবে। Do follow দিয়ে বুঝিয়ে দেয়া হয় যে, এই সাইট অনুসরণ করতে হবে।
Ecommerce
উপরের কোডটি দিয়ে বুঝাচ্ছে, অবশ্যই ‘কমপিউটার জগৎ’ ম্যাগাজিনের ওয়েবসাইটের ই-কমার্স অনুসরণ করতে বলা হবে। কারণ, এই সাইটে সংযুক্ত আছে ব্লগ। আর এতেএ খাতের উদ্যোক্তা কিংবা মানুষ জানতে পারবে অনলাইন ব্যবসায় ইলেকট্রনিক বিজনেস নিয়ে। তাতে ই-কমার্স নিয়ে তথ্যের দিকে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে। Do follow-এর বিষয়টির মতো ঠিক বিপরীত একটি বিষয় হচ্ছে No follow। একটি ওয়েবসাইটে কোন কনটেন্টের ক্ষেত্রে কোডিংয়েএ বিষয়টি দিয়ে বুঝিয়ে দেয়া হয় যে, এই লেখা গুগল অনুসরণ না করলেও চলবে। এতে গুগল সেই পোস্টগুলোকে প্রাধান্য দেয় না।
No follow-এর ক্ষেত্রে এ কোডটি ব্যবহার হয় পোস্টের ব্যাকগ্রাউন্ডে।
Wikipedia
যদিও উইকিপিডিয়া অনেক ব্যবহৃত একটি সাইট, কিন্তু এটাNo follow। অর্থাৎ গুগলেNo follow অবস্থানে এটি আছে। এটা অনুসরণ না করলেও চলবে। তবুও উইকিপিডিয়া আমরা প্রতিনিয়ত ব্যবহার করে থাকি বিভিন্ন তথ্য জানার জন্য। আমাদের জীবনের সাথে বিভিন্ন তথ্যের ব্যাপারে এটি অনেক ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
ব্লগিং ও ফোরাম প্লাটফরম
সাইটের নিজস্ব একটিব্লগিং প্লাটফরম রাখা প্রয়োজন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর সাথে সেই ব্লগিং প্লাটফরমের লিঙ্ক বিল্ডআপ থাকবে। প্রোডাক্ট সম্পর্কিত পোস্ট, অর্থাৎ প্রোডাক্ট রিভিউ, প্রোডাক্ট সম্পর্কে ক্রেতাকে ধারণা দেয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন দরকারি ও ইন্টারেস্টিং তথ্য, বিভিন্ন তথ্যমূলক সেবা, জানা-অজানা বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে নিজস্ব ব্লগিং প্লাটফরমে লিখে বিভিন্নসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করতে হবে। গেস্ট ব্লগারদের ব্যবস্থা রাখতে হবে, বিভিন্ন ব্লগার ব্লগে লিখবে এবং নিজেদের বিভিন্ন মতামত দেবে। বিভিন্ন ফোরামে সাইট নিয়ে ও সাইটের প্রোডাক্ট নিয়ে লেখা সম্ভব। বিভিন্ন ফোরামে কমেন্ট করে প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে মানুষকে জানাতে হবে। সাইটের নিজস্ব রিভিউ সিস্টেম রাখতে হবে, যাতে ক্রেতা প্রোডাক্ট কিনে সেই প্রোডাক্ট সম্পর্কে নিজস্ব মতামত কিংবা প্রোডাক্ট সম্পর্কে নিজের রিভিউ দিতে পারে। এ রিভিউ কিংবা ব্লগের মন্তব্য সবই মূল সাইটটির পরিচিতি ও র¨vঙ্কিংয়ে অবস্থানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিভিন্ন ফোরাম কিংবা ব্লগ থেকেও সাইটের জন্য ব্যাকলিঙ্কের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণকয়েকটিফোরাম
 Search Engine Watch Forum
 Mysql Forum
 Affiliate Marketing Forum
 Siteowners Forum
 V7nForum

পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটি পিডিএফ ফর্মেটে ডাউনলোড করুন
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৭ - আগস্ট সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস