Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > উইন্ডোজের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুল যেভাবে ব্যবহার করবেন
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: তাসনুভা মাহমুদ
মোট লেখা:১০০
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৭ - আগস্ট
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
আইসিটি
তথ্যসূত্র:
পাঠশালা
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
উইন্ডোজের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুল যেভাবে ব্যবহার করবেন
কমপিউটিং বিশ্বে বেশিরভাগ উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারী তাদের কাজ সম্পাদন করে থাকেন নির্দিষ্ট কিছু সফটওয়্যার অ্যাপিস্নকেশন ব্যবহার করে। বিস্ময়কর হলো, বেশিরভাগ ব্যবহারকারী অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুল সম্পর্কে তেমন স্বচ্ছ ধারণা রাখেন না। এ সত্য উপলব্দিতে কমপিউটার জগৎ-এর নিয়মিত বিভাগ পাঠশালায় এবার উপস্থাপন করা হয়েছে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুল ব্যবহার করার বিষয়ে।
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুল হলো কন্ট্রোল প্যানেলের একটি ফোল্ডার, যা সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ও অ্যাডভ্যান্সড ইউজার ধারণ করে। আপনার ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমের ভার্সনের ওপর ভিত্তি করে ফোল্ডারের ভেতরের টুলসমূহ তারতম্য হতে পারে। এ টুলগুলো উইন্ডোজের আগের ভার্সনে সম্পৃক্ত ছিল এবং প্রতিটি টুলের সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্টেশন ব্যবহারকারীর জন্য বেশ সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারবে এ টুলগুলো উইন্ডোজ ১০-এ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে।সহজ করে বলা যায়, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুল হলো উইন্ডোজের বেশ কিছু অ্যাডভ্যান্সড টুলের কালেক্টিভতথা সমষ্টিবাচক নাম, যেগুলো মূলত সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের মাধ্যমে ব্যবহার হয়। উইন্ডোজ সার্ভার অপারেটিংসহ উইন্ডোজ ১০, উইন্ডোজ ৮, উইন্ডোজ৭, উইন্ডোজ ভিস্তা ও এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমের জন্য এ টুলগুলো রয়েছে।
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলে যেসব প্রোগ্রাম আছে, সেগুলোকে ব্যবহার করা যেতে পারে আপনার কমপিউটারেরমেমরির একটি টেস্ট শিডিউল করার জন্য, ইউজার ও গ্রুপের অ্যাডভ্যান্সড দৃষ্টিভঙ্গি ম্যানেজ করার জন্য, হার্ডড্রাইভ ফরম্যাট করার জন্য, কনফিগার করে উইন্ডোজ সার্ভিস, অপারেটিং সিস্টেম যেভাবে স্টার্ট হবে তা পরিবর্তন করে এবং আরও অনেক কাজ করে।

চিত্র-১ : অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলস
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলসে যেভাবে অ্যাক্সেস করবেন
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলসহলো একটি কন্ট্রোল প্যানেল অ্যাপলেট। সুতরাং কন্ট্রোল প্যানেলের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা যেতে পারে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলে। অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলস ওপেন করার জন্য প্রথমে কন্ট্রোল প্যানেল ওপেন করে এরপর ট্যাপ করুন অথবা Administrative Tools আইকনে ক্লিক করুন।
লক্ষণীয়, যদি Administrative Tools অ্যাপলেট খুঁজে পেতে সমস্যা হয়, তাহলে উইন্ডোজ ভার্সনের ওপর ভিত্তি করেHome অথবা Category ছাড়া অন্য কিছুতে কন্ট্রোল প্যানেল ভিউ পরিবর্তন করুন।
যেভাবে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলস ব্যবহার করা যায়
মূলত অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলস হলো একটি ফোল্ডার এবং বিভিন্ন ধরনের টুলেরশর্টকাটধারণ করে, যা এটি অন্তর্ভুক্ত করে। অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলসের যেকোনো একটি প্রোগ্রামের শর্টকাটে ডাবল ক্লিক অথবা ডাবল ট্যাব করলে ওই টুলস স্টার্ট হবে।
আরেকভাবে বলা যায়, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলস নিজেই কিছু করে না। এটি শুধু একটি লোকেশন, যা প্রোগ্রাম সংশ্লিষ্ট শর্টকাট স্টোর করে, যা মূলত উইন্ডোজ ফোল্ডারে স্টোর হয়।
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলসের বেশিরভাগ প্রোগ্রাম মাইক্রোসফট ম্যানেজমেন্ট কন্সোলের (MMC) জন্য সণ্যাপ-ইনসহয়।
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলস
নিচে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলসে যেসব প্রোগ্রাম পাওয়া যায়, তার একটি তালিকাতুলে ধরা হয়েছে, যেখানে সম্পূর্ণ সারাংশসহ উইন্ডোজের কোন ভার্সনে এগুলো আবির্ভূত হয় এবং প্রোগ্রামের আরও বিস্তারিত তথ্যের লিঙ্ক।
কম্পোনেন্ট সার্ভিসেস
কম্পোনেন্ট সার্ভিসেস হলো একটি মাইক্রোসফট ম্যানেজমেন্ট কন্সোল (MMC) সণ্যাপ-ইন,যা ব্যবহার হয় COMকম্পোনেন্টস এবং COM + অ্যাপিস্নকেশন অ্যাডমিনিস্টার ও কনফিগার করার জন্য টুল। যদি এগুলোর মানে না জানেন, তাহলে এ টুলগুলো আপনার দরকার নেই। বেশিরভাগ উইন্ডোজ ব্যবহারকারীকে এ টুল কখনই টাচ করতে হয় না। কম্পোনেন্ট সার্ভিস টুল উইন্ডোজ ১০, উইন্ডোজ ৮, উইন্ডোজ ৭ ও উইন্ডোজ এক্সপিতে সম্পৃক্ত করা হয়েছে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলে।

চিত্র-২ : কম্পোনেন্ট সার্ভিসেসের বিভিন্ন কম্পোনেন্ট
কমপিউটার ম্যানেজমেন্ট
কমপিউটার ম্যানেজমেন্ট হলো একটি এমএমসি সণ্যাপ-ইন, যা ব্যবহার হয় লোকাল অথবা রিমোট কমপিউটার ম্যানেজ করার একটি কেন্দ্রীয় লোকেশন হিসেবে। কমপিউটার ম্যানেজমেন্ট অ্যাপিস্নকেশন এক উইন্ডোতে প্রদান করে বিভিন্ন ধরনের টুল।
কমপিউটার ম্যানেজমেন্ট সম্পৃক্ত করে টাস্ক সিডিউলার, ইভেন্ট ভিউয়ার, লোকাল ইউজার, ডিভাইস ম্যানেজার, ডিস্ক ম্যানেজমেন্টসহ আরও কিছু টুল একটি সিঙ্গেল লোকেশনে।কমপিউটার ম্যানেজমেন্ট টুল গুরুত্বপূর্ণ সবকিছু খুব সহজেই ম্যানেজ করতে পারে। কমপিউটার ম্যানেজমেন্ট ফিচার উইন্ডোজ ১০, উইন্ডোজ ৮, উইন্ডোজ ৭, উইন্ডোজ ভিস্তা ও উইন্ডোজ এক্সপিতে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলের মাঝে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।


চিত্র-৩ : কমপিউটার ম্যানেজমেন্ট টুল
ডিফ্র্যাগমেন্ট ও অপটিমাইজ ড্রাইভস
ডিফ্র্যাগমেন্ট ও অপটিমাইজ ড্রাইভস ওপেন করে উইন্ডোজের বিল্টইন ডিফ্র্যাগমেন্টেশন টুল মাইক্রোসফট ড্রাইভ অপটিমাইজার। ডিফ্র্যাগমেন্ট ও অপটিমাইজ ড্রাইভস উইন্ডোজ ১০ ও উইন্ডোজ ৮-এর অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
উইন্ডোজ ৭, উইন্ডোজ ভিস্তা ও উইন্ডোজ এক্সপিতে ডিফ্র্যাগমেন্টেশন টুল সম্পৃক্ত থাকলেও সেগুলো উইন্ডোজের এসব ভার্সনের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলের মাধ্যমে পাওয়া যায় না।
অন্যান্য কিছু কোম্পানি ডিফ্র্যাগ সফটওয়্যার তৈরি করে, যেগুলো মাইক্রোসফটের বিল্টইন টুলের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

চিত্র-৪ : ডিফ্র্যাগমেন্ট ও অপটিমাইজ ড্রাইভস প্রক্রিয়া
ডিস্ক ক্লিনআপ
ডিস্ক ক্লিনআপ টুল ওপেন করে ডিস্ক স্পেস ক্লিনআপ ম্যানেজার নামের এক টুল, যা ব্যবহার হয় ডিস্ক স্পেস ফ্রি করতে। এই টুল অপ্রয়োজনীয় ফাইল যেমন সেটআপ লগস, টেম্পোরারি ফাইল, উইন্ডোজ আপডেট, ক্যাশ ইত্যাদি অপসারণ করে ডিস্ক স্পেস খালি করে।
ডিস্ক ক্লিনআপ হলো উইন্ডোজ ১০ ও উইন্ডোজ ৮-এর অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলের একটি অংশ। ডিস্ক ক্লিনআপ টুল উইন্ডোজ ৭, উইন্ডোজ ভিস্তা ও উইন্ডোজ এক্সপির জন্য থাকলেও অ্যাডমিনিস্ট্রেট টুলের মাধ্যমে এ টুল পাওয়া যায় না।
মাইক্রোসফট ছাড়াও বেশ কিছু কোম্পানি ক্লিনার (cleaner) তৈরি করে, যেগুলো অনেকটাই ডিস্ক ক্লিনআপ টুলের মতো কাজ করে।

চিত্র-৫ : ডিস্ক ক্লিনআপ টুল ইন্টারফেস
ইভেন্ট ভিউয়ার
ইভেন্ট ভিউয়ার হলো একটি মাইক্রোসফট ম্যানেজমেন্ট কন্সোল (MMC) সণ্যাপ-ইন, যা ব্যবহার হয় উইন্ডোজের নির্দিষ্ট কিছু অ্যাকশনের তথ্য ভিউ করার জন্য, যাকে বলা হয় ইভেন্ট।
উইন্ডোজে সংঘটিত কোনো সমস্যা শনাক্ত করার জন্য বিশেষ করে যখন কোনো একটি ইস্যু উদ্ভব হয় অথচ কোনো ক্লিয়ার এরর ম্যাসেজ আবির্ভূত হয় না, তখন ইভেন্ট ভিউয়ার টুল ব্যবহার হতে পারে।
ইভেন্টসমূহ স্টোর হয় ইভেন্ট লগে। অ্যাপিস্নকেশন, সিকিউরিটি, সিস্টেম, সেটআপ ও ফরোয়ারডেট ইভেন্টসহ বেশ কিছু উইন্ডোজ ইভেন্ট লগস বিদ্যমান।
ইভেন্ট ভিউয়ার টুল উইন্ডোজ ১০, উইন্ডোজ ৮, উইন্ডোজ ৭, উইন্ডোজ ভিস্তা ও উইন্ডোজ এক্সপির অ্যাডমিনিস্ট্রেটর টুলের সাথে সম্পৃক্ত।

চিত্র-৬ : ইভেন্ট ভিউয়ার ইন্টারফেস
iSCSI Initiator
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলস এর iSCSI Initiatorলিঙ্ক চালু করে iSCSI Initiator Configuration Tool.এই প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয় নেটওয়ার্ক করা iSCSIডিভাইসের মধ্যে কমিউনিকেশন ম্যানেজ করার জন্য।
যেহেতু iSCSI ডিভাইস ব্যবহৃত হয় এন্টারপ্রাইজ অথবা বড় ধরনের ব্যবসায়িক পরিবেশে, তাই আপনি টিপিক্যালি শুধু উইন্ডোজের সার্ভার ভার্সনে iSCSI Initiatorটুল ব্যবহার হতে দেখতে পাবেন।
iSCSI Initiatorউইন্ডোজ ১০, উইন্ডোজ ৮, উইন্ডোজ ৭, উইন্ডোজ ভিস্তা ও উইন্ডোজ এক্সপির অ্যাডমিনিস্ট্রেটর টুলের সাথে সম্পৃক্ত।

চিত্র ৭ : iSCSI Initiatorপ্রোপার্টিজ
লোকাল সিকিউরিটি পলিশি
লোকাল সিকিউরিটি পলিশি হলো একটি এমএমসি সণ্যাপ-ইন যা ব্যবহৃত হয় গ্রুপ পলিশি সিকিউরিটি সেটিংস ম্যানেজ করতে। মূলত সিকিউরিটি পলিশি হলো সি&&উরিটি সেটিংস এর কম্বিনেশন যা পিসিকে লক করতে সহায়তা করে। লোকাল সিকিউরিটি পলিশি টুল আপনাকে সুযোগ করে দেবে আপনার বর্তমান ব্যবহৃত কমপিউটারে সিকিউরিটি পলিশি সেট করার। উদাহরণস্বরূপ, আপনি পাসওয়ার্ড পলিশি ব্যবহার করতে পারেন একটি ন্যূনতম পাসওয়ার্ড লেন্থ সেট করার জন্য অথবা ব্যবহারকারীকে বাধ্য করাতে পারেন তাদের পাসওয়ার্ড নিয়মিতভাবে পরিবর্তন করানোর জন্য।


চিত্র ৮ : লোকাল সিকিউরিটি পলিশি অপশন

পারফরম্যান্স মনিটর
পারফরম্যান্স মনিটর হলো একটি এমএমসি সণ্যাপ-ইন যা ব্যবহৃত হয় রিয়েল-টাইম অথবা ইতোপূর্বে রেকর্ড করা কমপিউটার পারফরম্যান্সের ডাটা ভিউ করার জন্য। পারফরম্যান্স মনিটর টুল ব্যবহারকারীকে পারফরম্যান্স এবং সিস্টেম ডায়াগনাস্টিক রিপোর্ট জেনারেট করার সুযোগ দেয়। আপনার সিপিইউ, র্যা ম এবং হার্ড ডিস্ক এবং নেটওয়ার্ক সম্পর্কে অ্যাডভ্যান্সড তথ্য এই টুলের মাধ্যমে ভিউ করতে পারবেন।
উইন্ডোজ ১০, উইন্ডোজ ৮ এবং উইন্ডোজ ৭ এ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলের মাঝে পারফরম্যান্স মনিটর টুল সম্পৃক্ত রয়েছে।
উইন্ডোজ ভিস্তায় এ ফাংশনটি পাবেন পারফরম্যান্স মনিটরে Reliability and Performance Monitorএর অংশ হিসেবে। উইন্ডোজের ওই ভার্সনে এ টুলটি পাবেন অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুল থেকে।
উইন্ডোজ এক্সপি এবং এই টুলেব পুরানো ভার্সনকে বলা হয়, পারফরম্যান্স এবং এতে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুল সম্পৃক্ত আছে।

চিত্র ৯ :পারফরম্যান্স মনিটর
প্রিন্ট ম্যানেজমেন্ট
প্রিন্ট ম্যানেজমেন্ট হলো একটি এমএমসি সণ্যাপ-ইন যা ব্যবহার হয় লোকাল এবং নেটওয়ার্ক প্রিন্টার সেটিংস, ইনস্টল করা প্রিন্টার ড্রাইভার, কারেন্ট প্রিন্ট জব সহ আরো কিছু অপশনের একটি কেন্দ্রিয় লোকেশন হিসেবে। মূলত প্রিন্ট ম্যানজমেন্ট টুল আপনার সিস্টেমের প্রিন্টার ভিউ এবং ম্যানেজ করার জন্য প্রদান করে এক অধিকতর শক্তিশালী, বিসত্মৃত ইন্টারফেস উইন্ডো। অর্থাৎ এটি কন্ট্রোল প্যানেলের মতো নয়, এখানে আপনি দেখতে পাবেন আপনার সিস্টেমে কোন প্রিন্টার ড্রাইভার এবং ব্রাউজার প্রিন্টার ইনস্টল করা আছে।
বেসিক প্রিন্টার ম্যানেজমেন্ট এখনো সেরা পারফরম করে Devices and Printersথেকে উইন্ডোজের প্রতিটি ভার্সনের জন্য অথরা Printers and Faxesথেকেউইন্ডোজ এক্সপি থেকে। প্রিন্ট ম্যানেজমেন্টউইন্ডোজের প্রতিটি ভার্সনে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলের মধ্যে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

চিত্র১০ : প্রিন্ট ম্যানেজমেন্ট ইন্টারফেস
ফিডব্যাক : mahmood_sw@yahoo.com

পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৭ - আগস্ট সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস