Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > নতুন পিসিকে ব্লটওয়্যার ও ক্র্যাপওয়্যার থেকে মুক্ত করা
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: তাসনীম মাহ্‌মুদ
মোট লেখা:১২০
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৮ - মার্চ
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
পিসি
তথ্যসূত্র:
পি সি
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
নতুন পিসিকে ব্লটওয়্যার ও ক্র্যাপওয়্যার থেকে মুক্ত করা
নতুন পিসিকে ব্লটওয়্যার ও ক্র্যাপওয়্যার থেকে মুক্ত করা

একটি নতুন কমপিউটার ব্যবহারকারীর কাছে আদি-অকৃত্রিম বন্ধুর মতো কাজ করা উচিত, যতদিন পর্যন্ত না আপনি বিভিন্ন প্রোগ্রাম ইনস্টল করে হার্ডডিস্ককে পরিপূর্ণ করছেন। এ বিষয়টি কমপিউটার ম্যানুফেকচারের ওপর দেয়া যায়। কমপিউটার ম্যানুফেকচারেরা কমপিউটার বিক্রি করার সময় প্রচুর পরিমাণে ফ্রি সফটওয়্যার ইনস্টল করে দেন ক্রেতার প্রয়োজনীয়তা না জেনেই। এসব সফটওয়্যার মূলত ক্রেতার জন্য অপ্রয়োজনীয়। এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলো মূলত ক্র্যাপওয়্যার, বøটওয়্যার অথবা শাভলওয়্যার নামে পরিচিতি পায়। কেননা, কমপিউটার প্রচুর পরিমাণে ডিজিটাল বর্র্জ্য বা ক্র্যাপ তৈরি করে। এ ক্র্যাপওয়্যারের কারণটি হলো পিসির মূল্য হ্রাসের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া, যদিও তা খুবই সীমিত মাত্রায়।
সহজ কথায় বলা যায়, ক্র্যাপওয়্যার হলো সফটওয়্যার, যেগুলো ব্যবহারকারীরা চান না, তবে এক বা একাধিক কারণে ব্যবহারকারীর ইচ্ছের বাইরে সিস্টেমে ইনস্টল করে দেন বিক্রেতারা। এটি হতে পারে প্রি-ইনস্টল করা একটি বৈধ প্রোগ্রাম (যেমন নেটফ্লিক্স অথবা ম্যাকাফি অ্যান্টিভাইরাস) থেকে শুরু করে ব্রাউজার টুলবার, অটো-স্টার্টিং অ্যাপস অথবা অন্য কিছু যা আপনার ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিনকে বদলে দেয়।

প্রি-ইনস্টল করা বৈধ সফটওয়্যারগুলোকে সাধারণত রেফার করা হয় ব্লটওয়্যার হিসেবেও। সব প্রি-ইনস্টল করা অ্যাপ যে খারাপ তা ঢালাওভাবে বলা যায় না। তবে ব্যবহারকারীরা সিস্টেমে আসা প্রি-ইনস্টল অ্যাপের কমবেশি ৯০ শতাংশই অপসারণ করে দিতে পারেন। এ লেখায় ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে উভয় ধরনের অনাকাক্সিক্ষত সফটওয়্যার অপসারণ করার কৌশল উপস্থাপন করা হয়েছে।

প্রথমে প্রি-ইনস্টল করা ব্লটওয়্যার অপসারণ করা
প্রথমে আলোচনা করা যাক ব্লটওয়্যার প্রসঙ্গে যখন নতুন পিসি কেনা হয়। যদি পিসিটি নিজেই তৈরি করে থাকেন অথবা যদিMicrosoft Signature ডিভাইস কিনে থাকেন, তাহলে প্রি-ইনস্টল করা প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ না করলেও চলবে। তবে ডেল, এইচপি, তোশিবা বা অন্য কোনো মেশিন যদি কেনেন, তাহলে পাবেন প্রচুর পরিমাণে প্রি-ইনস্টল করা অ্যাপ। সৌভাগ্যবশত, এসব অ্যাপ অপসারণ করা খুব কঠিন নয় এবং এ কাজে কিছু অপশন পাবেন।

অপশন-১ : রিভো আনইস্টলার দিয়ে অনাকাক্সিক্ষত অ্যাপ ম্যানুয়ালি
অপসারণ করা

আপনার জন্য অনাকাক্সিক্ষত সব প্রোগ্রাম অবশ্যই উইন্ডোজের বিল্টইন আনস্টলার দিয়ে আনইনস্টল করতে পারবেন। তবে বিশেষজ্ঞেরা তা রিকোমেন্ড করেন না। এমন অনেক প্রি-ইনস্টল প্রোগ্রাম আছে, যেগুলো বিশেষ করে রেজিস্ট্রিতে কিছু উপাদান এবং অন্যান্য ফোল্ডার ত্যাগ করে যায়। আর এ কারণে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনাকাক্সিক্ষত সব প্রোগ্রাম অপসারণ করার জন্য অধিকতর শক্তিশালী আনইনস্টলার প্রোগ্রাম, যেমন রিভো ব্যবহার করা।

রিভো আনইনস্টলার ডাউনলোড ও ইনস্টল করে নিন।
রিভো প্রোগ্রাম চালু করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন আপনার কমপিউটারের প্রোগ্রামের লিস্ট জেনারেট করার জন্য।
এবার যে প্রোগ্রাম অপসারণ করতে চান, তা সিলেক্ট করে Uninstall বাটনে ক্লিক করুন।

৩নং ধাপটি পুনরাবৃত্তি করতে থাকুন যতক্ষণ পর্যন্ত না সব অনাকাক্সিক্ষত প্রোগ্রাম অপসারিত হচ্ছে।

চিত্র-১: রিভো আনইনস্টলার ইন্টারফেস
লক্ষণীয়, অব্যাহতভাবে এ প্রোগ্রাম রান করা এবং একই রকম দেখতে নয় এমন কোনো কিছু আনইনস্টল করা উচিত নয়। যদি নিশ্চিত থাকেন ম্যাকাফি আপনার দরকার নেই, তাহলে তা অপসারণ করুন। তবে কোনো কিছু সম্পর্কে সুনিশ্চিত না হয়ে সিস্টেম থেকে ডিলিট করা উচিত নয়।

অপশন-২ : ডিক্র্যাপ টুল দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনাকাক্সিক্ষত অ্যাপস অপসারণ করা
একটি একটি করে প্রোগ্রাম ডিলিট করা অবশ্যই এক বিরাট ঝামেলাদায়ক কাজ। সুতরাং আপনার কমপিউটারের সাথে যদি প্রচুর পরিমাণে বøটওয়্যার থাকে, তাহলে নিশ্চয় চাইবেন অল-ইন-ওয়ান সলিউশন। এ ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন ডিক্র্যাপ নামে চমৎকার এক প্রোগ্রাম। এ প্রোগ্রামটি আপনার সিস্টেমকে স্ক্যান করে এবং সিস্টেমে ইনস্টল করা প্রোগ্রামের একটি লিস্ট প্রদান করে। আপনি যা অপসারণ করতে চান, তা চিহ্নিত করুন। এরপর নিচে বর্ণিত ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

ডিক্র্যাপ প্রোগ্রাম ডাউনলোড ও ইনস্টল করুন। ভালো হয় পোর্টেবল ভার্সনটি ডাউনলোড করে আপনার ডেস্কটপের একটি ফোল্ডারে আনজিপ করা, যাতে পরবর্তী সময় আনইনস্টল করার জন্য কোনো প্রোগ্রাম না থাকে।
ডিক্র্যাপ চালু করে এর প্রাথমিক সেটআপ কার্যকর করুন। আপনি অটোমেটিক মোড রান করাতে চান কি না,এটি তা জিজ্ঞেস করবে। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো বক্সকে আনচেক রেখে দেয়া।
এটি আপনার কমপিউটারে ইনস্টল করা বর্তমান সফটওয়্যারসমূহকে স্ক্যান করবে।

এরপর এটি প্রোগ্রামের একটি লিস্ট প্রদান করবে এবং যে প্রোগ্রামটি আপনি অপসারণ করতে চান তা লিস্টজুড়ে চেক করে দেখুন। আপনি সম্ভবত এ আইটেমগুলো খুঁজে পাবেন Automatically Starting Software এবং Third Party Software ক্যাটাগরির অন্তর্গত।আপনি সম্ভবত Drivers এবং Windows Related Software আনচেক অবস্থায় ত্যাগ করতে পারবেন।

এরপর ঘবীঃ-এ ক্লিক করে System Restore Point তৈরি করুন যখন সবকিছু স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনস্টল করতে চান কিনা সে ব্যাপারে ডিক্র্যাপ জিজ্ঞেস করবে অথবা এটি নিজে নিজে করুন। যদি ৪নং ধাপে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, তাহলে সবকিছু স্বয়ংক্রিয়ভাবে আনইনস্টল হবে এবং রেজিস্ট্রি ক্লিন করবে।

আনইনস্টল প্রসেস জুড়ে ডিক্র্যাপ টুলকে রান করতে দিন। এ কাজ সম্পন্ন হলে আপনার পিসি আরো ক্লিন হবে।

চিত্র-২ : ডিক্র্যাপ টুলের ইন্টারফেস

অপশন-৩ : উইন্ডোজ রিইনস্টল করা
অনেক ব্যবহারকারী আছেন যারা উপরে উল্লিখিত অপশনগুলো এড়িয়ে যান এবং ব্লটওয়্যার ছাড়া শুধু উইন্ডোজ ইনস্টল করেন। এ জন্য দরকার মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ইনস্টল ডিস্ক,তবে আপনার কমপিউটারের সাথে আসা উইন্ডোজ ইনস্টল ডিস্কটি নয়। কেননা, এতে ব্লটওয়্যার থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি এবং একটি বৈধ লাইসেন্স কী। এটি সাধারণত কমপিউটার স্টিকারে থাকে। লক্ষণীয়, এটি সবার জন্য কাজ করতে পারবে তা গ্যারান্টেড নয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সার্ভিসের জন্য আপনি যোগ্য নাও হতে পারেন, যদি আপনি উইন্ডোজের ভিন্ন কপি রিইনস্টল করে থাকেন। সুতরাং আগে থেকেই সতর্ক থাকুন এ ব্যাপারে।

টুলবার ও অন্যান্য বান্ডল ক্র্যাপওয়্যার অপসারণ করা

দ্বিতীয় ধরনের ক্র্যাপওয়্যার মাইক্রোসফট অফিসের ফ্রি ট্রায়ালের চেয়ে কিছুটা অপকারী। কখনো কখনো একটি নতুন প্রোগ্রাম ডাউনলোড করার পর ইনস্টল করলে আপনার ব্রাউজারে একটি টুলবার পাবেন এবং ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন পরিবর্তন হয়ে ণধযড়ড় অথবা অংশ.পড়স হয়েছে। সাধারণত কমপিউটার কোম্পানিগুলো তাদের ফ্রি প্রোগ্রামের সাথে টুলবার এবং অন্যান্য জাঙ্ক বান্ডল করে দেয়। এটি অনুমোদন করে আপনাকে ওইসব প্রোগ্রাম ফ্রি অফার করার জন্য, যার মাধ্যমে পরবর্তী সময় অর্থ আয় করবে।
এটি অবশ্যই এক অসৎ উপায়। কেননা, ইনস্টলার কৌশলে ক্র্যাপওয়্যার ইনস্টল করাতে আপনার সম্মতি আদায়ের চেষ্টা করে, যা আপনি চান না। সুতরাং প্রথমেই দেখে নেয়া যাক, কীভাবে ক্র্যাপওয়্যার অপসারণ করা যায়।
এ ক্ষেত্রে দুটি অপশন পাবেন। প্রথমত Option One (Revo Uninstaller)ব্যবহার করে ম্যানুয়ালি ক্র্যাপওয়্যার অপসারণ করা, যা ইতোমধ্যে উপরে উল্লেখ করা হয়েছে অথবা আরো অধিকতর অটোমেটিক প্রোগ্রাম যেমন অফ Cleaner ব্যবহার করে। এ কাজটি খুব সহজেই করতে পারবেন নিচে বর্ণিত উপায়ে।

অফ Cleaner নামের টুলটি ডাউনলোড করে এর আইকনে ডাবল ক্লিক করুন প্রোগ্রামটি রান করানোর জন্য। এটি ইনস্টল করা দরকার নেই।
কমপিউটার স্ক্যান করার জন্য ঝপধহ বাটনে ক্লিক করুন।
স্ক্যান শেষ হওয়ার পর প্রতিটি ট্যাব যেমন Services, Folders, Files-এ গিয়ে চেক করে দেখুন ক্লিন করার জন্য কিছু আছে কিনা। অফ Cleaner অফ খুঁজে পাবে, তার সবকিছুই ক্র্যাপওয়্যার নয়। কোনটি অপসারণ করতে হবে তা যদি নিশ্চিত করতে না পারেন, তাহলে অফ Cleaner-এর লিস্ট থেকে সফটওয়্যারের নামটি নির্দিষ্ট করতে চেষ্টা করুন এবং Should I Remove It ওয়েব পেজে সার্চ করুন।
যদি নিশ্চিত করতে পারেন আপনার সিলেক্ট করা সবকিছুই অপসারণ করতে চান, তাহলে ঈষবধহ বাটনে ক্লিক করুন। এটি সিলেক্টেড অপশনকে ডিলিট করবে। সবশেষে কমপিউটার রিস্টার্ট করুন। এরফলে কী কী ডিলিট করা হয়েছে, তার বিস্তারিত জানিয়ে একটি রিপোর্ট প্রদান করবে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শÑঅফঈিষবধহবৎ রান করার পর জবাড় টহরহংঃধষষবৎ রান করে দেখুন সিস্টেমে কোনো কিছু রয়ে গেছে কিনা। আশা করা যায়, এ কাজটি সম্পন্ন হওয়ার পর আপনার পিসি কিছু না হলেও টুলবার, অ্যাডওয়্যার এবং অন্যান্য ক্র্যাপওয়্যার থেকে মুক্ত হবে।

চিত্র-৩ :অফঈিষবধহবৎ-এর ইন্টারফেস
ভবিষ্যতে যেভাবে অনাকাক্সিক্ষত প্রোগ্রাম এড়িয়ে যাবেন
উপরে উল্লিখিত যেকোনো উপায়ে আপনার পিসি ক্লিন করার পর তা ধরে রাখাটা বড় কথা। ইতোমধ্যেই উল্লেখ করা হয়েছে, বেশিরভাগ কোম্পানি যেগুলো ফ্রি প্রোগ্রাম ডাউনলোডের অফার দেয় তাদের অন্তর্নিহিত কারণটি হলো ভিন্ন উপায়ে অর্থ উপার্জন করা।

সচেতন ব্যবহারকারীরা এসব ফ্রি প্রোগ্রাম সম্পূর্ণরূপে বর্জন করে এবং ডাউনলোড করে সত্যিকার অর্থে ফ্রি অথবা ওপেনসোর্স সফটওয়্যার। এটি একটি সমাধান হতে পারে, তবে এটিও সফটওয়্যারের কিছু অংশ সিস্টেমে ত্যাগ করে যায়, যা ক্র্যাপওয়্যার হিসেবে বলা যায়। সুতরাং প্রোগ্রাম ক্র্যাপওয়্যার ইনস্টল করার অপশন দেবে, তা এড়িয়ে যান। সবচেয়ে ভালো হয় অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বর্জন করা।

ক্র্যাপওয়্যার এড়িয়ে যাওয়া খুব সহজ। নতুন কোনো প্রোগ্রাম ডাউনলোড ও ইনস্টল করার সময় যেসব বিষয় গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা উচিত।
যদি সম্ভব হয়, তাহলে সবসময় প্রোগ্রাম ডাউনলোড করা উচিত তাদের হোম পেজ থেকে। কিছু কিছু ডাউনলোড সাইট, যেমনউড়হিষড়ধফ.পড়স তৈরি করে ক্র্যাপওয়্যারের বান্ডলসহতাদের নিজস্ব ইনস্টলার। এমনকি অরিজিনাল ডাউনলোডে এটি না থাকলেও।

ডাউনলোড পেজে চেক বক্সে লক্ষ রাখুন। ক্র্যাপওয়্যার এড়িয়ে যাওয়ার অপশন ইনস্টলারে কখনো কখনো নাও থাকতে পারে। তবে অ্যাপের ডাউনলোড পেজে থাকতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, অ্যাডোবির ডাউনলোড পেজে ম্যাকাফি ইনস্টল করা প্রত্যাখ্যান করার সুযোগ অফার করতে পারে। অন্যান্য অ্যাপ ক্র্যাপওয়্যারের সাথে ইনস্টলার অফার করতে পারে।তবে পোর্টেবল ভার্সন এটি ছাড়া।

কোনো কিছু না পড়ে বারবার ঘবীঃ-এ ক্লিক করা ঠিক হবে না। কী ইনস্টল করছেন সেদিকে যদি মনোযোগী না হন তাহলে আপনি ক্র্যাপওয়্যার ইনস্টল করতে বাধ্য হবেন।ঘবীঃ-এ ক্লিক করার আগেইনস্টলেশন উইজার্ডের প্রতিটি পেজ সতর্কতার সাথে পড়–ন।
সবসময়Custom ইনস্টলেশন অপশন বেছে নিন।কখনই Custom অপশন বেছে নেবেন না। কাস্টোম ইনস্টল সবসময় ক্র্যাপওয়্যার প্রত্যাখ্যান করার সুযোগ অফার করে।

প্রতিটি চেক বক্স ভালো করে পড়ে দেখুন। কখনো কখনো এটি ইনস্টলারের অসংশ্লিষ্ট পেজে লুকিয়ে থাকতে পারে। সুতরাং প্রতিটি চেক বক্স ভালো করে পড়–ন এবং আনচেক করুন যেকোনো জিনিসে, যা ইনস্টল করতে চায় কিন্তু আপনি চাননা।

সব Custom-তে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। কখনো কখনো ইনস্টলার crap ware agreement দেখতে অরিজিনাল সফটওয়্যারের সার্ভিসের মনে হয়। অনেকেই Custom-তে ক্লিক করতে চান এ ভেবে ইনস্টলেশন কন্টিনিউ করার ক্ষেত্রে এটিই একমাত্র উপায়। এ অবস্থায় Decline বেছে নিন এবং ইনস্টলেশন কন্টিনিউ করুন।
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৮ - মার্চ সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস