Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > ২০১৮ সালের সেরা কিছু প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: মইন উদ্দীন মাহমুদ
মোট লেখা:২১
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৮ - মে
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
প্রোগ্রাম
তথ্যসূত্র:
প্রোগ্রামিং
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
২০১৮ সালের সেরা কিছু প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
যারা ২০১৮ সালের জন্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে সঠিক ক্যারিয়ার পাথ খুঁজে পেতে চান, তাদের জন্য এ লেখাটি হতে পারে এক নিশ্চিত গাইডলাইন।
এ লেখার উদ্দেশ্য ২০১৮ সালের শুরু থেকে আইটি ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান অবস্থা, প্রবণতা এবং অদূর ভবিষ্যতের নিরাপদ প্রিডিকশনের রিভিউ তুলে ধরা। বিভিন্ন বিশ্বস্ত সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় এই স্ট্যাটিসটিক্যাল ডাটা। ২০১৮ সালের জন্য আইটি মার্কেট কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের খোঁজ করছে অর্থাৎ চাহিদা বেশি সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে। একজন সফল সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে এবং লাভজনক ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে সঠিক সময় ও প্রচেষ্টার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এ লেখা আপনাকে যথেষ্ট সহায়তা করবে।

কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ সেরা ক্যারিয়ার পাথ তৈরি করতে পারবে, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় খেয়াল করুন ডেভেলপারেরা যে চারটি বৈশিষ্ট্য মূলত খোঁজ করে থাকেন

উচ্চ পারিশ্রমিক
জনপ্রিয়তায় বিভিন্ন ধরনের প্রচুর পরিমাণে জব ওপেন করে
প্রবণতায় ভবিষ্যতে অধিকতর চাহিদাসম্পন্ন হওয়া
অগ্রাধিকারযোগ্য সহজে শেখা যায় এবং স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করা

জাভাস্ক্রিপ্ট
গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্ট্যাক ওভারফ্লো (Stack Overflo) এর বার্ষিক জরিপ মতে সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো জাভাস্ক্রিপ্ট। স্ট্যাক ওভারফ্লোর জরিপ মতে ৬২.৫ শতাংশ প্রোগ্রামার ব্যবহার করে জাভাস্ক্রিপ্ট।

নিঃসন্দেহে বলা যায, ওয়েবে প্রভাব বিস্তারকারী ল্যাঙ্গুয়েজ এবং জাভাস্ক্রিপ্টের প্রবৃত্তি গত দশকে বিশাল। কিন্তু কেন? আমাদের চারিদিকে খেয়াল করে দেখুন এবং গুনে দেখুন কী প্রচুর পরিমাণে ওয়েব-অ্যানাবল ডিভাইস ব্যবহার হচ্ছে। স্ট্যাক ওভারফ্লোর সহপ্রতিষ্ঠাতা জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ব্যক্তিত্ব জেফ অ্যাটউড বলেন, যেকোনো অ্যাপ্লিকেশন যা জাভাস্ক্রিপ্টে লেখা যায়, তা আসলে হবে জাভাস্ক্রিপ্টে লেখা। এ কথাটি মাথায় রাখলে নির্দ্বিধায় বলা যায়, ২০১৮ সাল ও এর পরবর্তী সময়ে জাভাস্ক্রিপ্ট ল্যাঙ্গুয়েজ জানা প্রোগ্রামারদের ঘাটতি হবে না।

জাভাস্ক্রিপ্ট জ্ঞান কাজে লাগছে প্রচুর পরিমাণে ফ্রন্ট-এন্ড ফ্রেমওয়ার্কে যেমনঃ অ্যাঙ্গুলার, রিয়েক্ট, অ্যাম্বার, ব্যাকবোনসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে, তেমনই ঘড়ফব.লং রিয়েল-টাইম এনভায়রনমেন্টে যা আপনাকে খুব দক্ষতার সাথে ব্যাকএন্ডে জাভাস্ক্রিপ্ট রান করার সুযোগ করে দেবে।

স্ট্যাক ওভারফ্লোর মতে, ২০১৭ সালে জনপ্রিয় শীর্ষ চার ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে তিন ফ্রেমওয়ার্কই জাভাস্ক্রিপ্টভিত্তিক।

যদি তাৎক্ষকিভাবে আপনার কাজের অ্যাকশনের ফলাফল দেখতে চান, উদাহরণস্বরূপ ইন্টারেক্টিভ ওয়েব কম্পোনেন্ট তৈরি করতে চাইলে জাভাস্ক্রিপ্ট হবে আদর্শ। মনে রাখা দরকার, জাভাস্ক্রিপ্টে ক্যারিয়ার গড়ার অর্থ আপনি এইচটিএমএল এবং সিএসএসে স্বচ্ছন্দ বোধ করবেন, যা দিয়ে মূলত তৈরি হয়।

অ্যাপাচি কর্ডোভা (Apache Cordova) অথবা রিয়েক্ট ন্যাটিভ (React Native)-এর মতো টুল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের জন্য জাভাস্ক্রিপ্ট ব্যবহার করার সুযোগ করে দেয়।

গত পাঁচ বছরে জাভাস্ক্রিপ্টের জনপ্রিয়তা অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পেয়ে আসছে, যা নিচে লেখচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছেন

সুইফট

সুইফট তুলনামূলকভাবে এক নতুন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, যা রিলিজ পায় অ্যাপলের মাধ্যমে ২০১৪ সালে। এটি ন্যাটিভ আইওএস অথবা ম্যাকওএস অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপ করার জন্য এক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। অবজেক্টিভ সি (Objective-C)-এর ব্যবহারযোগ্যতা এবং পারফরম্যান্সের আলোকে সুইফট ল্যাঙ্গুয়েজকে বিবেচনা করা হয় এক ইম্প্রুভমেন্ট হিসেবে। এ ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার হয় অ্যাপলের আইওএস এবং ম্যাকওএস অপারেটিং সিস্টেমে।

সাধারণত ডেভেলপারেরা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ সুইফটকে সুনজরে দেখে থাকেন। প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ সুইফটে ক্যারিয়া গড়তে চাইলে উপভোগ করতে পারবেন আপনার পেশাকে।

যদি মোবাইল ডেভেলপমেন্টে আবিষ্ট হন, তাহলে অবশ্যই সুইফট প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে বিবেচনা করবেন একটি উচ্চ পারিশ্রমিকে ক্যারিয়ার পাথ হিসেবে। সাধারণত অ্যান্ড্রয়িড অ্যাপসের তুলনায় আইওএস অ্যাপস অধিকতর লাভবান হিসেবে প্রমাণিত।

পাইথন
পাইথন হলো সাধারণ উদ্দেশ্যে এক জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, যা বর্তমানে প্রায় সব জায়গায় পাওয়া যায়। আপনি এটিকে পাবেন ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, ডেস্কটপ অ্যাপস, নেটওয়ার্ক সার্ভার, মেশিন লার্নিং, মিডিয়া টুলসসহ আরো অনেক জায়গায়।

নাসা অথবা গুগল এর মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পাইথন ব্যবহার হয় যেখানে পাইথন রচয়িতা Guido van Rossum দীর্ঘ ৮ বছর সময় ব্যয় করেন প্রোগ্রামটি লিখতে।

পাইথনের কোড সুচারুভভাবে নিষ্পন্ন, রিডেবল এবং ওয়েল-স্ট্রাকচার্ড। এর যথাযথ ইনডেন্টেশ শুধু সৌন্দর্য বর্ধনই করে না বরং কোড এক্সিকিউশনও নির্র্ধারণ করে থাকে।

পাইথনভিত্তিক ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্কস উলধহমড় এবং Flask-এর জনপ্রিয়তা অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পেয়ে আসছে বেশি থেকে বেশি। প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ পাইথন ব্যাপকভাবে কোয়ালিটি মেশিন লার্নিং এবং ডাটা অ্যানালাইসিস লাইব্রেরি যেমন Scikit-learn এবং Pandas সমৃদ্ধ।
সার্বিকভাবে বলা যায়, পাইথনে ক্যারিয়ার পাথ অনেক। বিগেনার ডেভেলপারদের জন্য পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হতে পারে এক চমৎকার পছন্দ যেহেতু এটি একটি হাই-লেভেল এবং সহজে রিড করা এবং বোঝা যায় এমন প্রোগ্রাম।

জাভা

জাভা সম্ভবত সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। ফরচুন ৫০০ কোম্পানির ৯০ শতাংশই প্রচন্ডভাবে এটি ব্যবহার করে। জাভার বিখ্যাত স্লোগান “once run, here” ক্যাপচার করে অন্যতম কিছু কী, যা জাভাকে অনেক মূল্যবান করে তোলে। জাভার শক্তিশালী জাভা ভার্চ্যুয়াল মেশিন (JVM) একে ক্রশ-প্লাটফরম কম্প্যাটিবলে পরিণত করে।

জনপ্রিয় ক্যারিয়ার পাথ জাভা হলো ব্যাকঅ্যান্ড ডেভেলপার, বিগ ডাটা ডেভেলপার, এমবেডেড সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার অথবা অ্যান্ড্র্রয়িড ডেভেলপার।
এ মুহূর্তে জাভা সবচেয়ে Òtrendy ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে বিবেচিত না হলেও ব্যাপকভাবে ব্যবহার হচ্ছে সারা বিশ্বে। সুতরাং নিঃসন্দেহে বলা যায়, পরবর্তী এক যুগে বা এরপরও অন্য কোথাও আপনাকে সরে যতে হবে না।

এসব কারণে, আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে শহরে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে জাভা জানা লোকের কর্র্মক্ষেত্রের অভাব হবে এক যুগেও যা এ লেখায় উল্লিখিত অন্যান্য কম জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের ক্ষেত্রে বলা যায় না। সুতরাং যদি জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে আস্থাশীল হন, তাহলে খুব সহজেই খুঁজে পেতে পারেন আপনার জন্য সঠিক কর্মক্ষেত্র।

C++

খুব কার্যকর এবং ফ্লেক্সিবল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। এটি প্রথম তৈরি করা হয় ১৯৮৩ সালে সি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের বিকল্প হিসেবে এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। এর ব্যাপক চাহিদা অপরিবর্তিত রয়ে গেছে এর পারফরম্যান্স, বিশ্বস্ততা এবং বিভিন্ন ধরনের কনটেক্সট এখানে ব্যবহার করতে পারবেন।

মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ওরাকল, পেপাল এবং অ্যাডোবির মতো প্রোগ্রামসহ প্রচুর পরিমাণে সিস্টেম তৈরি এবং সফলতার সাথে মেইনটেইন করা হয় C++ ব্যবহার করে।

C++ ক্যারিয়ার বৈশিষ্ট্যসূচকভাবে অন্তর্ভুক্ত করে ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশন, পারফরম্যান্স-ইনটেনসিভ টাস্ক ডেভেলপমেন্টের কাজ। ঈ++ কে ডিজাইন করা হয় প্রচুর পরিমাণে সিস্টেম রাইট করার জন্য এবং প্রচুর পরিমাণে সিস্টেম লেখা হয় ঈ++ ব্যবহার করে। এই প্রোগ্রমিং ল্যাঙ্গুয়েজের জনপ্রিয়তা ও চাহিদা এখনো ব্যাপক, কেননা এর রয়েছে শক্তিশালী টুল, যা বিভিন্ন সেক্টরে ফিন্যান্স, ব্যাংকিং, গেমস, টেলিকম, ইলেক্ট্রনিক ব্যাংকিং, রিটেইলসহ আরো অনেক ক্ষেত্রে অ্যাডজাস্ট করা যায়।

রুবি

সাধারণ উদ্দেশ্যে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ রুবির জন্ম ১৯৯৩ সালে। অনেকের কাছে অন্যতম এক পছন্দের এবং জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো রুবি। রুবি হলো একটি হাই-লেবেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। এর ডিজাইন খুব ইউজার ফ্রেন্ডলি এবং ডেভেলপারেরা খুব সহজেই এটি ব্যবহার করতে পারবে।

রুবি অপারেট করে এক ডায়নামিক, অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড হিসেবে কেননা এটি রিড করে ইংলিশ এর মতো করে, কোড তৈরি করে সহজে রিড করার উপযোগী করে। অনেক হাই-এন্ড ওয়েবসাইটের জন্য দরকার হয় কোড ডাটাবেজ মেইনটেইন করা। সুতরাং রুবির চাহিদা বাড়তে থাকবে।

রুবি মূলত ব্যবহার হয় এর সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রেমওয়ার্ক জঁনু ড়হ জধরষং-এর জন্য। জঁনু ড়হ জধরষং হলো এক ওয়েব ফ্রেমওয়ার্ক যা ওয়েবের জন্য সব রুবির আইডিয়া একটি শক্তিশালী টুলে অ্যানক্যাপস্যুলেট করে।
Ruby on Rails-এ ক্যারিয়ার হবে নিঃসন্দেহে এক চমৎকার পছন্দ যেহেতু ফ্রেমওয়ার্ক optimi“ed for programmer happiness এবং অবশ্য উচ্চ পারিশ্রমিকে। রুবির প্রধান প্রতিবন্ধকতা হলো এর ল্যাঙ্গুয়েজ উপরে উল্লিখিত অন্যান্য জনপ্রিয় ল্যাঙ্গুয়েজের মতো নয়।

রাস্ট

রাস্ট তুলনামূলকভাবে এক নতুন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যা প্রথম আবির্ভূত হয় ২০১০ সালে, যা ইতোমধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। রাস্ট মূলত এক ওপেনসোর্স সিস্টেম প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, যা ফোকাস করে স্পিড, মেমরি সেফটি এবং প্যারালিজমের ওপর। ডেভেলপারেরা রাস্ট প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে ব্যাপক বিস্তৃত রেঞ্জের নতুন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন যেমনÑ গেম ইঞ্জিন, অপারেটিং সিস্টেমস, ফাইল সিস্টেম, ব্রাউজার কম্পোনেন্ট এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জন্য সিমিউলেশন ইঞ্জিন তৈরি করতে।

রাস্ট এক কম্পাইল ল্যাঙ্গুয়েজ। একে সচরাচর ব্যবহারের এবং পারফরম্যান্সের আলোকে তুলনা করা হয় সি-এর সাথে। এখানে মূল পার্থক্য হলো রাস্ট মেমরি সেফ।

ইলিক্সির

ইলিক্সির আরেকটি নতুন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, যা ২০১১ সালে প্রথম আবির্ভূত হওয়ার পর থেকেই জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। ইলিক্সির উদ্বুুদ্ধ হয় ১৯৮০ সালে এরিকসনের ডেভেলপ করা ল্যাঙ্গুয়েজ আরল্যাঙ্গার মাধ্যমে। এটি কনকারেন্সির জন্য এক সেরা টুল। ইলিক্সির এক ডায়নামিক, ফাংশনাল ল্যাঙ্গুয়েজÑ যা ডিজাইন করা হয় স্ক্যালেবেল এবং মেইনটেইনযোগ্য করে তৈরি করা হয়।

ইলিক্সির মূলত ব্যবহার হয় ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজে। এ টুলের ক্যারিয়ার অপশন উচ্চ পারিশ্রমিকের হলেও সীমিত। এ ল্যাঙ্গুয়েজের জনপ্রিয়তা বছরের পর বছর বেড়েই চলেছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্ট্যাক ওভারফ্লোর ২০১৭ সালের তথ্যমতে ইলিক্সির ল্যাঙ্গুয়েজে দক্ষ প্রোগ্রামাদের বেতন তৃতীয় সর্বোচ্চ।

স্ক্যালা
স্ক্যালা হলো এক ফাংশনাল এবং অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, যা তৈরি করে লাইটবেন্ড রিয়েক্টিভ (Light bend Reactive) ডেভেলপারদের সহায়তা করে কোড লিখতে যা অন্যান্য অপশনের চেয়ে বেশি সংক্ষিপ্ত রূপ। সুতরাং অ্যাপস মেইনটেইন করতে খরচ কম এবং সহজেই বিকশিত করা যায়। স্ক্যালা রান করে ঔঠগ।
স্ক্যালা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ জাভা বেজ। যদি জাভা সিনট্যাক্স সম্পর্কে সচেতন হন, তাহলে খুব সহজেই স্ক্যালা ল্যাঙ্গুয়েজ শিখতে পারবেন
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৮ - মে সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস