Comjagat.com-The first IT magazine in Bangladesh
  • ভাষা:
  • English
  • বাংলা
হোম > যুক্তরাজ্য পার্লামেন্ট অনলাইনে ছাড়ল ২৫০ পৃষ্ঠার ধ্বংসকর ফেসবুক ডকুমেন্ট
লেখক পরিচিতি
লেখকের নাম: গোলাপ মুনীর
মোট লেখা:২০৪
লেখা সম্পর্কিত
পাবলিশ:
২০১৮ - ডিসেম্বর
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ
লেখার ধরণ:
প্রযুক্তি
তথ্যসূত্র:
প্রযুক্তি অপরাধ
ভাষা:
বাংলা
স্বত্ত্ব:
কমপিউটার জগৎ
যুক্তরাজ্য পার্লামেন্ট অনলাইনে ছাড়ল ২৫০ পৃষ্ঠার ধ্বংসকর ফেসবুক ডকুমেন্ট
যুক্তরাজ্য পার্লামেন্ট অনলাইনে ছাড়ল ২৫০ পৃষ্ঠার ধ্বংসকর ফেসবুক ডকুমেন্ট
গোলাপ মুনীর

যুক্তরাজ্য পার্লামেন্ট চলতি ডিসেম্বরের প্রথম দিকে প্রায় ২৫০ পৃষ্ঠার ফেসবুকের ধ্বংসকর ইন্টারনাল ডকুমেন্ট অনলাইনে পোস্ট করেছে সর্বসাধারণের পাঠোপযোগী করে। এসব ডকুমেন্টে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে মার্ক জুকারবার্গ ও শেরিল স্যান্ডবার্গের মধ্যে লেনদেন হওয়া ই-মেইলগুলো। এসব ই-মেইলের বিষয়বস্তু হচ্ছে ফেসবুক কোম্পানির বিজনেস মডেল সংক্রান্ত এবং এই কোম্পানি কী করে আপনার-আমার ডাটা ব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্থ কামাচ্ছে, সে বিষয়ের ই-মেইলও এগুলোতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আসলে ফেসবুক চায়নি এমনটি ঘটুক। গত ৪ ডিসেম্বর একজন ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ অনলাইনে পাবলিক লিডাম্প করেন ফেসবুকের এই বিপুল পরিমাণ স্পর্শকাতর অভ্যন্তরীণ ডকুমেন্ট। তিনি এগুলো এমনভাবে অনলাইনে ছাড়েন, যাতে যেকেউ ডাউনলোড করে তা পড়তে পারেন।
এই ডকুমেন্টগুলোয় বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে ফেসবুকের বিভিন্ন অ্যাপের ডিস্ট্রিভিউশন সম্পর্কে; কী করে কোম্পানিটি খুবই ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে বিভিন্ন অ্যাপ ডেভেলপারদের সাথে তাদেরকে ইউজার ডাটায় প্রবেশে অ্যাক্সেস দেয়ার জন্য এবং বিশেষ করে কীভাবে ফেসবুক কোম্পানি প্ল্যাটফরমে শেয়ারিং ইনসেন্টিভাইজ করেছে এই ডাটা অ্যাডভার্টাইজের ফিডব্যাক দেয়ার ব্যাপারে। কীভাবে কোম্পানিটি ডাটা লুকাতে ও ডাটার পরিমাণ কমাতে চেষ্টা করেছে, যেসব ডাটা এটি সংগ্রহ করেছিল ফেসবুক অ্যাপের অ্যান্ড্রয়িড সংস্করণ থেকে তারও বর্ণনা রয়েছে এসব ডকুমেন্টে। এই ডকুমেন্টে আরো রয়েছে ফেসবুকের সিইও মার্ক জুকারবার্গের সাথে কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিনিময় করা ই-মেইলগুলোও। এসব শীর্ষ কর্মকর্তার মধ্যে কোম্পানির সিওও শেরিল স্যান্ডবার্গও রয়েছেন।
ডকুমেন্টটিতে জুকারবার্গের বেশ কিছু ই-মেইল এক্সিবিট আকারে প্রকাশ করা হয়। এখানে আমাদের পাঠকদের উদ্দেশে মাত্র দুটি এক্সিবিট নমুনা হিসেবে দেখানে হলো :

Exhibit 170 : Mark Zuckerberg discussing linking data to revenue.
Mark Zuckerberg email - dated 7 October 2012
ÒIÕve been thinking about platform business model a lot this weekend...if we make it so devs can generate revenue for us in different ways, then it makes it more acceptable for us to charge them quitea bit more for using platform. The basic idea is that a other revenue you generate for us earns you a credit towards whatever fees you own us for using platform. For most developers this would probably cover cost completely. So instead of every paying us directly, they'd just use our payments or ads products. A basic model could be:
Login with Facebook is always free Pushing content to Facebook is always free Reading aûthing, including friends, costs a lot of money. Perhaps on the order of $0.10/user each year.
For the money that you owe, you can cover it in a of the following ways :
Buys ads from us in neko or another system Run our ads in your app or website (canvas apps already do this)
Use our payments Sell your items in our Karma store.
Or if the revenue we get from those doesn't add up to more that the fees you owe us, then you just pay us the fee directly.

Exhibit 38 : Mark Zuckerberg discussing linking data to revenue.
MZ email 27 October 2012to Sam Lessinat Facebook
Therese a big question on where we get the revenue from. Do we make it easy for devs to use our payments/ad network but not require them? Do we require them? Do we just charge a rev share directly and let devs who use them get a credit against what they owe us? ItÕs not at all clear to me here that we have a model that will actually make us the revenue we want at scale.

ÔIÕm getting more on board with locking down some parts of platform, including friendÕs data and potentially email addresses for mobile apps.Õ
IÕm generally skeptical that there is as much data leak strategic risk as you think. I agree there is clear risk on the advertiser side, but I havenÕt figured out how that connects to the rest of the platform. I think we leak info to developers, but I just can't think if a instances where that data has leaked from developer to developer and caused a real issue for us. Do you have examples of this?......
Without limiting distribution or access to friends who use this app, I don't think we have a way to get developers to pay us at all besides offering payments and ad networks.

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ এমপি এবং ‘ডিজিটাল কালচার, মিডিয়া অ্যান্ড সায়েন্স কমিটির’ চেয়ারম্যান ড্যামিয়ান কলিনস এই ডকুমেন্ট সাধারণ্যে প্রকাশ করেন। তিনি এই ডকুমেন্টের সারসংক্ষেপ তুলে ধরতে গিয়ে বলেন :
Facebook knew that the changes to its policies on the Android mobile phone system, which enabled the Facebook app to collect a record of calls and texts sent by the user would be controversial. To mitigate a bad PR, Facebook planned to make it as hard of possible for users to know that this was one of the underlying features of the upgrade of their app.

ড্যামিয়ান কলিনস এই ডকুমেন্টের একটি লিঙ্ক টুইট করেন, যা পার্লামেন্টের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে হোস্ট করা হয়। কলিনস তার টুইট বার্তায় লেখেন এই ডকুমেন্ট উন্মুক্ত করার পেছনে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট রয়েছে। এসব ডকুমেন্ট ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে কী করে ফেসবুক ইউজারদের ডাটা কাজে লাগায়? অ্যাপ ডেভেলপারদের সাথে তাদের কাজ করার নীতিটা কী? আর সামাজিক যোগাযোগ বাজারে ফেসবুক তাদের প্রাধান্যকর ভ‚মিকাকে কীভাবে ব্যবহার করে?

ড্যামিয়ান কলিনস আলোচ্য এই ডকুমেন্ট হাতে পান বরং অস্বাভাবিক এক উপায়ে। ইুুঁভববফ ঘবংি সম্প্রতি প্রকাশিত এক খবরে জানিয়েছে কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর টেড ক্রেমার কল করেন ঝরী৪ঞযৎবব-কে, যেটি অতীতে ফেসবুক ডাটা ব্যবহার করেছে। এখন এটি ক্যালিফোর্নিয়ায় মামলায় লড়ছে ফেসবুকের বিরুদ্ধে। এই মামলার ডিসকোভারির একটি অংশ হিসেবে ক্রেমারকে দেয়া হয় একটি সিল করা ডকুমেন্ট। ক্রেমার তখন এই ডকুমেন্ট নিয়ে যুক্তরাজ্য সফর করেন। সেখানে তিনি সাক্ষাৎ করেন এক গোপন লিগ্যাল পাওয়ারের সাথে। ক্রেমার চান এই ডকুমেন্ট কলিনস কমিটিকে দিতে। ফেসবুকের জনৈক মুখপাত্র এক বিবৃতির মাধ্যমে মাদারবোর্ড মিডিয়াকে বলেন, ‘আমরা বহুবার যেমনটি বলেছি যে, ঝরী৪ঞযৎবব ডকুমেন্ট সংগ্রহ করা হয়েছিল তাদের ভিত্তিহীন মামলার জন্য। এটি হচ্ছে এই স্টোরির এক অংশ মাত্র এবং তা এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর অতিরিক্ত কনটেক্সট ছাড়া।’
পত্রিকায় লেখাটির পাতাগুলো
লেখাটির সহায়ক ভিডিও
২০১৮ - ডিসেম্বর সংখ্যার হাইলাইটস
চলতি সংখ্যার হাইলাইটস